শতবর্ষের আলো ছড়াচ্ছে ধামরাইয়ের জলসীন এলোকেশী উচ্চ বিদ্যালয়
বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
বিশেষ প্রতিনিধিঃ সঞ্জয় মজুমদার:
ঢাকার ধামরাই উপজেলার নান্নার ইউনিয়নের জলসীন গ্রামে শতবর্ষেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে জলসীন এলোকেশী উচ্চ বিদ্যালয়। একটি ঐতিহাসিক জমিদারবাড়ির অংশবিশেষ থেকে গড়ে ওঠা এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইতিহাস কেবল একটি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাহিনি নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ধর পরিবারের ঐতিহ্য, দেওয়ান মোহিনী মোহন ধরের কর্মজীবন, মাতৃস্মৃতি, ময়ূরভঞ্জ রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাস এবং ভারতের শিল্পায়নের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
বিদ্যালয়ের বর্তমান অবকাঠামো আধুনিকতার পরিচয় বহন করলেও এর চারপাশে ছড়িয়ে থাকা পুরোনো স্থাপনা ও পারিবারিক স্মৃতি এখনও অতীতের সাক্ষ্য বহন করছে। স্থানীয় ও পারিবারিক ইতিহাসের বর্ণনা অনুযায়ী, জলসীনের ঐতিহাসিক ধর জমিদারবাড়ির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল। ফলে বিদ্যালয়টির সঙ্গে জমিদারবাড়ির ইতিহাস একটি অবিচ্ছিন্ন ধারায় যুক্ত হয়ে আছে।
পারিবারিক ইতিহাস অনুযায়ী, ধর পরিবারের শিকড় কাশ্মীর অঞ্চলে। পরবর্তী সময়ে পরিবারের পূর্বপুরুষরা জম্মু অঞ্চলে অবস্থান করেন এবং সেখান থেকে বাংলায় এসে বসতি স্থাপন করেন। বাংলায় এসে পরিবারের সঙ্গে রাজপরিবার ও জমিদারি ঐতিহ্যের একটি দীর্ঘ ধারার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে জলসীন গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় ঐতিহাসিক ধর জমিদারবাড়ি।
এই বাড়ি শুধু পারিবারিক আবাস ছিল না; স্থানীয় জনজীবন, প্রশাসন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও এর সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। সময়ের পরিবর্তনে জমিদারবাড়ির একটি অংশ শিক্ষার কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় পারিবারিক ঐতিহ্যের একটি অংশ সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়।
এই ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব দেওয়ান মোহিনী মোহন ধর। পারিবারিক তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২১ সেপ্টেম্বর ১৮৬৬ সালে জলসীনের ধর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা হরমোহন ধর এবং মা এলোকেশী দেবী।
পারিবারিক সূত্রের বর্ণনা অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ইংল্যান্ডে যান এবং লন্ডনের কিংস কলেজে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন। দেশে ফিরে তিনি আইন, প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
ঐতিহাসিক সূত্রগুলোতেও তাঁর ময়ূরভঞ্জের প্রশাসনিক জীবনের উল্লেখ পাওয়া যায়। তিনি মহারাজা শ্রী রামচন্দ্র ভঞ্জ দেও-এর উপদেষ্টা, স্টেট জজ, দেওয়ান এবং স্টেট কাউন্সিলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯০৫ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত তিনি ময়ূরভঞ্জের দেওয়ান ছিলেন।
১৯০৬-এর সমকালীন সংবাদপত্রে মোহিনী মোহন ধরের উল্লেখ
মোহিনী মোহন ধরের ময়ূরভঞ্জের দেওয়ান হিসেবে প্রভাব ও মর্যাদার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমকালীন দলিল পাওয়া যায় উৎকল দীপিকা পত্রিকার ৮ আগস্ট ১৯০৬ সংখ্যায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে।
আপনার কাছে থাকা ওই প্রতিবেদনের অনুবাদ অনুযায়ী, ময়ূরভঞ্জ রাজ্যের দেওয়ান শ্রী মোহিনী মোহন ধর মহারাজার বিশেষ অনুমতি নিয়ে একটি বিশেষ স্বর্ণমুদ্রা তৈরি করিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, এটি ছিল ধর পরিবারের দীর্ঘ ও বিশ্বস্ত সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ একটি সম্মানসূচক স্মারক।
প্রতিবেদনটির বিবরণ অনুযায়ী, মুদ্রাটির এক পাশে সংশ্লিষ্ট রাজপরিবারের একজন পূর্বপুরুষের প্রতিকৃতি এবং অপর পাশে রাজ্যের সিলমোহর ও প্রতীক খোদাই করা হয়েছিল। মুদ্রাটি ছিল একটিমাত্র এবং ১৯০৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নির্দিষ্ট একদিনের জন্য জনসাধারণের প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে রাখার কথা জানানো হয়েছিল।
এই তথ্যের গুরুত্ব এখানেই যে, মোহিনী মোহন ধরের প্রশাসনিক ভূমিকা সম্পর্কে এটি পারিবারিক স্মৃতির বাইরেও সমকালীন সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটি তথ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। অর্থাৎ, ময়ূরভঞ্জের প্রশাসনে তাঁর অবস্থান এবং রাজপরিবারের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়ে ১৯০৬ সালেই সংবাদমাধ্যমে আলোচনা হয়েছিল।
ময়ূরভঞ্জের মহারাজা শ্রী রামচন্দ্র ভঞ্জ দেও-এর সঙ্গে মোহিনী মোহন ধরের সম্পর্ক ছিল দীর্ঘদিনের। ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, মহারাজার শিক্ষাজীবনের সঙ্গে মোহিনী মোহন ধরের সম্পর্ক ছিল এবং পরবর্তীতে তিনি মহারাজার উপদেষ্টা থেকে স্টেট জজ ও দেওয়ানের দায়িত্বে উন্নীত হন। ময়ূরভঞ্জের প্রশাসনিক সংস্কারের ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
ময়ূরভঞ্জ রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন, আইন ও বিচারব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সরকারি বিভাগকে আরও সংগঠিত করার সময় তাঁর ভূমিকার কথা ঐতিহাসিক বর্ণনায় পাওয়া যায়।
মোহিনী মোহন ধরের কর্মজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি ভারতের শিল্পায়নের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত।
ময়ূরভঞ্জ অঞ্চলের গুড়ুমহিসানি বা গোরুমহিসানি এলাকায় লৌহ আকরিকের সম্ভাবনা নিয়ে অনুসন্ধানের পর খনিজ সম্পদের গুরুত্ব সামনে আসে। ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, ভূতত্ত্ববিদ প্রমথনাথ বসুর অনুসন্ধানের পর অঞ্চলটির লৌহ আকরিকের সম্ভাবনা স্পষ্ট হয় এবং পরবর্তী সময়ে টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে খনি ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় ময়ূরভঞ্জ প্রশাসনের ভূমিকা তৈরি হয়। এ প্রক্রিয়ায় দেওয়ান মোহিনী মোহন ধরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তীকালে গোরুমহিসানি লৌহ আকরিকের ইজারা Tata Iron and Steel Company-এর শিল্পযাত্রার ভিত্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে ঐতিহাসিক বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে।
অর্থাৎ জলসীনের এই পরিবারের একজন সদস্যের কর্মজীবনের ইতিহাস একদিকে স্থানীয় শিক্ষা ও জনকল্যাণের সঙ্গে, অন্যদিকে ময়ূরভঞ্জের প্রশাসন এবং ভারতের আধুনিক ইস্পাতশিল্পের বিকাশের সঙ্গেও যুক্ত।
মোহিনী মোহন ধরের জীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তাঁর মা এলোকেশী দেবীকে ঘিরে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, এলোকেশী দেবী ছিলেন ভাগলপুরের জমিদার রাজা গণেন্দ্র চৌধুরীর চতুর্থ কন্যা। জন্মভূমির মানুষের মধ্যে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং মায়ের স্মৃতিকে অমর করে রাখার আকাঙ্ক্ষা থেকেই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে পারিবারিক বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে জমিদারবাড়ির একটি অংশ শিক্ষার কাজে ব্যবহৃত হওয়ার পর ১৯২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয় ‘জলসীন এলোকেশী উচ্চ বিদ্যালয়’—এমন তথ্য পারিবারিক সূত্রে পাওয়া যায়।
বিদ্যালয়ের নামের মধ্যেই তাই সংরক্ষিত রয়েছে একজন মায়ের স্মৃতি এবং তাঁর সন্তানের শিক্ষাব্রতের উত্তরাধিকার।
মোহিনী মোহন ধরের পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যেও শিক্ষা, আইন, প্রশাসন ও জনসেবার ধারাটি অব্যাহত ছিল বলে পারিবারিক ইতিহাসে উল্লেখ পাওয়া যায়।
তাঁর পুত্র ধীরেন্দ্র মোহন ধর সম্পর্কে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি ব্যারিস্টার ও গণিতবিদ ছিলেন এবং কিংস কলেজ লন্ডন ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষালাভ করেছিলেন।
পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মের চিত্তজিৎ ধর-এর সঙ্গেও জলসীনের সামাজিক কর্মকাণ্ডের যোগসূত্রের কথা পারিবারিক বর্ণনায় রয়েছে। জলসীনে ফিরে এসে হাসপাতাল ও ফার্মেসি প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকার কথাও পরিবারটির স্মৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে সত্যেন্দ্র মোহন ধর সম্পর্কে পারিবারিক সূত্রে তাঁকে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তা এবং সুভাষচন্দ্র বসুর সহপাঠী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব তথ্যের ক্ষেত্রে পারিবারিক নথি ও সমকালীন সরকারি দলিলের সঙ্গে আরও যাচাই করা প্রয়োজন।
ধর পরিবারের সঙ্গে কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলেরও ঐতিহাসিক যোগাযোগ তৈরি হয়। পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, পরিবারের সদস্যরা পরবর্তীকালে কলকাতায় বসতি স্থাপন করেন।
মোহিনী মোহন ধরের জীবনের শেষপর্ব এবং মৃত্যুর সাল সম্পর্কে পারিবারিক তথ্য রয়েছে; তবে তাঁর মৃত্যুর নির্দিষ্ট সাল ও কারণসহ এসব তথ্য প্রকাশের আগে প্রাথমিক নথি বা সমকালীন সংবাদপত্র দিয়ে যাচাই করা হলে প্রতিবেদনটি আরও শক্তিশালী হবে।
তবে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের একটি বিষয় স্পষ্ট—তিনি শুধু প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন না; ময়ূরভঞ্জের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের সঙ্গেও তাঁর নাম যুক্ত।
প্রতিষ্ঠার পর এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে জলসীন এলোকেশী উচ্চ বিদ্যালয় অসংখ্য শিক্ষার্থীকে শিক্ষার সুযোগ দিয়েছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে গিয়ে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন।
সময়ের সঙ্গে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো বদলেছে, যুক্ত হয়েছে আধুনিক শিক্ষার সুযোগ। কিন্তু প্রতিষ্ঠার মূল দর্শন—গ্রামীণ মানুষের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া—আজও প্রাসঙ্গিক।
এই বিদ্যালয়ের বিশেষত্ব হলো, এর ইতিহাস একটি স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সীমানা ছাড়িয়ে বৃহত্তর উপমহাদেশীয় ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত। একদিকে ধর জমিদারবাড়ির স্মৃতি, অন্যদিকে মোহিনী মোহন ধরের প্রশাসনিক জীবন; একদিকে মায়ের স্মৃতিতে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অন্যদিকে ময়ূরভঞ্জের খনিজ সম্পদ ও টাটা শিল্পের বিকাশ—সব মিলিয়ে জলসীন এলোকেশী উচ্চ বিদ্যালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের অংশ।
শতবর্ষের এই ঐতিহ্যকে সংরক্ষণের জন্য এখন প্রয়োজন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, ধর জমিদারবাড়ির অবশিষ্ট স্থাপনা, পুরোনো দলিল, রেজিস্টার, ছবি, স্মারক, পারিবারিক নথি এবং মোহিনী মোহন ধরের জীবন ও কর্মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপাদানগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা।
বিশেষ করে ১৯০৬ সালের উৎকল দীপিকার প্রতিবেদনটির মূল কপি, ১৯২৪ সালের বিদ্যালয়ের নামকরণ-সংক্রান্ত দলিল এবং জমিদারবাড়ির সঙ্গে বিদ্যালয়ের জমি বা ভবন ব্যবহারের নথি উদ্ধার করা গেলে এই ইতিহাস আরও নির্ভরযোগ্যভাবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
একটি বিদ্যালয়ের শতবর্ষ শুধু একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নয়; এটি একটি জনপদের সামাজিক স্মৃতি সংরক্ষণেরও সুযোগ।
জলসীন এলোকেশী উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাসে তাই একই সঙ্গে রয়েছে একটি গ্রামের শিক্ষা-আন্দোলন, একটি পরিবারের উত্তরাধিকার, একজন মায়ের স্মৃতি, একজন দেওয়ানের প্রশাসনিক জীবন এবং ময়ূরভঞ্জের মাধ্যমে ভারতের শিল্পায়নের সঙ্গে যুক্ত একটি অধ্যায়।
জমিদারবাড়ির স্মৃতি পেরিয়ে শতবর্ষের বেশি সময় ধরে বিদ্যালয়টি আজও আলো ছড়িয়ে চলেছে। সেই আলো যেন মনে করিয়ে দেয়—স্থাপনা পুরোনো হয়, প্রজন্ম বদলে যায়, কিন্তু শিক্ষা ও মানবকল্যাণের উত্তরাধিকার নতুন প্রজন্মের হাতে আবারও জন্ম নেয়।
আরও পড়ুন
সোনারগাঁও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার ভাইকে আটকের পর ছেড়ে দিয়ে এক ডাব বিক্রেতাকে আসামী বানিয়ে আটকের অভিযোগ
এনটিআরসিএ এর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব: প্রাসঙ্গিক ভাবনা
নোবিপ্রবিতে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া পার্টনারশিপ’ শীর্ষক সেমিনার