পঞ্চগড়ের ২৬৮ পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তায় এসআরবি-১৩
বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি : সঞ্জু বনিক সৌরভ
পঞ্চগড়ের ২৬৮টি মন্দির ও পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৩। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে বাড়ানো হয়েছে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা কার্যক্রম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে জোরদার করা হয়েছে সাইবার মনিটরিং।
গতকাল রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় সার্বজনীন দুর্গামন্দিরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। এসআরবি-১৩ রংপুরের পক্ষে ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবু রোহানী পারভেজ রনী।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্তসংখ্যক এসআরবি সদস্য মোতায়েন থাকবেন। আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার থাকবে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে এসআরবি-১৩।
কোনো মন্দির বা পূজামণ্ডপে হামলা, ভাঙচুর, চুরি কিংবা অন্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিমা বিসর্জনের দিনও অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানানো হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট কিংবা নাশকতার কোনো চেষ্টা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত এসআরবিকে জানাতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাইবিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। অনলাইনে গুজব ও মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধে এসআরবির সাইবার মনিটরিং দল সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদ্যাপন কমিটি, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপন সম্ভব। সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।