বাংলাদেশ বার্তা টুডে
আমড়াগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন মেজর (অব.) মোস্তফা কামাল
আমড়াগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন মেজর (অব.) মোস্তফা কামাল শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী আমড়াগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চার সদস্যবিশিষ্ট নতুন অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর। নবগঠিত এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল। গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে যশোর শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক (ড. মোঃ এনামুল কবীর) স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক স্মারকে এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। 'মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪'-এর ৩৪ (১) উপ-প্রবিধান অনুযায়ী আগামী ৬ (ছয়) মাসের জন্য এই অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুমোদিত চার সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন: সভাপতি হলেন মেজর (অব.) মোস্তফা কামাল সাধারণ শিক্ষক সদস্য জনাব শিরিন আক্তার,অভিভাবক সদস্য: জনাব মোঃ মুনসুর হাওলাদার,সদস্য-সচিব পদাধিকারবলে আমড়াগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বোর্ডের নির্দেশনায় বলা হয়, এই অ্যাডহক কমিটিকে নির্ধারিত ছয় মাস মেয়াদের মধ্যে বিধি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বোর্ডে অনুমোদন সংগ্রহ করতে হবে। এদিকে মেজর (অব.) মোস্তফা কামাল সভাপতি মনোনীত হওয়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় আমড়াগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মান ও সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।
যেখানে মানুষ বিপন্ন, সেখানেই তারা মানবতার জন্য জীবন বাজি রাখা নীরব যোদ্ধাদের দিন আজ
যেখানে মানুষ বিপন্ন, সেখানেই তারা—মানবতার জন্য জীবন বাজি রাখা নীরব যোদ্ধাদের দিন আজ বিশ্ব মানবিক দিবস: যুদ্ধ, দুর্যোগ ও সংকটের অন্ধকারে আশার আলো হয়ে ছুটে চলা মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা সঞ্জয় মজুমদার, বিশেষ প্রতিনিধি। পৃথিবীর কোথাও যুদ্ধের গোলাগুলি, কোথাও দুর্ভিক্ষের হাহাকার, কোথাও ভয়াবহ বন্যা-ভূমিকম্প কিংবা বাস্তুচ্যুত মানুষের অসহায় কান্না—মানবিক সংকট যেন আজও বিশ্ববাসীর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা। আর সেই সংকটের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ান কিছু মানুষ। নিজের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য এমনকি জীবনকেও তুচ্ছ করে তাঁরা ছুটে যান বিপন্ন মানুষের কাছে। আজ বিশ্ব মানবিক দিবস—সেই নীরব মানবসেবীদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর দিন। প্রতি বছর ১৯ আগস্ট বিশ্ব মানবিক দিবস পালিত হয়। মানবিক সহায়তা দিতে গিয়ে জীবন উৎসর্গ করা কর্মীদের স্মরণ এবং বিশ্বজুড়ে মানবিক সংকটে কাজ করা মানুষদের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এ দিবসের আয়োজন। মানবিক কর্মীদের কাজ শুধু ত্রাণ বিতরণে সীমাবদ্ধ নয়। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে ঘরহারা মানুষকে আশ্রয় দেওয়া, ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া, আহতদের চিকিৎসা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, শিশুদের সুরক্ষা, বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন—মানবিক সহায়তার প্রতিটি ক্ষেত্রেই রয়েছে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। অনেক সময় তাঁদের কাজের ক্ষেত্র হয়ে ওঠে পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক অঞ্চল। গোলাগুলির শব্দ, সশস্ত্র সংঘাত, রোগের প্রাদুর্ভাব কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়—কোনো কিছুই তাঁদের মানবসেবার পথ থামাতে পারে না। অন্যরা যখন নিরাপদ আশ্রয় খোঁজেন, তখন তাঁরা বিপদের দিকে এগিয়ে যান মানুষের জীবন বাঁচাতে। তাঁদের অনেকেই আর ঘরে ফিরে আসতে পারেন না। মানবতার সেবায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অসংখ্য মানবিক কর্মী। তাঁদের আত্মত্যাগ মনে করিয়ে দেয়—মানবতা শুধু একটি শব্দ নয়; প্রয়োজনে এটি নিজের জীবন উৎসর্গ করারও নাম। বিশ্ব মানবিক দিবস তাই কেবল একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়। এটি বিশ্ববাসীর কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—সংকটে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো কোনো দয়া নয়, এটি মানবিক দায়িত্ব। যুদ্ধ কিংবা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে একটি খাবারের প্যাকেট, এক বোতল বিশুদ্ধ পানি, একটি চিকিৎসাসেবা কিংবা নিরাপদ আশ্রয় কখনো কখনো নতুন করে বেঁচে থাকার সাহস জোগায়। আর সেই আশার আলো পৌঁছে দিতে যারা নিরলসভাবে কাজ করেন, তাঁরাই মানবতার প্রকৃত সৈনিক। আজকের দিনে তাই তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলা যায়— পৃথিবী যতদিন সংকটে পড়বে, ততদিন মানবতার পাশে দাঁড়ানো এই নীরব যোদ্ধাদের প্রয়োজন থাকবে। তাঁদের সাহস, ত্যাগ ও মানবিকতার কারণেই অন্ধকারের মধ্যেও মানুষ আশার আলো দেখতে পায়। বিশ্ব মানবিক দিবসে মানবতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী সকল মানবিক কর্মীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং জীবিত সকল মানবসেবীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
তিস্তাপাড়ে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে আসবাবপত্র
তিস্তাপাড়ে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে আসবাবপত্র মোঃ আশরাফজ্জামান খান পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একাধিকবার পরিদর্শন ও আশ্বাসের পরও শেষ রক্ষা হলো না গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। ভয়াবহ নদীভাঙনে বিদ্যালয়টি হুমকির মুখে পড়ায় শেষ পর্যন্ত অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের উত্তর লালচামার এলাকায় তিস্তার ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে দেড় শতাধিক বসতবাড়ি ও তিন শতাধিক বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে চরবাসীর একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়টি রক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন তাঁরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউপি চেয়ারম্যান, ইউএনও, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। সর্বশেষ গত ৮ আগস্ট পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এলাকা পরিদর্শন করায় বিদ্যালয়টি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপের আশা করেছিলেন স্থানীয়রা। কিন্তু কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় সেই আশাও পূরণ হয়নি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গতকালও স্কুলে ক্লাস হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে পরিস্থিতি দেখে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানাই। পরে ১৪ জন শ্রমিক দিয়ে বিদ্যালয়ের আসবাব ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছি। এরই মধ্যে একটি বেড়া ও তিনটি জানালা নদীতে চলে গেছে।’ তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মন্ত্রী, এমপি, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ডিসি ও ইউএনও সবাই এসেছেন। শুধু আশ্বাস পেয়েছি। স্কুল এলাকায় একটি জিও ব্যাগও ফেলা হয়নি। সময়মতো জিও ব্যাগ ফেললে হয়তো আজ এ দৃশ্য দেখতে হতো না।’ কাপাসিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একাধিকবার এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। বিশেষ করে চরবাসীর একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি রক্ষার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত ব্যবস্থা নিলে এ করুণ দৃশ্য দেখতে হতো না।’ সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুকুল চন্দ্র বর্মণ বলেন, ‘নদীভাঙন শুরুর পর থেকে পরিস্থিতি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে জানানো হয়েছে। কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সে কারণেই আজ এ ভয়াবহ পরিস্থিতি।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ার খবর পাওয়ার পর বিদ্যালয়টি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ‘আশা করি, ঘণ্টাখানেকের মধ্যে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হবে।’ তিনি বলেন, স্কুল এলাকায় আগে কোনো জিও ব্যাগ ফেলা হয়নি। তবে গত বছর বিদ্যালয়ের আপ ও ডাউনস্ট্রিমে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল। এ বছর বিদ্যালয়টি রক্ষায় কোনো জিও ব্যাগ বরাদ্দ ছিল না। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
সিংগাইরে স্কুল শিক্ষিকার গলায় ফাঁ/স লাগানো মর/দে/হ উদ্ধার
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে সেলিনা আক্তার( ২৭) নামে এক স্কুল শিক্ষিকা ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সেলিনা আক্তার জয়মন্টপ ইউনিয়নের ডোনখালপার এলাকার মৃত আনছার আলীর মেয়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দিবাগত রাতে সিংগাইর উপজেলা সদরের আঙ্গারিয়া এলাকায় নিজ বাসায় স্কুল শিক্ষিকা সেলিনা আক্তার ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন। তিনি শিবালয় উপজেলার রুপসা ওয়াহিদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত তার মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। সিংগাইর থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে সুরতহালের জন্য মর্গে পাঠিয়েছেন।
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ড ভিজিটে থাকা শিক্ষার্থীদের সাথে বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময়
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ড ভিজিটে থাকা শিক্ষার্থীদের সাথে বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা; নেত্রকোনার বারহাট্টায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ বর্ষের ফিশারিজ ডিপার্টমেন্টের ফিল্ড ভিজিটে থাকা ৩২ জন শিক্ষার্থীদের সাথে বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে (১৮ আগস্ট) মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ফারুকের সঞ্চালনায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ রানা, বারহাট্টা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান, বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামস্ উদ্দিন আহমেদ বাবুল, দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার সাংবাদিক বারহাট্টা উপজেলা প্রতিনিধি ফেরদৌস আহমেদ বাবুল, দৈনিক ইত্তেফাকের বারহাট্টা উপজেলা প্রতিনিধি আনিসুল আলম শামীম, ডেইলি মিরর পত্রিকার বারহাট্টা উপজেলা প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম খান রেজভি, বারহাট্টা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন, দৈনিক সংবাদ পত্রিকার বারহাট্টা উপজেলা প্রতিনিধি মুখলেছুর রহমান হীরা সহ প্রমুখ। এসময় বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকবৃন্দ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ বর্ষের ৩২ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। মত বিনিময়ে কৃষি নির্ভর বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা এবং সম্ভবনার বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছ থেকে ধারণা নেন আগত শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ আলোচনা শুনার পর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ রানা জানান, এটা আমাদের একটা ফিল্ড ভিজিটের অংশ। এখান থেকে ২০ নাম্বার থাকবে শিক্ষার্থীদের। একটা চমৎকার মত বিনিময় সভা আয়োজনের জন্য তিনি বারহাট্টা প্রেসক্লাবকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও বলেন, বারহাট্টা একটি কৃষি নির্ভর উপজেলা। এই উপজেলার চরম অতিথিপরায়ণ মানুষের প্রতি সবসময় তাদের আন্তরিক সহযোগিতা থাকবে। আলোচনা সভায় বারহাট্টা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান বলেন, বারহাট্টা উপজেলা একটি সম্ভবনাময় মৎস্য ও কৃষি ভিত্তিক এলাকা। এখানে মৎস্য এবং কৃষি খাতে প্রচুর কাজ করার সুযোগ রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তোমরা শিক্ষার্থীরাও ভবিষ্যতে এই উপজেলার কৃষি ও মৎস্য নিয়ে সুযোগ থাকলে কাজ করবে বলে আশা রাখি। এসময় বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামস্ উদ্দিন আহমেদ বাবুল তাঁর সমাপনী বক্তব্যে বারহাট্টা প্রেসক্লাবে আসার জন্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতে তারা যেখানেই থাকুক না কেন তারা যেন বারহাট্টা উপজেলার প্রতি দৃষ্টি রাখেন পাশাপাশি বারহাট্টা উপজেলা প্রেসক্লাবকে স্মরণে রাখেন।
চাঁদপুরের রামচন্দ্রপুর গ্রামে রাস্তার বেহাল দশা
চাঁদপুরের রামচন্দ্রপুর গ্রামে রাস্তার বেহাল দশা চাঁদপুর প্রতিনিধি।। চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের রামচন্দ্রপুর গ্রামের খান বাড়ির রাস্তায়। ফলে রাস্তার বেহাল দশা বিরাজ করছে। জানাযায়, রামচন্দ্রপুর গ্রামে মক্তবের সামনে পাকা সড়ক হতে মরহুম মুকবুল আহমেদ পাটোয়ারী বাড়ির সামনে হয়ে জংশর খান বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা। সামান্য বৃষ্টি হলে পুরো রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। গত কদিনের বৃষ্টিতে রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে কষ্ট কর হয়ে পড়েছে। রাস্তার কোথায় ও হাটু পরিমাণ কর্দমাক্ত হয়ে পড়েছে। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন ৭ টি বাড়ির লোকজন যাতায়াত করে থাকে। পাশাপাশি বাড়ি গুলোর ছোট ছেলে মেয়েরা সকালে মক্তবে আরবি পড়ার জন্য যেয়ে থাকে। এমনকি কলেজ ও স্কুল গামী ছাত্র ছাত্রী ও মসজিদের মুসল্লীরা আসা যাওয়া করে। কিন্তু রাস্তার বেহাল দশার কারণে রাস্তা দিয়ে পায়ে হেঁটে যেতে কষ্ট কর হয়ে পড়েছে। বিগত ২০ বছরে রাস্তাটিতে ১ বার নামে মাত্র কিছু মাটি ফেলা হলেও আর কোন কাজ করা হয়নি।এছাড়া রাস্তার যত কাজ হয়ে থাকে এলাকাবাসী ও স্থানীয় বাড়ির লোকজনের ব্যক্তিগত অর্থে হয়ে থাকে। গতবছর পুরো ১৫ শ ফুট রাস্তায় এলাকার লোকজনের অর্থে ইটের সুরকি ফেলে চলাচলের উপযোগী করা হয়।প্রায় দু মাস আগে খলিল গাজী বাড়ির পুকুরের পাশে পাইলিং করা হয় স্থানীয় লোকজনের অর্থ দিয়ে। এমনকি প্রায় ২০/২৫ দিন পূর্বেও জংশর খান বাড়ির ব্যক্তগত অর্থ দিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকার কাজ করানো হয়।কিন্তু রাস্তা মেরামতের জন্য কেউ এগিয়ে আসে না।নির্বাচন আসলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে সকলে কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর আর কারো মনে থাকে না। বিশাল জনগোষ্ঠীর এ রাস্তাটি মেরামত না করা কি লজ্জাজনক। এব্যাপারে স্থানীয়রা জানান, এ রাস্তাটি একটি পুরনো রাস্তা। রাস্তার বেহাল দশার কারণে চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বহু বছর ধরে রাস্তাটির কোন উন্নয়ন হচ্ছে না। এব্যাপারে খান বাড়ির লোকজন বলেন, রাস্তাটি মেরামত করা হচ্ছে না।রাস্তা মেরামতের নামে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে থাকে। ইতিমধ্যে আমাদের বাড়ির সবাই মিলে প্রায় ১ লাখ টাকার কাজ করিয়েছি।রাস্তা দিয়ে বর্তমানে চলাচল করতে কষ্ট হচ্ছে। বৃষ্টি হলে কাঁদায় একাকার হয়ে যায়।বর্ষার পানি উঠলে চলাচল করতে গিয়ে আরো দুর্ভোগ বেশি হয়।রাস্তা মেরামত জরুরি।
বাহাড়া দুবাগ আইডিয়্যাল সমাজ কল্যাণ সংস্থা এলাকার উন্নয়নে প্রবাসীদের সংগঠন
বাহাড়া দুবাগ আইডিয়্যাল সমাজ কল্যাণ সংস্থা এলাকার উন্নয়নে প্রবাসীদের সংগঠন। বিশ্বনাথ প্রতিনিধি আফজাল মিয়া। শিক্ষা • শৃঙ্খলা • সম্মান বিশ্বনাথ এর বাহাড়া দুবাগ গ্রামের আইডিয়্যাল সমাজ কল্যাণ সংস্থা প্রবাসী শাখার কার্যক্রমকে সুষ্ঠু, সুন্দর, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে গত ১৬ আগস্ট ২০২৬ ইংরেজি তারিখে অনুষ্ঠিত কনফারেন্স কলের মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে ১০ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। উক্ত কনফারেন্স কলে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, উপদেষ্টা, সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাবেক নির্বাহী সদস্য এবং প্রবাসে অবস্থানরত সম্মানিত সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা সদস্যবৃন্দ: জনাব মোঃ নুর উদ্দিন, জনাব মোঃ তোফায়েল আহমেদ তপু, জনাব কাউসার আহমদ সুমন, জনাব আব্দুল কুদ্দুস সুমন এবং জনাব আমীর আলী। উপদেষ্টা সদস্যবৃন্দ: জনাব দিদারুল ইসলাম, জনাব হিরা মিয়া এবং জনাব লুকমান আহমেদ। সংগঠনের সভাপতি: জনাব আব্দুস সাত্তার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক: জনাব মোঃ রেজাউল ইসলাম এছাড়াও প্রবাসে অবস্থানরত সাবেক নির্বাহী সদস্য ও সম্মানিত সদস্যবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— জনাব মোঃ রিপন মিয়া, জনাব শাহজাহান মিয়া, জনা
কালীগঞ্জে দিনভর নানা আয়োজনে শিক্ষার্থীদের জন্য বহুমাত্রিক কর্মসূচি
কালীগঞ্জে দিনভর নানা আয়োজনে শিক্ষার্থীদের জন্য বহুমাত্রিক কর্মসূচি আব্দুল মতিন খান কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালীগঞ্জে সেন্ট মেরীস গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন ভবন উদ্ভোধন, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, পাঠচক্র, বই পড়া প্রতিযোগিতা, চারাগাছ বিতরণ, নজরুল বর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠামতান ও মাদকবিরোধী সমাবেশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে সেন্ট মেরীস গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন ভবন উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নুরুল করিম ভুইয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এম. রকিবুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাজিব হাসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সেন্ট মেরীস গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপ্যাল সি. বীনা খ্রীস্টিনা কোড়াইয়া। সভায় বিতর্ক প্রতিযোগিতা, পাঠচক্র ও বই পড়া প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের যুক্তি, জ্ঞান ও পাঠাভ্যাস, নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ বিভিন্ন পরিবেশনায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও গাছের চারা বিতরণ করেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নুরুল করিম ভুইয়া। বিকেলে কালীগঞ্জ আরআরএন সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন, পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করতে মাদক বিরোধী সমাবেশ ও পৌরসভার লিনিক সদস্যদের মধ্যে চারা গাছ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। সেন্ট মেরীস গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক শহীদুল্লাহ্ ইভা, পূর্ণিমা রোজারিও ও দীপা গমেজের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার (ভুমি) আল-আমিন হালদার, আরিফ হোসেন, সেন্ট মেরীস গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি ফাদার আলবিন গমেজ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ হুমায়ুন কবির মাষ্টার, সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু, গাজীপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মোঃ খায়রুল আহসান মিন্টু, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতাউর রহমান খান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ লুৎফুর রহমান,তুমলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবু বকর মিয়া প্রমূখ। এ সময় অন্যান্যের মাঝে কালীগঞ্জ কাপাসিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাকির হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ আবুল হোসেন আকাশ, সমবায় কর্মকর্তা মোঃআতাউর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃসামসুজ্জামান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাহিদা সুলতানা, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফী হাবিবুল্লাহ্, মোঃসোলেমান আলম, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ইয়াছিন মোল্লা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী শাওন, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব ইব্রাহিম প্রধান সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
দুর্ঘটনাগ্রস্ত শিক্ষার্থী অতসী সরকারের চিকিৎসায় সহায়তায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদর্শিত হবে ‘লোয়ার ডেপথ’
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের রোভার মেট অতসী সরকার এক আকস্মিক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন। বিভাগের চতুর্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে নাটক পরিবেশনকালে দুর্ভাগ্যবশত তাঁর ডান পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত তাঁর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন, যার জন্য আনুমানিক দুই লক্ষাধিক টাকার আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। অতসী সরকারের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এবং তাঁর পাশে দাঁড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ। বিভাগের সার্বিক আয়োজনে এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সহযোগিতায় আয়োজন করা হয়েছে নাটক ‘লোয়ার ডেপথ’-এর বিশেষ প্রদর্শনীর। আগামী ২৪ ও ২৫ আগস্ট যথাক্রমে দুপুর ২টা ও সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ভবনের নাট্য ল্যাবে নাটকটির মোট চারটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। প্রদর্শনী থেকে সংগৃহীত অর্থের পুরোটাই ব্যয় করা হবে অতসীর চিকিৎসা তহবিলে। নাট্যকলা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসিব বলেন, অতসী আমার বন্ধু, কারও বড় বোন, আবার কারও ছোট বোন। সে রোভার স্কাউটেরও একজন সদস্য। যে মানুষটি বিভিন্ন সময়ে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে, বিপদের সময়ে তার পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। তাই সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই নাট্য প্রদর্শনীতে যুক্ত হবেন এবং অতসীর চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এ বিষয়ে নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ মামুন রেজা বলেন, আমরা জানি, আমাদের আর্থিক ও সামাজিক কাঠামোর মধ্যে একটি পরিবারের পক্ষে হঠাৎ করে বড় অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করা সহজ নয়। সে কারণে নিয়মিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা এই প্রদর্শনীর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এছাড়া এ কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে রোভার স্কাউটও। একজন প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষার্থীর এই দুঃসময়ে তাঁর পাশে দাঁড়াতে এবং টিকিট সংগ্রহ করে নাট্য প্রদর্শনীতে উপস্থিত হয়ে এই মানবিক উদ্যোগে সহযোগিতা করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ। অতসী সরকারের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে সবার সহযোগিতা চেয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
ছাত্রদলের দু'পক্ষের সংঘর্ষের ভিডিও করায় সাংবাদিক হেনস্তা, কেড়ে নেওয়া হয় মোবাইল
ছাত্রদলের দু'পক্ষের সংঘর্ষের ভিডিও করায় সাংবাদিক হেনস্তা, কেড়ে নেওয়া হলো মোবাইল নোবিপ্রবি প্রতিনিধি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ভিডিও ধারণকালে দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার সাদমান রাকিনের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম ভবনের পূর্ব পাশে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলেন সাংবাদিক সাদমান রাকিন। সংঘর্ষের সময়ই তাঁর কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ছাত্রদল কর্মী ও আইন বিভাগের ১৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী খান মোহাম্মদ রোম্মান লাঠি হাতে দৌড়ে এসে ভিডিও ধারণরত সাংবাদিক সাদমান রাকিনের কাছ থেকে মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন। এরপর ভিডিও ধারণ বন্ধ হয়ে যায়। এ বিষয়ে সাংবাদিক সাদমান রাকিন বলেন, আমি পেশাগত দায়িত্ব পালন করে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলাম। এসময় খান মোহাম্মদ রোম্মান লাঠি হাতে আমার দিকে এগিয়ে এসে জোরপূর্বক আমার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন। এতে আমি সংবাদ সংগ্রহে বাধাগ্রস্ত হই। একজন সাংবাদিকের কাছ থেকে এভাবে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়া অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে একজন সাংবাদিকের কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়ার ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে তদন্ত কমিটি
নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে তদন্ত কমিটি নোবিপ্রবি প্রতিনিধি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলে ছাত্রদলের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘটিত সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর তদন্তে গঠিত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীনের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা হল দুটির বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো ঘুরে দেখেন এবং ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন। এর আগে ১৮ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের এক অফিস আদেশে ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলে ছাত্রদলের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘটিত সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান এবং সদস্য-সচিব হিসেবে রয়েছেন প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমান। অফিস আদেশে কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। পরিদর্শনকালে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়গুলো তুলে আনা হবে। সবার বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হবে।” এদিকে, দুই হলের সিসিটিভি ফুটেজ যাতে কেউ নষ্ট বা পরিবর্তন করতে না পারে, সে জন্য পরিদর্শনকালে হল দুটির প্রভোস্টের কক্ষ সিলগালা করে রাখা হয়। তদন্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর প্রকৃত কারণ, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ভূমিকা এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন দেবে বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
কালীগঞ্জে জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে রামনগর চ্যাম্পিয়ন
কালীগঞ্জে জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে রামনগর চ্যাম্পিয়ন। একরামুল ইসলাম তুষার, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর ফাইনাল খেলা। মঙ্গলবার ( আগস্ট) বিকেল ৩টায় পান্নাতলা-খামারাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জমজমাট ফাইনালে রামনগর ফুটবল একাদশ ১-০ গোলে খামারাইল ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। উক্ত অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. হাবিবুর রহমান, কালীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা অলিউর রহমান এবং মহারাজপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী আহমদ আলী। এছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শক উপস্থিত ছিলেন। খেলার শুরু থেকেই উভয় দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমিয়ে তোলে ফাইনাল ম্যাচ। নির্ধারিত সময়ের খেলায় রামনগর ফুটবল একাদশ একটি গোল করে এগিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ গোলের ব্যবধানে রামনগর ফুটবল একাদশ জয়লাভ করে এবং টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অপরদিকে খামারাইল ফুটবল একাদশ রানার্সআপ হয়। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। টুর্নামেন্টের বিশেষ পুরস্কার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ উভয় দলকে একটি করে ছাগল উপহার দেওয়া হয়। ফাইনাল খেলাকে ঘিরে সকাল থেকেই মাঠ ও আশপাশের এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
সাংবাদিক টুটুলের ওপর হামলার প্রতিবাদে গাজীপুরে মানববন্ধন
সাংবাদিক টুটুলের ওপর হামলার প্রতিবাদে গাজীপুরে মানববন্ধন গাজীপুর প্রতিনিধি গাজীপুর মহানগরের গাছা থানা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের মহানগর প্রতিনিধি মোহাম্মদ শরীফ ওমর টুটুলের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১১টায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) হেডকোয়ার্টারের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে গাজীপুরের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নেন। গাছা থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আনিসুর ইসলামের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে সঞ্চালনা করেন গাজীপুর জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং দৈনিক আজকের আওয়াজ-এর গাজীপুর প্রতিনিধি মো. ইব্রাহীম খলিল। বক্তারা বলেন, একজন সংবাদকর্মীর ওপর হামলা শুধু ব্যক্তির ওপর হামলা নয়, এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা। টুটুলের ওপর হামলায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে গাজীপুরে কর্মরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়, গত ১৩ আগস্ট একটি গার্মেন্টসের ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের আধিপত্য বিস্তারকে ঘিরে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া চলছিল। এ সময় সাংবাদিক টুটুল ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করতে গেলে হামলাকারীরা তাঁর ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি আহত হলে তাঁকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় গাছা মেট্রো থানায় মামলা দায়ের করা হলেও পাঁচ-ছয় দিন পার হওয়ার পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাংবাদিক নেতারা। তবে মানববন্ধনে কয়েকজন বক্তা হামলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন। বক্তারা হামলায় জড়িত প্রত্যেককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা। মানববন্ধনে গাছা থানা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল মিয়া, সিনিয়র সহসভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব গাজীপুর মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, গাজীপুর জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. পারভেজ মিয়াসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। এ সময় গাজীপুরের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংঘর্ষ-অভিযোগের মধ্যেই নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত
সংঘর্ষ-অভিযোগের মধ্যেই নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত নোবিপ্রবি প্রতিনিধি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। একই সঙ্গে শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের অনুমোদনক্রমে সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো। শিগগিরই উক্ত ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার বিষয়টি এমন সময়ে এলো, যখন মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহের সময় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগও ওঠে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
বোয়ালমারীতে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ, জামায়াত নেতাকে পদ থেকে অব্যাহতি
বোয়ালমারীতে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ, জামায়াত নেতাকে পদ থেকে অব্যাহতি মামুন মিঞা ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ওঠায় ইনামুল মোল্লা (২৬) নামে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে দলীয় পদ থেকে প্রাথমিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তাঁকে দলীয় পদসহ সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে বলে জানিয়েছে দলীয় কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ইনামুল মোল্লাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তিনি বোয়ালমারী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর আমিরের দায়িত্বে ছিলেন। ইনামুল পৌরসভার কুশডাঙ্গা গ্রামের মো. আকরাম মোল্লার ছেলে। পাশাপাশি তিনি বোয়ালমারী বাজারের ‘মোল্লা ডাক্তার কে হালিম হাসপাতালে’ রিসেপশনিস্ট হিসেবে কর্মরত। দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুশডাঙ্গা এলাকার এক নারীর সঙ্গে ইনামুল মোল্লার অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ সম্প্রতি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হয়। ওই নারীর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে অবস্থান করায় এ সুযোগে ইনামুলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ইনামুলের কর্মস্থল হাসপাতালের ম্যানেজার রেজাউল করিম বলেন, প্রায় দুই দিন আগে ওই নারীর প্রবাসী স্বামী ফোন করে ইনামুলের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর সম্পর্কের বিষয়ে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা নিচ্ছে, সেটিও জানতে চান তিনি। এ বিষয়ে বোয়ালমারী পৌর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সৈয়দ সাজ্জাদ আলী বলেন, “অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে ইনামুল মোল্লাকে প্রাথমিকভাবে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাঁকে দল ও সব পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে। কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত অপকর্মের দায় দল নেবে না।” অভিযোগের বিষয়ে ইনামুল মোল্লার বক্তব্য জানতে একাধিকবার তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দলীয় তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।