জমি সংক্রান্ত বিরোধ মিটাতে গিয়ে হামলার শিকার সোনারগাঁও সাংবাদিক ও শিক্ষক জয়নাল আবেদীন
বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম
সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা :
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জমি নিয়ে বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন দৈনিক সংগ্রামের সোনারগাঁ সংবাদদাতা ও ব্যারিস্টার রাবিয়া ভূঁইয়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক জয়নাল আবেদীন। এ ঘটনায় তার আরও ছয় স্বজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বারদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত সাংবাদিক জয়নাল আবেদীনের অভিযোগ, তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে প্রতিবেশী ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে অভিযুক্ত নবীর হোসেনের বাথরুম সংস্কার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে নবীর হোসেনের বিরুদ্ধে এর আগেও থানায় একাধিক অভিযোগ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
জয়নাল আবেদীন বলেন, “বুধবার সকালে আমার বড় ভাই রাজমিস্ত্রি নিয়ে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহৃত বাথরুমটি সংস্কার করতে গেলে নবীর হোসেন ও তার লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে আমি দুই পক্ষের বিরোধ মীমাংসা করতে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই লাঠিসোঁটা ও লোহার রড নিয়ে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আমার মাথা ও কপালে গুরুতর জখম হয়। আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে আমার ভাইদেরও মারধর ও কুপিয়ে আহত করা হয়।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এর আগেও নবীর হোসেন তার ভাই ও পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছেন এবং বিভিন্ন সময় হত্যার হুমকি দিয়েছেন। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও বাংলা টিভির অনলাইন ইনচার্জ মো. রুহুল আমিন বলেন, “দৈনিক সংগ্রামের সোনারগাঁ সংবাদদাতা ও শিক্ষক জয়নাল আবেদীনের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। দ্রুত হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”
অভিযুক্ত নবীর হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, “আপনি অভিযোগ দিয়ে যান। তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।