লিগ্যাল এইডের প্রচার ও কমিটি সক্রিয়করণে সবার অংশগ্রহণের বিকল্প নেই; জেলা জজ কাজী আবদুল হান্নান
বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম
নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম অফিস-ঃ
এদেশের অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। ঐ সমস্ত মানুষের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। আইনগত সহায়তা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। দ্রুত সময়ে প্রান্তিক বিচারপ্রার্থী জনগণের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ হরতে হবে।
তিনি আরও বলেন,
সরকারি আইনি সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রমের প্রচার বৃদ্ধি করতে হবে যাতে করে দেশের কোন অসহায় বিচারপ্রার্থী আইনের আশ্রয় বঞ্চিত না হয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর'২৬) বিকাল ৩টায় জেলা জজ আদালত চট্টগ্রামের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ কাজী আবদুল হান্নান।
জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সিভিল জজ) সুব্রত দাশ'র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এজিএম মনিরুল হাসান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সোহাগ তালুকদার, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-১ম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আরফাতুল রাকিব, যুগ্ম জেলা জজ মুমিনুন্নেছা খানম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সিভিল জজ লাবণী শর্মা ও মোহাম্মদ জোবায়ের রহমান।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল পিপিএম (বার), ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মৌনম বড়ুয়া, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন, সরকারি কৌসুলী (জিপি) এডভোকেট
মোহাম্মদ কাসেম চৌধুরী, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক, মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট মফিজুল হক ভূঞা, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাবৃন্দ, সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ, লিগ্যাল এইড প্যানেল আইনজীবীবৃন্দ, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের সদস্যবৃন্দ ও বেসরকারি উন্নয়ন
উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) প্রতিনিধিবৃন্দ।
সভায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার জানান বিগত ০৮ মাসে ১৪৩৬টি আবেদনে (মামলায়) আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তৎমধ্যে ২৭৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। উক্ত সময়ে ৮০৬টি প্রি-কেইস এডিআর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং এডিআরের মাধ্যমে ৮৮৪ বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন আদালত থেকে পোস্ট কেইস বিরোধ মিমাংসার জন্য ৬৩টি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং ৭৫টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে (বিগত বছরের জেরসহ)। বিরোধ মিমাংসার মাধ্যমে ১ কোটি ৫০ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রন্থ পক্ষকে প্রদান করার তথ্য উপস্থাপন করা হয়।