নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির আয়োজনে ‘মাধুকরী ২৬
বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ এএম
মোঃ জাহিদ হাসান, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ‘মাধুকরী ২৬’ নামে চড়ুইভাতির আয়োজন করেছে নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি। গত ১১ অক্টোবর আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ক্লাবের বিভিন্ন ব্যাচের সদস্যরা অংশ নেন।
চড়ুইভাতিতে খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি ছিল ঝুড়িতে বল নিক্ষেপ, পিলো পাসিং ও র্যাফেল ড্র সহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন। এসব আয়োজনে অংশ নিয়ে সদস্যরা আনন্দ ও উৎসবে মেতে ওঠেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির সহকারী মডারেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আফরিদা জিননুরাইন উর্বী। তিনি বল নিক্ষেপ ও র্যাফেল ড্রতে অংশ নিয়ে আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন।
আয়োজকরা জানান, ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি আনন্দঘন সময় কাটানোর উদ্দেশ্যেই এ আয়োজন করা হয়।
নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি নাইম উদ্দিন রাফি জানান,
আজকের আয়োজনটা সত্যিই অসাধারণ হয়েছে। এই আয়োজনে সবার অংশগ্রহন দেখে খুব ভালো লাগতেছে।
এভাবে প্রোগ্রামটাকে প্রানবন্ত করার জন্য জুনিওরদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
তবে অর্গানাইজিং টিম হিসেবে ১৮ ব্যাচ বড় একটা ধন্যবাদ পাওয়ার দাবিদার। এই আয়োজনটা করার জন্য গত ১সাপ্তাহ থেকে ১৮ব্যাচের জুনিওররা অনেক কষ্ট করে যাচ্ছে। ইভেন আয়োজনটা সুন্দরভাবে সময়ের।মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য আজকে সকাল থেকে তারা কষ্ট করতেছে। পাশাপাশি ১৯ এবং ২০ ব্যাচের কিছু জুনিওরও সকাল থেকে কষ্ট করতেছে। তাদেরকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ অর্গানাইজিং টিমের অংশ হয়ে কাজ করার জম্য।
ক্লাবের সিনিওর এক্সিকিউটিভ মেম্বার আকরাম হোসাইন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন,
ডিববেটিং সোসাইটির নতুন মুখ ১৯/২০ ব্যাচ নিয়ে এটাই প্রথম ইনফর্মাল প্রোগ্রাম ছিলো। সো, জুনিয়র- সিনিয়রদের স্বতঃস্ফূর্ত একটা আয়োজন ছিলো। আমি মনে করি, যেটা ক্লাবের জন্য খুবই ইতিবাচক দিক।
লাস্টলি, অর্গাইনাজার হিসেবে সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করার পরে যখন শুনতে পাই, ভাই খাবারটা সেরাহ ছিলো। "ডালের স্বাদটা এখনো মুখে লেগে আছে","টমেটো চাটনীটা বেস্ট হইছে" দিনশেষে এগুলাই সার্থকতা।
জুনিয়র -সিনিয়র মিলিয়ে এমন প্রোগ্রাম আরো হোক, ডিএস এগিয়ে যাক। এটাই প্রত্যাশা।।।
ক্লাবের জেনারেল মেম্বার মাহবুবা রিচি বলেন,
গতকালের চড়ুইভাতির আয়োজনটা সত্যিই অনেক সুন্দর ছিল। সবার সঙ্গে একসঙ্গে সময় কাটানো,খাওয়া দাওয়া,আনন্দ করা, সব মিলিয়ে দিনটা বেশ ভালো কেটেছে। এমন ছোট ছোট আয়োজনই আমাদের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক তৈরি করে এবং অনেক স্মৃতি উপহার দেয়।তার ওপর আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিতে খেলাধুলার সেগমেন্ট ও রাখা হয়েছিলো, অনুষ্ঠানে র্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে একটি পুরস্কার ও পেয়েছিলাম,যদিও একদম অপ্রত্যাশিত ছিল, তাই আনন্দটাও একটু বেশি।
এত সুন্দর একটা আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে ভালো লেগেছে। যারা আয়োজনের পেছনে পরিশ্রম করেছেন, সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আশা করি, ভবিষ্যতেও এমন সুন্দর আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সবাই একসঙ্গে অনেক আনন্দময় মুহূর্ত কাটাতে পারব।
ধন্যবাদ সবাইকে।