বাংলাদেশ বার্তা টুডে
গঙ্গাচড়ায় লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে প্রতীকী গায়েবানা জানাজার ঘোষণা, আপাতত স্থগিত
পূর্বঘোষিত প্রতীকী গায়েবানা জানাজার কর্মসূচি স্থগিত রেখে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা। রোববার দুপুরে উপজেলার জিরো পয়েন্টে ‘গঙ্গাচড়া উপজেলার সচেতন ছাত্রজনতা’র ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন। মানববন্ধনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গঙ্গাচড়া উপজেলা সংগঠক মোহাইমিনুল ইসলাম আহাদের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদল নেতা মমিনুল ইসলাম বাবু, বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল হুদা, জাতীয় ছাত্রশক্তির উপজেলা আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল আরমান, ছাত্র প্রতিনিধি মিসবাহ-উল ইসলাম ফাহিম, মুহাইমিনুল ইসলাম আহাদ ও ছাত্রনেতা শাহজালাল শ্রাবণ। বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও পরীক্ষার প্রস্তুতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, পাশাপাশি রাতের ঘুমও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তারা বলেন, বিদ্যুৎ এখন মানুষের মৌলিক চাহিদার অংশ হলেও গঙ্গাচড়ার মানুষ নিয়মিত এ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সমাবেশে বক্তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে পূর্বঘোষিত প্রতীকী গায়েবানা জানাজাসহ আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে। এ কারণে আপাতত গায়েবানা জানাজার কর্মসূচি স্থগিত রেখে কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিস্তার ভাঙনে বিপর্যস্ত নোহালী, তিন দাবিতে স্মারকলিপি
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের নদীভাঙন রোধ, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার এবং মুমূর্ষ রোগীদের পারাপারের জন্য একটি স্পিডবোটের দাবিতে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে নোহালী ইউনিয়নের ২, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনের কাছে স্মারকলিপি দেন। পরে তারা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছেও একই দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বন্যায় ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের প্রায় ১২ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে গঙ্গাচড়া ও কালিগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারছে না। পাশাপাশি হাটবাজারে যাতায়াত এবং রোগী পরিবহনেও চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, কাচারিপাড়া, ব্রিফ বাজার, চর বাগডোহারাসহ মিনারবাজার থেকে চরনোহালী হয়ে কালিগঞ্জ খেয়াঘাট পর্যন্ত স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বেড়িবাঁধের দুই পাশে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসতবাড়ি, কৃষিজমি, হাটবাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি ক্লিনিক নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভাঙন রোধে পাউবোর ফেলা জিওব্যাগ প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলেও দাবি করা হয়। এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন রোধ, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার এবং মুমূর্ষ রোগীদের জন্য একটি স্পিডবোট বরাদ্দের দাবি জানান এলাকাবাসী। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ বলেন, স্মারকলিপির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে একটি স্পিডবোট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রসূতি, গুরুতর অসুস্থ রোগী এবং পরীক্ষার্থীদের জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত মূল ভূখণ্ডে আনা-নেওয়া করা যায়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, নদীভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত সংস্কারের জন্য এলজিইডিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি চরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
বারহাট্টা উপজেলা ছাত্রদলের বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত
নেত্রকোনা বারহাট্টা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। নেত্রকোনা জেলা ছাত্রদল কর্তৃক বারহাট্টা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের জোবায়েদ হোসেনকে সভাপতি ও শাকিব তালুকদারকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি অনুমোদনের পর আনন্দ মিছিল ও বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও বারহাট্টা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে এ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি'র সিনিয়র সহ-সভাপতি আক্কাছ আলী, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মানিক আজাদ, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম রব্বানী, সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামীম, মনিরুজ্জামান লালু,আলতাবুর রহমান হানিফ, যুগ্ম সম্পাদক জসিম উদ্দিন তালুকদার, বারহাট্টা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামাল আজাদ বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন মনু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবুল খায়ের তালুকদার,, সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল কাদির খান, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক জিয়াউল হক জিয়া, ছাত্রদলের আহবায়ক তরিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব সাজরুল ইসলাম, বারহাট্টা সরকারি কলেজের সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান মুন্নাসহ আরো অনেকে। আনন্দ মিছিল শেষে বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, জেলা ছাত্রদল কর্তৃক ঘোষিত কমিটির মাধ্যমে বারহাট্টা সরকারি কলেজ ছাত্রদল আরও সুসংগঠিত হবে এবং দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম বেগবান হবে। এসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নেতাকর্মীরা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বোয়ালখালীতে আমান আলী ও নজু মিয়া ফকির সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বহদ্দারপাড়া এলাকার আমান আলী ও নজু মিয়া ফকির সড়কের উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) সকালে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ও বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. শওকত আলম। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়ন কাজের সূচনা করেন বোয়ালখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজি আবু আকতার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোয়ালখালী পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হীদুল্লাহ চৌধুরী, বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম, পৌরসভা বিএনপি নেতা ও কাস্তুরী হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের পরিচালক মো. লোকমান, বিএনপি নেতা বশির আহমদ, মো. সেলিম, যুবদল নেতা একরামুল হক জিকু, বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন, খোরশেদ আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকাবাসী। বক্তারা বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ এরশাদ উল্লাহ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মো. শওকত আলম, বোয়ালখালী পৌর প্রশাসক কানিজ ফাতিমা এবং হাজি আবু আকতারের আন্তরিক সহযোগিতায় দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। তারা আরও বলেন, সড়কটির উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে স্থানীয় জনগণের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ হবে এবং এলাকার সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।
গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে অনিয়ম দেখে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ক্ষোভ
গাইবান্ধা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নানাবিধ অনিয়ম, দুর্নীতি, ওষুধ সংকট ও সার্বিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের নাজুক অবস্থা দেখে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একইসাথে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ এবং গাইবান্ধায় ১০১ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। আজ দুপুর কোনো প্রটোকল ছাড়াই তিনি হাসপাতালটিতে যান। এ সময় তিনি জরুরি বিভাগ, বিভিন্ন ওয়ার্ড ওষুধ ভাণ্ডার ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে রোগী ও তাদের স্বজনদের কাছ থেকে নার্সদের দায়িত্বে অবহেলা, প্রয়োজনীয় ওষুধ না পাওয়া এবং চিকিৎসা সেবায় দুর্ভোগের কথা শোনেন মন্ত্রী। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিভিন্ন রোগী শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। রোগীদের অভিযোগ শোনার পর মন্ত্রী বলেন, "জনগণের সেবার জন্য এই হাসপাতাল। এখানে এমন অব্যবস্থাপনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।" পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় মন্ত্রী বলেন, গাইবান্ধার চিকিৎসা সেবা আরও সহজ করতে সরকার উপজেলা পর্যায়ে ১০১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে। এতে সদর হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।" এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা, পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন মাননীয় এমপি আব্দুল করিম, সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান সহ স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। মন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শন ও কঠোর নির্দেশে রোগী ও স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।
শিশুর সুস্থতা ও রোগ প্রতিরোধে মাতৃদুগ্ধের বিকল্প নেই: মহালছড়িতে সপ্তাহব্যাপী সচেতনতার সূচনা
"মায়ের দুধই শিশুর সর্বোত্তম পুষ্টি"—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (০২ আগস্ট) সকাল ১১টায় মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এনসিটি কর্নারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। সভায় মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব, নবজাতকের সুস্থ বৃদ্ধি, অপুষ্টি প্রতিরোধ এবং মায়েদের সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ধনিষ্ঠা চাকমা, এসআই মোঃ আব্দুল আওয়াল, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এডিন চাকমা এবং মহালছড়ি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছানোয়ার হোসেন। বক্তারা বলেন, জন্মের পরপরই শিশুকে শালদুধ (কলোস্ট্রাম) পান করানো এবং প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানো শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে শিশুর দুই বছর বয়স বা তারও বেশি সময় পর্যন্ত পরিপূরক খাবারের পাশাপাশি মাতৃদুগ্ধ পান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে সচেতনতামূলক কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকরা। এই কর্মসূচি ১ আগষ্ট থেকে ৭ আগষ্ট পর্যন্ত চলমান থাকবে
রাঙ্গুনিয়ায় ইমাম আ'লা হযরত ১০৮তম ওরশ ও পুরষ্কার বিতরনী সভা অনুষ্ঠিত
ইমাম আ' লা হযরত আহমদ রেজা খান বেরলভীর ১০৮তম ওরশ ও পুরস্কার বিতরনী সভা ইমাম আ'লা হযরত রিসার্চ ফোরাম রাঙ্গুনিয়ার ব্যবস্থাপনায় অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতী মুজিবুর রহমান নেজামীর সভাপতিত্বে ০১ আগস্ট (শনিবার) বিকাল ৫টায় চন্দ্রঘোনা খানকায়ে কাদেরীয়া সৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়া তাহেরিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার সিনিয়র আরবী প্রভাষক আল্লামা হাফেজ আনিসুজ্জামান আল কাদেরী, উদ্ধোধক ছিলেন আ'লা হযরত রিসার্চ ফোরাম রাঙ্গুনিয়ার আহবায়ক মাওলানা সালাহ উদ্দিন নেজামী। শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলোয়াত করেন হাফেজ আরিফুল ইসলাম, নাত পরিবেশন করেন মাওলানা হাফেজ জামাল উদ্দিন, এতে বক্তব্য রাখেন মাওলানা হাফেজ সুলতান মাহমুদ, আশরাফ উদ্দিন সরোয়ার, মাওলানা শওকত হোসেন রেজভী, মাওলানা আশরাফুজ্জামান আল কাদেরী, সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন আল্লামা হাফেজ আনিসুজ্জামান আল কাদেরী, প্রফেসর মো জসিম উদ্দিন, মো শামসুল আলম কন্ট্রাক্টর, মাওলানা ইলিয়াছ আহমদ নঈমী, অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, জামাল উদ্দিন, লোকমান হোসেন, মাওলানা সালাহ উদ্দিন নেজামী। কালামে রেজা পাঠ করেন মাওলানা শায়ের হারুনুর রশিদ আল কাদেরী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি মোহাম্মদ ইলিয়াছ তালুকদার, সাধারন সম্পাদক নূরুল আবছার চৌধুরী, মাওলানা আবদুস সাত্তার আল কাদেরী, ব্যাংকার মুহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম, মাওলানা ইদ্রিস নইমী, মাওলানা ক্বারী সাইফুল ইসলাম কাদেরী, মাওলানা হাফেজ মামুনুর রশিদ, মাওলানা মো: হারুনুর রশিদ, মাওলানা লোকমান হোসাইন, মাওলানা হাফেজ জামাল উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম মুন্না, মোজাম্মেল হক রেজা কাদেরী, হাজী সোলায়মান সওদাগর, শফিকুল ইসলাম হিরু, সাইফুল ইসলাম সাকিবী প্রমুখ।
বোয়ালখালী পূজা উদযাপন পরিষদ'র ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন: নেতৃত্বে স্বপন- মুক্তি- বিপ্লব
ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাংগঠনিক শক্তি আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন নেতৃবৃন্দ। শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা সদরের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন পূজা উদযাপন পরিষদ বোয়ালখালী উপজেলার সাবেক সভাপতি স্বপন শীল। শিক্ষক প্রলয় চৌধুরী (মুক্তি'র) সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বোয়ালখালী উপজেলার সদস্য সচিব সরোজ চৌধুরী, ঐক্য পরিষদ কধুরখীল শাখার সভাপতি পার্থ সারথী চৌধুরী, প্রসুন কুমার লালা, বিষ্ণুপদ শীল, বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা পরিষদ বোয়ালখালী উপজেলার প্রধান উপদেষ্টা বিপ্লব দাশ বাবু, ঐক্য পরিষদ বোয়ালখালী পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক বিষু ঘোষ, বাগীশিক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রানু মজুমদার, যুব ঐক্য পরিষদ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার প্রচার সম্পাদক বিকাশ নাথ, বাগীশিক বোয়ালখালী উপজেলার হিসাব ও নিরীক্ষক বিষয়ক সম্পাদক সুজন দত্ত, সত্যজিৎ সরকার পিন্টু, সাংবাদিক ও সংগঠক বিপ্লব জলদাশ, লিটন চৌধুরী, রাজীব মল্লিক, প্রভাত শীল, সজল নাথ, সাধন শীল, সুব্রত চক্রবর্তী, নিলয় চৌধুরী, দুলাল নাথ, জয় দাশ, পিন্টু মল্লিক, জিকু শীল, পুলক নাথ, রুপন দেবনাথ, বাবুল শীল ও টিটু নন্দী। বক্তারা সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, পারস্পরিক ঐক্য ও সম্প্রীতি অটুট রাখা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবগুলো শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা। পরে সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পার্থ সারথী চৌধুরী। রানু মজুমদার'র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন পূজা উদযাপন পরিষদ বোয়ালখালী উপজেলার সাবেক সভাপতি স্বপন শীল। দ্বিতীয় অধিবেশনে উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিক্রমে স্বপন শীলকে সভাপতি, শিক্ষক প্রলয় চৌধুরী (মুক্তি)কে সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা পরিষদ বোয়ালখালী উপজেলার প্রধান উপদেষ্টা বিপ্লব দাশ বাবুকে অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। সর্বসম্মতিক্রমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বোয়ালখালী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে সংগঠনটি আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে-এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা ২০২৬ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা ২০২৬ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২ আগস্ট) সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগ সাতক্ষীরার আয়োজনে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে ও ফেস্টুন উড়িয়ে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি'র সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম, সামাজিক বন বিভাগ যশোর এর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অমিতা মন্ডল, জেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুহা: আবুল খায়ের, সামাজিক বনায়ন জোন সাতক্ষীরার সহকারী বোন সংরক্ষক প্রিয়াঙ্কা হালদার, একুশে টিভি সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি জি এম মনিরুল ইসলাম মিনি, সামাজিক বনায়ন জোন সাতক্ষীরা প্রাপ্ত কর্মকর্তা জিএম মারুফ বিল্লাহ, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোঃ আবুল হোসেন প্রমূখ। মেলার উদ্বোধন পূর্বে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গন হতে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে মেলা প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়। বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এবং ফিতা কেটে দশ দিনব্যাপী বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন শেষে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন অতিথিবৃন্দ।এ সময় জেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বন বিভাগের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
ঝিনাইদহে জুলাই সনদ গনভোট বাস্তবায়নের দাবিতে গণমিছিল ও সমাবেশ
একরামুল ইসলাম তুষার , কালীগঞ্জ ঝিনাইদহ প্রতিনিধি শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে শহরের উজির আলী স্কুল মাঠ থেকে জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি গণমিছিল বের করা হয়। এতে জেলা জামায়াত ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ অংশ নেয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে শহীদ মিনার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সমাবেশে। এতে জেলা জামায়াতের আমীর আলী আজম মোঃ আবুবকর, ঝিনাইদহ ৩ আসনের এমপি মতিয়ার রহমান, ৪ আসনের এমপি মাওলানা আবু তালিবসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।সেসময় বক্তারা, গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর, জুলাই সনদের পুর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
সোনারগাঁয়ে দুই হাসপাতালকে জরিমানা, অপারেশন থিয়েটার সিলগালা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের দুটি বেসরকারি হাসপাতালকে মোট ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই হাসপাতাল পরিচালনা, মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম এবং প্যাথলজি ল্যাবের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এ জরিমানা করা হয় । একই সঙ্গে একটি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) সিলগালা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত রয়েল স্পেশালিস্ট হাসপাতাল ও মেডি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে এ অভিযান পরিচালনা করেন সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, হাসপাতাল দুটির পরিচালনার লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলেও তা নবায়ন করা হয়নি। এছাড়া মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুতর অনিয়ম এবং প্যাথলজি ল্যাবে প্রয়োজনীয় মানদণ্ড অনুসরণ না করার প্রমাণ পাওয়া যায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম জানান, মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২-এর সংশ্লিষ্ট ধারা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী রয়েল স্পেশালিস্ট হাসপাতালকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেডি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানের সময় জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। তিনি আরও জানান, গুরুতর অনিয়মের কারণে মেডি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) সিলগালা করা হয়েছে। জনস্বার্থে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অভিযানকালে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোস্তাফিজুর রহমান দিগন্ত সহআইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে রাউজানে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী সম্পন্ন
বাংলাদেশ সরকারের "৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ" জাতীয় উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০২৬ সালে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলমান। কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য হলো "বৃক্ষ শুধু রোপণ নয়, যত্ন নিয়ে বাঁচাতে হয়"। তারই ধারবাহিকতায় গত ১লা আগষ্ট শনিবার সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম জেলা কমিটি এর উদ্যোগে রাউজানের ১২নং উরকিরচর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন সড়কের পাশে বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপন ও বিতরণ করা হয় । এসময় সংক্ষিপ্ত আলোচনা জেলা কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক রতন বড়ুয়ার পরিচালনায় ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অরুপ চন্দ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ১২নং উরকিরচর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দিবস বড়ুয়া, সংগঠনের কার্যকরী সদস্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিক সুপণ বিশ্বাস, সাংবাদিক মিলন বৈদ্য শুভ, সাংবাদিক সঞ্জয় বড়ুয়া মুন্না, পূর্বআবুরখীল তালুকদারপাড়া সার্বজনীন শ্মশান সংস্কার ও পল্লী উন্নয়ণ কমিটির সহ-সম্পাদক সিপলু বড়ুয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক চন্দন বড়ুয়া, দপ্তর সম্পাদক জনি বড়ুয়া, সহ-দপ্তর সম্পাদক সুজিত বড়ুয়া, সহ-দপ্তর সম্পাদক আশু বড়ুয়া, শ্মশান বিষয়ক সম্পাদক স্বপন বড়ুয়া, কার্যকরী সদস্য রুবেল বড়ুয়া টিপুল প্রমুখ। বক্তারা প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
ভাঙ্গায় দালালমুক্ত সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে জোর, বিভিন্ন উদ্যোগ ইউএনওর
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসনিক সেবার স্বচ্ছতা, দালালমুক্ত সরকারি সেবা নিশ্চিতকরণ এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। উপজেলা প্রশাসনের দাবি, এসব উদ্যোগের ফলে সরকারি সেবা আরও সহজ ও জনবান্ধব হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম বাবুলের সার্বিক দিকনির্দেশনায় ভাঙ্গাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশাসন বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ইউএনও মাহমুদুল হাসান উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন। সেবাগ্রহীতারা যাতে কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের মাধ্যমে নয়, সরাসরি সরকারি সেবা পান, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, কৃষি বিভাগে কৃষকদের মাঝে সরকারি প্রণোদনা, সার ও বীজ বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে। সমাজসেবা ও মহিলা বিষয়ক দপ্তরের মাধ্যমে বয়স্ক, বিধবা ও অন্যান্য ভাতাভোগীদের সুবিধা যথাযথভাবে পৌঁছে দিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের উন্নয়ন প্রকল্প এবং ত্রাণ বিতরণেও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচন অফিস, ভূমি অফিস ও অন্যান্য সেবামূলক দপ্তরে সেবা সহজীকরণ, ডিজিটাল কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং হয়রানি কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। শিক্ষা খাতে বিদ্যালয় পরিদর্শন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়া রোধে বিভিন্ন উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। সমাজে বাল্যবিয়ে, মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। পাশাপাশি ভূমি সেবায় ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু ও সেবার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে। ইউএনও মাহমুদুল হাসান বলেন, “সরকারি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জনগণের ভোগান্তি কমানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।” স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সরকারি সেবা গ্রহণে আগের তুলনায় কিছু ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। তবে উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
খানাখন্দে ঝুকিপূর্ণ লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক, বাড়ছে দুর্ঘটনা
উত্তরের গুরুত্বপূর্ণ লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক এখন যেন এক দীর্ঘ ঝুঁকিপূর্ণ পথ। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দ, বৃষ্টির পানিতে গর্ত ঢেকে থাকায় বেড়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন যাত্রী ও চালকরা। প্রায় ১০৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন যাত্রী ও চালকরা। বিশেষ করে বুড়িমারী স্থলবন্দর এলাকায় সড়কের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও পিচ ও কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, আবার কোথাও বৃষ্টির পানিতে গর্ত ঢেকে থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় ছোট ছোট গর্ত এখন বড় আকার ধারণ করেছে। ভারী যানবাহনের চাপ, টানা বর্ষণ এবং অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের কারণে পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবহন শ্রমিক এবং সওজ সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কের প্রায় ৩০টি পয়েন্টে বড় ধরনের খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, পাটগ্রাম এবং বিশেষ করে বুড়িমারী স্থলবন্দরসংলগ্ন অংশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। অনেক স্থানে যানবাহনকে গতি কমিয়ে একপাশ দিয়ে চলতে হচ্ছে। এতে সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট এবং সময় নষ্ট হচ্ছে কয়েক গুণ বেশি। প্রতিদিন এই মহাসড়ক দিয়ে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক, দূরপাল্লার বাস, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স, মোটরসাইকেলসহ হাজারো যানবাহন চলাচল করে। ভারত ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্যের অন্যতম প্রবেশদ্বার বুড়িমারী স্থলবন্দরেও এই সড়কই একমাত্র ভরসা। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে পণ্য পরিবহনে সময় বাড়ছে, পরিবহন ব্যয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ট্রাকচালকরা জানান, বড় বড় গর্ত এড়াতে গিয়ে অনেক সময় বিপরীত লেনে চলে যেতে হয়। এতে মুখোমুখি সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়। রাতের বেলায় কিংবা বৃষ্টির সময় গর্তগুলো বোঝা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। বুড়িমারী স্থলবন্দরের ট্রাকচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, “এই সড়কে এখন স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চালানো যায় না। দুর্ঘটনার কথা ভেবে অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধীরগতিতে চলতে হয়। এতে নির্ধারিত সময়সূচি রক্ষা করা সম্ভব হয় না। আমি দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে ট্রাক চালাই, কিন্তু লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের মতো বেহালদশার সড়ক কোথাও দেখতে পাই না। কোনদিনই এই মহাসড়কের তেমন কোনো উন্নতি দেখি নাই।” আমদানি ও রপ্তানিকারক ব্যবসায়ী শামিম আহমেদ খান জানান, বুড়িমারী স্থলবন্দরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্যবাহী ট্রাক যাতায়াত করে। সড়কের কারণে অনেক ট্রাক বিকল হচ্ছে। যন্ত্রাংশের ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে, জ্বালানি খরচও বেড়েছে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত পণ্যের পরিবহন ব্যয়ের ওপর পড়ছে। মহাসড়কের নাজেহাল অবস্থা আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যকে নাজেহাল করছে। এতে আমরা অর্থনীতিতে বিশেষ ধাক্কা খাচ্ছি। মোটরসাইকেল চালক মিলন বলেন, ছোট যানবাহন, বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার জন্য এই সড়ক সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে। অনেকে আহত হচ্ছেন। মাঝে-মধ্যে ইটের খোয়া বা নিম্নমানের বিটুমিন দিয়ে গর্ত ভরাট করা হলেও কয়েক দিনের মধ্যেই সেগুলো আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। ফলে সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না। বুড়িমারী স্থলবন্দরের ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস (সি অ্যান্ড এফ) অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক হোসেন বলেন, উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি, সীমান্ত বাণিজ্য এবং লাখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের দ্রুত ও স্থায়ী সংস্কারের বিকল্প নেই। সময়মতো কার্যকর উদ্যোগ না নিলে সড়কটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে এবং এর অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষতির পরিমাণও বাড়তে থাকবে। লালমনিরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) কর্মকর্তারা জানান, মহাসড়কটি নিয়মিত মেরামত করা হলেও পাথরবোঝাই ট্রাক চলাচলের কারণে তা বেশি টিকে না। বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে প্রতিটি ট্রাকে ৪০ থেকে ৫০ টন পাথর পরিবহন করা হয়। প্রতিদিন গড়ে ৫০০টি পাথরবোঝাই ট্রাক চলাচল করে। বিশেষ করে ডাম্প ট্রাকগুলো বেশি ক্ষতি করছে। লালমনিরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক বলেন, “গেল অর্থবছরে সড়কটি মেরামতে সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এখনো কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। জরুরি বরাদ্দের টাকা দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে গর্ত ভরাটের পাশাপাশি সাময়িক সংস্কার করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত স্থায়ী সংস্কার শুরু করা হবে।
নেত্রকোনায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারীকে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগে মামলা, ধ/র্ষ/ক পলাতক
নেত্রকোনার বারহাট্টায় ৩৩ বছর বয়সী এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জাহেদ আলী (২২) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে বারহাট্টা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগীর পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের ডেমুরা গ্রামে মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত যুবকের নাম মোঃ জাহেদ আলী (২২)। তিনি একই গ্রামের নওয়াব মিয়ার ছেলে। বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) শফিকুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিন্ত করেন। মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, গত ২৮ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর প্রায় দেড়টার দিকে অভিযুক্ত জাহেদ মিয়া কৌশলে ওই তরুণীকে কামাল মিয়ার বাড়ির রান্না ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরদিন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের কাছে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে ধর্ষণের ঘটনার কথা জানান। পরে ৩০ জুলাই ভুক্তভোগীর মা ফাতেমা আক্তার বাদী হয়ে বারহাট্টা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগীর মা বলেন, আমি আমার মেয়েকে ৩০ বছর ধরে খুব যত্নে লালন-পালন করছি। প্রতিবন্ধী মেয়েটি আমাদের পরিবারের সবার আদরের। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। অন্যদিকে, অভিযুক্তের মা ও স্ত্রী অভিযোগ স্বীকার স্বীকার করে তাদের বক্তব্যে বলেন, তারা ভুক্তভোগীকে বিয়ে করাতে রাজি আছেন। বারহাট্টা থানার তদন্ত কর্মকর্তা শফিকুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।