শিক্ষকদের পে-স্কেল ফিক্সেশনে চরম ব্যস্ততা: ওটপি জালিয়াতি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান
বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২১ এএম
মোঃ মিলন শাহ , বিশেষ প্রতিনিধি ,পত্নীতলা , নওগাঁ :
জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী শিক্ষক ও কর্মচারীদের পে-স্কেল ফিক্সেশন (Pay Scale Fixation) সংক্রান্ত কাজ ত্বরান্বিত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। তবে ফিক্সেশন প্রক্রিয়ায় ওটিপি (OTP) লেনদেনের বিষয়টি জড়িত থাকায় প্রতারক ও জালিয়াতি চক্র যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সুযোগ নিতে না পারে, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, পে-স্কেল ফিক্সেশন কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষক ও কর্মচারীদের আইপিইএমআইএস (IPEMIS) এবং আইবাস++ (iBas++) সিস্টেমে ব্যবহৃত জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং নিবন্ধিত সঠিক মোবাইল নম্বর সংক্রান্ত তথ্যাদি প্রয়োজন হচ্ছে।
এ বিষয়ে ধামইরহাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আতিকুর রহমান জানান, কম্পিউটার সিস্টেমে ফিক্সেশনের কাজ সম্পন্ন করার সময় সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (OTP) কোড যাচ্ছে। কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে ওই নম্বরটি সাথে সাথে ডাটা এন্ট্রির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে জানিয়ে সহায়তা করতে হবে।
শিক্ষা অফিস সহকারী মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, “শিক্ষকদের মোবাইলে প্রেরিত ওটিপির এসএমএস-এ স্পষ্টভাবে ‘iBas++’ লেখা থাকবে। সুতরাং আইবাস সার্ভিস সংক্রান্ত এসএমএস নিশ্চিত হয়েই কেবল দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিকে ওটিপি শেয়ার করতে হবে।”
গত ১২ অক্টোবর (সোমবার) বিকাল ৪:৩০ ঘটিকায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এক মুহূর্ত দম ফেলার সুযোগ নেই। উপজেলা সঃ প্রাঃ শিক্ষা অফিসার মোঃ আনোয়ার হোসেন , অফিস সহকারী মোঃ আব্দুল বাড়ী, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ মনোয়ার হোসেন এবং অফিস সহায়ক মোঃ মাসুদ ও মোঃ হাফিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে আসা প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের ফিক্সেশন সংক্রান্ত সেবা প্রদানে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন।
এদিকে প্রশাসনিক কার্যক্রমের সুবিধার্থে ওটিপি বিনিময়ের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কোনো বহিরাগত বা প্রতারক চক্র যাতে শিক্ষকদের ভুল বুঝিয়ে অর্থ আত্মসাৎ বা তথ্য হাতিয়ে নিতে না পারে, সেজন্য সকলকে সচেতন থাকার পরম পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আইবাস ছাড়া অন্য কোনো অচেনা নম্বর বা সন্দেহজনক ব্যক্তির ফোন কলে ওটিপি কোড না দেওয়ার জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে।