নির্বাচন
যে কোনো দলের বৈধ প্রার্থী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
যে কোনো দলের বৈধ প্রার্থী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মো: ছাব্বির হাসান,নওগাঁ বিশেষ প্রতিনিধি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন না হওয়ায় আইন অনুযায়ী যে কোনো দলের যোগ্যতা থাকা সব বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠক করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম। আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হলে বিএনপির অবস্থান কী হবে—এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে তো আওয়ামী লীগ হিসেবে নির্বাচন করছে না। দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগই নেই। কারণ, দলীয় মনোনয়নও থাকছে না, দলীয় প্রতীকও থাকছে না। তিনি বলেন, স্থানীয়ভাবে দল সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। উপজেলা বিএনপি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে একজন সমর্থিত প্রার্থী ঠিক করে দিতে পারে। দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পর্যায় থেকেও স্থানীয় বিএনপিকে সব ইউনিয়নে একক সমর্থিত প্রার্থী রাখার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি কোনো আলাদা অবস্থান নেবে না জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, সরকারের ভূমিকা থাকবে নির্বাচন কমিশনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করা। তিনি বলেন, দলীয়ভাবে নির্বাচন হচ্ছে না। বৈধ প্রার্থী হিসেবে যারা নির্বাচন করবে, তাদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং তারা যেন সঠিকভাবে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারেন, সেজন্য নির্বাচন কমিশনকে স্থানীয় প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় প্রশাসন সহযোগিতা করবে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে সরকারের বার্তা কী—জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের মেসেজ ক্লিয়ার। যেহেতু এটি দলীয় নির্বাচন নয়, ফলে এই নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে যাদের যোগ্যতা আছে আইন অনুযায়ী তারা সবাই অংশগ্রহণ করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে যা যা করা প্রয়োজন তা করতে জনগণের সরকার এবং সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনা রয়েছে।
জকিগঞ্জে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় যারা
সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় যারা ও এবার চমক হিসেবে রয়েছে নতুন মুখ। চলতি বছরের শেষ প্রান্তরে (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) স্থানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচনের পাশাপাশি ধাপে ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর স্থানীয় সরকার কাঠামোর পুনর্গঠন ও আইন সংস্কারের কাজ চলছে। নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ও বিস্তারিত তপশিল নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে। উপজেলা নির্বাচনের সার্বিক কাঠামো এবং প্রস্তুতি সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো- নির্বাচনের সময়সূচি ও রোডম্যাপ এবংপরিকল্পনা: সরকার বর্তমানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরপর পর্যায়ক্রমে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচন ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু জকিগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন যারা,জকিগঞ্জ পৌরসভার প্রথম ও প্রতিষ্ঠাকালীন পৌর মেয়র এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান,সিলেট জেলা কৃষকদলের আহবায়ক বিএনপি নেতা ইকবাল আহমদ তাপাদার,জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুর রহমান,বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ,লেখক,গবেষক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত ও সালিশি ব্যক্তিত্ব হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী,বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ, সাবেক ছাত্রনেতা ও উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সুয়েব লস্কর,সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গোলাম রোকবানী জাবেদ,সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুস ছবুর,বিএনপি নেতা মো. শাহীন আহমদ,মাওলানা বিলাল আহমদ ইমরান,ফয়জুল ইসলাম চৌধুরীসহ নেতৃবৃন্দ প্রমুখ। নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রাথী হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পারেন বলে গুজ্জন রয়েছে ও আলোচনা চলছে। তবে প্রার্থী হওয়া নিয়ে এখন পর্যন্ত কারো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা ঘোষণার খবর পাওয়া যায়নি। সময় যত ঘনিয়ে আসবে নির্বাচনী মাঠ তত সরগরম হতে পারে বলে ধারনা করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকগণ।তফসিল ঘোষণার পর হয়ত কারা শেষ পর্যন্ত প্রাথী হচ্ছেন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। এর বাইরে অনেকের নাম শুনা যাচ্ছে,প্রার্থীরা জোটগত না এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন তাও এখনো সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।তবে এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে খেলাফত মজলিসের মাওলানা মখলিছুর রহমানসহ আরো কয়েকজনের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ১.তপশিল: নির্বাচন কমিশন ও সরকারের রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল ঘোষণা শুরু হতে পারে। নির্বাচন শুরুর পর আগামী ১০ থেকে ১২ মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সকল নির্বাচন সম্পন্ন করার রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে। ২. ভোটকেন্দ্র ও ব্যবস্থাপনা:স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশন কেন্দ্র ও বুথ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরণের পরিবর্তন এনেছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতি ২,০০০ ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।ভোট নির্বিঘ্ন করতে প্রতি বুথে পুরুষ ও নারী ভোটারের সংখ্যা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। ৩. নির্বাচন পদ্ধতি ও পদ: উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীরা সাধারণত কোনো দলীয় প্রতীক বা মনোনয়ন ছাড়া (অদলীয়) স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।একজন ভোটার উপজেলা নির্বাচনের দিন তিনটি ব্যালট পেপারের মাধ্যমে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর একটি চেয়ারম্যান পদের জন্য, একটি ভাইস চেয়ারম্যান এবং অন্যটি সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের জন্য।
আসন্ন ৮নং মালিয়াট ইউপি নির্বাচন: দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী সহ. অধ্যাপক আব্দুল মজিদ শেখ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ৮নং মালিয়াট ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করেছেন শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মজিদ শেখ। তিনি উপজেলার পারখিদ্দাহ্ গ্রামের বাসিন্দা। রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তিনি একজন পরিচিত মুখ। বর্তমানে তিনি কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনিত প্রার্থী। সাবেক ছাত্রনেতা,ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক,জেলা তারেক পরিষদের সাধারন সম্পাদক,বাকশিস কেন্দ্র কমিটির সদস্য। তিনি পারখিদ্দাহ্ গ্রামের মরহুম ওয়াহেদন আলী শেখের সন্তান। সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মজিদ শেখ বলেন, "আমি মালিয়াট ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে পাশে থাকতে চাই। ইউনিয়নের অবহেলিত মানুষের সেবা করা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। মালিয়াট ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই" এজন্য আমি ইউনিয়নবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।" স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে নারী শিক্ষা প্রসার, সামাজিক উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে। এদিকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে মালিয়াট ইউনিয়নে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এরই মধ্যে সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মজিদ শেখকে নিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছ।
আসন্ন আশ্রাফপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় এম. আবু ফয়েজ
আসন্ন ১২ নং আশ্রাফপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এম. আবু ফয়েজকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর সমর্থকদের দাবি, শিক্ষা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে পরিচিত মুখ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। জানা যায়, এম. আবু ফয়েজ ১২ নং আশ্রাফপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের চাঁঙ্গিনীর একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় কৃষক ও ব্যবসায়ী মরহুম আব্দুল মতিনের সাত সন্তানের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। শিক্ষাজীবনে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়া, ঢাকা (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া অধিভুক্ত) থেকে ইসলামিক স্টাডিজ ও হাদিস বিভাগে ফাযিল (বিএ) এবং কামিল (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে সেন্ট্রাল ল' কলেজ, ঢাকা থেকে এলএলবি এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলএম ডিগ্রি লাভ করেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি ১৯৯৬ সালে চাঁদপুর -১,কচুয়া উপজেলা থেকে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সাহেবের হাতে হাত রেখে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন। পরবর্তীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ১ নং সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সাহেবের দীর্ঘ ৯ টি স্কাইপ মিটিংয়ের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই শেষে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির 'আহবায়ক' হিসাবে দায়িত্ব প্রদান করেন। বর্তমানে তিনি কচুয়া উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির টিম লিডার হিসেবে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা জজকোর্টে ( শিক্ষানবিশ) আইনজীবী হিসাবে নিয়মিত প্রাকটিস করছেন। তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এবং একাধিকবার হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি চাঁঙ্গিনী দক্ষিণপাড়ার বাইতুর নূর জামে মসজিদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাইতুর রাসূল (সা.) ইসলামিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক, ড্রিমফিল ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা এবং আশ্রাফপুর আহসানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এম. আবু ফয়েজ উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সমতার ভিত্তিতে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। উল্লেখ্য যে, এম. আবু ফয়েজের আপন সহোদর বড় ভাই এ্যাড. কাজী মাওলানা মোহাম্মদ আবুল হোসেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিপ্লবী সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে এম. আবু ফয়েজ বলেন, “জনগণ যদি আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেন, তাহলে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সেবার মানোন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করব। সকলের দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করছি।” উল্লেখ্য, আসন্ন আশ্রাফপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে এবং স্থানীয় রাজনীতিতে নির্বাচন ঘিরে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।
যুবকদের হাতে বেকার ভাতা নয়, তাদের আমরা কাজ দিতে চাই: জামায়াতে আমীর
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সব ধর্মের মানুষকে বুকে ধারণ করে এগিয়ে যাবো। যুবকদের হাতে বেকার ভাতা নয়, তাদের আমরা কাজ দিতে চাই। পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে পেশাগত দক্ষ করে তোলা হবে। এখানো তো যুবকের বাইরে কাউকে দেখছি না। আপনাদের সঙ্গে আমিও যুবক।
হাদীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদী কে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।
এনসিপি’র ১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা
জুলাই অভ্যুত্থানের গর্ভে তৈরি রাজনৈতিক ধারা পরিবর্তনের জন্য গঠিত রাজিনৈতিক দল জাতীয় নাগরিগ পার্টি (এনসিপি)। অনেক চড়াইউৎরাই পেরিয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১২৫ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার বেলা ১১টার দিকে দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন।
৮ ফেব্রুয়ারি ভোট, ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করবে ইসি
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল আগামী ১১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে। সেদিন জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসিরউদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে তফসিল জানাবেন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। রোববার কমিশনের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
৩০০ আসনে নিষ্কলুষ প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে বিএনপিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে সরকার গঠন করবে বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার রাজধানীর ভাষানটেক এলাকায় ঢাকা-১৭ আসনে আয়োজিত যুব-ছাত্র ও নাগরিক গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রথম পোস্টাল ব্যালটে প্রবাসী ভোটার ৭০,৬৬০ জন
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন চালু হওয়া ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ৭০,৬৬০ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে ৫৯,৫১০ জন পুরুষ ও ১১,১৫০ জন নারী।
নির্বাচনের দিন গণভোট: উপদেষ্টা পরিষদে অধ্যাদেশ পাস
উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ পাস হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদ সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভোটার সংখ্যা প্রায় তের কোটি
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন মোট ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন ভোটার। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী এবারের ভোটার সংখ্যা গতবারের তুলনায় ৩.২ শতাংশ বেড়েছে।
আগামীর নির্বাচন দেশ রক্ষার নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা
আগামী নির্বাচন ও গণভোটে শতভাগ সততা, নিরপেক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, “এবারের নির্বাচন গতানুগতিক কোনো নির্বাচন নয়; এটি দেশ রক্ষার নির্বাচন।”
সরকার গঠন করলে বিএনপির দুর্নীতির বিচার হবে: এনসিপি মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, তার দল সরকার গঠন করলে বিএনপির দুর্নীতির বিচার করা হবে। তিনি বলেন, “বিএনপি চাঁদাবাজি, মাস্তানি এত বেশি করেছে— এগুলো ক্ষমার অযোগ্য। এসব অপরাধের বিচার হওয়া প্রয়োজন। আমরা যদি সরকার গঠন করি, ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত যে দুর্নীতি হয়েছিল, তারও বিচার করব। বাংলাদেশে কেউ অপরাধ করে ছাড় পাবে— এই মানসিকতায় আমরা নেই।”
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে না হলে দেশ অনিশ্চয়তায়: ব্যারিস্টার অসীম
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন দেওয়ার কথা থাকলেও এক বছরের বেশি সময় পার হয়েছে। সংস্কার ও ঐকমত্যের নামে কালক্ষেপণ চলছে, অথচ জনগণের ভোটাধিকার এখনো ফেরত আসেনি।