বাংলাদেশ বার্তা টুডে
তেল সংকটের মধ্যে হাজার হাজার লিটার তেল পুড়িয়ে লংমার্চ! ‘অযৌক্তিক’ বললেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
তেল সংকটের মধ্যে হাজার হাজার লিটার তেল পুড়িয়ে লংমার্চ! ‘অযৌক্তিক’ বললেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি | সঞ্জু বনিক সৌরভ পঞ্চগড়, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধের প্রভাবে যখন জ্বালানি তেলের সংকট চলছে, তখন হাজার হাজার লিটার তেল পুড়িয়ে বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচি আয়োজনকে ‘অযৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের কারণে তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ব্যয় করে লংমার্চ কর্মসূচি পালন কতটা যৌক্তিক—তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিরোধী জোটকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন জোট এতদিন ‘জান্নাতের টিকিট’ বিক্রি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। এখন তেল, বিদ্যুৎ ও সারসহ বিভিন্ন সংকটের কথা তুলে ধরে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশীয় মাছের প্রজাতি রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। পানিতে ডুবে শিশুদের অপমৃত্যু রোধে তাদের সাঁতার শেখানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় সামাজিকভাবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কে এম আব্দুল হালিম, বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সাঁতার প্রশিক্ষণার্থী ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
ঝালকাঠিতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১৩ পিস ইয়াবাসহ সজীব নামের এক যুবক গ্রেপ্তার
ঝালকাঠিতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১৩ পিস ইয়াবাসহ সজীব নামের এক যুবক গ্রেপ্তার রাজীব কুমার মালো ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি শহরের কলেজ রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সজীব কুমার সাহা (৩১) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ২০ মিনিটে ঝালকাঠি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কলেজ রোড এলাকার জাফর মেনশনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা শাখা সূত্রে জানা গেছে, ডিবির অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মো. তারিফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছিলেন। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাফর মেনশনের ৭১ নম্বর হোল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার পশ্চিম পাশের একটি কক্ষে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে সজীব কুমার সাহাকে আটক করা হয়। পরে ওই কক্ষ থেকে ১৩ পিস হালকা গোলাপি রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেপ্তার সজীব কুমার সাহা ঝালকাঠি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৬০ ডাক্তারপট্টি এলাকার বাসিন্দা। তিনি অমল চন্দ্র সাহা ও সন্ধ্যা রানী সাহার ছেলে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেটের ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই (নিঃ) মো. তারিফুল ইসলাম বাদী হয়ে সজীব কুমার সাহার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১০(ক) ক্রমিকে ঝালকাঠি সদর থানায় একটি নিয়মিত মামলা করেছেন। আইন অনুযায়ী, ধারা ৩৬(১) এর সারণির ১০(ক) ক্রমিকের আওতায় সংশ্লিষ্ট মাদকদ্রব্যের নির্দিষ্ট পরিমাণের ক্ষেত্রে অপরাধ প্রমাণিত হলে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। এদিকে জেলা গোয়েন্দা শাখা জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
নড়াইলে মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ শিক্ষকে গ্রেফতার করছে পুলিশ
নড়াইলে মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ শিক্ষকে গ্রেফতার করছে পুলিশ উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে: নড়াইলে মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, শিক্ষকে গ্রেফতার করছে পুলিশ। অভিযুক্ত মাহাবুবুর রহমান (২৫)। নড়াইল পৌরসভার একটি মাদরাসার ছয় শিশুশিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাহাবুবুর রহমান (২৫) নামের এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে সদর থানা-পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর থানা-পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) অজয় কুমার কুন্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাহাবুবুর রহমান সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি ওই মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত (২৭) আগস্ট দিবাগত রাতে নড়াইল পৌরসভা এলাকার একটি মাদরাসায় এক শিশুশিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠে মাহাবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে। পরদিন ২৮ আগস্ট শিশুটির মা মাদরাসায় গেলে শিশুটি তাকে বিষয়টি জানায়। পরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে ঘটনাটি জানানো হয়। পুলিশ জানায়, পরে আরও পাঁচ শিশুশিক্ষার্থী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করে। বিষয়টি জানাজানি হলে মাহাবুবুর রহমান পালিয়ে যান। এরপর ৫ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী এক শিশুর মা বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর ওই দিন দিবাগত রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাহাবুবুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, মাহাবুবুর রহমানকে শনিবার রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।
মতলব দক্ষিণে ৪৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩২ শিক্ষার্থী পেলেন ফুটবল বুট
মতলব দক্ষিণে ৪৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩২ শিক্ষার্থী পেলেন ফুটবল বুট মতলব দক্ষিণ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি: চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ ও প্রাইমিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুনামেন্ট উপলক্ষে ক্রীড়া সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রাইমিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুনামেন্ট উপলক্ষে উপজেলার ৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮৩২ জোড়া ফুটবল খেলার বুট বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম. ইশমাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক বাদল। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ জাকির হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সদস্য মুজাহিদুল ইসলাম কিরন। এ সময় মতলব দক্ষিণ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব এমদাদ হোসেন খান, সদস্য মো. ফয়সাল খন্দকারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বের গুণ, আত্মবিশ্বাস এবং দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে নিয়মিত প্রতিযোগিতার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সামগ্রী সরবরাহ করা জরুরি। এতে প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকার শিক্ষার্থীরাও ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফুটবল বুট বিতরণ। ৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩২ জন শিক্ষার্থীর হাতে ৮৩২ জোড়া ফুটবল খেলার বুট তুলে দেওয়া হয়। বুট পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা যায়। ক্রীড়াবিদরা মনে করেন, প্রয়োজনীয় ক্রীড়া উপকরণ সরবরাহের ফলে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ আরও বাড়বে এবং স্থানীয় পর্যায়ে নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। পুরস্কার গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও ক্রীড়া সামগ্রীর সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে মতলব দক্ষিণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে।
গোপালগঞ্জ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশাল র্যালি
গোপালগঞ্জ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশাল র্যালি :- সাইফুল ইসলাম গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: ০৬-০৯-২৬ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ব্যাপক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রোববার সকালে দলটির নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি বড় র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। আজ রবিবার সকাল ১১টার দিকে টুঙ্গিপাড়া পৌর সমবায় মার্কেট প্রাঙ্গণ থেকে র্যালি শুরু হয়। র্যালিতে বিএনপির সকল ইউনিটের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে করে। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো ঘুরে পাটগাতী বাজার এলাকায় এসে শেষ হয়। র্যালিতে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ , সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দলীয় স্লোগান ও মিছিলের কারণে এ সময় টুঙ্গিপাড়ার প্রধান সড়কগুলোতে উৎসব মুখর পরিবেশে সৃষ্টি হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎফুল্লতা দেখা যায়। র্যালি শেষে এস এম জিলানী উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান। র্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে দলের প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক পথচলা ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা দলীয় নেতাকর্মীদের পারস্পরিক ঐক্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার আহ্বান জানান।
হরিরামপুরে মোবাইল নিয়ে মনোমালিন্য, স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
হরিরামপুরে মোবাইল নিয়ে মনোমালিন্য, স্কুলছাত্রীর মৃত্যু মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে জান্নাত আক্তার (১৫) নামে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু ঘটেছে । রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হরিরামপুর উপজেলার বয়রা কর্মকান্দি এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ । নিহত জান্নাত আক্তার বয়রা কর্মকান্দি গ্রামের জাফর মিয়ার মেয়ে । সে এম এ রাজ্জাক মডেল হাই স্কুলের নবম শ্রেণির মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল । স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, মোবাইল ফোন ব্যবহার করা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জান্নাতের কথা-কাটাকাটি হয় । একপর্যায়ে সে ঘরের ভেতর চলে যায় । পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় দেখতে পান । খবর পেয়ে হরিরামপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয় । এ বিষয়ে এম এ রাজ্জাক মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আওলাদ হোসেন বলেন, ‘জান্নাত আমাদের বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্রী ছিল । হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে । এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে ।
বাগেরহাটে একই পরিবারের তিন সদস্য হত্যা: পরকীয়ার বলি হয়ে ঝরল তিন প্রাণ, গ্রেপ্তার ৩
বাগেরহাটে একই পরিবারের তিন সদস্য হত্যা: পরকীয়ার বলি হয়ে ঝরল তিন প্রাণ, গ্রেপ্তার ৩ ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট বাগেরহাটের কচুয়ায় পারিবারিক পরকীয়া ও বিরোধের জেরে একই পরিবারের তিনজনকে নৃশংসভাবে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চান্দেরকোলা গ্রামে একই পরিবারের তিন সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। গত ২ আগস্ট দিবাগত রাত থেকে ৪ আগস্টের মধ্যে যেকোনো সময় এই ট্রিপল মার্ডারের ঘটনাটি সংঘটিত হয়। ঘটনার সূত্রপাত হয় পরকীয়া সংক্রান্ত পারিবারিক দ্বন্দ্ব থেকে, যা চূড়ান্ত পর্যায়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয়। ৪ আগস্ট সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়, যার সূত্র ধরে জেলা গোয়েন্দা শাখা ও স্থানীয় থানা পুলিশের একটি যৌথ দল দীর্ঘ তদন্ত ও প্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। সর্বশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে মূল পরিকল্পনাকারী জাহিদুল ইসলামসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ ও জড়িতদের নাম বেরিয়ে আসে। তদন্তে উঠে এসেছে যে, ভিকটিম আহাদের পরিবারের এক নারীর সঙ্গে মূল আসামি জাহিদুল ইসলামের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল, যা নিয়ে ভিকটিম মনিরা বেগমের সঙ্গে জাহিদুলের তীব্র বাকবিতণ্ডা ও বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই সম্পর্কের জের ধরে জাহিদুলের নিজস্ব পারিবারিক জীবনেও অস্থিরতা দেখা দেয়। ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, জাহিদুল অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে তার সহযোগীদের নিয়ে রাতারাতি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করেছিল। গ্রেপ্তারকৃত আসামি আসাদুল শেখের ঘর থেকে উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও আনুষঙ্গিক আলামত নিশ্চিত করছে যে, অপরাধীরা হত্যার পর তথ্যপ্রমাণ মুছে ফেলার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এই নৃশংস ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন, কারণ একটি তুচ্ছ পারিবারিক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে তিনজনের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার ঘটনা এলাকা জুড়ে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের গ্রেপ্তারে জেলা গোয়েন্দা শাখা অত্যন্ত পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা তাদের দোষ স্বীকার করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, উদ্ধারকৃত আলামত এবং আসামিদের জবানবন্দি আদালতে উপস্থাপন করা হবে যাতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো ঘাটতি না থাকে। ঘটনার পর থেকেই স্থানীয়ভাবে নিরাপত্তার জোরদার করা হয়েছে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে এমন জঘন্য ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সামাজিক সচেতনতা এবং পারিবারিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করা প্রয়োজন, কারণ প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের পেছনেই কোনো না কোনো সামাজিক অস্থিরতা কাজ করে যা আইনের শাসনের মাধ্যমে দমন করা জরুরি। এই হত্যাকাণ্ডের ফলে বাগেরহাটের সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। একটি পরিবারের তিন সদস্যকে এভাবে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার ঘটনা সামাজিক কাঠামোর অবক্ষয়কেই নির্দেশ করে। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও, এই ট্রিপল মার্ডারের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী। ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতা নিরসনে কেবল আইনি ব্যবস্থা নয়, বরং পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে সঠিক নজরদারি ও দ্বন্দ্ব নিরসনের উদ্যোগ থাকা প্রয়োজন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এই সফল অভিযান সাধারণ মানুষের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনলেও, দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই এখন স্থানীয়দের প্রধান দাবি। মামলার পরবর্তী ধাপে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হলে তা ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করবে।
মহালছড়িতে ১১ হাজার বিদ্যুৎ ভোল্টেজের মেইন লাইন কেড়ে নিল খামারি সুমার আলীর বেঁচে থাকার স্বপ্ন
মহালছড়িতে ১১ হাজার বিদ্যুৎ ভোল্টেজের মেইন লাইন কেড়ে নিল খামারি সুমার আলীর বেঁচে থাকার স্বপ্ন মোঃ কাউছারুল ইসলাম, মহালছড়ি। খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার শান্তি নগর এলাকায় ১১ হাজার ভোল্টেজ ক্ষমতার উচ্চচাপ বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ে শর্ট সার্কিটে মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনায় তিনটি বড় গরু মারা গেছে। এ ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন ওই এলাকার অসহায় প্রান্তিক খামারি মো. সুমার আলী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় হঠাৎ করেই ওপরের ১১ হাজার ভোল্টেজের মেইন বিদ্যুতের তারটি ছিঁড়ে সরাসরি মো. সুমার আলীর বসতঘর ও গোয়ালঘরের ওপর আছড়ে পড়ে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে পুরো এলাকায় তীব্র শর্ট সার্কিট ও অগ্নিকাণ্ডের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। চোখের পলকেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খামারি সুমার আলীর লালন-পালন করা তিনটি বড় গরু ঘটনাস্থলেই মারা যায়। বড় ধরনের কোনো মানবীয় প্রাণহানি না ঘটলেও এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় ওই খামারির আয়ের একমাত্র অবলম্বনটুকু শেষ হয়ে গেছে। এ ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তাদের মতে, বিদ্যুৎ বিভাগের চরম অবহেলা ও ঝুঁকিপূর্ণ তারের কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। নিঃস্ব হয়ে পড়া প্রান্তিক খামারি মো. সুমার আলীর পরিবারকে দ্রুত সরকারিভাবে পুনর্বাসন এবং এই ক্ষয়ক্ষতির উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
বিশ্বনাথে সিডস অব সাদাকাহ’র উদ্যোগে ৪টি অসহায় পরিবারকে নবনির্মিত ঘর হস্তান্তর
বিশ্বনাথে সিডস অব সাদাকাহ’র উদ্যোগে ৪টি অসহায় পরিবারকে নবনির্মিত ঘর হস্তান্তর। আফজাল মিয়া বিশ্বনাথ প্রতিনিধি। সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নে সামাজিক ও মানবিক কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান সিডস অব সাদাকাহ’র উদ্যোগে চারটি অসহায় ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে নবনির্মিত ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের মান্দারবাজ গ্রামে পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সিডস অব সাদাকাহ’র শেল্টার প্রজেক্টের ৪৭৮, ৪৮০, ৪৮২ ও ৫০৪ নম্বর ঘর উদ্বোধন করা হয়। মোনাজাত ও ফিতা কাটার পর উপকারভোগী পরিবারের সদস্যদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক ও লামাকাজী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আলী, বিশিষ্ট সমাজসেবী জুয়েল আহমেদ, আব্দুল মোক্তার হোসাইন, মাওলানা মোসাহিদ আলী, হাফিজ জামাল উদ্দিন, খালেদ আহমেদ মাসুম, আনোয়ার হোসাইন, শাহজাহান ও সাব্বির আহমেদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এ সময় সিডস অব সাদাকাহ’র প্রকল্প সুপারভাইজার হাবিবুর রহমান আবিদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। নবনির্মিত ঘর পেয়ে উপকারভোগী পরিবারের সদস্যরা সিডস অব সাদাকাহ’র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও এ মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, অসহায় মানুষের জন্য নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত মহৎ ও প্রশংসনীয় কাজ। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী দেশের ১ কোটি মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছেন: ড. মুজিবুর রহমান
প্রধানমন্ত্রী দেশের ১ কোটি মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছেন - ড. মুজিবুর রহমান। বিশ্বনাথ প্রতিনিধি আফজাল মিয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়স্থ জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) এর সদস্য, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী অধ্যাপক বিশ্বনাথের কৃতি সন্তান ড. মুজিবুর রহমান বলেছেন, আমাদের সন্তানদেরকে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে। কারণ বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে প্রযুক্তিতে দক্ষ না হলে,টিকে থাকা সম্ভব নয়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অন্যতম ভিশন হচ্ছে দেশের এক কোটি মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করা। তিনি গতকাল ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাতে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব ওয়েল ফেয়ার ফান্ড এর উদ্যোগে সংগঠনের সদস্য এবং তাদের সন্তানদের মধ্যে 'শিক্ষা ও প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা গুলো বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মুজিবুর রহমান, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কল্যাণে ও আর্তমানবতার সেবায় যে মহতি কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন তার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাদের এই অগ্রযাত্রায় শামিল হওয়ার জন্য সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান। সংগঠনের সভাপতি ও বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়েরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সর্বমোট ১৪জন সাংবাদিক ও তাদের সন্তানদেরকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার নগদ বৃত্তি ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্য মাওলানা শহীদুর রহমানের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাঃ শানুর আলী মামুন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোঃ জামাল উদ্দিন । সভায় ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের সদ্য প্রয়াত গোল্ডেন মেম্বার ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সুহেল আহমদ চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত ও সংগঠনের অন্যান্য সকল গোল্ডেন মেম্বার, সিলভার মেম্বার ও জেনারেল মেম্বারদের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করা হয়। বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের ট্রেজারার তজম্মুল আলী রাজুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান , বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শিপন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ মোঃ নুর উদ্দিন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ মোঃ জামাল মিয়া, সদস্য আব্দুস সালাম মুন্না, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সুজিত দেব,মোস্তাক আহমদ মোস্তফা, মাজহারুল ইসলাম ও মোঃ জাহান মিয়া। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিকে সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি ক্রেস্ট ও গোল্ডেন মেম্বারশীপ সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।প্রসঙ্গত গত বছর ৫০ লাখ টাকার মূলধন টার্গেট করে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্যদের কল্যাণে এবং বিশ্বনাথে আর্তমানবতার সেবার লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব ওয়েল ফেয়ার ফান্ড গঠনের যাত্রা শুরু হয়। মাত্র ১৩ দিনের আপিলে ৫১ লাখ ২১ টাকার প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়। ইতিমধ্যে প্রতিশ্রুতির প্রায় এক তৃতীয়াংশ অর্থ ফান্ডের নির্ধারিত ব্যাংক একাউন্টে এসে জমা হয়। সেই মূলধনের মুনাফার ৮০ শতাংশ অর্থ দিয়ে প্রথমবারের মত শিক্ষা ও প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের এই বৃত্তি প্রদান করা হলো।
রবিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য : মাওলানা শাহ্ মুহাঃ মাসউদুর রহমান
রবিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য রবিউল আউয়াল—সীরাত ও শরিয়াহর প্রতি পুর্ণ আনুগত্যের মাস। ১)ربيع الأول- মাস, এই মাসেই আমার প্রাণ-প্রিয় নবী, হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিধন্য মাস। আমরা মহা সৌভাগ্যবান—আমরা সেই মহান নবী ﷺ-এর উম্মত হওয়ার কৃতিত্ব লাভ করেছি। এই মহা নিয়ামতের স্বীকৃতি হলো তাঁর প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা হৃদয়ে ধারণ করা, তাঁর সীরাত জানা এবং তাঁর শরিয়াহর প্রতি পুর্ণ আনুগত্য জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা করা। তাই রবিউল আউয়াল (ربيع الأول) কে শুধু আবেগ ও বক্তব্য বা আনুষ্ঠানিকতার মাস না বানিয়ে সীরাত পাঠ, দরুদ পাঠ এবং নবীজির ﷺ জীবন-আদর্শের চর্চার মাস হিসেবে গ্রহণ করি। ২) সিরাতুন্নবী ( سيرةالنبي ) ﷺ আদর্শ জীবন ও চরিত্র গঠন: উত্তম নমুনা: নবীজিﷺ জীবন ব্যক্তিগত,সামাজিক ও রাস্ট্রীয় জীবনের পূর্ণাঙ্গ মডেল। ধর্ম,দলমত নির্বিশেষে সদাচরণ ও মানবিকতা: ক্ষমা, দয়া, সততা ও বিনয়ী শেখায়। চরিত্রের বিকাশ: লোভ ও অহংকার দূর করে মনকে পবিত্র ও প্রশান্তি দেয়। ৩) সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনা: ন্যায়বিচার: ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদহীন সমাজ গঠনে দিকনির্দেশনা। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান: ভিন্ন মত ও ধর্মের মানুষের সাথে সম্পর্কের নিয়ম। নেতৃত্বের গুণাবলি: রাষ্ট্র ও পরিবার পরিচালনায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার শিক্ষা। ৪) ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—জীবনের সর্বস্তরে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নাহ ও আদর্শ তথা শরিয়াহ বাস্তবায়নের চেষ্টা করি। ৫) শরিয়াহ:আইন ও বিচার,নৈতিকতা ও ইবাদত,ব্যক্তি,সমাজ ও রাস্ট্রে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক অনুশাসন মেনে চলা।অর্থব্যবস্থা: সুদহীন লেনদেন, যাকাত প্রদান এবং শরিয়া-সম্মত উপায়ে ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিচালনা করা। শরিয়াহর মাধ্যমে পরিবার, সমাজ ও রাস্ট্র সুরক্ষায় সর্বশ্রেণী মানুষের নিরাপদ আবাসস্থল পরিনত হয়, যেমন দুর্নীতি, দুঃশাসন, মাদক নির্মুল,নারী ও শিশু ধর্ষণ, বলৎকার সহ সকল অপরাধ সম্পুর্ণ ধ্বংস করে দেয়। নবীজির ﷺ আদর্শ তথা শরিয়াহর আলোকে ব্যক্তি ও পরিবার গড়লে সমাজ সুন্দর হবে, আর সমাজ সুন্দর হলে রাষ্ট্রেও শান্তি ও কল্যাণের সুবাতাস প্রবাহিত হবে—ইনশাআল্লাহ। আসুন, রবিউল আউয়াল( ربيع الأول ) মাসে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই— সীরাত জানব, সুন্নাহ মানব, নবীজির ﷺ আদর্শে শরিয়াহর প্রতি পুর্ণ আনুগত্যে জীবন গড়ব। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তাঁর প্রিয় হাবীব ﷺ-এর সত্যিকারের উম্মত হিসেবে কবুল করুন। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ﷺ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। মাওলানা শাহ্ মুহাঃ মাসউদুর রহমান, সহ-সভাপতি আইএবি ময়মনসিংহ জেলা দক্ষিণ শাখা।
সিংগাইরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন
সিংগাইরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন সোহেল রানা খন্দকার, মানিকগঞ্জ, ৬ সেপ্টেম্বর মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে । এ উপলক্ষে শনিবার দুপুরে সিংগাইর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবিদুর রহমান রোমানের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের করা হয় । মিছিলটি উপজেলার বটতলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয় । পরে বটতলা চত্বরে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি নেতা ডা. জামাল উদ্দিন । সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবিদুর রহমান রোমান, শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল হক, পৌর বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামানসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা । বক্তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর তাৎপর্য তুলে ধরে দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান ।
দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় গঙ্গা মন্দিরে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গীতা আবৃত্তি ও বৈদিক নৃত্য প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা
দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় গঙ্গা মন্দিরে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গীতা আবৃত্তি ও বৈদিক নৃত্য প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী মা মগধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দিরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মহতী শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা আবৃত্তি, বৈদিক নৃত্য প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী মা মগধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দিনব্যাপী এ আয়োজন করা হয়। বাগীশিক রাউজান সংসদের সভাপতি ও সংগঠক বিটু কান্তি দের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মাস্টার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীশ্রী মা মগধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জন্মাষ্টমী কমিটির সহসভাপতি লিটন মহাজন (লিটু), রাউজান উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আজম ছোটন এবং ১৩ নম্বর নোয়াপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজ মিয়া মেম্বার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় মা মগধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, রাউজান উপজেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের সভাপতি দোলন কৃষ্ণ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দাশ ও সুদীপ দে। প্রধান বক্তা ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক লায়ন বাসু চৌধুরী। গীতা আবৃত্তি ও বৈদিক নৃত্য প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন রাউজান প্রেস ক্লাবের শিক্ষা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গীতানুরাগী ডা. শ্রী সুপণ বিশ্বাস (শঙ্করেশ)। সহ-বিচারক ছিলেন বাগীশিক রাউজান উপজেলা সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক অর্পণ মহাজন রিপু এবং বাগীশিক রাউজান উপজেলা সংসদের ১০ নম্বর পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন সংসদের সভাপতি বিজয় বিশ্বাস। আয়োজকরা জানান, রাউজানের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন গীতা বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে গীতা আবৃত্তি ও বৈদিক নৃত্য প্রতিযোগিতা সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে মেধা ও প্রতিভার ভিত্তিতে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীকে সনদ প্রদান করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ধর্মীয় শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে আলোকিত করার লক্ষ্যেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে ভক্ত, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিকে রাতে সংলাপ থিয়েটারের নির্দেশনায় এবং গঙ্গা মন্দিরের সার্বিক সহযোগিতায় ‘কৃষ্ণহারা বৃন্দাবন’ নাটক মঞ্চস্থ হয়। ধর্মীয় আবহে নাটকটি উপস্থিত দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
গোপালগঞ্জে আরাফাত রহমান কোকো হা-ডু-ডু টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত
গোপালগঞ্জে আরাফাত রহমান কোকো হা-ডু-ডু টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত :- সাইফুল ইসলাম গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়ন ধোপার মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আরাফাত রহমান কোকো হা-ডু-ডু টুর্নামেন্ট-২০২৬’। ঐতিহ্যবাহী এই খেলাকে ঘিরে দিনব্যাপী মাঠে ছিল খেলোয়াড় ও দর্শকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কুশলী ইউনিয়নের ধোপার মাঠে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ০১ নং কুশলী ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই মাঠের আশপাশে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ক্রীড়া প্রেমিদের উপস্থিতিতে পুরো মাঠ কানায় কানায় ভোরে ওঠে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু খেলাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং স্থানীয় খেলোয়াড়দের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতেই এই আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী। বিশেষ অতিথি ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম মোক্তার মোল্লা এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম। কুশলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কদর শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এইচ এম মোস্তফা কামাল চান মিয়া। টুর্নামেন্টের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আলী জান্নাত। খেলা চলাকালে মাঠে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আইয়ুব আলী, কুশলী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান ইশতিয়াক হোসেন হাইশোর সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আয়োজক কমিটির সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ক্রীড়াপ্রেমীরা। দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দলগুলোর খেলোয়াড়রা নিজেদের দক্ষতা ও ক্রীড়া নৈপুণ্য তুলে ধরেন। প্রতিটি ম্যাচেই ছিল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ ও উত্তেজনা পূর্ণ মুহূর্ত। খেলোয়াড়দের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দর্শকদের মধ্যেও তৈরি হয় ব্যাপক আনন্দ -উদ্দীপনা। সকাল থেকে খেলার মাঠে দর্শকদের ভিড় বাড়তে থাকে। খেলা উপভোগ করতে আসা ক্রীড়াপ্রেমীদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডুকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের এমন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আয়োজনটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। আয়োজকরা বলেন, আধুনিক খেলাধুলার পাশাপাশি গ্রামীণ ঐতিহ্যের খেলাগুলোও ধরে রাখা প্রয়োজন। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মাঠমুখী করার চেষ্টা আর তার পাশাপাশি হারিয়ে যেতে বসা হা-ডু-ডুর প্রতি আগ্রহ বাড়ানো সম্ভব। দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে উৎসবমুখর পরিবেশে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। স্থানীয় দর্শক ও ক্রীড়াপ্রেমীরা এমন আয়োজনের প্রশংসা করে। ভবিষ্যতেও নিয়মিত ভাবে হা-ডু-ডু প্রতিযোগিতার আয়োজনে প্রত্যাশা জানান।
শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট- ২০২৬ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট- ২০২৬ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সাইফুল ইসলাম গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: আজ শনিবার বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় গোপালগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সংলগ্ন গোপালগঞ্জ জেলা ফুটবল স্টেডিয়াম মাঠে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ম্যাচ- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতা খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ডাঃ কে এম বাবর, গোপালগঞ্জ- ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আরিফ-উজ- জামান, জেলা প্রশাসক গোপালগঞ্জ মহোদয় এবং জনাব মোঃ হাবীবুল্লাহ, পুলিশ সুপার, গোপালগঞ্জ মহোদয়। উক্ত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণ করেন বেথুরী ইউনিয়ন একাদশ বনাম উরফি ইউনিয়ন একাদশ দল। প্রতিযোগিতায় বেথুরী ইউনিয়ন একাদশ দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় উরফি ইউনিয়ন একাদশ দল। প্রতিযোগিতা শেষে অতিথিগণ চ্যাম্পিয়ন দল এবং রানার্স-আপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং অভিনন্দন জানান। পুলিশ সুপার মহোদয় বক্তব্যে শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে খেলাধুলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নিয়মিত খেলাধুলা কেবল শরীরকে সুস্থ ও রোগব্যাধিমুক্ত রাখে না, বরং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মানসিক অবসাদ দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাঠের খেলাধুলার মাধ্যমে পারস্পরিক সহমর্মিতা, শ্রদ্ধাবোধ, আন্তরিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সুদৃঢ় সুশৃঙ্খল ঐক্য গড়ে ওঠে। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা মানুষকে মাঠের প্রতিটি মুহূর্তে যেমন আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী করে তোলে, ঠিক তেমনি বাস্তব কর্মজীবনেও চরম পরিশ্রমী ও দায়িত্বশীল হতে শেখায়। জেলা পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ফাইনাল খেলা আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলার ক্রীড়ামোদী সুধীজন,সকল স্তরের জনগণ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।