বাংলাদেশ বার্তা টুডে
ফজরের নামাজের উপকারিতা ও ফজিলত! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী
নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই, ফজরের নামাজের উপকারিতা ও ফজিলত নিয়ে, সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ” ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নামাজ। নামাজ ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে আমাদের প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বার বার নামাজের তাগিদ পেয়েছেন। পবিত্র কোরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি ৮২ বার সালাত শব্দ উল্লেখ করে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজরের নামাজ অধিক গুরুত্বপূর্ণ। নিম্নে ফজরের নামাজ পড়ার ১০টি উপকার ও ফজিলতের বর্ণনা করা হলো। এগুলো জানার পর কারো আর ফজরের সালাতের প্রতি গাফেলতি, অলসতা আসবে না। ইনশাআল্লাহ! (১) ফজরের সালাত মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্যকারী, কেননা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুনাফিকের জন্য ফজরের সালাত আদায় কষ্টকর! (বুখারি হাদিস: ৬৫৭, ৬৪৪, ২৪২০, ৭২২৪; মুসলিম হাদিস ৬৬১)। (২) রাসূল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে ব্যক্তি ওইদিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়। অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা ওই ব্যক্তির দায়িত্ব নেন। (সহিহ মুসলিম, তিরমিজি ২১৮৪)। (৩) রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহর ফেরেশতারা আল্লাহর কাছে ওই ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দেবে। (বুখারি, মুসলিম)। (৪) রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ফজরের সালাত জামাতের সঙ্গে আদায় করে, আল্লাহ তায়ালা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন! (সহিহ মুসলিম: ১০৯৬)। (৫) রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে, আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন। (আবু দাউদ: ৪৯৪)। (৬) যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন। অথাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ওই ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্ণিমার রাতের আকাশের চাঁদের মতোই স্পষ্ট দেখবে। (বুখারি: ৫৭৩)। (৭) যে ব্যক্তি নিয়মিত ফজরের সালাত আদায় করবে, সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। (সহিহ মুসলিম: ৬৩৪)। (৮) ফজরের সালাত আদায়কারী, রাসূল (সা.) এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন। (সুনানে আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ)। (৯) ফজরের দুরাকাত সুন্নত সালাত, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম। (জামে তিরমিজি: ৪১৬)। (১০) ফজরের সালাত আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে, প্রফুল্ল হয়ে যায়। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদেরকে ফজরের সালাত আদায়ের মাধ্যমে উপরোক্ত সব নিয়ামতের ভাগীদার করুন। আমীন। লেখক: প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেট। সাবেক ইমাম ও খতীব: সিলেট নগরীর কদমতলী হযরত দরিয়া শাহ রহ. মাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সিলেট। সাবেক প্রিন্সিপাল: হযরত শাহজালাল রহ. ৩৬০ আউলিয়া লতিফিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা উপশহর সিলেট। সাবেক প্রধান শিক্ষক: হযরত শাহজালাল রহ. লতিফিয়া দাখিল মাদ্রাসা দক্ষিণ সুরমা সিলেট।
রাজনীতি শুধু ক্ষমতার খেলা নয়, এটি হলো সমাজ বদলের ইঞ্জিন
সংঘাতমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ ছাএ রাজনীতি দেশের সাধারণ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ দিনের প্রধান প্রত্যাশা। ক্যাম্পাস গুলোতে দখল দারিত্ব, হানাহানি ও শক্তির প্রদর্শনের সংস্কৃতি বাদ দিয়ে সুস্থ সহাবস্থান এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের রাজনীতি গড়ে ওঠা অত্যন্ত জরুরি। রাজনীতি বলতে আমরা কি বুঝি ? রাষ্ট্রের বা সরকারের বা জনগণের বিভিন্ন সমস্যা, সুযোগ - সুবিধা, ভালো - মন্দ নিয়ে কথা বলা বা সমলোচনা করা কি রাজনীতি নয় ? বর্তমানে দেশের অস্থিতিশীলতা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে কথা বলা কি রাজনীতি নয় ? তাহলে রাজনীতি কি শুধু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এবং না করার মাঝেই সীমাবদ্ধ ? নাকি চাঁদাবাজি, হল দখল, জমি দখল, খাল দখল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এই সব হল রাজনীতি। ছাএ রাজনীতির আদর্শগত ভিত্তি হতে হবে সঠিক দিকনির্দেশনা এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণের প্রতি নিবেদিত। এ ক্ষেত্রে ছাএ রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক এবং নৈতিক উন্নয়ন। এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং গনতান্ত্রিক মূল্যবোধ তৈরি করতে হবে। শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার্থীদের রাজনীতি অবশ্যই সুশৃঙ্খল ও শিক্ষার্থী কেন্দ্রীক হওয়া উচিত। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং তাদের নেতৃত্ব গুন বিকাশিত হয়। তবে বলপ্রয়োগ বা সংঘাতের রাজনীতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করে। ছাএ রাজনীতি হচ্ছে দেশের গনতান্ত্রিক চর্চার অন্যতম মূল্যবান ভিত্তি। ছাএ রাজনীতি শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, সচেতনতা, অধিকার সম্পর্কে ভাবতে শেখায়। ইতিহাসে দেখা যায়, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন গনতান্ত্রিক সংগ্রামে ছাএ সমাজ কিন্তু অনেক বেশি গুরুত্ব বা অগ্রনী ভূমিকা পালন করছে। সুস্থ আর সুন্দর ছাএ রাজনীতি শিক্ষার্থীদের যুক্তি, সংগঠিত, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কন্ঠ দিয়ে কথা বলার সাহস জোগায়, তবে সমস্যা তৈরি হয় যখন ছাএ রাজনীতি আদর্শচ্যুত হয়ে দলীয় স্বার্থ, সহিংসতা, ক্ষমতার দ্বন্দ্বের মধ্যে জড়িয়ে পড়ে। তাতে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয় এবং অন্যান্য সাধারণ শিক্ষার্থীরা কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদি ও মূল আলোচনা ছাএ রাজনীতি নিয়ে কিন্তু আমার মতে, ছাএ রাজনীতি পৃথক কোন বিষয় নয়। এর সাথে শিক্ষক রাজনীতি, বিভিন্ন পেশাজীবীদের রাজনীতি, শ্রমজীবী সংগঠনের বিষয় গুলো সম্পৃক্ত। কোনটিকে অন্যটির থেকে পৃথক করে দেখার অবকাশ নেই। দলীয় লেজুরভিত্তি ছাএ সংগঠন বা শিক্ষক, পেশাজীবী, শ্রমজীবী সংগঠনের বিরোধিতা আমি ও করি কিন্তু সেই সঙ্গে এও বলতে চাই যে, গনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এই সব সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা ও অপরীসিম। প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্কের অধিকার রয়েছে এবং উচিত ও প্রজাতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে সজাগ থাকা এবং সে আলোকে নিজের মতামত প্রদান করা। কোন আইন করে নির্দিষ্ট কোন গোষ্ঠী বা সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা সম্ভব নয়, যদি না সে গোষ্ঠী বা সংগঠন আদর্শগত ভাবে হিংসাত্মক বা ধ্বংসাত্মক কাজে যুক্ত থাকে।
শ্রীপুরে শহীদ আসিফ ইকবালের কবর জিয়ারত ও ঘর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
জুলাই আন্দোলনে শহীদ আসিফ ইকবালের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মাগুরার শ্রীপুরে তার কবর জিয়ারত এবং অসম্পূর্ণ বসতঘরের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের নোহাটা গ্রামে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ সময় শহীদ আসিফ ইকবালের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে তার অসম্পূর্ণ বসতঘরের নির্মাণ কাজেরও উদ্বোধন করেন উপস্থিত অতিথিরা। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমাউল হুসনা পিংকী, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ওলি মিয়া, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব খন্দকার আব্বাস উদ্দিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুমায়ুন কবির, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মামুন খান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রুহুল আমিন পাপন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আল ইয়াসিন শুভ নিলয়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সব্দালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শরিফুল ইসলাম সাচ্চু, শহীদ আসিফ ইকবালের বাবা আবদুর রাজ্জাক, ভাই আবদুল মোতালেবসহ পরিবারের সদস্যবৃন্দ। অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জিয়াউল হক ফরিদ, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক কে এম রুমানুর রহমান বিপ্লব, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি ফারুক আহম্মেদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব বদরুল আলম লিটু প্রমুখ। শহীদ আসিফ ইকবালের পরিবারের সদস্যরা এ সময় প্রশাসনের এই উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
শরণখোলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা
জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাগেরহাটের শরণখোলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, সংবর্ধনা এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য, গণতান্ত্রিক চেতনা ও নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। কর্মসূচির শুরুতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা লেখা ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শরণখোলা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা অর্থিতা হাওলাদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার। আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েত, সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেন মিলন, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম কবির, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মোস্তফা আমীন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এবং জুলাই যোদ্ধার বাবা আলতাফ জোমাদ্দার। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, শিক্ষার্থী, জুলাই যোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যসহ সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই যোদ্ধাদের ১১টি পরিবারকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এছাড়া রচনা ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
সোনারগাঁও জি. আর ইন্সটিটিউট গভর্নর বডির চেয়ারম্যান হলেন অধ্যাপক হাফিজ উল্লাহ
১২৬ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁও জি.আর ইনস্টিটিউশন মডেল স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির এডহক কমিটির সভাপতি হয়েছেন সোনারগাঁওয়ের কৃতি সন্তান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক মো. হাফিজ উল্লাহ। ৪ সদস্যের এডহক কমিটির অন্যান্যরা হলেন সদস্য সচিব প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফরিদা ইয়াসমিন, শিক্ষক প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক এখলাছুর রহমান ও অভিভাবক সদস্য মনির হোসেন মোল্লা। অধ্যাপক মো. হাফিজ উল্লাহ এর আগেও সোনারগাঁও জি. আর ইনস্টিটিউশনে গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সোনারগাঁও জি. আর ইনস্টিটিউশন থেকে এসএসসি, নটোরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয থেকে ১৯৭২ সালে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করে এমএ পাস করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের শামসুজ্জোহা হলের ভিপি হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। পরে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি সোনারগাঁও পাইলট গার্লস হাই স্কুল প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং ১০ বছর ম্যানেজিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সোনারগাঁও জি.আর ইনস্টিটিউশনের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবে পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেন এবং সমস্যা সংকুল প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা অবকাঠামগত উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলায় অবদান রাখেন। তিনি সোনারগাঁও ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। অধ্যাপক হাফিজুল্লাহ রোটারি ইন্টারন্যাশনাল এর সাথে যুক্ত হন ১৯৮৫ সনে এবং বিভিন্ন সেবামূলক কাজে অবদান রাখেন। তিনি ১৯৯৮ সালে রোটারি গ্রুপ স্ট্যাডি এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের লিডার হিসেবে মিশিগান ইউএসএ এবং অন্টারিও কানাডায় পাঁচ সপ্তাহ রোটারির বিভিন্ন সেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ রোটারির গভর্নর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ২০০৮-৯ সালে গভর্নরের দায়িত্ব পালন করেন। সারাদেশে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিশুদ্ধ পানীয় জল ও অভুক্তদের খাদ্য সহযোগিতায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন। তিনি ২০১৬ থেকে ২০২২ পর্যন্ত ৬ বছর রোটারি ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বিভিন্ন জেলায় বিশুদ্ধ পানি বিশেষত বিভিন্ন স্কুল কলেজে ছাত্রীদের জন্য আলাদা বাথরুম ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করেন। করোনার সময় বিভিন্ন হাসপাতালে করোনার চিকিৎসা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় অবদান রাখেন। তিনি রোটারি গভর্নর হিসেবে প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে স্বস্ত্রীক আমেরিকার সিন্ডিয়াগোতে সপ্তাহ ব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ব্যাংকক রোটারি ইনস্টিটিউটের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন, বালি রোটারি ইনস্টিটিউটের কান্ট্রি চেয়ারম্যান ছিলেন এছাড়াও মালয়েশিয়া তাইওয়ান হংকং সিঙ্গাপুর ফিলিপিনস নেপাল ও ভারতে রোটারির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ইন্ডিয়ানাপলিস ইউএসএ, শিওল কোরিয়া ব্যাংকক থাইল্যান্ড ও তাইপে তাই ওয়ান এবং বার্মিংহাম ইংল্যান্ডে রোটারি কনভেনশনে অংশগ্রহণ করেন। কর্মজীবনে তিনি কর্ণফুলী ইন্সুরেন্স কোম্পানির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও মুখ্য নির্বাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি কর্ণফুলী ইন্সুরেন্স পি এল সি ও মেঘনা লাইফ ইন্সুরেন্স পিএলসি এর স্বাধীন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জৈষ্ঠ্য ইন্সুরেন্স নির্বাহীদের সংগঠন এসোসিয়েশন অফ ইন্সুরেন্স এক্সিকিউটিভ এর সভাপতি হিসেবে বিগত ১২ বছর দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপক হাফিজুল্লাহ রোটারি পার্লামেন্ট সি ও এল এর সদস্য হিসেবে আমেরিকার শিকাগো শহরে পার্লামেন্টে অংশগ্রহণ করেন এবং রোটারি আইন কানুনের উপর বলিষ্ঠ বক্তব্য রাখেন যাহা বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে মেলে ধরতে সাহায্য করেছে।
পঞ্চগড়ে আত্মার বন্ধন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন
পঞ্চগড়, ৫ আগস্ট ২০২৬: পঞ্চগড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহ সৃষ্টি এবং রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার আত্মার বন্ধন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কামারহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও শালশিড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনব্যাপী এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির শুরুতে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে স্বেচ্ছায় রক্তদানের গুরুত্ব, মানবিক কাজে তরুণদের অংশগ্রহণ এবং রক্তের প্রয়োজন হলে কীভাবে দ্রুত রক্তের ব্যবস্থা করা যায়—এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হয়। এ সময় মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়েও শিক্ষার্থীদের সচেতন করা হয়। পাশাপাশি জরুরি মুহূর্তে রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজনীয়তা ও রক্তদানের মাধ্যমে মানুষের জীবন বাঁচানোর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। ক্যাম্পেইন শেষে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাসহ ৫০০ জনের বেশি মানুষের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কারও রক্তের প্রয়োজন হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে রক্তের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শালশিড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ইদ্দিস আলী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কামারহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চয়নুল আলম। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন আত্মার বন্ধন ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. মতিন ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. রাকিব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রিয়াজুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবকরা। ক্যাম্পেইনটির আয়োজন করে আত্মার বন্ধন ফাউন্ডেশন। কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করে নিউ জননী ক্লিনিক, বোদা, পঞ্চগড়।
জমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসী পরিবারের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের পূর্ব সোনাব গ্রামের দুই প্রবাসী ভাইয়ের কাছ থেকে জমি বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৩০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার ফিরোজ মিয়া ও তাঁর চার ছেলের বিরুদ্ধে। টাকা নেওয়ার প্রায় এক বছর পার হলেও জমি রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের পূর্ব সোনাব গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম ও তাঁর ছোট ভাই রিমন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে রয়েছেন। শরিফুল প্রায় ১৪ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় এবং রিমন প্রায় এক বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত। তাঁদের মা শেফালি আক্তার জানান, প্রতিবেশী ফিরোজ মিয়া তাঁর ছেলে পারভেজ, ইন্নছ, আলমাছ ও হাসানকে বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজনের কথা বলে তাঁদের কাছে ২৮ শতাংশ জমি বিক্রির প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে জমি মাপজোক করে ধাপে ধাপে দুই ভাইয়ের কাছ থেকে মোট ৩০ লাখ টাকা গ্রহণ করা হয়। টাকা পরিশোধের পর শরিফুলদের পরিবার জমির দখল বুঝে পায় এবং প্রায় এক বছর ধরে সেখানে চাষাবাদও করে আসছে। কিন্তু জমি রেজিস্ট্রির সময় এলে ফিরোজ মিয়া বিভিন্ন অজুহাতে তা বিলম্বিত করতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। প্রবাসী দুই ভাইয়ের বাবা, শারীরিক প্রতিবন্ধী তাজ উদ্দিন বলেন, সম্প্রতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে জমি রেজিস্ট্রির জন্য চাপ দেওয়া হলে বিক্রির জন্য স্থাপন করা জমির খুঁটিও তুলে নেওয়া হয়। বর্তমানে অভিযুক্তরা জমি রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছেন না, আবার নেওয়া ৩০ লাখ টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না। এ ঘটনায় তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া ও তাঁর ছেলেদের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে ফিরোজ মিয়ার ছেলে আলমাছ বলেন, তাদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। ১৪ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হবে। জমির নামজারি না থাকায় কিছুটা দেরি হচ্ছে। কত টাকা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই। শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের
পঞ্চগড়, ৫ আগস্ট ২০২৬: জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর ও নির্দেশনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। একই সঙ্গে দেশের অর্জিত পরিবর্তনের সুফল ধরে রাখতে রাজনৈতিক দল ও মতের মানুষের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বুধবার সকালে পঞ্চগড় জেলা শহরের শেরে বাংলা পার্কে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ সময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পঞ্চগড়ের শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদের প্রতিটি পৃষ্ঠা ও অক্ষরের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বিভেদ সৃষ্টি করে কোনো অপশক্তি যাতে পুনরায় সুযোগ নিতে না পারে, সে জন্য সব রাজনৈতিক দল ও মতের মানুষের ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন। অর্জিত ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতার’ সুফল রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোছাঃ শুকরিয়া পারভীন, পুলিশ সুপার আবু সাইমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফেরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
কালীগঞ্জে জুলাই- গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ পালিত
বুধবার (৫ আগস্ট) ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে জুলাই- গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ পালন উপলক্ষে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি ছিলেন ঝিনাইদহ - ৪ সংসদ সদস্য মাওঃ আবু তালিব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক সফল প্যানেল মেয়র, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ গণমানুষের নেতা হামিদুল ইসললাম হামিদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসারউপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওনা নাহিদ, আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তবিবুর রহমান মিনি, শামসুল আলম, যুবদলের সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান মিলন, জুলাই যোদ্ধা সহ আরো অনেকে ।
মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ: গাজীপুর জেলা পরিষদ
গাজীপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে অধ্যয়নরত জেলার ৩৫ জন মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) গাজীপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এবং জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম। জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, কলেজ পর্যায়ের ১২ জন শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার টাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ২৩ জন শিক্ষার্থীকে ১২ হাজার টাকা করে শিক্ষা বৃত্তির চেক প্রদান করা হয়েছে। বক্তারা বলেন, আর্থিক সংকট যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সে লক্ষ্যেই জেলা পরিষদের এ উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের সহায়তায় এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উজানের ঢল-ভারী বৃষ্টিতে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি
দুই দিনের টানা ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে আবারও ফুঁসে উঠেছে তিস্তা নদী। এতে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার, (বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার) যা বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এরআগেও সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে। হাতীবান্ধার চর গড্ডিমারী এলাকার বাসিন্দা তোফাজ্জল মিয়া বলেন, কাল রাত থেকে পানি বাড়তে শুরু করেছে। এর সঙ্গে ভারী বৃষ্টিও হচ্ছে। এবার বন্যা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। আমরা এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উঁচু স্থানে সরিয়ে নিয়েছি, তবে এখন পর্যন্ত সরকারি কোনো সহায়তা পাইনি। কালীগঞ্জের শৈলমারী এলাকার কৃষক আব্দুল হাই বলেন, ভারী বৃষ্টি পাত ও উজানের ঢলের কারনে আমাদের এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। ফসলের ক্ষের তলিয়ে গেছে। গাবাদি পশু নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি, ঠিকমতো খাবার সংগ্রহ করতে পারছিনা। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে উচু এলাকায় আশ্রয় নিতে হবে। আদিতমারী গোবর্ধন এলাকার বাসিন্দা তানজিলা আক্তার বলেন, গত রাতেই আমাদের বাড়িতে পানি উঠে গেছে। বাধ্য হয়ে আমরা রাস্তার পাশে আশ্রয় নিয়েছি। টানা বৃষ্টির মধ্যে খুব কষ্টে দিন কাটছে। তিস্তা আমাদের শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, বৃষ্টিপাত ও উজানের পানি প্রবাহ অব্যাহত থাকায় পানি বেড়েছে তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে। এ কারনে নদী তীরবর্তি এলাকার নিম্নাঞ্চলে স্বল্প মেয়াদী বন্য দেখা দিতে পারে। সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, সকাল ৬টা থেকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রাতে পানি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনিল কুমার বলেন, ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে বুধবার সকাল থেকে তিস্তা নদীতে পানি প্রবাহ বেড়ে যায়। স্বল্প মেয়াদী বন্যা দেখা দিতে পারে।
নড়াইলের মুলিয়ায় এক পা-তেই জীবন সংসার গোপী বিশ্বাস'র প্রতিবন্ধী জীবনটাই যেন অভিশাপ
নড়াইলের মুলিয়ায় এক পা-তেই জীবন সংসার গোপী বিশ্বাস'র প্রতিবন্ধী জীবনটাই যেন অভিশাপ। জন্ম থেকেই একটি পা অচল গোপী বিশ্বাসের (৩২)। হাঁটাচলা করতে হয় লাঠি ভর দিয়ে। ছোটোবেলা থেকে চেষ্টা করেছেন আত্মনির্ভরশীল হওয়ার। জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এখন ইলেকট্রনিক পণ্য মেরামতের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, নড়াইল সদর উপজেলার মুলিয়া ইউনিয়নের কাজলা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত পানতিতা গ্রামের বাসিন্দা গোপী। বাবা নিতাই বিশ্বাস ও মা কল্পনা বিশ্বাসের তিন সন্তানের মধ্যে তিনি সবার ছোট। গরিব পরিবারে জন্ম নেওয়ায় পড়াশোনার সুযোগ পাননি তিনি। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করার পর পারিবারিক অবস্থার কারণে স্কুল ছাড়তে হয় তাকে। ছোটোবেলায় এলাকার এক দোকানে সহকারী হিসেবে কাজ শেখা শুরু করেন গোপী। টর্চ লাইট, গ্যাস লাইটসহ নানা বৈদ্যুতিক জিনিসপত্র মেরামতের কাজ রপ্ত করেন তিনি। প্রায় ১৯ বছর ধরে এই পেশায় রয়েছেন। কিন্তু একটানা এই পেশায় টিকে থাকা সম্ভব হয়নি। আয় কম হওয়ায় মাঝে মাঝে ভ্যান চালানো, চা বিক্রি, এমনকি ওয়েল্ডিংয়ের কাজও করতে হয়েছে তাকে। তবে প্রতিবন্ধকতা থাকায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেগুলো দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। শেষমেশ আবারও মেরামতের পেশায় ফিরেছেন তিনি। জেলা শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে মুলিয়া বাজারের দক্ষিণ পাশে, মুলিয়া-বাহিরগ্রাম সড়কের এক পাশে ছোট একটি একচালা দোকান বসিয়েছেন। টিনের ছাউনি থাকলেও চারপাশে কোনো বেড়া নেই। সেখানেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বসে টর্চ লাইট, গ্যাস লাইট, এলইডি বাল্ব, স্প্রে মেশিন ও রাইস কুকারসহ নানা ইলেকট্রনিক সামগ্রী মেরামত করেন। চার সদস্যের পরিবার গোপীর ঘাড়ে। স্ত্রী, এক শিশুপুত্র এবং এক কন্যাসন্তান নিয়ে তার সংসার। বড় মেয়েটি বর্তমানে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। প্রতিদিন কাজ করে আয় হয় মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। ভালো দিন হলে ২০০-৩০০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। কিন্তু বর্তমান বাজার দরে এই টাকায় সংসার চালানো সম্ভব নয়। মাঝে মাঝে ব্যাগে যন্ত্রপাতি ভরে এক পায়ে সাইকেল চালিয়ে পাশের তুলারামপুর হাটেও যান কাজের খোঁজে। গোপী বিশ্বাস বলেন, ‘আজ একটু হলুদ কিনি, কাল একটু লবণ। ছেলেমেয়েকে মাছ খাওয়াতে পারি না। দেনা করে বাজার করতে হয়। তিন মাস পর প্রতিবন্ধী ভাতার কিছু টাকা পাই, তাও দেনা শোধে চলে যায়।’ অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিবন্ধী জীবনটাই যেন অভিশাপ। সংসার চালাব, না ছেলেমেয়েকে মানুষ করব—এই দুশ্চিন্তায় থাকি। সরকারের কাছে অনুরোধ, যেন আমাদের মতো মানুষদের পাশে দাঁড়ায়, আমাদের সন্তানরা মানুষ হতে পারে, সেই ব্যবস্থা করে। ওরা মানুষ হলে আমাদের কষ্টের কিছুটা হলেও সার্থকতা থাকবে।’ গোপীর কাজের প্রশংসা করেন স্থানীয়রাও। তারা জানান, তার মতো অভিজ্ঞ মেরামতকারীর কাজের ওপর অনেকেই নির্ভরশীল। তিনি না থাকলে এসব কাজের জন্য শহরে যেতে হতো, সময় ও অর্থ ব্যয় হতো বেশি। গোপীর দোকানে লাইট মেরামত করতে আসা মিলন সরকার বলেন, ‘গোপীর কাজের মান ভালো হাওয়ায় তার নিকট আমরা ইলেকট্রনিক বিভিন্ন জিনিস মেরামত করতে আসি। তার কষ্ট দেখে খারাপ লাগে, কিন্তু আমরা নিজেরাও খুব বেশি কিছু করতে পারি না। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই খুপড়ি ঘরে বসে ইলেকট্রনিক যন্ত্র মেরামত করে সংসার চালায় সে।’ কোড়গ্রামের বাসিন্দা বিকাশ রায় বলেন, ‘গোপী দীর্ঘদিন ধরে এই বাজারে কাজ করছে। ভালো মানুষ, ভালো কাজ করে। আমরা তার ওপর ভরসা করি। যদি সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে কেউ এই সংগ্রামী মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে হয়তো গোপীর মতো প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবন আরেকটু সহজ হয়ে উঠবে।’ মুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ অধিকারী বলেন, ‘গোপী বিশ্বাস এক জন প্রতিবন্ধী হয়েও স্বাভাবিক মানুষের মতো সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। তার এই সংগ্রামী জীবন অন্যদের জন্য অনুকরণীয়। তার মতো অনেকে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কিন্তু তিনি কারো কাছে হাত পাতেন না। ছোট থেকেই কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন। ইতিমধ্য সে প্রতিবন্ধী ভাতার সুবিধাভোগী। তাকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যতটুকু পারা যায় সহযোগিতা করা হবে।
শরণখোলায় মাদক নির্মূলে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশের মতবিনিময়
শরণখোলা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ রোকেয়া খানম এর আমন্ত্রণে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মঙ্গলবার(০৪ আগষ্ট) রাতে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েত ও সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন মিলন। এ সময় এলাকার আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নির্মূলে করণীয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। মাদক নির্মূল করতে অফিসার ইনচার্জ কে সাংবাদিকবৃন্দ সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়া বর্তমান সরকারের সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিকভাবে হয় কিনা তা দেখার জন্য উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিকদের তা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে হিসাববিজ্ঞান ক্লাস নিলেন এমপি ফজলে হুদা বাবুল
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিশেষ ক্লাস নিয়েছেন ৪৮,নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফজলে হুদা বাবুল। আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ক্লাসে তিনি হিসাববিজ্ঞানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা ও কর্মজীবন নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন। শিক্ষার্থীরা তাঁর সহজ ও সাবলীল উপস্থাপনার প্রশংসা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, তাঁকে রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে নয়, অভিজ্ঞ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও শিক্ষাবিদ হিসেবে অতিথি শিক্ষক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
"তোর মিটার তুই নে, আগের মিটার ফিরিয়ে দে" শ্লোগানে উত্তাল হাতীবান্ধা
"তোর মিটার তুই নে, আগের মিটার ফিরিয়ে দে", "প্রিপেইড মিটার বাতিল করতে হবে"-এমন নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা। প্রিপেইড মিটার বাতিল ও ঘন ঘন লোডশেডিং বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার মেডিকেল মোড় গোলচত্বর এলাকায় হাতীবান্ধা সচেতন নাগরিক ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পরে আন্দোলনকারীরা হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, হাতীবান্ধা সচেতন নাগরিক ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক শামসুল আলম বুলেট, ফারুক হোসেন, ফিরোজ হোসেন, নজরুল, কমরেড সৈকত ও সবুজ সরকার। বক্তারা বলেন, প্রিপেইড মিটার চালুর পর থেকে সাধারণ মানুষ নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এর সঙ্গে ঘন ঘন লোডশেডিং যুক্ত হয়ে জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার বাতিল, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের দাবি জানান তারা। কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপ জন মিত্র, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রন্টি পদ্দার ও হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল জামান। এসময় শত শত গ্রাহক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে বিক্ষোভকারীরা লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করলে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।