পলাশবাড়ীতে এলএ শাখার অনিয়ম ও কথিত সাংবাদিক পাপুলের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন
বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে জেলা ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতি ও অনিয়ম এবং কথিত সাংবাদিক পাপুল সরকারের যোগসাজশে জমি জবরদখল ও ক্ষতিপূরণের টাকা কেটে নেওয়ার অভিযোগ তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী। এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে তিনি জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী অভিযোগ করে জানান, সরকারি নোটিশে উল্লিখিত ৩৩.২৫ শতাংশ জমি অধিগ্রহণের পর এলএ শাখার কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, হলুদ সাংবাদিক পাপুল সরকার এবং স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল অপকৌশলে তাঁর আরও প্রায় ৪ শতাংশ জমি অন্যায়ভাবে জবরদখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। স্বার্থান্বেষী এই মহলের স্বার্থে তাঁকে অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং তাঁর বৈধ দোকানপাট ভেঙে ফেলার হুমকি প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, একটি ‘মিস কেস’ সংক্রান্ত মামলায় পূর্বে কোনো ব্যক্তির নাম না থাকলেও, পরবর্তীতে একটি বিশেষ মহলকে অহেতুক সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করে ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ দায়ের করা হয়। এ ছাড়া দীর্ঘ ৭–৮ মাস ধরে তাঁর ক্ষতিপূরণের জন্য প্রস্তুতকৃত চেক অন্যায়ভাবে স্থগিত রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই চেক দেওয়া হলেও মোট বরাদ্দকৃত টাকা থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ কেটে নেওয়া (কর্তন করা) হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর দাবি, বণ্টননামা ও মূল নথিপত্র অনুযায়ী উক্ত জমিতে অন্য কোনো পক্ষের বৈধ কোনো অধিকার নেই। ৩৩.২৫ শতাংশ জমি ছেড়ে দেওয়ার পরও অতিরিক্ত জমি জবরদখলের চেষ্টা বন্ধ করা, কর্তনকৃত টাকা ফেরত দেওয়া এবং এই অনিয়ম ও হয়রানির পেছনে জড়িত এলএ শাখার অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও হলুদ সাংবাদিক পাপুল সরকারের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন জানান।