বাংলাদেশ বার্তা টুডে
পঞ্চগড়ে ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়ার সুযোগ, সাতজনের হাতে ভ্যান
পঞ্চগড়ে ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়ার সুযোগ, সাতজনের হাতে ভ্যান পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি | সঞ্জু বনিক সৌরভ পঞ্চগড়, ২৭ আগস্ট ২০২৬: ভিক্ষাবৃত্তি থেকে বেরিয়ে কর্মের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পঞ্চগড়ে সাতজন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হাতে ভ্যান তুলে দেওয়া হয়েছে। ভিক্ষুক পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসব ভ্যান বিতরণ করা হয়। উপকারভোগীদের হাতে ভ্যান তুলে দেন সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা লায়লা আরজুমান। সংশ্লিষ্টদের আশা, ভ্যানগুলো ব্যবহার করে উপকারভোগীরা নিয়মিত আয় করতে পারবেন এবং ধীরে ধীরে ভিক্ষাবৃত্তি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসবেন। ভ্যান পাওয়া কয়েকজন জানান, এতদিন কেউ অন্যের ভ্যান চালিয়ে, আবার কেউ মানুষের সহায়তার ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এখন নিজেদের একটি করে ভ্যান থাকায় তারা পরিশ্রমের মাধ্যমে আয় করার নতুন সুযোগ পেয়েছেন। যতনপুকুরি এলাকার আলম হোসেন জানান, আগে নির্দিষ্ট কোনো আয়ের উৎস না থাকায় মানুষের সহযোগিতার ওপর নির্ভর করতে হতো। নিজের ভ্যান পাওয়ায় এখন পরিশ্রম করে আয় করে পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। রাজারপাট ডাঙ্গর এলাকার মমিনুর হোসেন দীর্ঘদিন অন্যের ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। নিজের ভ্যান পাওয়াকে তিনি জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন। জামুরিবাড়ি এলাকার মোতালেব হোসেনও আগে ভিক্ষা করে সংসার চালাতেন। ভ্যান পাওয়ায় এখন নিজের শ্রমে আয় করে সংসার চালানোর চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা বলেন, পুনর্বাসন কার্যক্রমের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ভিক্ষাবৃত্তির ওপর নির্ভরশীল মানুষকে কর্মমুখী করে স্বাবলম্বী করা। ভ্যান পাওয়া ব্যক্তিরা যেন সঠিকভাবে এটি ব্যবহার করে নিয়মিত আয় করতে পারেন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা লায়লা আরজুমান বলেন, ভিক্ষাবৃত্তি থেকে মানুষকে বের করে আয়বর্ধক কাজে যুক্ত করাই কর্মসূচিটির মূল লক্ষ্য। উপকারভোগীরা ভ্যানগুলো কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এসময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ মজিদ, অ্যাডভোকেট আদম সুফি, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান বাবুসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
বাপা'র সোনারগাঁও শাখা কমিটি গঠন
বাপা'র সোনারগাঁও শাখা কমিটি গঠন সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা: বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক ড. নূর আলম, যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান এবং সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন মো. মশিউর রহমান। বুধবার বিকেলে সোনারগাঁও জি আর ইনস্টিটিউশন মডেল স্কুল এন্ড কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় নতুন এ আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ড. নুর আলমের সভাপতিত্বে ও মশিউর রহমান এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপার সাংগঠনিক সম্পাদক মিহির বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কার্যকরী কমিটির সদস্য আশরাফ আমির উল্লাহ, সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি অসিত কুমার দাস , বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম,শোভন কমল, প্রবাসী শাহেদ আলী। এছাড়াও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও পরিবেশসচেতন ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা সোনারগাঁওয়ের পরিবেশ সুরক্ষা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। স্থানীয় পরিবেশগত সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। নতুন কমিটির মাধ্যমে সোনারগাঁও এলাকায় পরিবেশ রক্ষায় বাপার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন। নতুন আহবায়ক কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান, সাইফুর ইসলাম, নাজির হোসেন, হিরন মিয়া,এরশাদ হোসেন অন্য, সানাউল্লাহ মিয়া, বিপ্লব বর্মন, সজীব হোসেন, ডালিম মিয়া, নিলুফা ইয়াসমিন, শহিদুল ইসলাম, ফারজানা ইসলাম শান্তি।
সোনারগাঁও অবৈধ চুনা কারখানা কাঁচামাল সহ ট্রাক আটক
সোনারগাঁও অবৈধ চুনা কারখানা কাঁচামাল সহ ট্রাক আটক সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে একটি অবৈধ চুনা ফ্যাক্টরির কাঁচামাল (চুনা পাথর) সরবরাহের সময় ১০ টনের একটি ট্রাক আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। বুধবার (২৬ আগস্ট) উপজেলার মেঘনা শিল্পনগরী এলাকা থেকে এই ট্রাকটি আটক করা হয়। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে তা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার সোনারগাঁওয়ে মেঘনা শিল্পনগরী এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র ও পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধ চুনা ফ্যাক্টরি পরিচালিত হয়ে আসছে। এর ফলে এলাকার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। বুধবার মেঘনাঘাট এলাকায় একটি ফ্যাক্টরির জন্য ১০ টন চুনা পাথর নিয়ে একটি ট্রাক আসার পর এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে তা আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, সোনারগাঁওয়ে কোনো ধরনের অবৈধ কারখানা বা পরিবেশ বিনষ্টকারী কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না। এলাকাবাসী সচেতন হয়ে অবৈধ ফ্যাক্টরির কাঁচামাল বোঝাই ট্রাক আটক করে অত্যন্ত সঠিক কাজ করেছে। আমি খবর পেয়েই বিষয়টি প্রশাসনকে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি এবং জব্দকৃত ট্রাকটি প্রশাসনের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিতাস গ্যাস মেঘনাঘাট কার্যালয়ের ম্যানেজার সুরজিত সাহা বলেন, আমাদের মেঘনাঘাট এলাকায় গ্যাসের লাইন বা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সংযোগের বিষয়টি নিয়মের মধ্যে থেকে তদারকি করা হয়। অবৈধ কোনো ফ্যাক্টরি যদি আমাদের গ্যাস সংযোগ বা অন্য কোনো সুবিধা নিয়ে থাকে কিংবা পরিবেশের ক্ষতি করে, তবে তার বিরুদ্ধে দপ্ততরিক ও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আজকের এই পাথর আটকের বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। সোনারগাঁও থানার ওসি আব্দুল বারিক জানান, এলাকাবাসী একটি পাথরবোঝাই ট্রাক আটক করেছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। স্থানীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের নির্দেশ ও হস্তক্ষেপে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ট্রাকটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
ঘর হারানোর ৯ বছর, ভবিষ্যৎ হারানোর পথে এক প্রজন্ম
ঘর হারানোর ৯ বছর, ভবিষ্যৎ হারানোর পথে এক প্রজন্ম ১২ লাখ মানুষের অপেক্ষা, কমছে আন্তর্জাতিক সহায়তা; শিক্ষা-নিরাপত্তা-পরিচয়ের সংকটে বেড়ে উঠছে ক্যাম্পের নতুন প্রজন্ম বিশেষ প্রতিনিধি, সঞ্জয় মজুমদার কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের পাহাড়ঘেরা শরণার্থীশিবিরে প্রতিদিনের জীবন শুরু হয় একইভাবে। শিশুরা লার্নিং সেন্টারে যায়, কেউ পরিবারের কাজে সাহায্য করে। কিন্তু তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—‘কবে ফিরব নিজের দেশে?’ নয় বছর ধরে এই প্রশ্নের উত্তর নেই। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের পর সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। আগের দফায় আসা রোহিঙ্গাদেরসহ বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মানুষের সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ। UNHCR-এর ৩০ জুন ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট রোহিঙ্গা শরণার্থী ১২ লাখ ১৭১ জন। এর মধ্যে কক্সবাজারে ১১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৫২ এবং ভাসানচরে ৩৩ হাজার ৮১৯ জন। নয় বছরে ক্যাম্পে বেড়ে উঠছে নতুন প্রজন্ম। ২০১৭ সালে যারা শিশু ছিল, তাদের অনেকেই এখন কিশোর-কিশোরী। আর ক্যাম্পে জন্ম নেওয়া শিশুদের কাছে মিয়ানমার অনেকটাই বাবা-মায়ের স্মৃতি ও গল্পের দেশ। জন্মের পর থেকেই তারা শরণার্থী পরিচয়ে বেড়ে উঠছে। সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি শিক্ষা। ২০২৫ সালে UNICEF সতর্ক করেছিল, অর্থসংকটে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশুর শিক্ষার সুযোগ ঝুঁকিতে রয়েছে। ২০২৬ সালের পরিকল্পনায় UNICEF রোহিঙ্গাসহ প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার শরণার্থীকে মানবিক সহায়তার আওতায় রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। শিক্ষাব্যবস্থা চালু রাখার চেষ্টা থাকলেও উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ এখনও সীমিত। ফলে দীর্ঘমেয়াদে একটি প্রজন্ম শিক্ষা ও কর্মদক্ষতা থেকে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। নবম বার্ষিকীতে ২৫ আগস্ট কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা সমাবেশ করে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য স্পষ্ট—বাংলাদেশে অনির্দিষ্টকাল নয়, নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হলে তারা নিজ ভূমিতে ফিরতে চান। কিন্তু প্রত্যাবাসনের পথ এখনও কঠিন। রাখাইনে চলমান সংঘাত, নিরাপত্তাহীনতা, নাগরিকত্বের প্রশ্ন এবং রোহিঙ্গা পরিচয়ের স্বীকৃতির অভাব বড় বাধা হয়ে আছে। আগস্ট ২০২৬-এ মিয়ানমার জানিয়েছে, বাংলাদেশে থাকা প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে যাচাই করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যাবাসন শুরু হবে না বলেও জানিয়েছে তারা। বাংলাদেশ এই যাচাই ও সংখ্যার সঙ্গে পুরোপুরি একমত নয়। রোহিঙ্গাদের কাছে প্রত্যাবাসন শুধু সীমান্ত পার হওয়ার বিষয় নয়। তারা চায় নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার, চলাচলের স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার এবং নিজেদের পরিচয়ের স্বীকৃতি। এসব নিশ্চয়তা ছাড়া প্রত্যাবাসন টেকসই হবে কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক মূল্যায়নেও মিয়ানমারে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির কথা উঠে এসেছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় পরিসরে প্রত্যাবাসন কতটা নিরাপদ ও স্থায়ী হবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ রয়েছে। অন্যদিকে দীর্ঘস্থায়ী সংকটে কমছে আন্তর্জাতিক সহায়তা। UNHCR জুন ২০২৬-এ সতর্ক করেছে, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার জন্য প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে অর্থায়নের ঘাটতি বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। প্রত্যাবাসন না হলে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ২০২৯ সালের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনসংখ্যা ১৪ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এত বিপুল মানুষের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান বাংলাদেশের ওপরও তৈরি করছে অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাগত চাপ। খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানি, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তার মতো মৌলিক সেবায় দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা প্রয়োজন। তবে এই সংকটের সবচেয়ে বড় মানবিক প্রশ্নটি ক্যাম্পে বেড়ে ওঠা শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে। তারা কি উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে? দক্ষতা অর্জন করে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারবে? নাকি শরণার্থী পরিচয়ই তাদের জীবনের স্থায়ী পরিচয়ে পরিণত হবে? রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান তাই শুধু ‘কবে প্রত্যাবাসন হবে’—এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। প্রয়োজন এমন একটি রাখাইন, যেখানে তারা নিরাপদে ফিরতে পারবে, ঘরবাড়ি ও সম্পত্তির অধিকার ফিরে পাবে, সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারবে এবং পরিচয় ও নাগরিক অধিকার নিয়ে মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারবে। বর্তমান বাস্তবতা বলছে, সেই পরিবেশ এখনও তৈরি হয়নি। রাখাইনে সংঘাত চলছে, আন্তর্জাতিক সহায়তা কমছে, ক্যাম্পে জনসংখ্যা বাড়ছে—আর অনিশ্চয়তার মধ্যেই বড় হচ্ছে একটি প্রজন্ম। রোহিঙ্গা সংকটের ঘড়ি তাই শুধু নয় বছর পার হওয়ার হিসাব করছে না; এটি একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ হারিয়ে যাওয়ার সময়ও গুনছে।
১২ই রবিউল আউয়াল উপলক্ষে হোয়াইক্যংয়ে সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান
বিশেষ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম, টেকনাফ (কক্সবাজার): কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার ১নং হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আল মাদ্রাসাতুল ইসলামিয়া মুহিউচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসায় ১২ই রবিউল আউয়াল ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ১২ই রবিউল আউয়াল ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা ও বক্তব্য উপস্থাপন করে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে গজল, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক আবু তৈয়ব সর্দার, মোহাম্মদ রফিক, সমাজসেবক হাফেজ মাওলানা আজিজুল হাসান, হাফেজ সৈয়দ আহমদ, মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী। এ সময় অতিথিরা মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। তারা শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি আদর্শ চরিত্র, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক আয়োজন শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, প্রতিভা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখে। শিক্ষক, অভিভাবক ও অতিথিদের আন্তরিক সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর ও শিক্ষামূলক পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
শার্শায় ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ও অমিতের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল
শার্শায় ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ও অমিতের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল মহিউদ্দীন বাপ্পী,শার্শা বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এবং বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের জন্মদিন উপলক্ষে শার্শার বাগআঁচড়ায় আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এতে দলটির বিভিন্ন স্তরের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। অনুষ্ঠানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর বিশেষ তাৎপর্য নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং রাজনৈতিক জীবনের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শার্শা উপজেলা বিএনপি সহসভাপতি মাস্টার জামাল উদ্দীন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাবু, শার্শা উপজেলা বিএনপি স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মিকাইল হোসেন মনা, শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক কবির হোসেন,শার্শা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদ হোসেন। এছাড়া ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পর্যায়ের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে দোয়া মোনাজাতে শরিক হন।
গাইবান্ধায় পুলিশ সদস্যের ঝু/ল/ন্ত ম/র/দে/হ উদ্ধার, পারিবারিক কলহের কথা বলছে পুলিশ
গাইবান্ধায় পুলিশ সদস্যের ঝু/ল/ন্ত ম/র/দে/হ উদ্ধার, পারিবারিক কলহের কথা বলছে পুলিশ গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমান নামে ৩৩ বছর বয়সী এক পুলিশ সদস্যের ঝু/ল/ন্ত ম/র/দে/হ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার, ২৬ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ সুপারের বাসভবনের ব্যারাকের একটি ওয়াশরুম থেকে তাঁর ম/র/দে/হ উদ্ধার করা হয়। হাবিবুর রহমান নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়ার বাসিন্দা। তিনি নায়েক পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন। গত ১২ আগস্ট ঢাকা থেকে বদলি হয়ে গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাসভবনে গার্ড হিসেবে যোগ দেন। পুলিশ জানায়, দুপুরে স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার সময় তাঁদের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এর কিছুক্ষণ পর ওয়াশরুমের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা খুলে তাঁকে অ/চে/তন অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ম/র/দেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল জানান, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে মৃ/ত্যু/র প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে। গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, ম/র/দেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাবিবুর রহমানের একটি ছোট সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।
মতলবে সরকারি গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালীরা
মতলবে সরকারি গাছ কেটে নিয়েছে প্রভাবশালীরা মতলব প্রতিনিধিঃ চাঁদপুরের মতলব পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের জোড়পুল থেকে ৮ নং ওয়ার্ডের ডাকঘর পর্যন্ত রাস্তার দু' পাশের বড় আকৃতির প্রায় ৩০ টি গাছ প্রভাবশালী হান্নান সরকার, মজনু গাজী ও শাহাদাত হোসেন বাবলু কেটে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ বুধবার (২৬ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে গাছগুলো কেটে গাড়ি বোঝাই করে ওই এলাকার প্রভাবশালী হান্নান ও বাবলু নিয়ে গেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কর্তনকৃত প্রতিটি গাছের গোড়া ও ডালাগুলো স্ব-স্ব স্থানে বিদ্যমান রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা বললে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানান, এলাকার প্রভাবশালী হান্নান ও বাবলু মিয়া আজ সকালে লোকজন দিয়ে গাছ কাটা শুরু করে। প্রকাশ্যে সামাজিক বনায়নের এই গাছগুলি কেটে দুপুরে গাড়ি বোঝাই করে নিয়ে যায়। তবে কয়েকটি গাছের গুড়ি পড়ে আছে দেখা যায়।" আমার ক্রয়কৃত গাছ আমি কেটে নিয়ে যাচ্ছি, আবার কারে কি বলবো? " এলাকাবাসীর প্রশ্নের জবাবে এমন কথাই বলেন বাবলু। সরকারি গাছ কর্তনকারী সাইফুর রহমান বাবলু বলেন, বন বিভাগ থেকে বনায়নের জন্য নেয়া উত্তর দিঘলদী গ্রামের আঃ হান্নান আমার কাছে গাছগুলো বিক্রি করেছে। আমি গাছগুলো ক্রয় করার পর আজকে কেটে আনার সময় এলাকাবাসীর বাধার সম্মুখিন হলে গাছের গুড়ি ফেলে আসি এবং বাকী গাছগুলো কাটা হয়নি। উপজেলা বন কর্মকর্তা মো: দেলোয়ার হোসেন বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে আমার কাছ থেকে কোন অনুমতি নেয়নি। এ বিষয়ে আমি জানি না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম বলেন, কাটা গাছগুলো জব্দ করা হয়েছে। হান্নানকে আগামীকাল স্ব—শরীরে অফিসে আসতে বলা হয়েছে। বিস্তারিত জেনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ক্যাপশনঃ মতলবে উত্তর দিঘলদীর জোড়পুল এলাকায় কর্তনকৃত গাছের গুড়ি।
লিটল স্কলার্স হাই স্কুলে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া
লিটল স্কলার্স হাই স্কুলে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মতলব দক্ষিণ প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার ডে-কেয়ার উচ্চ বিদ্যালয় লিটল স্কলার্স হাই স্কুলে আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(২৬আগস্ট)বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিনিয়র শিক্ষক আল-আমিন ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সহকারী শিক্ষক মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, জান্নাতুল ফেরদৌসী, মো. মাইন উদ্দিন, তাহমিনা আক্তার, মো. জয়নাল, আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক সুমন চন্দ্র সাহা, প্রবীর সাহা, সিথী। বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ। তাঁর জীবন ছিল সত্য, ন্যায়, মানবিকতা, সহনশীলতা ও শান্তির অনন্য দৃষ্টান্ত। শিক্ষার্থীদের মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে নিজেদের চরিত্র গঠনের আহ্বান জানান বক্তারা। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম প্রধানীয়া বলেন, মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করলেই ব্যক্তি ও সমাজজীবনে নৈতিকতা, শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পরে দরুদ ও সালাম পাঠের মধ্য দিয়ে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শেষে দেশ, জাতি, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সবার শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
মতলবে নিখোঁজ তরুণী উদ্ধার-যুবক গ্রেপ্তার
মতলবে নিখোঁজ তরুণী উদ্ধার-যুবক গ্রেপ্তার মতলব দক্ষিণ(চাঁদপুর) প্রতিনিধি: চাঁদপুর মতলব দক্ষিণ উপজেলার সুমাইয়া আক্তার ইতি (১৭) নামের এক তরুণী নিখোঁজের পর উদ্ধার এবং তরুণীকে অপহরণের দায়ে শুভ দেবনাথ(২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার(২৬ আগষ্ট ) ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থেকে যুবককে গ্রেপ্তার ও তরুণীকে উদ্ধার করে। উপজেলার খাদেরগাঁও ইউনিয়নের তেলিমাছুয়াখাল গ্রামের চারু মিয়া খন্দকার ও জোসনা বেগম দম্পতির মেয়ে সুমাইয়া আক্তার ইতি। একই উপজেলার খাদেরগাঁও ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামের গনেশ চন্দ্র দেবনাথের ছেলে শুভ দেবনাথ। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ হওয়ার পর ২১ আগষ্ট থানায় জিডি করে মেয়ের পরিবার। পরে ২৫ আগষ্ট( মঙ্গলবার) নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে থানায় মামলা করে তরুণীর মা জোসনা বেগম। তাদের অবস্থান শনাক্ত ও উদ্ধারের লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অনুসন্ধান ও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম চালানো হয়। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে সুমাইয়া আক্তার ইতি ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার কসবা থানা এলাকায় অবস্থান করছে। এরই ধারাবাহিকতায় সহকারী পুলিশ সুপার জাবীর হুসনাইন সানীবের দিকনির্দেশনায়, মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমান মানিকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও এসআই(নিঃ) মোঃ ইমতিয়াজ কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা পুলিশের আভিযানিক টিম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানাধীন এলাকায় যায়। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও গুপ্তচরের মাধ্যমে বায়েক ইউপির ০৫ নং ওয়ার্ডের বাড়িখোলা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। বুধবার (২৬ আগষ্ট) ভোরে সুমাইয়া আক্তার ইতিকে নিরাপদে উদ্ধার এবং মামলার এজাহারনামীয় আসামি শুভ দেবনাথ (২২)-কে গ্রেপ্তার করে। মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে যথাযথ নিরাপত্তার সঙ্গে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মামলার বিধি মোতাবেক পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার জাবীর হুসনাইন সানীব( মতলব সার্কেল) বলেন, “একজন হিন্দু যুবক একজন মুসলিম কিশোরীকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অপহরণ মামলা রুজু করা হয়। মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় মতলব থানা পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার ও কিশোরীকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় কারও ধর্মীয় বিশ্বাস বা অনুভূতিতে আঘাত না লাগে এবং কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। ছবির ক্যাপশন: অভিযুক্ত যুবক শুভ দেবনাথ।
মোংলায় কোস্টগার্ডের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
মোংলায় কোস্টগার্ডের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট মোংলায় কোস্টগার্ডের তত্ত্বাবধানে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি। বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বন, বন্যপ্রাণী, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এনরুট ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আজ ২৬ আগস্ট ২০২৬-এ এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী জনাব শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি। কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৯ হাজার ৪০০ চারা রোপণ করা হবে। এসব চারা উপকূলীয় এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখা, মাটি ক্ষয় রোধ, জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, মোংলা ও পার্শ্ববর্তী উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় চলমান সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও টেকসই সবুজায়নে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বাগেরহাটে মাদক, ছুরি ও জাল টাকাসহ গ্রেপ্তার ১১
বাগেরহাটে মাদক, ছুরি ও জাল টাকাসহ গ্রেপ্তার ১১ ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাটঃ বাগেরহাটে জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ অভিযানে ৩১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০০ গ্রাম গাঁজা, ৪ লিটার চোলাই মদ, ৫৫টি ছুরি এবং ৯০ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে। পৃথক এসব অভিযানে মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার। পুলিশ সুপার জানায়, বাগেরহাট সদর থানার পৌরসভাধীন নাগেরবাজার এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের অংশ হিসেবে এলাকার বিভিন্ন গমনাগমনের পথ ব্লকেড করে মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দেহ তল্লাশি এবং স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৭ জন পুরুষ ও ১ জন নারীসহ মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৩১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৪০ পুরিয়া গাঁজা, যার ওজন ২০০ গ্রাম, ৪ লিটার চোলাই মদ এবং অপরাধকাজে ব্যবহৃত ৫৫টি ছুরি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—নাগেরবাজারের বিষ্ণু রবি দাস (৩৫), পল্টু রবি দাস (৩৫), জয় রবি দাস (২৫), কৃষ্ণনগরের মো. রিফাত (২৪), সাবেকডাঙ্গার সিরাজ (২০), খেগরাঘাটের বিপ্লব মিস্ত্রী (৩৬), কচুয়া পট্টির নিমাই সাহা (৪০) এবং নাগেরবাজার পতিতালয় এলাকার পলি (৪৫)। এদিকে জেলা গোয়েন্দা শাখার পৃথক অভিযানে বাগেরহাট সদর থানাধীন খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন পুকুরপাড় থেকে ৯০ হাজার টাকার জাল নোটসহ আরও ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা জাল নোটগুলোর প্রতিটির মূল্য ১ হাজার টাকা। জাল টাকা সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার রুহিতলাবুনিয়ার মো. আকলাস ভুইয়া (৫৫), বুড়িখালীর আশিকুর রহমান মোল্লা (২৩) এবং একই এলাকার মো. শিবলু ফকির (২৪)। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে মোট ৩১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০০ গ্রাম গাঁজা, ৪ লিটার চোলাই মদ, ৫৫টি ছুরি এবং ৯০ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি ঘোষণা
নারায়ণগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি ঘোষণা সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মাওলানা আব্দুল আউয়াল, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মুফতি বশিরুল্লাহ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মাওলানা মহিউদ্দিন খান দায়িত্ব পেয়েছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জ শহরের ডিআইটি জামে মসজিদে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ইসলামী মূল্যবোধ, দেশের স্বার্থ এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। নবগঠিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দিন খান বলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ একটি আদর্শভিত্তিক সংগঠন। দেশের ইসলাম, ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম উম্মাহর স্বার্থ রক্ষায় আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। নারায়ণগঞ্জে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মী এবং আলেম-ওলামাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে। তিনি আরও বলেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে ইসলামী মূল্যবোধের প্রসার এবং শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে হেফাজতে ইসলাম দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। নতুন কমিটির মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে আমরা আশাবাদী। নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, হেফাজতে ইসলামের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে নারায়ণগঞ্জে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হবে। পাশাপাশি জেলার প্রতিটি স্তরে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করে আলেম-ওলামাদের ঐক্য সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। নতুন কমিটি ঘোষণার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
কালীগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই ডাকাত গ্রেফতার
কালীগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই ডাকাত গ্রেফতার আব্দুল মতিন খান কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালীগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে নাগরী ইউনিয়নের পূর্বাচল ১৫নং সেক্টরের ৫৬ নং সেঁতুর উত্তর পূর্ব দিকে একটি নম্বর প্লেটবিহীন ট্রাক নিয়ে ৭/৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি ডাকাতির উদ্দেশ্যে অবস্থান নেয়। সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছলে ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে বরগুনার তালতলী থানার ছোটবাগী গ্রামের মোস্তফা হাওলাদারের পুত্র বিল্লাল হাওলাদার ও পটুয়াখালীর গলাচিপা থানার কল্যান কলস গ্রামের মৃত দুলালের পুত্র রবিনকে আটক করে। এসময় তাদের নিকট থেকে একটি অশোক লিল্যান্ড ট্রাক, একটি লোহার কাটার, একটি নাম্বার প্লেট (ঢাকা মেট্রো-ট-২৪-৩২৩১), একটি পাইপ রেঞ্চ, একটি কাস্তে এবং ৫টি লোহার দন্ড উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা (নং ২১) দায়ের করা হয়। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাকির হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বুধবার দুপুরে গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
কালীগঞ্জে ১ প্রতিষ্ঠান কে অর্থদণ্ড ৪ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত
কালীগঞ্জে ১ প্রতিষ্ঠান কে অর্থদণ্ড ৪ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত আব্দুল মতিন খান কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুর কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন যায়গায় অভিযান পরিচালনা করে নাম বিহীন প্রতিষ্ঠানে জরিমানা ও মাদক সেবনের দায়ে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৬ আগষ্ট) উপজেলার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্যাট সহকারী কমিশনর (ভূমি) আল আমীন হালদার'র নেতৃত্বে উপজেলার বেরুয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে এক নামবিহীন প্রতিষ্টান কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩ ধারায় বক্তারপুর ইউনিয়ন'র বেরুয়া গ্রামের আঃ রহেদ'র ছেলে মোঃ আলম শেখ (২৮) কে ০১ টি মামলায় ৫০,০০০/- জরিমানা ও ৩০(ত্রিশ) দিন বিনাশ্রম কারাদন্ডসহ নামবিহীন প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(৫) ধারায় বাংলা মদ ও গাজা সেবনের দায়ে তুমলিয়া ইউনিয়ন'র চুয়ারিয়াখোলা গ্রামের মৃত আঃ কাদির হোসেন'র ছেলে মোবারক হোসেন (৫১), চড়েরখোলা গ্রামের মৃত সেলেন পালমা'র ছেলে সুহৃদ পালমা (৪১),সাতানীপাড়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীন'র ছেলে ইকবাল (৪৩) কে ০৩ টি মামলায় ১০০/- টাকা করে মোট ৩০০/- জরিমানা ও ০২ জনকে ৩০(ত্রিশ) দিন করে এবং ০১ জনকে ৬০(ষাট) দিন বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। জানাযায় এই নামবীহিন প্রতিষ্ঠান টি বহুদিন যাবৎ বেরুয়া গ্রামে নকল পণ্য উৎপাদন করে যাচ্ছে,যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। অভিযান পরিচালনার সময় প্রসিকিউটর মিজানুর রহমান, এস আই, কালীগঞ্জ থানা,গাজীপুর ও বেঞ্চ সহকারী আল আমিন উপস্থিত ছিলেন।