বাংলাদেশ বার্তা টুডে
বিএনপি'র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ধামইরহাট উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রবীণ নেতা মোঃ আখরাজুল ইসলাম চৌধুরী
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি: মোঃ মোস্তাকিন হোসেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির প্রবীণ নেতা ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আখরাজুল ইসলাম চৌধুরী। আসন্ন ধামইরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান জানান দিয়ে এক বিশেষ বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, "গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৮ বছর অতিক্রম করে বিএনপি আজ এদেশের মানুষের সবচেয়ে আস্থাভাজন রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি ধামইরহাটের সাধারণ জনগণসহ জাতীয়তাবাদী দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিপ্লবাত্মক অভিনন্দন।" বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং দলীয় ঐক্য জোরদারের আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, "দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে ধামইরহাটের মাটি থেকে আমাদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখতে হবে।" শুভেচ্ছান্তে: মোঃ আখরাজুল ইসলাম চৌধুরী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, আসন্ন ধামইরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, ধামইরহাট উপজেলা, নওগাঁ। সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপি, ধামইরহাট, নওগাঁ। সদস্য, উপজেলা বিএনপি, ধামইরহাট, নওগাঁ।
রুবেল সভাপতি ও নুরুল হুদাকে সাধারণ সম্পাদক করে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন তাড়াইল উপজেলা শাখার কমিটি গঠন
রুবেল সভাপতি ও নুরুল হুদাকে সাধারণ সম্পাদক করে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন তাড়াইল উপজেলা শাখার কমিটি গঠন রুহুল আমিন, তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস)-এর কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা শাখার ৩১ সদস্যের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মাকদুম সাত্তার রুবেলকে সভাপতি এবং এটিএম নুরুল হুদাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। শুক্রবার (২৮আগস্ট) জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার মোহাম্মদ জাকারিয়া আলম বাপ্পী ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন স্বাক্ষরিত তাড়াইল উপজেলা শাখার ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। সভাপতি মাকদুম সাত্তার রুবেল বলেন, জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের চেতনায় সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ তাড়াইল উপজেলায় সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ, প্রতিভাবান শিল্পীদের বিকাশ এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করার জন্যই এই কমিটির আর্বিভাব হয়েছে। সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠ ও সফলভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
চোখের দৃষ্টি থেকে জীবিকার উন্নয়ন: মহালছড়িতে আরজিআইএল প্রকল্পের উদ্বোধন
চোখের দৃষ্টি থেকে জীবিকার উন্নয়ন—মহালছড়িতে আরজিআইএল প্রকল্পের উদ্বোধন মোঃ কাউছারুল ইসলাম, মহালছড়ি প্রতিনিধিঃ খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে “Reading Glass for Improvement Livelihood (RGIL)” প্রকল্পের উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১.০০ টায় মহালছড়ি উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স কক্ষে গ্রীন হিলের আয়োজনে এবং VisionSpring Bangladesh-এর আর্থিক সহযোগিতায় United Purpose ও গ্রীন হিলের বাস্তবায়নে এ সভার আয়োজন করা হয়। মহালছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ এরফানুল হক চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সভার উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহালছড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, গ্রীন হিলের নির্বাহী পরিচালক যতন কুমার দেওয়ান (ইডি), মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ শরীফ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এডিন চাকমা এবং মহালছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি দীপক সেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছানোয়ার হোসেন। সভায় আরজিআইএল প্রকল্পের উদ্দেশ্য, কর্মপরিকল্পনা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে পাঠ সহায়ক চশমার ভূমিকা তুলে ধরা হয়। প্রকল্পের উপস্থাপনা করেন সংহতি চাকমা, ফিল্ড অফিসার। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গ্রীন হিলের বিটু দত্ত।
লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হাসানুজ্জামান হাসান, লালমনিরহাট: বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করেছেন। রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে তিনি তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় পৌঁছান। পরে ব্যারেজের বিভিন্ন অংশ পায়ে হেঁটে ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি তিস্তা নদী, ব্যারেজের বিভিন্ন স্থাপনা ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শনকে ঘিরে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তার সফরসূচিতে তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিস্তা ব্যারেজ উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ একটি সেচ অবকাঠামো। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানী এবং নীলফামারীর ডালিয়া এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর ওপর এটি নির্মিত। সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনায় উত্তরাঞ্চলের কৃষির জন্য ব্যারেজটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এর আগে রোববার সকালে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে তিনি লালমনিরহাট ছাড়াও পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও নীলফামারীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করবেন। সফরসূচি অনুযায়ী, প্রথম দিন লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারেজ ও পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে। পরবর্তী সময়ে তিনি উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলার বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখবেন।
বোয়ালখালীতে ট্রেনে কাটা পড়ে তরুণী গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু
বোয়ালখালীতে ট্রেনে কাটা পড়ে তরুণী গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ট্রেনে কাটা পড়ে পম্পি বড়ুয়া (২৫) নামে এক তরুণী গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে কক্সবাজার রেলপথের বোয়ালখালী অংশের ১৩ নম্বর রেলওয়ে ব্রিজে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত পম্পি বড়ুয়া চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কাঝর দিঘীর পাড় গ্রামের ভাগ্যধন বড়ুয়া ও প্রয়াত পূরবী বড়ুয়ার কন্যা। তাঁর শ্বশুরবাড়ি একই উপজেলার পূর্ব ইদিলপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের জুয়েল বড়ুয়ার স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলার ১৩ নম্বর রেলওয়ে ব্রিজের ওপর ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন পম্পি বড়ুয়া। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পম্পি বড়ুয়ার এমন আকস্মিক ও অকাল মৃত্যুতে তাঁর পিত্রালয় ও শ্বশুরবাড়িসহ স্বজন-পরিজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মাত্র ২৫ বছর বয়সী এই তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্থানীয় এলাকাতেও গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কীভাবে পম্পি বড়ুয়া রেললাইনের ওপর উঠেছিলেন এবং দুর্ঘটনাটি ঠিক কীভাবে ঘটেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
চুনারুঘাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে যুবক নিহত
চুনারুঘাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে যুবক নিহত চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের চিমটিবিল সিমান্তে বিএসএফের গুলিতে সোহাগ মিয়া নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। সে সীমান্ত এলাকার শফিক মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। ৩০ আগস্ট দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের চিমটিবিল খাসপাড়া সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নিহতের চাচা আব্দুল কাদির জানান, প্রতিদিনের ন্যায় আজ সকালে নিহত সোহাগ মিয়া সীমান্ত এলাকায় গরু রাখতে গেলে, বিএসএফ অতর্কিতভাবে তার ওপর গুলি চালায়। একপর্যায়ে তাকে খুঁজে না পাওয়া গেলে তার পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে সীমান্ত এলাকায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিরাজাম মুনিরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর ঘটনাটি নিশ্চিত করেন থানার এস আই তারেক নাজির।
সাফারি পার্কে ঘুরতে গিয়ে বিপাকে মা ও দুই ছেলে, কর্মচারীদের বিরুদ্ধে হামলা-ছিনতাইয়ের অভিযোগ
সাফারি পার্কে ঘুরতে গিয়ে বিপাকে মা ও দুই ছেলে, কর্মচারীদের বিরুদ্ধে হামলা-ছিনতাইয়ের অভিযোগ মহিউদ্দিন আহমেদ শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা: গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে বেড়াতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন একই পরিবারের তিন দর্শনার্থী। তাঁদের অভিযোগ, কোর সাফারির মিনিবাসের আসন অপরিষ্কার থাকা নিয়ে আপত্তি জানানোর পর পার্কের কয়েকজন কর্মচারীর সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে পার্ক থেকে বের হওয়ার সময় তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় এক নারী ও তাঁর দুই কিশোর ছেলে আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁদের মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পার্কের কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে। তবে পার্ক কর্তৃপক্ষ বলছে, ওই ঘটনায় তাদের কয়েকজন কর্মচারীও আহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন দর্শনার্থী সালমা মোস্তারী (৪৪)। তাঁর সঙ্গে থাকা দুই ছেলে জারিফ (১৫) ও মাহিম (১৭) এ ঘটনায় আহত হন। অভিযোগে চন্দন কুমার, মাসুদ রানা ও ধনজয় ধনার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সালমা মোস্তারীর অভিযোগ, শনিবার দুপুরে দুই ছেলেকে নিয়ে কোর সাফারি ঘুরতে যান তিনি। নির্ধারিত টিকিট নিয়ে মিনিবাসে ওঠার পর দেখতে পান, গাড়ির কয়েকটি আসনে ময়লা, কাগজ ও পলিথিন পড়ে আছে। বিষয়টি তিনি মিনিবাসের দায়িত্বে থাকা এক কর্মচারীকে জানান। এ সময় ওই কর্মচারীর সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয় বলে অভিযোগ করেন সালমা। পরে তাঁর দুই ছেলে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মিনিবাসে থাকা আরও কয়েকজন দর্শনার্থীও বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করেন বলে জানান তিনি। সালমার ভাষ্য, কোর সাফারি শেষে মিনিবাস থেকে নামার সময় কয়েকজন কর্মচারী তাঁদের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে তাঁর দুই ছেলেকে টেনেহিঁচড়ে পার্কের একটি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাঁদের মারধর করা হয়। তাঁকেও গালাগাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় তাঁদের কাছে থাকা মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। একটি ফোন ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারও নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি। পরে তাঁদের তিনজনকে কয়েক ঘণ্টা অফিসে রাখা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তাঁরা। চিকিৎসা শেষে রাতে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন সালমা মোস্তারী। তিনি বলেন, “সরকারি একটি বিনোদনকেন্দ্রে পরিবার নিয়ে বেড়াতে গিয়ে এমন ঘটনার মুখোমুখি হতে হবে, তা ভাবিনি। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চাই।” এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক ইকবাল হোসাইন চৌধুরী বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হন। তখন তিনি পার্কেই ছিলেন। পরে দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, “ঘটনার জন্য এক পক্ষকে এককভাবে দায়ী করা ঠিক হবে না। আমাদের কর্মচারীদেরও ভুল থাকতে পারে। তবে ঘটনার সময় আমাদের কয়েকজন কর্মচারীও আহত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে পার্ক কর্তৃপক্ষও আইনগত পদক্ষেপ নেবে।” শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি )শাহিনুর আলম বলেন, দর্শনার্থীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে সরকারি এই পর্যটনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের সঙ্গে কর্মচারীদের বিরোধ এবং মারধরের অভিযোগে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, কর্মচারীদের আচরণ এবং পার্কের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত চিত্র পরিষ্কার হবে।
তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রাণচাঞ্চল্যে সুন্দরবন: ১ সেপ্টেম্বর থেকে সবারর জন্য উন্মুক্ত
তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রাণচাঞ্চল্যে সুন্দরবন: ১ সেপ্টেম্বর থেকে সবারর জন্য উন্মুক্ত ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাটঃ মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন সুরক্ষায় সুন্দরবনে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ১ সেপ্টেম্বর থেকে আবারও বন উন্মুক্ত করা হচ্ছে, যেখানে বন বিভাগের কঠোর নজরদারিতে বনের জীববৈচিত্র্য ও স্বাভাবিক পরিবেশ উল্লেখযোগ্যভাবে বিচরণ করবে। দীর্ঘ তিন মাসের নীরবতা ও কঠোর বিধিনিষেধ শেষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটক এবং বনজীবীদের জন্য আবারও উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে সুন্দরবন। গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মাছের প্রজনন ও বন্যপ্রাণীর বংশবৃদ্ধির সুবিধার্থে ম্যানগ্রোভ বনটিতে সকল ধরনের প্রবেশাধিকার বন্ধ রাখা হয়েছিল। এই দীর্ঘ বিরতিতে মানুষের পদচারণা না থাকায় সুন্দরবন তার নিজস্ব ছন্দে ফিরে আসার সুযোগ পেয়েছে। বন বিভাগের তথ্যমতে, এই তিন মাসে বনের গহীন অঞ্চলে হরিণের অবাধ বিচরণ, কুমিরের রোদ পোহানো এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে বনের পরিবেশ হয়ে উঠেছে অত্যন্ত প্রাণবন্ত। বনের অভ্যন্তরে কৃত্রিম শব্দদূষণ ও মানুষের যাতায়াত বন্ধ থাকায় সুন্দরী, গেওয়া ও গরান গাছের চারাগুলোও কোনো বাধা ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছে, যা বনের সামগ্রিক ঘনত্ব বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে বন বিভাগের কার্যকর নজরদারি ও বিশেষ অভিযানের ফলে বনের অভ্যন্তরে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড গত বছরের তুলনায় অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত বনরক্ষীরা ৬৩টি অভিযান পরিচালনা করে ৩৯টি মামলা দায়ের করেছে। এই সময়ে বন বিভাগ ৩৭ জন অপরাধীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে এবং ১২টি ট্রলার, ৫০টি নৌকা, ৫৫টি জালসহ ছয় হাজারেরও বেশি হরিণ শিকারি ফাঁদ জব্দ করেছে। এছাড়া বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের মতো ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিহত করতে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ বিষ ও বিষযুক্ত মাছ। জেলে ও বাওয়ালিদের প্রবেশ বন্ধ থাকলেও অসাধু চক্রের তৎপরতা দমনে বন বিভাগের এই কঠোর অবস্থান স্থানীয় বাস্তুসংস্থান রক্ষায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বনের গভীরে যারা নিয়মিত কাজ করেন, তাদের মতে, এবারের নিষেধাজ্ঞা বন্যপ্রাণীর প্রজনন ক্ষেত্রগুলোকে আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ করেছে। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্তমান বন বিভাগ আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রযুক্তিনির্ভর এবং স্মার্ট পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমে দুর্গম এলাকাগুলোতেও নজরদারি বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে আকাশপথ থেকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালানোয় হরিণ শিকারি ও বিষ প্রয়োগকারী চক্রের দৌরাত্ম্য অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের মতে, বনের ইকোসিস্টেমের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে এই ধরনের দীর্ঘমেয়াদী নীরবতা অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, মানবসৃষ্ট চাপ কম থাকায় সুন্দরবন নিজের ক্ষত নিজেই নিরাময় করতে সক্ষম হয়েছে, যা বাঘ, হরিণসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীর বংশবৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। ২০১৯ সালে শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা ২০২২ সাল থেকে মৎস্য বিভাগের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে তিন মাসব্যাপী কার্যকর করা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বনের সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় একটি মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সুন্দরবন পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার খবরে পর্যটন শিল্পে নতুন আশার সঞ্চার হলেও বন বিভাগ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পর্যটকদের আনাগোনা বাড়লে যাতে বনের পরিবেশ আবার ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও বনজীবীদের পাস-পারমিট প্রদানের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়মাবলি অনুসরণ করা হবে। সুন্দরবনের ২১৯ প্রজাতির জলজ প্রাণী ও ২৮৯ প্রজাতির স্থলজ প্রাণীর আবাসন নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কেবল নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং বছরজুড়ে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও পর্যটন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারলে সুন্দরবন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে তার সক্ষমতা অটুট রাখতে পারবে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে বনের দরজা খোলার পর পর্যটকদের দায়িত্বশীল আচরণই এখন বনের এই সজীবতা ও প্রাণচাঞ্চল্য ধরে রাখার প্রধান চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করবে।
চুনারুঘাটে শ্রীবাউর গ্রামে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট, আহত ৩
চুনারুঘাটে শ্রীবাউর গ্রামে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট, আহত ৩ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ( হবিগঞ্জ) :হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার শানখলা ইউনিয়নে শ্রীবাউর গ্রামে ডাক্তার মৃত গৌরাঙ্গ চন্দ্র দেবনাথের ছেলে গৌতম চন্দ্র দেবনাথ এর বাড়িতে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত দল গৃহকর্তাসহ পরিবারের সদস্যদের মারধর করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোররাত আনুমানিক ৩টা থেকে ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। বসত ঘরে ৪-৫ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হানা দেয়।ডাকাতরা প্রথমে বসতঘরের গেটের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে প্রতিটি কক্ষের কাঠের দরজা শাবল দিয়ে ভেঙে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি ও হাত-পা বেঁধে ফেলে। এ সময় ডাকাত দলের হামলা ও মারধরে শিকার হন গৌতম চন্দ্র দেবনাথসহ পরিবারের ৩জন আহত হন। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডাকাত দল ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আলমারি ও ঘরের অন্যান্য জিনিসপত্র তছনছ করে। তারা ঘর থেকে নগদ টাকা, প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণালংকারসহ কাপড় ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায় । সব মিলিয়ে প্রায় ১৩ লাখ টাকার মালামাল খোয়া গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।ডাকাতির খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত (তদন্ত) কর্মকর্তা সজল পাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এই বিষয়ে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এদিকে এই ঘটনার পর থেকে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
নারী-শিশু ট্রাইব্যুনালসহ বিচারকশূন্য আদালতে দ্রুত নিয়োগের দাবি
নারী-শিশু ট্রাইব্যুনালসহ বিচারকশূন্য আদালতে দ্রুত নিয়োগের দাবি শেখ জোবায়ের আল জামান, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালসহ যেসব আদালতে বিচারকের পদ শূন্য রয়েছে, সেসব আদালতে দ্রুত বিচারক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্ক, সাতক্ষীরার উদ্যোগে এবং মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)-এর সহযোগিতায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের জয়েন্ট কনভেনার মাধব দত্তের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আজাদ হোসেন বেলাল, দ্য ডেইলি স্টারের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি মোস্তফা আসাদুজ্জামান দিলু, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট সৌরভ হোসেন এবং নেটওয়ার্কের সদস্য সাবিনা ইয়াসমিন লিমাসহ অন্যরা। বক্তারা বলেন, আদালতে বিচারক না থাকায় বিচারপ্রার্থী মানুষকে নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বিচারিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। এতে একদিকে বিচারপ্রার্থীদের সময় ও অর্থের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে ন্যায়বিচার পাওয়ার পথও কঠিন হয়ে পড়ছে। তাঁরা বলেন, বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আদালতে বিচারকের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক না থাকায় বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। এ কারণে ওই ট্রাইব্যুনালসহ জেলার যেসব আদালতে বিচারকের পদ শূন্য রয়েছে, সেসব পদে দ্রুত বিচারক নিয়োগ দিয়ে বিচারিক কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি জানান বক্তারা। বক্তারা আরও বলেন, বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ধরে রাখতে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির পাশাপাশি বিচারিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মনিরুদ্দিন। মানববন্ধনে ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের সদস্য, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
দুর্ভোগে শেকটার ৪০ পরিবার, পাঁচ হাজার টাকার আমগাছ লাখ টাকা দাবি
দুর্ভোগে শেকটার ৪০ পরিবার পাঁচ হাজার টাকার আমগাছের দাম লাখ টাকা দাবি। পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) সংবাদদাতা একটি আমগাছ ঘিরে বন্ধ হয়ে গেছে চলাচলের রাস্তা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের শেকটা গ্রামের প্রায় ৪০টি পরিবার। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা দিয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে না পারায় অসুস্থ রোগী, শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ভ্যান-রিকশাসহ ছোট যানবাহনও গাছটির কারণে আটকে যাচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানিয়ে প্রতিকার না পেয়ে শেষ পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, শেকটা গ্রামের প্রায় ৪০টি পরিবারের চলাচলের পথে থাকা আমগাছটির কারণে রাস্তার স্বাভাবিক ব্যবহার ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে রোগী নিয়ে যাওয়া কিংবা কৃষিপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহনের সময় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, গাছটি এমনভাবে অবস্থান করছে যে বড় কোনো যানবাহন তো দূরের কথা, ভ্যান-রিকশা নিয়েও নির্বিঘ্নে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। এলাকাবাসী জানান, বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনো কার্যকর সমাধান না হওয়ায় তারা নিজেরাই গাছের মালিকের সঙ্গে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, গাছটির উপযুক্ত মূল্য দেওয়ার বিনিময়ে সেটি কেটে রাস্তা চলাচলের উপযোগী করে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। কিন্তু গাছের মালিক তাতে রাজি হননি। বরং তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করার অভিযোগও করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। এলাকাবাসীর অভিযোগ, গাছটির প্রকৃত মূল্য নিয়ে মতবিরোধই এখন রাস্তা বন্ধের সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলেছে। তাদের দাবি, ছোট আকারের ওই আমগাছটির মূল্য স্থানীয়ভাবে আনুমানিক পাঁচ হাজার টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। অথচ গাছের মালিক এর বিপরীতে প্রায় লাখ টাকা দাবি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা। তবে গাছটির প্রকৃত বাজারমূল্য কত, তা নির্ধারণে কোনো সরকারি বা নিরপেক্ষ মূল্যায়ন এখনো হয়নি। গাছের মালিকের বক্তব্য অনুযায়ী, সময় হলেই তিনি গাছটি কাটবেন। ফলে নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকায় কবে নাগাদ ৪০ পরিবারের চলাচলের সমস্যা দূর হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—একটি গাছের কারণে যখন দীর্ঘদিন ধরে ৪০টি পরিবার দুর্ভোগে রয়েছে, তখন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে বিষয়টির স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না কেন? তাদের দাবি, ব্যক্তিগত সম্পত্তির অধিকার যেমন রয়েছে, তেমনি সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকারও রয়েছে। তাই উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আইন ও বিধি অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। স্থানীয় পর্যায়ে সমাধান না হওয়ায় ভুক্তভোগীরা পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে রাস্তার প্রতিবন্ধকতা দূর করার পাশাপাশি ৪০টি পরিবারের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন বলেন, “বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সেমিফাইনালে হেরে অস্ট্রেলিয়ায় টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায় নিলো বাংলাদেশ এইচপি
সেমিফাইনালে হেরে অস্ট্রেলিয়ায় টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায় নিলো বাংলাদেশ এইচপি। পুরো টপ এন্ড সিরিজে বলতে গেলে ফেভারিট ছিলো বাংলাদেশ এইচপি দল। শেষপর্যন্ত এসে সেমিফাইনালে হারতে হলো। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশ এইচপি দল মাত্র ১০১ রানে অলআউট হয়ে যায়। এতো মামুলি টার্গেট দিয়েও বোলারদের চেষ্টার কমতি ছিলো না। ব্যাটাররা যদি কোনক্রমে ১৩০-১৩৫ রানে নিয়ে যেতেন তাহলে নিশ্চিত জয়ী হয়ে যেতো। রুবেল দারুণভাবে কিছুটা হলেও ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন দলকে, এরপর রিপনের টানা ২ মেডেন ওভার সাথে শামীম পাটোয়ারী দারুণ করলেন। আরেকটু হলেই বাংলাদেশ এইচপি জিতে যায়। তবে ব্যাটিং ব্যর্থতায় শেষপর্যন্ত পেরে উঠতে পারে নি। ১ উইকেট ও ২ বল হাতে রেখে শ্বাসরুদ্ধকর সেমিফাইনালে হেরে টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায় নিলো বাংলাদেশ এইচপি দল
তাড়াইলে নজরুল বর্ষ পালনে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
তাড়াইলে নজরুল বর্ষ পালনে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত রুহুল আমিন, তাড়াইল কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মের ১২৭ তম বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩০ আগষ্ট) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জিসান আলীর সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমান সরকার ২৫ মে ২০২৬ থেকে ২৪ মে ২০২৭ সাল পর্যন্ত ‘নজরুল বর্ষ’ঘোষণা করেছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ৩১ আগস্ট সকাল ১০টায় দেশব্যাপী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। তাড়াইল উপজেলাতেও একই সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রস্তুতিমূলক সভায় আগামী ৩১ আগস্ট সোমবার সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সুষ্ঠু, সুন্দর এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের প্রস্তুতি, অনুষ্ঠানস্থল, শৃঙ্খলা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় বক্তারা বলেন, নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা ও মানবতাবাদী আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতেই এই বর্ষব্যাপী আয়োজন। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তরুণরা নজরুলকে জানবে ও ধারণ করবে। এসময় উপজেলার বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বার্তা প্রেরক রুহুল আমিন উপজেলা প্রতিনিধি তাড়াইল কিশোরগঞ্জ। তারিখ:৩০-৮-২০২৬ খ্রী. ০১৭১০-৪০৪০১২
রাসূল (সা.)সারা জাহানের জন্য রহমত স্বরূপ: হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী
রাসূল (সা.)সারা জাহানের জন্য রহমত স্বরূপ। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ রাসূল (সা.)সারা জাহানের জন্য রহমত স্বরূপ,অবশ্যই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহ পাকের রাসুল।(সুরা আলে ইমরান-১৪৪) আল্লাহ আমাদের জন্য তথা সারা আলমের জন্য তার হাবিব মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সবচেয়ে বড় উছিলা বানিয়েছেন। আল্লাহ পাক তার হাবিবকে কেন্দ্রীয় অবস্থানে রেখে সারা আলমের সব আয়োজনকে সুসম্পন্ন করেছেন। হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একাধারে আবির্ভাব ও তিরোধান সারা আলমের জন্য আল্লাহ পাকের রহমত এবং ফজল ও করমস্বরূপ। সারা বিশ্বে আল্লাহ পাকের হাবিব হুজুর পাক সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জাত পাক, সিরাত সুরাতকে গুরুত্ব সহকারে পালন করে আসছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ইমামগণ। কোরআন, সুন্নাহ, ইজমা, কিয়াস মোতাবেক এই আনুষ্ঠানিকতা সুন্নতে উম্মত মুস্তাহসান। এর উছিলায় বিশ্ব মুসলিম নানাভাবে আল্লাহ ও তার রাসুলের সন্তুষ্টি-রেজামন্দি হাসিলের সুযোগ পায়। আল্লাহ পাক বলেন, আপনার প্রতিপালকের নিয়ামত বর্ণনা করুন (সুরা দোহা-১১)। অন্য আয়াত শরিফে আল্লাহ পাক বলেন, আপনি বলে দিন আল্লাহ পাকের ফজল ও রহমতের জন্য তারা যেন আনন্দ প্রকাশ করে (সুরা ইউনূস-৫৮)। এখানে আল্লাহর রহমত মূলত তার হাবিব সাইয়িদ্যুত হজরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। কেননা আল্লাহ পাক বলেন, আমি আপনাকে সারা জাহানের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছি (সুরা আম্বিয়া-১০৭)। ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আয়োজন, আনুষ্ঠানিকতা কেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মাশায়েখগণ মহব্বতের সঙ্গে করে থাকেন তা গভীরভাবে উপলব্ধি করার জন্য নিম্নে বর্ণিত দ্বীন-ইসলামের মহান বুজুর্গগণের কওল সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য। হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মিলাদ শরিফ পাঠ (মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপলক্ষে এক দিরহাম ব্যয় করবে সে জান্নাতে আমার বন্ধু হয়ে থাকেন (সুবানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)। হজরত উমর (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে (বেলাদত দিবসকে) বিশেষ মর্যাদা দিল সে মূলত ইসলামকেই পুনরুজ্জীবিত করল (সুবহানাল্লাহ) (আন নেয়মাতুল কুবরা)। হজরত ওসমান (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে এক দিরহাম খরচ করল, সে যেন বদর ও হুনায়েন যুদ্ধে শরিক থাকল (সুবহানাল্লাহ) (আন নেয়মাতুল কুবরা)। হজরত আলী (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি বিশেষ মর্যাদা প্রদান করলেন, সে ব্যক্তি অবশ্যই ঈমান নিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নেবে এবং বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। ইমাম হাসান বসরি (র.) বলেন, আমার একান্ত ইচ্ছা হয় যে, আমার যদি ওহুদ পাহাড় পরিমাণ সম্পদ থাকত, তাহলে তা ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে ব্যয় করতাম (সুবাহানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)। সাইয়িদ্যূত ত্বিফা হজরত জুনাইদ বোগদাদি (র.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আয়োজনে উপস্থিত হলো এবং উপযুক্ত সম্মান প্রদর্শন করল। সে তার ঈমানের দ্বারা সাফল্য লাভ করবে অর্থাৎ সে বেহেশতি হবে (সুবাহানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)। হজরত মারুফ কারখি (র.) বলেন, যে ব্যক্তি ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খাদ্যের আয়োজন করে, অতঃপর লোকজনকে জমা করে, মজলিশে আলোর ব্যবস্থা করে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নতুন লেবাস পরিধান করে, মিলাদুন্নবীর তাজিমার্থে সুঘ্রাণ ও সুগন্ধি ব্যবহার করে। আল্লাহ পাক তাকে নবী (আ.) গণের প্রথম কাতারে হাশর করাবেন এবং সে জান্নাতের সুউচ্চ মাকামে অধিষ্ঠিত হবেন (সুবাহানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)। ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী (র.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদ শরিফ পাঠ করে বা মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করে, লবণ, গম বা অন্য কোনো খাদ্যদ্রব্যের ওপর ফুঁক দেয়, তাহলে এই খাদ্যদ্রব্য অবশ্যই বরকত প্রকাশ পাবে। এভাবে যেকোনো কিছুর ওপরই পাঠ করুন না কেন। (তাতে বরকত হবেই) (সুবাহানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা যেন বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন নবী সা. উদযাপন করার তাওফিক দান করেন আমিন। লেখক: প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেট। সাবেক ইমাম ও খতীব: সিলেট নগরীর কদমতলী হযরত দরিয়া শাহ রহ. মাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সিলেট। সাবেক প্রিন্সিপাল: হযরত শাহজালাল রহ. ৩৬০ আউলিয়া লতিফিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা উপশহর সিলেট। সাবেক প্রধান শিক্ষক: হযরত শাহজালাল রহ. লতিফিয়া দাখিল মাদ্রাসা দক্ষিণ সুরমা সিলেট।
শ্রীপুর উপজেলা জাসাসের ৬৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা, সভাপতি তুহিন সাধারণ সম্পাদক সাইফুল
শ্রীপুর উপজেলা জাসাসের ৬৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা, সভাপতি তুহিন সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আব্দুর রশিদ মোল্লা, শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস এর মাগুরা জেলা শাখার উদ্যোগে শ্রীপুর উপজেলা জাসাস এর ৬৪ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মাগুরা জেলা জাসাস এর আহ্বায়ক আ ন ম কাজী সিরাজ উদ্দিন মিহির ও সদস্য সচিব মোঃ ফেরদৌস রেজা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটিতে এস এম তুহিন হায়দারকে সভাপতি এবং মোঃ সাইফুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইমরুল ইসলাম ইমন, সহ-সভাপতি মোঃ আঃ রহিম, মোঃ আবু জাফর, শাহ সেকেন্দার ও খোন্দকার আবু নঈম। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহানুর রহমান খারব, মোঃ উজ্জল খান ও মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান উল্লাস, প্রচার সম্পাদক হারুন অর রশিদ, দপ্তর সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোঃ হাসান বিশ্বাস, শিক্ষা সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক রাজ কুমার বিশ্বাস এবং নাট্য বিষয়ক সম্পাদক শিকদার মঞ্জুর আলম। এছাড়াও কমিটিতে ৫৪ জনকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ দলের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। শ্রীপুর উপজেলা জাসাস এর নবনির্বাচিত সভাপতি এস এম তুহিন হায়দার বলেন, একটি রাজনৈতিক সংগঠন দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকাকালে জাতীয়তাবাদী দলের কাউকেই কোনো ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হয়নি। আমি বিগত দিনেও এই জাসাসের কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলাম। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার তখন আমাদের কোনো ধরনের কার্যক্রম করতে দেয়নি। বর্তমানে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সরকার গঠন করেছে। আমরা নবগঠিত কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের নিয়ে শ্রীপুর উপজেলা জাসাস কে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। মাগুরা জেলা জাসাস এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফেরদৌস রেজা জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) এর কার্যক্রমকে তৃণমূলে ছড়িয়ে দেবার লক্ষ্যে শ্রীপুর উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটি জাতীয়তাবাদী চিন্তা চেতনা নিয়ে জাসাসকে এগিয়ে নিয়ে যাবে সেই প্রত্যাশা করি।