বাংলাদেশ বার্তা টুডে
ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত প্রবাসী শুভর মরদেহ দীর্ঘ ৩ মাস ২৫ দিনের প্রতীক্ষায় নিজ গ্রামে, শোকের মাতম
ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত প্রবাসী শুভর মরদেহ দীর্ঘ ৩ মাস ২৫ দিনের প্রতীক্ষায় নিজ গ্রামে, শোকের মাতম সাতক্ষীরা: সংসারের টানাপোড়েন ঘুচাতে আর মায়ের ধানচাতালের হাড়ভাঙা খাটুনি থেকে মুক্তি পাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন সাতক্ষীরার কলারোয়ার তরুণ শুভ। কিন্তু ভাগ্য বদলের সেই স্বপ্ন তছনছ হয়ে যায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায়। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে দীর্ঘ ৩ মাস ২৫ দিন পর তার মরদেহ নিজ গ্রাম কলারোয়া উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের শ্রীপতিপুরে পৌঁছায়। এসময় স্বজনদের আজাহারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। প্রিয় সন্তানের কফিনবন্দী লাশ দেখে শোকে পাথর হয়ে গেছেন মা ও স্বজনরা। নিহত শুভর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইসরায়েলের বর্বর ড্রোন হামলায় প্রাণ হারানোর পর থেকেই একটি লাশের অপেক্ষায় প্রহর গুনছিল শোকার্ত পরিবারটি। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও নানা জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শত মানুষের ভিড়ে একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশের বাতাস। এদিকে শুভর এই মর্মান্তিক মৃত্যুর পর প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পরিবারের খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে মরদেহ বহনের খরচ ও বিশেষ সহায়তা হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মানুযায়ী পরবর্তীতে অন্যান্য অনুদান ও জীবন বীমার অর্থও পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। মায়ের কষ্ট মুছে দিতে প্রবাসে যাওয়া শুভ আজ ফিরলেন নিথর দেহ হয়ে। বেঁচে থাকার হাজারো স্বপ্ন কফিনের চার দেয়ালে বন্দি হয়ে বাড়ি ফেরার পর এখন শুধু শূন্যতা আর দীর্ঘশ্বাসের হাহাকার চারদিকে।
ঘরের ছেলেই ধান রোপনে পাকা, অন্য ঘরের ছেলে দরকার নেই: সাবেক চেয়ারম্যান রোমান
ঘরের ছেলেই ধান রোপনে পাকা,অন্য ঘরের ছেলে দরকার নেই ! সাবেক চেয়ারম্যান রোমান সাইফুল ইসলাম সিংগাইর মানিকগঞ্জ হতে বিএনপির দূর্দিনের কান্ডারী ও রাজপথ হতে উঠে আসা সাবেক জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান আবিদুর রহমান খান রোমানের নেতৃত্ত্বে বিএনপি ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যােগে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা বাড়ার সাথে সাথে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মিছিল এসে পৌর এলাকার পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের বটতলা সামনে জড়ো হয়। সকাল ১১টায় এ উপলক্ষে এক বর্নাঢ্য শোভা যাত্রা ও গণমিছিল পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষ করেন। এরপর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।এসময় সাবেক,উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সিংগাইর সরকারি কলেজের সাবেক এজিএস শেখ মোহাম্মদ.আসাদুল্লাহ আজাদের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক,উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো.আবিদুর রহমান খান রোমান বলেন,ঘরের ছেলেই ধান রোপনে পাকা অন্য ঘরের ছেলে দরকার নেই, মানিকগঞ্জ এলাকা হচ্ছে ধানের শীষের দূর্গ, এ সংসদীয় আসনে প্রার্থী যেই হোক না কেন সেই বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন । স্থানীয় সংসদ সদস্যকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, ধানের শীষে প্রতীক পেয়ে আপনি বিপুল ভোটে পাশ করেছি ভাবতে পারেন কিন্তু ধানের যে ভোট আপনি পেয়েছেন তানাজুক প্রার্থীর বদান্যতার কারণে কাংখিত ভোট আমরা পাইনি শুধু চিটা ও তুষ ভোটেই ওনি তাতেই পাশ। এখনো মাঠে ধানের জয়জয়কার শুধু সঠিক পরিচর্যার করতে হলে জাতীয়তাবাদী দলকে আরো সোচ্চার সমৃদ্ধি করতে হবে।, যদি নৌকা ও জাতীয় পার্টির লোক দিয়ে ধান করি, রাজনীতি করি, চেয়ারম্যান বানানোর প্রলোভন দেখাই তাহলে বিএনপিকে ডুবাতে বেশিসময় লাগবে না আপনি যাদেরকে আনছেন তাদের আমুলনামা দেখেন। আমার ঘরের ছেলেরাই যদি ধান রোপনে পাকা থাকে তাহলে আমি অন্য ঘরের ছেলে দিয়ে দল চালাবো কেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্যকে ইঙ্গিত করে আরো বলেন,আপনার যে হাত সবগুলি হলো ভাঙ্গা হাত। বিএনপির মূল লোকগুলি হাতে নাই। বিএনপিকে আগে ভালো বাসেন তাহলে বিএনপি ও আপনাকে ভালো বাসবে। ভবিষ্যতে যদি আমি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচন করি তাহলে সবাইকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। এসময় আরো বক্তব্যে দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি চিকিৎসক জামাল উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সাধারন সম্পাদক বদরুল আলম খান বাদল ও শেখ সোবহান, সাধারণ সম্পাদক, জয়মন্টপ ইউনিয়ন বিএনপি মো.আতাউর রহমান বাচ্চু,সাবেক সাবেক,সহ-সভাপতি পৌর বিএনপি মো. মুছাবিন আব্দুল হালিম, সাবেক,সদস্য পৌর বিএনপি মো.মনিরুজ্জামান,উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল হক ও সাবেক উপজেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক হাসান আলী, উপজেলা মহিলা নেত্রী নিলুফা ইয়াছমিন প্রমুখ। এতে উপজেলা বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
গাজীপুরে সিফাত আব্দুল্লাহর ‘ভৌতিক’ বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগের সত্যতা পায়নি পল্লী বিদ্যুৎ
গাজীপুরে সিফাত আব্দুল্লাহর ‘ভৌতিক’ বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগের সত্যতা পায়নি পল্লী বিদ্যুৎ গাজীপুর প্রতিনিধি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল ও অসহনীয় লোডশেডিংয়ের অভিযোগ তুলে সরকারপ্রধানকে কটূক্তি ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার সিফাত আব্দুল্লাহর বিদ্যুৎ বিল তদন্ত করেছে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১। তদন্তে তাঁর বাসার বিদ্যুৎ বিল তৈরিতে কোনো অনিয়ম বা অতিরিক্ত বিলের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজীপুর মহানগরীর ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে সিফাতের পরিবারের বাড়িতে থাকা তিনটি আবাসিক মিটারের জুলাই ও আগস্ট মাসের মোট বিল ১০ হাজার ৬৮১ টাকা। গ্রাহকের কাছে থাকা বিলের কপির সঙ্গেও পল্লী বিদ্যুতের হিসাবের মিল পাওয়া গেছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর বোর্ড বাজার জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. আহসান কবীর জানান, সরেজমিনে তদন্ত করে বিল প্রস্তুতে কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি। এদিকে এনসিপির মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান দাবি করেছেন, চার মাসের হিসাব সামনে আনার কারণে বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, জুলাই ও আগস্টের বিলের প্রকৃত হিসাব গোপন রেখে চার মাসের হিসাব প্রকাশ করায় সিফাতকে নিয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে গাজীপুরের গাছা থানা-পুলিশ সিফাত আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
কয়রায় অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট: অল্প সময়ে বিপুল সম্পদের মালিক
কয়রায় অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট: অল্প সময়ে বিপুল সম্পদের মালিক কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি খুলনার কয়রা উপজেলায় ব্র্যাকের চাকরি ছেড়ে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট হিসেবে কাজ করে অল্প সময়ে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জুয়ার লেনদেনের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থে তিনি একাধিক স্থানে জমি কিনেছেন এবং পুরোনো ঘরের জায়গায় নির্মাণ করেছেন পাকা ভবন। আব্দুস সামাদ কয়রা উপজেলার উত্তর মদিনাবাদ ফুলতলা গ্রামের মজিবার রহমান গাজীর ছেলে। তিনি একসময় ব্র্যাকে চাকরি করলেও পরে অনলাইন জুয়ার একটি প্ল্যাটফর্মের মাস্টার এজেন্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। সম্প্রতি জুয়ার অর্থ লেনদেন নিয়ে আব্দুস সামাদের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই অডিওতে তাঁকে একজন জুয়ার গ্রাহকের সঙ্গে অর্থ লেনদেন নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়। অডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, কয়েক বছর আগেও সামাদের পরিবারের বাড়িতে টিনের ঘর ছিল। বর্তমানে সেখানে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় জমি কেনার খবরও তাঁরা পেয়েছেন। তাঁদের দাবি, এসব সম্পদের সঙ্গে জুয়ার ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থের সম্পর্ক রয়েছে। আব্দুস সামাদ তাঁর ০১৯৩৯৬০৭১৪৫ ফোন নাম্বার হতে জুয়ায় লেনদেন ও যোগাযোগ করেন বলে জানা গেছে। ফুলতলা বাজারের চায়ের দোকানদার নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, তিনি জুয়ার মাস্টার এজেন্ট ছিলেন। আমার দোকানে বসেও লেনদেন করতো।তবে বর্তমানে তিনি ওই কাজ করছেন কি না, তা আমার জানা নেই। অভিযোগের বিষয়ে আব্দুস সামাদের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “আমি মাস্টার এজেন্ট ছিলাম, তবে এখন আর কাজ করি না। আমার যা আয় করার, তা করেছি। এখন কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। এলাকার কয়েকজন তরুণ অভিযোগ করেন, তাঁর এজেন্টদের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ায় যুক্ত হয়ে তাঁরা টাকা হারিয়েছেন। তাঁদের দাবি, কেউ কেউ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছেন। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, বর্তমানে আব্দুস সামাদ কোনো নিয়মিত চাকরি বা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত নন। তবে তিনি জুয়ার এজেন্ট হিসেবে এখনও যুক্ত আছেন বলে তাঁরা জানান। এদিকে, আব্দুস সামাদকে এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুই দফায় আটক করেছিল বলে স্থানীয় কয়েকজন বলেন। তবে তাঁদের অভিযোগ, পরে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দিয়েছিল । কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল আলম বলেন, ডিআইজি ও পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে থানার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, জুয়া ও মাদকের কোনো স্থান নেই। যারা জুয়া বা মাদকের সঙ্গে যুক্ত হবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। আমি এক মাস হলো কর্মস্থলে যোগ দিয়েছি। আসার পর জুয়ার ঘটনায় চারটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানও জোরদার করা হয়েছে এবং এ অভিযান চলমান থাকবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে শুধু ছোট এজেন্ট নয়, এর সঙ্গে যুক্ত মাস্টার এজেন্ট ও অর্থের লেনদেনের নেটওয়ার্কও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। কয়রা খুলনা
নওগাঁয় ৪৭ হাজার টাকার জাল নোট সহ যুবক গ্রেফতার
নওগাঁয় ৪৭ হাজার টাকার জাল নোট সহ যুবক গ্রেফতার মোঃ রমজান হোসেন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে ৪৭ হাজার টাকার জাল নোটসহ তারিকুল ইসলাম মল্লিক (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় জাল নোট তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি কম্পিউটার মনিটর, দুটি সিপিইউ, একটি কালার প্রিন্টার ও একটি স্ক্যানার জব্দ করেছে পুলিশ। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল নওগাঁ সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি জানতে পারে, উপজেলার পয়না বাজারে নিজস্ব পরিচালিত ‘মল্লিক ডিজিটাল স্টুডিও ল্যাব প্রিন্ট অ্যান্ড ফটোকপি টেলিকম’ দোকানে কম্পিউটারের মাধ্যমে জাল টাকা তৈরি করছেন এক ব্যক্তি। পরে তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটের সময় ওই দোকানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বাজারে উপস্থিত লোকজনের সামনে তারিকুল ইসলাম মল্লিকের দেহ তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে এক হাজার টাকা মূল্যমানের ৪৭টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়, যার মোট মূল্য ৪৭ হাজার টাকা। এ ছাড়া তার দোকান থেকে একটি কম্পিউটার মনিটর, দুটি সিপিইউ, একটি কালার প্রিন্টার ও একটি স্ক্যানার জব্দ করা হয়। পুলিশের দাবি, জব্দ করা কম্পিউটারে জাল নোট তৈরির সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তাকৃত তারিকুল ইসলাম মল্লিক নওগাঁ সদর উপজেলার পয়না বাজার এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মতলব দক্ষিণে পুলিশের বিশেষ অভিযান, মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৬
মতলব দক্ষিণে পুলিশের বিশেষ অভিযান, মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৬ মতলব দক্ষিণ: চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে ৩ মাদক কারবারিসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর ) গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.হাফিজুর রহমান মানিকের দিকনির্দেশনা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতলব দক্ষিণ থানার ওসি মো হাফিজুর রহমান মানিক। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই দেলোয়ার হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে মোবারকদী এলাকা থেকে ৫ সেপ্টেম্বর মাদক কারবারি মোবারকদী গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে মো. হাসেম সওদাগর(৩৩)কে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে। এদিকে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ পরিচালিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে মতলব দক্ষিণ উপজেলার মোবারকদী গ্রামের দুলাল গাজীর ছেলে মো. কাউছার(২৩), চাঁদপুর সদর উপজেলার ধনপর্দ্দী গ্রামের হান্নান আকন্দের ছেলে রবিন আকন্দ (১৮)কে আটক পূর্বক তিন মাসের সাজা প্রদান করে। অপর অভিযান পরিচালনাকালে রোববার(৬ সেপ্টেম্বর) মতলব দক্ষিণের পৌলপাড়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. জাহিদ,খর্গপুর এলাকার আবুল কাশের ছেলে মো. কাউছার(৩৯) এবং পাঁচদোনা গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে মো. বোরহান-কে গ্রেফতার করা হয়। মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান মানিক বলেন,গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরন করা হচ্ছে। মাদক ও অপরাধ নির্মূলে আমাদের এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জামায়াতের কার্যক্রমে অসন্তোষ, শার্শায় বিএনপিতে ২০ পরিবারের ৬০ সদস্য
জামায়াতের কার্যক্রমে অসন্তোষ, শার্শায় বিএনপিতে ২০ পরিবারের ৬০ সদস্য মহিউদ্দীন বাপ্পী,শার্শা,বেনাপোল(যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়ায় জামায়াতে ইসলামীর কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন ২০ পরিবারের ৬০ সদস্য। রোববার সন্ধ্যায় বাগআঁচড়া বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে তারা বিএনপিতে যোগ দেন। যোগদানকারীদের দাবি, জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কার্যক্রম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনা করে তারা বিএনপির সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অনুষ্ঠানে শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আলী বিশ্বাসের হাত ধরে নতুন সদস্যরা বিএনপিতে যোগ দেন। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীরা তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। যোগদানকারীদের মধ্যে মনিরুল হক, জাহানারা, রোজিনা, সানজিদা, কোহিনূর, শুকজান, হাসনো আরা, রুপালি, মনিরুজ্জামান মনি, মিনু, ইসমাইল, রুমা, সালমা, আন্না, আবু তাহের, রেবেকা, জোসনা ও ঝরনাসহ ২০ পরিবারের সদস্য রয়েছেন। নতুন সদস্য মনিরুল হক বলেন, জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় কার্যক্রম ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে আমরা সন্তুষ্ট নই। নিজেদের রাজনৈতিক চিন্তা ও এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি বিবেচনা করে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তারা ভবিষ্যতে বিএনপির সঙ্গে থেকে এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা, জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখা এবং স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়াই তাদের লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবির আলম বলেন, সহসভাপতি মোনায়েম হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি শাহাজান কবির, বাগআঁচড়া শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আজিজুর রহমান বাবু, বিএনপি নেতা ইসমাইল হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পীরগঞ্জে বাডাস প্রতিষ্ঠাতা ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস ক্যাম্প
পীরগঞ্জে বাডাস প্রতিষ্ঠাতা ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস ক্যাম্প। পীরগঞ্জ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী (সেবা দিবস) উপলক্ষে স্মরণসভা ও বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করানো হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পীরগঞ্জ ডায়াবেটিস অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে পীরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পীরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাহী সদস্য ফেরদৌসী বেগমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন বাবুলের সঞ্চালনায় স্রণ সভা বক্তব্য দেন, পীরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির বাবলুর আহমেদ, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোকাদ্দেস হায়াত মিলন, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক ভিপি আসাদুজ্জামান চৌধুরী মানু । এ সময় সমিতির অন্যান্য সদস্য সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভায় মরহুম ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের কর্মময় জীবন ও ডায়াবেটিস চিকিৎসা ও সচেতনতা বিস্তারে তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করা হয়। এদিকে একই দিনে প্রায় দুইশ জনকে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়।
আনসারের তৎপরতায় তিন ঘণ্টায় হারানো শিশু উদ্ধার, মায়ের কোলে ফিরল লেদুয়ান
আনসারের তৎপরতায় তিন ঘণ্টায় হারানো শিশু উদ্ধার, মায়ের কোলে ফিরল লেদুয়ান পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি | সঞ্জু বনিক সৌরভ পঞ্চগড়, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল থেকে হারিয়ে যাওয়া ছয় বছরের শিশু মো. লেদুয়ানকে প্রায় তিন ঘণ্টার তল্লাশি অভিযানের পর উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শিশুটিকে উদ্ধারে আনসার সদস্যদের দ্রুত তৎপরতা ও মানবিক ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে দায়িত্ব পালন করছিলেন আনসার সদস্য পিসি মো. আতাউর রহমান ও আনসার সদস্য সুকুমার। এ সময় অসতর্কতার কারণে শিশুটি হাসপাতাল চত্বর থেকে নিখোঁজ হয়। শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। বিষয়টি জানতে পেরে দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটিকে উদ্ধারে তৎপর হন। হাসপাতালের বিভিন্ন স্থান ও আশপাশের এলাকায় শুরু হয় ব্যাপক তল্লাশি। প্রায় তিন ঘণ্টার নিরলস অনুসন্ধানের পর আনসার সদস্যরা শিশুটির সন্ধান পান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে শিশুটিকে নিরাপদে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সন্তানকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শিশুটির মা। আনন্দাশ্রুসিক্ত চোখে আনসার সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় হাসপাতালের রোগী, রোগীর স্বজন ও দর্শনার্থীদের মধ্যেও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ায় সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ সংশ্লিষ্টরা আনসার সদস্যদের প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানান। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ আনসার সদস্যদের মানবিক দায়িত্ববোধেরও পরিচয় বহন করে। পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের এ ঘটনাটি দায়িত্বের প্রতি তাঁদের আন্তরিকতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতার একটি উদাহরণ হয়ে থাকল।
পঞ্চগড়ে রাষ্ট্রপতিকে নাগরিক সংবর্ধনা জানাতে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের উপস্থিতিতে হাজার হাজার মানুষের ঢল
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি | সঞ্জু বনিক সৌরভ পঞ্চগড়, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শুভাগমন ও নাগরিক সংবর্ধনাকে ঘিরে পঞ্চগড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত ও অভ্যর্থনা জানাতে বোদা, দেবীগঞ্জ ও পঞ্চগড়ের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। রাষ্ট্রপতিকে বরণ করে নিতে সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ অনুষ্ঠানস্থলে আসতে শুরু করেন। বিপুলসংখ্যক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনস্থল প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে নাগরিক সংবর্ধনা কর্মসূচি রূপ নেয় বড় ধরনের জনসমাবেশে। অনুষ্ঠানে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি উপস্থিত হয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ সময় তিনি উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আয়োজনে অংশ নেওয়া মানুষের মধ্যেও উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। বোদা, দেবীগঞ্জ ও পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষ রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে নাগরিক সংবর্ধনা কর্মসূচিতে যোগ দেন। রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ দেখা যায়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত ও অভ্যর্থনা জানাতেই এই নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের অংশগ্রহণ কর্মসূচিটিকে আরও ব্যাপক ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। নাগরিক সংবর্ধনা উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের উপস্থিতির বিভিন্ন মুহূর্ত স্থিরচিত্রে ধারণ করা হয়। বিপুল মানুষের অংশগ্রহণে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানানোর এ আয়োজন পঞ্চগড়ে দিনব্যাপী উৎসবের আবহ তৈরি করে।
তাড়াইল হাজী গোলাম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
তাড়াইল হাজী গোলাম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত রুহুল আমিন, তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা সদরের হাজী গোলাম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও দানবীর মরহুম হাজী গোলাম হোসেন মহাজনের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাজী গোলাম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী ও পরিচালনা পর্ষদের উদ্যোগে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি সারওয়ার হোসেন লিটন। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা,পরিচালনা পর্ষদের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, হাজী গোলাম হোসেন মহাজন ছিলেন তাড়াইলের শিক্ষা ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে একজন নিবেদিতপ্রাণ মানুষ। বিশেষ করে নারী শিক্ষার প্রসারে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর উদ্যোগ, নিজস্ব অর্থায়ন ও জমিতে প্রতিষ্ঠিত হাজী গোলাম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে তাড়াইল উপজেলার মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে আসছে। বক্তারা আরও বলেন, একটি পিছিয়ে থাকা জনপদে নারী শিক্ষার প্রসারে তাঁর যে উদ্যোগ, তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এর মাধ্যমে তিনি তাড়াইলে নারী শিক্ষার একটি দীর্ঘস্থায়ী ভিত্তি তৈরি করে গেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যেও তাঁর স্মৃতি ও অবদান বহন করবে। মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শেষে মরহুম হাজী গোলাম হোসেন মহাজনের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পুনঃনিয়োগে উত্তাল গুলিশাখালী ফাজিল মাদরাসা
বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পুনঃনিয়োগে উত্তাল গুলিশাখালী ফাজিল মাদরাসা ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে পুনরায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন ও কুশপুত্তলিকা দাহ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার গুলিশাখালী ফাজিল মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ.এ. বারী হাওলাদারকে পুনরায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত রোববার দুপুর ১২টার দিকে মাদরাসা প্রাঙ্গণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। গত ২৯ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরে যাওয়ার পরও পুনরায় স্বপদে বহাল থাকার প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা মাদরাসা চত্বরে সাবেক অধ্যক্ষের কুশপুত্তলিকা দাহ করে তাদের চরম অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। গত ২ সেপ্টেম্বর ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে এক বছরের জন্য বিনা বেতনে অধ্যক্ষ পদে পুনঃনিয়োগ দেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে, যা স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সাবেক অধ্যক্ষের দীর্ঘদিনের স্বেচ্ছাচারিতা এবং প্রশাসনিক অনিয়ম। ভুক্তভোগীদের দাবি, অবসরে যাওয়ার পরও দায়িত্ব হস্তান্তর না করে তিনি প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করেছেন, যার ফলে বাধ্য হয়েই তার কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিতে হয়েছিল। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গাজী মো. শহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, এ.এ. বারী হাওলাদারের শাসনামলে মাদরাসায় ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে, যার কারণে সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাকে আর কোনোভাবেই গ্রহণ করতে প্রস্তুত নন। তাদের ভাষ্যমতে, বিতর্কিত এই ব্যক্তিকে পুনরায় দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হলে মাদরাসার পরিবেশ চরম বিশৃঙ্খল হয়ে পড়বে এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। শিক্ষার্থীরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, মাদরাসার স্বার্থে এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে তারা এই বিতর্কিত নিয়োগ আদেশ কোনোভাবেই মানবেন না। অন্যদিকে, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুনঃনিয়োগের আদেশকে পুঁজি করে সাবেক অধ্যক্ষ এ.এ. বারী হাওলাদার নিজেকে বৈধ দাবি করে পুনরায় দায়িত্ব বুঝে নিতে চাইছেন। তিনি দাবি করেন যে, কর্তৃপক্ষ তাকে যোগ্য বিবেচনা করেই এই নিয়োগ দিয়েছে এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে ভয় পেয়ে দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করছে। তবে তার বিরুদ্ধে আনীত অনিয়ম ও দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগগুলোর বিষয়ে তিনি কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা বা গঠনমূলক প্রতিক্রিয়া প্রদান করেননি। মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়োগের যৌক্তিকতা ও প্রতিষ্ঠানের বর্তমান বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা না করে এমন সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এই পরিস্থিতির কারণে গুলিশাখালী ফাজিল মাদরাসার একাডেমিক কার্যক্রম বর্তমানে স্থবির হয়ে পড়েছে। একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আদেশ এবং অন্যদিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গণঅনাস্থা—এই দুইয়ের চাপে মাদরাসার প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। যদি দ্রুত এই সংকটের একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান না আসে, তবে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করতে পারে। স্থানীয় প্রশাসনের উচিত অনতিবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে মাদরাসার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, অন্যথায় এই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বড় ধরনের সংঘাতের দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা।
কালীগঞ্জে পৌর মেয়র নির্বাচনে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দোয়া ও সমর্থন কামনায় হামিদুল ইসলাম হামিদ
কালীগঞ্জে পৌর মেয়র নির্বাচনে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দোয়া ও সমর্থন কামনায়, হামিদুল ইসলাম হামিদ একরামুল ইসলাম তুষার, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার পৌর মেয়র নির্বাচনে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করেছেন শিক্ষানুরাগী সমাজসেবী হামিদুল ইসলাম হামিদ তিনি কালীগঞ্জ পৌর ফয়লার বাসিন্দাএবং মরহুম আলহাজ্ব রমজান আলী সন্তান। রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তিনি একজন পরিচিত মুখ। বর্তমানে তিনিঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, সাবেক প্যানেল মেয়র ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ হামিদুল ইসলাম হামিদ। কালীগঞ্জ উপজেলা সাবেক ছাত্রনেতা। তিনি বলেন,- "আমি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে পাশে থাকতে চাই। পৌর অবহেলিত মানুষের সেবা করা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। উক্ত পৌর একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই" এজন্য আমি পৌর বাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।" ব্যক্তিগত বিবৃতি: বীর উত্তম, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত একটি পরিবারে জন্ম নেওয়ার সৌভাগ্য এবং সেই আদর্শিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুবাদে খুব অল্প বয়স থেকেই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে গভীর বিশ্বাস গড়ে ওঠে। স্কুল জীবন থেকেই আমি ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে শুরু করি এবং সেই সময় থেকেই দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত রাখার ব্রত নেই। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অঙ্গ সংগঠনসমূহ এবং মূল দলে দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। দলের আদর্শ ও লক্ষ্য অর্জনের প্রতি আমার দৃঢ় বিশ্বাস ও অঙ্গীকারই এই পথচলায় প্রেরণা যুগিয়েছে। রাজনীতির পাশাপাশি আমি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়ভাবে জড়িত থেকেছি, কারণ আমি বিশ্বাস করি—গঠনমূলক পরিবর্তনের জন্য রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক অত্যন্ত জরুরি। নিজ নির্বাচনী এলাকার পাশাপাশি আশপাশের অঞ্চলগুলোতেও আমার প্রতি জনগণের আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা ও সম্মান রয়েছে, যা দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের ফলস্বরূপ অর্জিত। ১/১১-এর দলের কলঙ্ককালীন সময়ে যারা নিঃস্বার্থভাবে দলকে ভালোবেসে নির্যাতনের শিকার হয়েও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন—আমি গর্বের সঙ্গে নিজেকে তাদের একজন হিসেবে বিবেচনা করি। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে ৩০টিরও বেশি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়, যার ফলে আমাকে একাধিকবার কারাবরণ করতে হয়। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে আমার দলীয় কার্যালয় এবং ব্যক্তিগত বাসভবনে একাধিকবার হামলা চালানো হয়। এসব বাধা ও নির্যাতনের মধ্যেও আমি দলের আদর্শ ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রাম থেকে বিন্দুমাত্র পিছিয়ে যাইনি। দল আমাকে জাতীয় নির্বাচনের জন্য মনোনীত করলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমার নির্বাচনী এলাকার আপামর জনগণ, বিশেষ করে নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রাণসঞ্চার ঘটবে। ইনশাআল্লাহ, এই মনোনয়ন জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আমার এলাকার মধ্যে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা এবং শক্তিশালী অবস্থানে উন্নীত করবে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড:২০১৯–চলমান: সভাপতি/নেতৃত্বমূলক অবস্থান—দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), ঝিনাইদহ জেলা শাখা। ২০১৯–জুলাই ২০২৫: সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ঝিনাইদহ। ২০১৪: সদস্য সচিব, ২০ দলীয় ঐক্যজোট, কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ঝিনাইদহ।২০০৯–২০১৯: সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ঝিনাইদহ। ২০০৯: শিশু কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), ঝিনাইদহ জেলা শাখা। ২০০৫: সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ঝিনাইদ২০০৩: সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ঝিনাইদহ। ১৯৯৮: সিনিয়র সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ঝিনাইদহ। ১৯৯৬: আহ্বায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রি কলেজ শাখা, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ। ১৯৯৩: সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রি কলেজ শাখা, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ।১৯৯০: সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, নলডাঙ্গা ভূষণ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় শাখা, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ।১৯৮৮: সভাপতি, জিয়া শিশু কিশোর সংসদ, ফয়লা, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ। নির্বাচনী অভিজ্ঞতা: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ‘চেয়ারম্যান’ পদপ্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করি। ২২ জানুয়ারি ২০০৯: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ‘চেয়ারম্যান’ পদপ্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করি। মার্চ ২০০৪: কালীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডের কমিশনার এবং পরবর্তীতে প্যানেল মেয়র নির্বাচিত হই। প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড: শহীদ নূর আলী কলেজ পরিচালনা কমিটির ‘সভাপতি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। ২০০৬ সালে দৈনিক ‘উচ্চকণ্ঠ’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পাই। ১৯৯৬ সাল থেকে পরপর দুইবার কালীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ‘সাধারণ সম্পাদক’ নির্বাচিত হই। এছাড়া, নির্বাচনী এলাকার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং নানাবিধ সামাজিক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি। পদক:সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মানব সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘আন্তর্জাতিক কৃতিত্ব সম্মাননা-২০২৫’ প্রাপ্তি। মানব সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘মওলানা ফজলুল হক স্বর্ণপদক-২০১৩’ প্রাপ্তি। শিক্ষাগত যোগ্যতা:এলএলবি স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে নারী শিক্ষা প্রসার, সামাজিক উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে। এদিকে আসন্ন পৌর মেয়র নির্বাচনকে ঘিরে কালীগঞ্জে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। পৌর প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এরই মধ্যে হামিদুল ইসলাম হামিদকে নিয়ে কালীগঞ্জের বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছ। তিনি বলেন - আমার ভিশন ও কর্মপরিকল্পনা আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং স্বচ্ছতার পক্ষে আপসহীন। আমার অগ্রাধিকার থাকবে নিম্নরূপ: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় উন্নয়ন: আমাদের পৌরসভা বৈচিত্র্যের মিলনস্থল। এখানে মুসলিম, হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী মানুষ যুগ যুগ ধরে মিলেমিশে বসবাস করছেন। আমার পৌর সভার সকল ধর্মের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা সমান থাকবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা: পৌর সকল মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ মাঠ, মন্দির ও শ্মশানের উন্নয়ন, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে আমি ব্যক্তিগতভাবে নজর রাখব। সরকারি অনুদান কোনো স্বজনপ্রীতি ছাড়াই সমভাবে বণ্টন নিশ্চিত করব। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: যেকোনো উৎসব বা ধর্মীয় আয়োজনে আমি ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করব। আমার পৌর কোনো প্রকার বিভেদ সৃষ্টি হতে দেব না; আমরা সবাই মিলে এক ও অভিন্ন গড়ে তুলব। কবরস্থান ও শ্মশান: সাধারণ কবরস্থান ও শ্মশানের বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করব। ২. অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন : কাঁচা রাস্তা পাকা করা, ভাঙা রাস্তা মেরামত ও নতুন সংযোগ সড়ক নির্মাণ। প্রয়োজনীয় স্থানে ব্রিজ ও কালভার্ট তৈরি। নিরাপত্তার জন্য সৌরবিদ্যুৎ (সোলার) বা এলইডি স্ট্রিট লাইট স্থাপন। পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। ৩. শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ সাধন : স্কুল-মাদ্রাসার মানোন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধ। আধুনিক পাঠাগার ও জোনসহ কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন। দরিদ্র ও মেধাবীদের জন্য বিশেষ পৌর বৃত্তি তহবিল। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও খেলার মাঠের উন্নয়ন। ৪. স্বাস্থ্যসেবা ও স্যানিটেশন: কমিউনিটি ক্লিনিকে ডাক্তার ও ওষুধের নিয়মিত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা। ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও চোখের ক্যাম্প আয়োজন। শতভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিত করা ও আর্সেনিকমুক্ত টিউবওয়েল স্থাপন। সাশ্রয়ী মূল্যে অ্যাম্বুলেন্স/অটোরিকশা সার্ভিস চালু। ৫. কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন: কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সার ও বীজের নিশ্চয়তা এবং আধুনিক চাষাবাদের প্রশিক্ষণ। সেচ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও সংস্কার। বেকার যুবকদের মৎস্য ও গবাদি পশু পালনে প্রশিক্ষণ ও ঋণ সহায়তা। ৬. ডিজিটাল পৌর ও স্বচ্ছতা (স্মার্ট পৌর ): জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি সংশোধন, ওয়ারিশ সনদসহ সকল সেবা সম্পূর্ণ দালালমুক্ত করা। ঘরে বসে আবেদনের জন্য অনলাইন ওয়ান-স্টপ সার্ভিস। পৌর সভার আয়-ব্যয়ের হিসাব ও সরকারি বরাদ্দের তথ্য উন্মুক্ত করা। ৭. সামাজিক নিরাপত্তা ও মানবিক উন্নয়ন: বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও ভিজিডি কার্ড ঘুষ ও স্বজনপ্রীতিমুক্তভাবে প্রকৃত প্রাপকদের মাঝে বিতরণ। বাল্যবিয়ে ও যৌতুক প্রথা কঠোরভাবে প্রতিরোধ। ৮. কর্মসংস্থান ও নারী ক্ষমতায়ন: নারীদের সেলাই, বুটিক ও হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করা। যুব সমাজকে ফ্রিল্যান্সিং, ড্রাইভিং ও কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করা। নতুন উদ্যোক্তাদের সরকারি প্রণোদনা ও ঋণ প্রাপ্তিতে সহায়তা। ৯. মাদক, চাঁদাবাজি ও অপরাধমুক্ত নিরাপদ পৌরসভা: মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো আশ্রয় দেওয়া হবে না। সিন্ডিকেট নির্মূল: বাজার বা গণপরিবহনে যেকোনো চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট সম্পূর্ণ বন্ধ। নিরাপত্তা ব্যবস্থা: অপরাধপ্রবণ এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও নৈশপ্রহরীর টহল জোরদার। নিরপেক্ষ সালিশ: কোন্দল বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ কোনো পক্ষপাত ছাড়াই সমাধানের মাধ্যমে সমাধান। স্বচ্ছতা ও সততাকে আমার পৌরসভা প্রতিফলিত করতে চাই। আমি আপনাদের শাসন করতে আসিনি, আপনাদের সেবা করতে এসেছি। আমার ওপর আস্থা রাখুন, ইনশাআল্লাহ আপনাদের সাথে নিয়ে আমি কালীগঞ্জ পৌরসভারকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে উপহার দিতে চায়।
জীবনের বিনিময়ে হলেও স্বাধীনতা-গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের
জীবনের বিনিময়ে হলেও স্বাধীনতা-গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের মনসুর আহাম্মেদ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি : দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার অঙ্গীকার করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও সফরে এসে রোববার বিকেলে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনায় দেওয়া বক্তব্যে এ অঙ্গীকার করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, তাঁর জীবনের বিনিময়ে হলেও দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার চেষ্টা করবেন তিনি। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি হানাহানি ও সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানান তিনি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অতীতে অনেক অত্যাচার-নির্যাতন হয়েছে। তবে এখন আর মারামারি, খুনোখুনি দেখতে চান না তিনি। দেশের রাজনীতিতে শান্তি ও সমঝোতার পরিবেশ দেখতে চান রাষ্ট্রপতি। তরুণদের উদ্দেশে মাদক ও নানা অপরাধ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, খেলাধুলা ও সুস্থ জীবনযাপনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোরও আহ্বান জানান তিনি। ঠাকুরগাঁওয়ের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি। নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্যও জেলার মানুষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আবেগাপ্লুত রাষ্ট্রপতি বলেন, এই মাটির সঙ্গে তাঁর জীবনের সবকিছু জড়িয়ে আছে। ঠাকুরগাঁওবাসীর ভালোবাসার ঋণ কোনোদিন শোধ করতে পারবেন না বলেও জানান তিনি। এর আগে রোববার দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে পৌঁছান দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন তিনি। সেখান থেকে সেনুয়া পারিবারিক গোরস্থানে গিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন রাষ্ট্রপতি। পরে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নিয়ে ঠাকুরগাঁওবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি। রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে পুরো ঠাকুরগাঁওজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। নিজ জেলার মানুষের ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন—“মোর নাম এই নামে হোক, আমি তোমাদেরই লোক।” এ সময় না করে সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. আবু খাইরুল কবির এর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, দুর্যোগ ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, হুইপ আখতারুজ্জামান, ঠাকুরগাঁও ২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও ৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমীন সহ, জেলা জামাতের নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এসডিওর প্রতিষ্ঠাতা ডা. মুহাম্মদ শহীদ উজ জামান।
খেলার মাঠে সম্প্রীতির উৎসবে মুখর মহালছড়ি: ১৬ দলের অংশগ্রহণে শুরু হলো ‘সম্প্রীতি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট
খেলার মাঠে সম্প্রীতির উৎসবে মুখর মহালছড়ি: ১৬ দলের অংশগ্রহণে শুরু হলো ‘সম্প্রীতি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট মোঃ কাউছারুল ইসলাম, মহালছড়ি প্রতিনিধিঃ পাহাড়ে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে শুরু হয়েছে ‘সম্প্রীতি ফুটবল কাপ টুর্নামেন্ট ২০২৬’। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে মহালছড়ি জোন এলাকায় আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মহালছড়ি স্টেডিয়ামে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়। মহালছড়ি জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-জাবির আসিফ, পিএসসির আমন্ত্রণে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাত্রা থোয়াই মারমা। এ সময় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ ও টিম ম্যানেজারসহ বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন। টুর্নামেন্টের বিশেষ আকর্ষণ ছিল পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। বাংলাদেশ সরকারের সবুজায়ন কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারী ১৬টি দলের সকল খেলোয়াড়, কোচ ও টিম ম্যানেজারের হাতে উপহার হিসেবে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। খেলার মাঠ থেকে পরিবেশ সংরক্ষণের এই বার্তা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। আয়োজকদের এমন উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ রক্ষায় উৎসাহিত করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে তুলে ধরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির খুদে শিল্পীরা পাহাড়ের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরে নৃত্য পরিবেশন করেন। তাদের প্রাণবস্ত পরিবেশনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে আরও বর্ণিল ও আনন্দমুখর। আয়োজকরা জানান, এই টুর্নামেন্টের মূল উদ্দেশ্য শুধু প্রতিযোগিতা নয়; খেলাধুলার মাধ্যমে পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের তরুণদের একত্রিত করা এবং পারস্পরিক বন্ধন, আস্থা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও শক্তিশালী করা। ১৬টি দলের অংশগ্রহণে আয়োজিত সম্প্রীতি ফুটবল কাপ টুর্নামেন্ট ২০২৬ ঘিরে মহালছড়ির ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি এ আয়োজন পাহাড়ের সম্প্রীতি ও বহুত্ববাদী সংস্কৃতির এক সুন্দর মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। উল্লেখ্য আজকের উদ্বোধনী ম্যাচে মানিকছড়ি মুসলিমপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব ১ (এক) -০ (শুন্য) গোলে মুড়াপাড়া একতা সংঘ কে পরাজিত করে।