বকশীগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বেতন-ভাতা আটকে ৩ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ

বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম

আবু তাহের, বকশিগঞ্জ প্রতিনিধি।

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা আটকে রেখে প্রত্যেকের কাছে তিন লাখ টাকা করে দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে পকেট কমিটি গঠনের অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এসব অভিযোগের প্রতিকার ও সুবিচার চেয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেছেন অভিযোগকারীরা।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম তাঁর নিকটাত্মীয়দের নিয়ে একটি পকেট কমিটি গঠন করে সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মনীতি উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছামতো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি শিক্ষকদের সরকারি অংশের বেতন-ভাতা বিতরণেও স্বেচ্ছাচারিতা করছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে প্রতিষ্ঠানটির ১৫ জন শিক্ষকের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছিল। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে কয়েকজন শিক্ষকের টানা ৯, ৮ ও ৬ মাস পর্যন্ত বেতন-ভাতা আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষকদের দাবি, আটকে রাখা বেতন-ভাতা ছাড়ের অনুরোধ জানালে অধ্যক্ষ প্রত্যেকের কাছে তিন লাখ টাকা করে দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা না দিলে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন বেতন-ভাতা বন্ধ থাকায় শিক্ষক-কর্মচারীরা আর্থিক সংকটে পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন। তাঁরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষকদের বকেয়া বেতন-ভাতা দ্রুত পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

বকশীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আজাদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, আগামী সপ্তাহে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যোগাযোগের ঠিকানা:

বাংলাদেশ বার্তা টুডে

৫৬, চানখারপুল লেন, নাজিমুদ্দিন রোড, বংশাল, ঢাকা-১১০০

ইমেইল: info@bangladeshbartatoday.com