বাংলাদেশ বার্তা টুডে
কুরআন উপহার দিয়ে নবীনদের বরণ করলো নোবিপ্রবি ছাত্রশিবির
কুরআন উপহার দিয়ে নবীনদের বরণ করলো নোবিপ্রবি ছাত্রশিবির মোঃ জাহিদ হাসান নোবিপ্রবি প্রতিনিধি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, নোবিপ্রবি শাখা। শনিবার (২২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে দুটি অধিবেশনে নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম-২০২৬ আয়োজন করে সংগঠনটি। এ সময় প্রায় ১২০০ শিক্ষার্থীকে আল-কুরআন, ফুল, সাংগঠনিক বই ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করে নেয় সংগঠনটি। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এ আয়োজন শুরু হয়ে দুটি অধিবেশনে সম্পন্ন হয় অনুষ্ঠানটি। প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ, বিজ্ঞান অনুষদ এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সকাল ১০:০০ টায় ১ম অধিবেশন এবং কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ, আইন অনুষদ, শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদ, আইআইএস ও আইআইটি-র শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুপুর ২:০০ টায় দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়। অনুষ্ঠানে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরিফুর রহমান সৈকতের সভাপতিত্বে ১ম অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির বর্তমান কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। ২য় অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বিলাল হোসাইন এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকার, নোবিপ্রবির ফলিত গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল করিম, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মতিউর রহমান মিয়াজী ও তাহফিমুল মারুফ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রস্তুতি, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং স্বপ্ন বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। ২য় অধিবেশনে প্যানেল আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরিফুর রহমান সৈকত বলেন, "যে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে আপনারা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন এবং আল্লাহ প্রদত্ত লক্ষ্য-উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে একজন সফল মানুষ হতে, একজন শিক্ষার্থীকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে যতটা সম্ভব সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো।" ক্যাম্পাসগুলোতে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, সহনশীলতার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বুয়েটের শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদকে স্মরণ করেন তিনি। নবীনদের পক্ষ থেকে অনুভূতি প্রকাশ করে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার বলেন, "দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আমরা আজ বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এসেছি। আমরা ভবিষ্যতে নিজেদেরকে আলোকিত অভিযাত্রী হিসেবে গড়ে তুলবো। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে অসংখ্য ধন্যবাদ, শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটা সুন্দর আয়োজন করে বরণ করে নেওয়ার জন্য।" অনুষ্ঠানে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনের সময় নয়, বরং নিজেকে দক্ষ, যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাই শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি জ্ঞানচর্চা, দক্ষতা অর্জন, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশে মনোযোগী হতে হবে। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শুধু ভালো ফলাফল করলেই হবে না; শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, যোগাযোগ দক্ষতা, ইংরেজি ভাষায় পারদর্শিতা এবং সময় ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়েও দক্ষ হয়ে উঠতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুত হতে হবে।" তিনি আরও বলেন, "ক্যাম্পাসজীবনে মতের ভিন্নতা থাকলেও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। সহনশীলতা, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখতে হবে।" শিক্ষার্থীদের নিজেদের লক্ষ্য নির্ধারণ করে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা ভবিষ্যতে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোর প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন। এছাড়াও তিনি দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনা পর্বের পাশাপাশি 'ফুনুন শিল্পীগোষ্ঠী' মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপহার দেয়। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী নবীন শিক্ষার্থীদের হাতে বাংলা অর্থসহ পবিত্র কুরআন, নোটপ্যাড, কলম, চাবির রিং ও উপহার ব্যাগ তুলে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে তাঁদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।
ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাইলে অবশ্যই সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে : রাশেদ খাঁন
ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাইলে অবশ্যই সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে : রাশেদ খাঁন একরামুল ইসলাম তুষার, কালীগঞ্জ ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে হাসপাতালের নানা সংকট ও সীমাবদ্ধতাবিষয়ক নানা প্রসঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক চাইলে ভারতকে অবশ্যই সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক হবে মূল্যায়নের ভিত্তিতে। মর্যাদা ও পারস্পরিক স্বার্থ সুরক্ষার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক নির্ভর করবে। তিনি আরও বলেছেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সময় ভারতের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মতো বা রাখি বাঁধার সম্পর্ক ছিল। ভারতকে মনে রাখতে হবে আওয়ামী লীগ নেই। বাংলাদেশের নেতৃত্বে এখন বিএনপি। কাজেই বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। রাশেদ খাঁন বলেন, ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রদূত একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে ভারত সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় মনোভাব। ভারত এরই মধ্যে বিএনপির 'সবার আগে বাংলাদেশ' স্লোগান গ্রহণ করেছে। এর আগে মতবিনিময় সভায় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে হাসপাতালের নানা সংকট ও সীমাবদ্ধতাবিষয়ক নানা প্রসঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, ড্যাবের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. হাসানুজ্জামানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগ
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগ সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা: প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এসএসসি পরীক্ষার্থী এক নাবালিকা কিশোরীকে জোরপূর্বক সিএনজি অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর একদিন পেরিয়ে গেলেও কিশোরীর কোনো সন্ধান না মেলায় পরিবারে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ঘটনায় অপহৃত কিশোরীর মা রুনা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগে বলা হয়, অপহৃত সাদিয়া আক্তার (১৫) সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। পূর্ব কান্দারগাঁও এলাকার মো. অহিদ হোসেনের ছেলে মো. সাফায়েত (২১) দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় সাদিয়াকে অপহরণের হুমকিও দেওয়া হতো বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে সাফায়েতের বাবা মো. অহিদ হোসেন (৪৫) ও মা শারমিন আক্তারকে (৩৮) জানিয়ে বিচার চাওয়া হলেও তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি বলে দাবি করেছেন কিশোরীর মা। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২১ আগস্ট সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে সাদিয়া বাড়ি থেকে মুড়ি-চানাচুর কিনতে দোকানে যাওয়ার পথে চিলারবাগ এলাকায় তাদের বসতবাড়ির সামনের পাকা রাস্তায় পৌঁছালে অভিযুক্ত সাফায়েতসহ অন্যরা তাকে জোরপূর্বক একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কিশোরীর কোনো সন্ধান পাননি। নাবালিকা মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে পরিবারটি এখন চরম শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই তাকে অপহরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মো. সাফায়েত, তার বাবা মো. অহিদ হোসেন, মা শারমিন আক্তার এবং অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পরিবারের দাবি, দ্রুত অপহৃত কিশোরীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
রাউজান প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত
রাউজান প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত মিলন বৈদ্য শুভ , রাউজান(চট্টগ্রাম) : রাউজান প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) রাউজান প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন রাউজান প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী মোহাম্মদ সরোয়ার খান মনজু। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তৈয়ব চৌধুরী। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর হোসাইন শিকদার-এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দীন মিয়াজী, সহ-সভাপতি মিলন বড়ুয়া, যুগ্ম সম্পাদক রবিউল হোসেন রবি, দপ্তর সম্পাদক এ কে বাবর, কাজী মামুনুর রশিদ, মিলন বৈদ্যসহ প্রেস ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা। সভায় বক্তারা বলেন, রাউজান প্রেস ক্লাবকে একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও পেশাদার সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে এগিয়ে নিতে সকল সদস্যকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। সভাপতির বক্তব্যে কাজী মোহাম্মদ সরোয়ার খান মনজু বলেন, “রাউজান প্রেস ক্লাব শুধু সাংবাদিকদের একটি সংগঠন নয়, এটি রাউজানের মানুষের কথা বলার একটি দায়িত্বশীল প্ল্যাটফর্ম। সত্য, ন্যায় ও বস্তুনিষ্ঠতার ভিত্তিতে সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন এবং সংগঠনের ঐক্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।” প্রধান অতিথির বক্তব্যে তৈয়ব চৌধুরী বলেন, “সাংবাদিকদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য ও পেশাগত দায়িত্ববোধই একটি প্রেস ক্লাবের মূল শক্তি। রাউজান প্রেস ক্লাব অতীতের সুনাম ধরে রেখে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এটাই প্রত্যাশা।” সভায় প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদার, সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি সংগঠনের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা। মিলন বৈদ্য শুভ , রাউজান(চট্টগ্রাম) : রাউজান প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) রাউজান প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন রাউজান প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী মোহাম্মদ সরোয়ার খান মনজু। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তৈয়ব চৌধুরী। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর হোসাইন শিকদার-এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দীন মিয়াজী, সহ-সভাপতি মিলন বড়ুয়া, যুগ্ম সম্পাদক রবিউল হোসেন রবি, দপ্তর সম্পাদক এ কে বাবর, কাজী মামুনুর রশিদ, মিলন বৈদ্যসহ প্রেস ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা। সভায় বক্তারা বলেন, রাউজান প্রেস ক্লাবকে একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও পেশাদার সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে এগিয়ে নিতে সকল সদস্যকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। সভাপতির বক্তব্যে কাজী মোহাম্মদ সরোয়ার খান মনজু বলেন, “রাউজান প্রেস ক্লাব শুধু সাংবাদিকদের একটি সংগঠন নয়, এটি রাউজানের মানুষের কথা বলার একটি দায়িত্বশীল প্ল্যাটফর্ম। সত্য, ন্যায় ও বস্তুনিষ্ঠতার ভিত্তিতে সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন এবং সংগঠনের ঐক্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।” প্রধান অতিথির বক্তব্যে তৈয়ব চৌধুরী বলেন, “সাংবাদিকদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য ও পেশাগত দায়িত্ববোধই একটি প্রেস ক্লাবের মূল শক্তি। রাউজান প্রেস ক্লাব অতীতের সুনাম ধরে রেখে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এটাই প্রত্যাশা।” সভায় প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদার, সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি সংগঠনের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা।
দেশে ফিরেছে কলকাতার অগ্নিকান্ডে নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ
দেশে ফিরেছে কলকাতার অগ্নিকান্ডে নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ মহিউদ্দীন বাপ্পী,শার্শা,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধিঃ ভারতের কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দুই দেশের কূটনৈতিক ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে মরদেহগুলো বাংলাদেশে আনা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মরদেহ গ্রহণ করতে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে বেনাপোল সীমান্তে আসেন নিহতদের স্বজনেরা। এ সময় সেখানে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এর আগে, গত ১৯ আগস্ট ভোরে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মোট নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। বেনাপোল দিয়ে দেশে আনা পাঁচ বাংলাদেশি হলেন—কুষ্টিয়া সদরের সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছরের ছেলে স্বর্ণাশীষ দত্ত, আফসানার বাবা আকরাম আলী এবং সাভারের ব্যবসায়ী জোবায়ের বাবু। নিহতদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো বাংলাদেশে পাঠানো হয়। নিহত জোবায়ের বাবু অগ্নিকাণ্ডের দুই দিন আগে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন। তিনিও মির্জা গালিব স্ট্রিটের ওই আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারান। তার মরদেহ গ্রহণ করতে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে বেনাপোলে আসেন বড় ভাই মোহাম্মাদ আলী। তিনি জানান, ভাইয়ের মরদেহ গ্রহণের জন্য শুক্রবার বিকেলেই বেনাপোলে এসেছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যার পর মরদেহ দেশে আসার কথা থাকলেও ছাড়পত্র সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে শনিবার মরদেহ দেশে আনা হয়। পারিবারিক সূত্র জানায়, দেবাশীষ দত্ত ও তার তিন বছরের ছেলে স্বর্ণাশীষ দত্তের মরদেহ হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সৎকার করা হবে। অন্যদিকে আফসানা শারমীন ও তার বাবা আকরাম আলীর মরদেহ মুসলিম ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন করা হবে। স্বজনরা জানান, প্রায় নয় বছর আগে আফসানা শারমীনকে ভালোবেসে বিয়ে করেন দেবাশীষ দত্ত। ধর্মীয় ভিন্নতা তাদের দাম্পত্য জীবনে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। এই দম্পতির ১০ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে, যে এখন মা-বাবা ও ছোট ভাইকে হারিয়ে একা হয়ে গেল। এদিকে একই অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। নিহত আরেক বাংলাদেশি রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের ইচ্ছায় ভারতে সৎকার করা হয়েছে। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসি ফেরদৌস হোসেন বলেন, মরদেহ গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বেনাপোল সীমান্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়। বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মহালছড়িতে যৌথ বাহিনীর জালে ইউপিডিএফের (মূল) শীর্ষ সন্ত্রাস চাঁদাবাজ সোনা চাকমা
মহালছড়িতে যৌথ বাহিনীর জালে ইউপিডিএফের (মূল) শীর্ষ সন্ত্রাস চাঁদাবাজ সোনা চাকমা নিজস্ব প্রতিনিধি , মহালছড়ি (খাগড়াছড়ি): খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়িতে থানা পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে একটি সচল পিস্তল, গুলি, শটগানের কার্তুজ, চাঁদা আদায়ের রশিদ ও টোকেন সহ পাহাড়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) মহালছড়ি থানার এসআই (নিঃ) মো. শফিকুল ইসলাম ও এসআই (নিঃ) মো. আবদুল আউয়ালের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স এবং মহালছড়ি জোনের সেনাবাহিনীর একটি টহল দলের সহযোগিতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মহালছড়ি থানাধীন মাইসছড়ি ইউনিয়নের লেমুছড়ি মৌজার জগন্নাথ পাড়া সংলগ্ন শ্যামল চাকমার বসতবাড়ির পূর্ব পাশে তার মালিকানাধীন সেগুন বাগানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে সেখান থেকে একটি ম্যাগাজিন, সচল একটি পিস্তল, ৬ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ২ রাউন্ড শটগানের কার্তুজ, একটি চাঁদা আদায়ের রশিদ বই এবং ‘জনতার মুক্তির সংগ্রামে এগিয়ে আসুন’ লেখা একটি টোকেন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্ত্রাসী সোনা চাকমা (৫৫), ডাক নাম বিকাশ চাকমা, পিতা আরবো চাকমা, মাতা মৃত মেনতা চাকমা, ক্যায়াংঘাট ইউনিয়নের চিত্ত রঞ্জন কার্বারী পাড়ার বাসিন্দাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মহালছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মির্জা জহির উদ্দিন জানিয়েছেন, উদ্ধার করা অস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আইনি কার্যক্রম শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে।
বেতগাড়ীতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তৎপরতা, ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ে সবুজ
বেতগাড়ীতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তৎপরতা, ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ে সবুজ রফিকুল ইসলাম সাবুল : রংপুর প্রতিনিধি রংপুরের গঙ্গাচড়ায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তৎপরতা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার ১ নম্বর বেতগাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। বেতগাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভোটারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও কুশল বিনিময় করছেন ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মাহমুদুল ইসলাম সবুজ। স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে দেখা করে তিনি তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং এলাকার বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে মাঠপর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ছে। এর অংশ হিসেবে মাহমুদুল ইসলাম সবুজও ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে দেখা করছেন। পুঁটিমাড়ি এলাকার বাসিন্দা দুলাল চন্দ্র দাস ও কাল্টু মিয়া বলেন, ‘বিএনপি যদি মাহমুদুল ইসলাম সবুজ ভাইকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেয়, তাহলে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন বলে আমরা মনে করি।’ চান্দামাড়ী এলাকার লাল মিয়া ও শ্যামল চন্দ্র দাস বলেন, ‘বেতগাড়ী ইউনিয়নে সবুজ ভাই একজন যোগ্য প্রার্থী। আশা করি, উপজেলা বিএনপি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভেবে দেখবে।’ খাপড়ীখাল এলাকার আবুল হোসেন ও রাম চন্দ্র মহন্তও মাহমুদুল ইসলাম সবুজকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁদের প্রত্যাশা, দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে তাঁর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। আগামী অক্টোবর ২০২৬ থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পর্যায়ক্রমে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের গণসংযোগ ও ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন। তবে বেতগাড়ী ইউনিয়নে দলীয়ভাবে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কারও নাম এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।
কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা সংস্কার করে দিলেন যুবক
কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা সংস্কার করে দিলেন যুবক সোহেল রানা খন্দকার, মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জের ঘিওরে জনদুর্ভোগ লাঘবে নিজ অর্থায়নে কবরস্থানে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কার করে দিয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদপ্রার্থী মো. জামিরুল সরকার অন্তর নামের যুবক । শনিবার (২২ আগস্ট) উপজেলার পয়লা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাঙ্গালা গ্রামের জমাত আলীর বাড়ি থেকে মঞ্জিল সরকারের বাড়ি পর্যন্ত সড়কটির সংস্কারকাজ করা হয় । স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল । এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল । বিশেষ করে কবরস্থানে মরদেহ নেওয়া ও জানাজায় অংশ নিতে আসা মুসল্লিদের ভোগান্তি ছিল চরমে । প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে স্থানীয় মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন জামিরুল সরকার অন্তর । তিনি নিজে উপস্থিত থেকে সংস্কারকাজের তদারকি করেন এবং শ্রমিকদের সঙ্গে কাজে অংশ নেন । জামিরুল সরকার অন্তর বলেন, “মানুষের দুর্ভোগ কমানোই আমার মূল লক্ষ্য। নির্বাচনে জয়-পরাজয় যাই হোক, সামর্থ্য অনুযায়ী জনকল্যাণমূলক কাজ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখব।” সড়কটি সংস্কারের ফলে এলাকাবাসীর চলাচল সহজ ও নিরাপদ হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা । জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেই জনদুর্ভোগ কমাতে এমন উদ্যোগ নেওয়ায় এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছেন জামিরুল সরকার অন্তর ।
সোনারগাঁও ওয়াজ চলাকালে যুবককে কুপিয়ে জখম
সোনারগাঁও ওয়াজ চলাকালে যুবককে কুপিয়ে জখম সোনারগাঁও( নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় ওয়াজ মাহফিল চলাকালে রনি মিয়া (২৭) নামে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার ভাই সাব্বির মিয়াও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে মালদ্বীপ এলাকায় একটি ওয়াজ মাহফিল চলাকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আহত রনি মিয়া ওই এলাকার মরহুম মিন্টু মিয়ার প্রথম সন্তান। অভিযোগ রয়েছে, চরহোগলা এলাকার বাসিন্দা রেজা মিয়ার ছেলে বাবু মিয়া ওরফে ‘চাপাটি বাবু’ এবং ইকবালসহ কয়েকজন অতর্কিতভাবে রনি ও তার ভাই সাব্বিরের ওপর হামলা চালায়। এ সময় চাপাতি দিয়ে রনিকে কুপিয়ে জখম করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রনি মিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় মালদ্বীপ ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। এ বিষয়ে শম্ভুপুরা ইউনিয়ন যুবদল নেতা ইয়ামিন জানান, ঘটনার পর তারা সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। থানা থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে হামলার সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয় বা কোনো পক্ষের সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও হামলার প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
রাজশাহীতে আরএমপির ঐতিহাসিক নামফলক পুনঃস্থাপন
রাজশাহীতে আরএমপির ঐতিহাসিক নামফলক পুনঃস্থাপন আবু কাওসার মাখন রাজশাহী ব্যুরো রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কার্যক্রম শুরুর ঐতিহাসিক স্মারক হিসেবে স্থাপিত নামফলক পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) আরএমপির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ এ স্মারকের পুনঃস্থাপিত নামফলক উন্মোচন করেন মাননীয় ভূমি মন্ত্রী মো:মিজানুর রহমান মিনু আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির বলেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কার্যক্রম শুরুর স্মারক হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নামফলকটি স্থাপন করেছিলেন। সময়ের ব্যবধানে নামফলকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিলীন হয়ে যায়। আরএমপির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্ব বিবেচনায় সেটি পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। নামফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী -৩ আসন এমপি, এড শফিকুল হক মিলন,সিটি ককর্পোরেশনের প্রশাসক মাহাফুজুর রহমান রিটন, সাবেক মেয়র,মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জেলা পরিষদ প্রশাসক এড.এরশাদ আলী ঈসা,আরডিএ চেয়ারম্যান মো:আবুল কালাম আজাদ সুইট,মহানগর বিএনপি সভাপতি মো: মামুনুর রশীদ ও আরএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপস্থিত অতিথিরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরনে বলেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিষ্ঠা ও কার্যক্রম শুরুর সঙ্গে জড়িত এ স্মারক শুধু একটি নামফলক নয়; এটি আরএমপির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গৌরবময় পথচলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ঐতিহাসিক এ স্মারক পুনঃস্থাপনের মধ্য দিয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতীত ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির গৌরবময় পথচলার গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় সংরক্ষিত হলো।
ধামইরহাট থানার মেরিনা হত্যা মামলার ভ্যান চালক আব্দুল মতিন পিতা আফজাল হোসেন কে মরলই হতে গ্রেফতার
ধামইরহাট থানার মেরিনা হত্যা মামলার ভ্যান চালক আব্দুল মতিন পিতা আফজাল হোসেন কে মরলই হতে গ্রেফতার। মোঃ মোস্তাকিন হোসেন ধামইরহাট উপজেলা প্রতিনিধি (নওগাঁ) পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম স্যার এর নির্দেশনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ মিন্টু রহমান এর নেতৃত্বে ধামইরহাট থানার একটি চৌকস টিম খেলনা ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করে হত্যা পরবর্তী মেরিনা বেগমকে আগুনে পুড়ে দেওয়ার মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মোঃ আব্দুল মতিন (৩৬), পিতা আফজাল হোসেন সাং মড়লই, থানা ধামইরহাট, জেলা: নওগাঁকে হত্যাকাণ্ডের জন্য ডিসিষ্টকে বহনকারী অটো ভ্যান সহ গ্রেফতার আদালতে প্রেরণ।
গাইবান্ধায় জমি বিরোধে চাচাকে কুপিয়ে হত্যা: প্রধান আসামিসহ ৪ জন বগুড়ায় গ্রেফতার
গাইবান্ধায় জমি বিরোধে চাচাকে কুপিয়ে হত্যা: প্রধান আসামিসহ ৪ জন বগুড়ায় গ্রেফতার রফিকুল ইসলাম সাবুল :রংপুর প্রতিনিধি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচা আদা চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ চারজনকে বগুড়া থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে বগুড়া সদর থানার নাটাইপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন—মামলার প্রধান আসামি নিপেন দাস ওরফে খইলশা (৬১), তার দুই ছেলে শঙ্খরাজ সেন ওরফে ঠাকুর দাস (২৮) ও সত্য সেন ওরফে সত্য দাস (২১) এবং নিপেন দাসের স্ত্রী শংকরী রানী (৫১)। র্যাব জানায়, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের দশলিয়া গ্রামের বাসিন্দা আদা চন্দ্র দাসের সঙ্গে তার বড় ভাই নিপেন চন্দ্র দাসের পারিবারিক বসতভিটার সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ৩ জুলাই নিপেন দাস বিরোধপূর্ণ জায়গায় টয়লেট নির্মাণ শুরু করলে দুই পরিবারের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরদিন ৪ জুলাই সকাল ১০টার দিকে আদা চন্দ্র দাসের পরিবারের পক্ষ থেকে টয়লেট নির্মাণ বন্ধ করে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে একই দিন দুপুরে বাড়ির সামনে ছাগল চরানোর সময় নিপেন দাস, তার দুই ছেলে শঙ্খরাজ ও সত্য দাসসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য আদা চন্দ্র দাসকে ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় আদা চন্দ্র দাসকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে ৪ জুলাই সাদুল্লাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তরা গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যায়। মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১৩ আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। পরে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৩ গাইবান্ধার সিপিসি-৩ এবং র্যাব-১২ বগুড়ার সিপিএসসির যৌথ আভিযানিক দল শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বগুড়া সদর থানার নাটাইপাড়া এলাকায় আব্দুর রাজ্জাকের বাসায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শ্রীপুরে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যা
শ্রীপুরে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যা শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে নাজমুল হোসেন (৩০) নামে তার স্বামী পিকআপচালক গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২টার মধ্যে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের শিমুলতলী গ্রামের নিজ বাড়ির টিনশীট ঘরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাজমুল হোসেন ওই গ্রামের রতন মিয়ার ছেলে। তিনি মুরগিবাহী পিকআপ চালাতেন। জানা গেছে, নাজমুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার প্রায়ই বিরোধ হতো। দুই দিন আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে নাজমুল নিজে গিয়ে স্ত্রীকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে চাইলেও তিনি আরও দুই দিন বাবার বাড়িতে থাকার কথা জানান। পরে নাজমুল তার মাকে পাঠিয়েও স্ত্রীকে আনতে পারেননি। এ ঘটনায় স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে তিনি আত্মহত্যা করেন। কাওরাইদ ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রফিকা বলেন, ‘নাজমুল দীর্ঘদিন ধরে নেশাগ্রস্ত ছিলেন। স্ত্রীকে আনতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, স্ত্রী আরও দুই দিন বাবার বাড়িতে থাকতে চান। পরে অভিমান করে রাতে নিজ ঘরে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে ফাঁস দেন। রাত ২টার দিকে বিষয়টি আমাকে জানানো হয়। তিনি আরও জানান, এর আগেও স্ত্রীর সঙ্গে রাগ করে নাজমুল দুইবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তার স্ত্রী দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করেন। স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিহতের পরিবারে পারিবারিক কলহ চলছিল। নেশার টাকা না পাওয়াসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরিবারের সঙ্গে তার বিরোধ হতো। এর জেরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে স্থানীয়দের ধারণা। নিহতের স্ত্রী সাইমা আক্তারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোনারগাঁও যাত্রীবাহী বাসের বক্স থেকে ৯ কেজি গাঁজা সহ ২ জন আটক
সোনারগাঁও যাত্রীবাহী বাসের বক্স থেকে ৯ কেজি গাঁজা সহ ২ জন আটক সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে ৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় বাসের চালক ও হেলপারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর এলাকায় তামিম নার্সারির সামনে ঢাকাগামী লেনে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালানো হয়। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে নোয়াখালী থেকে একটি বাসযোগে অবৈধ মাদকদ্রব্য ঢাকার দিকে নেওয়া হচ্ছে। পরে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার এসআই (নিঃ) আনজিল আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মহাসড়কে চেকপোস্ট বসায়। এ সময় লাল-সবুজ পরিবহনের একটি এসি বাস থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে বাসের চালক ফুয়াদ উদ্দিন (৩৬) ও হেলপার মো. সালাউদ্দিন (২২) তাদের কাছে মাদকদ্রব্য থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তাদের দেখানো মতে বাসের পেছনের ডান পাশের মালামাল রাখার বক্সে থাকা একটি নীল রঙের কাপড়ের ব্যাগ থেকে কালো স্কচটেপ ও নীল পলিতে মোড়ানো ছয়টি পোটলায় মোট ৯ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা। বিষয়টি নিয়ে দুপুরে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ শামীম শেখ সাক্ষারিত এক লিখিত বার্তায় গণমাধ্যমকে জানানো হয়। গ্রেপ্তার ফুয়াদ উদ্দিন নোয়াখালী সদর থানার সোনাপুর এলাকার নুর নবীর ছেলে এবং সালাউদ্দিন একই থানার মধ্য করিমপুর এলাকার মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে। কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার করা গাঁজা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সোনারগাঁও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সাথে এমপি মান্নানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
সোনারগাঁও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সাথে এমপি মান্নানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অংশ নেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম সরকারের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত। প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মিয়া, পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান, থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে ইয়াছিন নোবেল, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাহিমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মতবিনিময় সভায় সোনারগাঁয়ের প্রাথমিক শিক্ষার বর্তমান চিত্র, বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশ এবং শিক্ষার মান আরও উন্নত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি শক্তিশালী করতে পারলেই একটি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সুন্দরভাবে গড়ে তোলা সম্ভব। তাই প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে আরও মানসম্মত ও শিক্ষাবান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করছে। সোনারগাঁয়ের শিক্ষার্থীরাও যাতে জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। এমপি মান্নান আরও বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীরা পরবর্তী সময়ে ভালো কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে এবং কর্মজীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে। এতে ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি সোনারগাঁয়েরও সুনাম বৃদ্ধি পাবে। তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রতিভা বিকাশেও শিক্ষকদের আন্তরিক ভূমিকা রাখতে হবে। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে গুরুত্ব দিয়ে তাদের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত ও শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকরা তাদের অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। মতবিনিময় সভার মাধ্যমে সোনারগাঁয়ের প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আরও কার্যকর ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে শিক্ষক, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।