ঠাকুরগাঁওয়ে ২ হাজার ১৩৭ কৃষক পাচ্ছেন কৃষক কার্ড
বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :
পহেলা অক্টোবর থেকে ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষক কার্ডের পাইলট প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। জেলার দুটি ব্লকের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র ২ হাজার ১৩৭ জন কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে এসব কৃষক সরকারি কৃষিসেবা ও বিভিন্ন প্রণোদনা পাবেন। পাশাপাশি প্রত্যেক কৃষক বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পাবেন। মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পাইলট প্রকল্পের আওতায় রুহিয়া উপজেলার কুজিশহর ইউনিয়নের একটি ব্লকের ১ হাজার ১৭২ জন এবং ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কহরপাড়া গ্রামের একটি ব্লকের ৯৬৫ জন কৃষক এ সুবিধা পাবেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রংপুর বিভাগীয় পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মো. আবু জাফর। তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রকৃত ও প্রান্তিক কৃষকদের সরকারি সহায়তার আওতায় নিয়ে আসা। কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে প্রকৃত কৃষক নির্বাচন, তথ্য যাচাই এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই যেন প্রকৃত কৃষক বাদ না পড়েন এবং অনুপযুক্ত কেউ সুবিধা না পান, সেদিকে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, কৃষকের কাছে সরকারি সেবা ও প্রণোদনা সহজে পৌঁছে দিতে কৃষক কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষকদের তথ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করতে হবে এবং মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার আলোকে পরবর্তী সময়ে এর কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নাজমুল হক সুমন। এছাড়া বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ও ঠাকুরগাঁও চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মামুন উর রশিদ, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম রাজিউল ফারুক রোমেল চৌধুরী, ঠাকুরগাঁও জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমা পারভীন এবং ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক নবীন হাসানসহ অন্যরা।
সভায় কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের করণীয়, উপকারভোগী নির্বাচন, তথ্য যাচাই এবং মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।