বিশ্ববিদ্যালয়
জাবির রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের মাঠ সংস্কারের কাজ শেষ হওয়ার আগেই টাকা উত্তোলন
জাবির রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের মাঠ সংস্কারের কাজ শেষ হওয়ার আগেই টাকা উত্তোলন জাবি প্রতিনিধি জাবিতে মাঠ সংস্কারের কাজ শেষ হওয়ার আগেই টাকা উত্তোলন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল সংলগ্ন খেলার মাঠ সংস্কার কাজের দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে নিয়মের বাইরে গিয়ে অর্থ উত্তোলনসহ সবকিছু নিয়েই গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ৭ লাখ ৩১ হাজার টাকার এ প্রকল্পে সীমিত দরপত্র পদ্ধতি (এলটিএম) ব্যবহার করে এবং দরপত্র (টেন্ডার) আহ্বানের তথ্য গোপন করে হল প্রশাসনের পছন্দের ব্যক্তিকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি কাজ শুরুর আগেই বিল জমা দিয়ে প্রকল্পের পুরো অর্থ তুলে নেওয়া এবং সেই অর্থ ভাগ-বাটোয়ারার অভিযোগও সামনে এসেছে। জাবির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কার্যালয়ের তথ্যমতে, বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান ১৪৪৫ কোটি টাকার অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের রিটেনশন মানির মুনাফা থেকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল সংলগ্ন খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য ৭ লাখ ৩১ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া দরপত্র দেওয়া বা দরপত্র আহ্বান টিম গঠনের কোনো প্রক্রিয়ার সঙ্গে এই কার্যালয়ের সম্পৃক্ততা নেই। অথচ, সরকারি ক্রয় বিধিমালা-পিপিআর অনুযায়ী কোনো দরপত্র আহ্বান করতে হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কমপক্ষে ৫ থেকে ৭ জনের মূল্যায়ন টিম গঠন করতে হয়। যেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল মাঠ সংস্কারের টেন্ডার আহ্বানের ক্ষেত্রে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, হলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ ও ডেপুটি কম্পট্রোলার আবু মোহাম্মদ কাওছারের নেতৃত্বে মাত্র ৩ সদস্যের একটি টিম রয়েছে বলে জানা যায়। যাদের কারোরই প্রকৌশল বিষয়ে অভিজ্ঞতা নেই। এ ছাড়া মাঠ সংস্কার কাজ তদারকির জন্য পৃথক কোনো তদারকি কমিটি গঠন করা হয়নি। পছন্দের ব্যক্তিকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উন্মুক্ত টেন্ডারের সুযোগ সীমিত রেখে এলটিএম পদ্ধতি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় বলে অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধিত একাধিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের। এ পদ্ধতিতে টেন্ডারের নোটিশ দেওয়ার বিষয়টিও গোপন রাখা হয় বলে তারা জানান। সরেজমিনে হলটির নোটিশ বোর্ডেও এ নিয়ে কোনো বিজ্ঞপ্তি দেখা যায়নি। এতে টেন্ডার আহ্বানের প্রকৃত প্রতিযোগিতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠনের সভাপতি শহিদ বলেন, সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো কাজের টেন্ডার হলে আমরা ক্যাম্পাসের লাইসেন্স করা সকল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানি। অনেকদিন ধরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল মাঠের কাজ নিয়ে টেন্ডার হবে বলে শুনে আসছি, এমনকি নোটিশ বোর্ডও চেক করতে গেছি। কিন্তু টেন্ডার যে কখন দেওয়া হলো তা আমিও জানি না, অন্যরাও জানে না। দরপত্র আহ্বানে অনিয়ম শুরুতে দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে হল প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প কার্যালয় জানে বলে জানান। এ বিষয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রকল্প অফিস এলটিএম বা সীমিত দরপত্র পদ্ধতির মাধ্যমে ঠিকাদার নির্বাচন করেছে। হারুন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। হল প্রশাসন শুধু কাজটি তদারকি করে বুঝে নেবে। তবে প্রাধ্যক্ষের এই দাবি পুরোপুরি নাকচ করে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প দপ্তরের উপ-পরিচালক ফাহমিদা মাছউদ বলেন, মাঠের টেন্ডার করা বা ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া প্রকল্প দপ্তর করেনি। এটি সম্পূর্ণ হল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। টেন্ডার ছাড়া এত টাকার কাজ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। পরবর্তীতে কে বা কোন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, তা আমাদের জানানো হয়নি। প্রাধ্যক্ষ এবং প্রকল্প দপ্তরের এমন পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের মধ্যেই টেন্ডার আহ্বান প্রক্রিয়ার ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে হল প্রশাসন বলছে, তারা যথাসময়ে টেন্ডার আহ্বান করেছিল এবং সেটির নোটিশও দেওয়া হয়েছিল, যেখানে মাত্র ৩টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে বলে জানান তারা। অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম ‘হারুন এন্টারপ্রাইজ’-এর কথা বললেও বাস্তবে মাঠে কাজ করছে আবুল হোসেন নামের এক ঠিকাদার, যার প্রতিষ্ঠানের নাম ‘রুবেল এন্টারপ্রাইজ’। সরকারি কাজ করার মতো কোনো বৈধ ঠিকাদারি লাইসেন্স তার নেই বলে সে নিজেই স্বীকার করেছে। মাটি ক্রয় না করে লেকপাড়ের মাটি দিয়ে ভরাট করার অভিযোগ গত ২৫ ও ২৬ আগস্ট সরেজমিনে দেখা যায়, বাইরে থেকে মাটি ক্রয় না করে হলটির পশ্চিম পাশের জঙ্গলাকীর্ণ লেকপাড়ের (গেরুয়া লেক) মাটি কেটে মাঠ ভরাটের কাজ করছে ঠিকাদার আবুল হোসেন। এতে সংস্কার করতে গিয়ে মাঠের পূর্ব পাশে রবীন্দ্র চত্বর ঘেঁষে থাকা দুটি কৃষ্ণচূড়া গাছও কেটে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদার আবুল হোসেন বলেন, আমি অরুণাপল্লীতে কাজ করতাম। আমি সরাসরি স্যারের (প্রাধ্যক্ষ) কাছ থেকে কাজটা নিছি। স্যার কত টাকা দিবে না দিবে, এসব বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। কোনো টেন্ডারও আমি নিইনি। হল থেকে যেভাবে দেখায়, আমি সেভাবে কাজ করছি। মাঠের কাজটি করতে আনুমানিক কত টাকা লাগতে পারে জানতে চাইলে ঠিকাদার আবুল হোসেন বলেন, প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা হলে কাজটা হয়ে যাবে। কাজটি শেষ করতে তাকে কত টাকা দেওয়া হবে জানতে চাইলে তার সঙ্গে মোট টাকার কোনো চুক্তি হয়নি বলে তিনি নিশ্চিত করেন। নিয়ম না মেনে কাজ শুরুর আগেই টাকা উত্তোলন মাঠের সংস্কার কাজ বাস্তবে শুরু হওয়ার ১ সপ্তাহ আগেই প্রকল্পের পুরো অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে হারুন এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে। টাকা উত্তোলনের বিষয়টি স্বীকার করে হারুন ঢাকা পোস্টকে বলেন, যে টাকার কথা বলছেন, সেটা আমি আবার জমা দিয়ে দিয়েছি। বিষয়টি তদন্ত চলছে, এ বিষয়ে রোববার সরাসরি আমি আপনাকে বলবো। তবে কার কাছে অর্থ জমা দিয়েছের এবং কবে কখন তুলেছিলেন- সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কল কেটে দেন। এরপর একাধিকবার কল দেওয়া হলেও সে আর কল রিসিভ করেনি। টাকা উত্তোলনের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পট্রোলার কার্যালয় থেকেও নিশ্চিত হওয়া যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পট্রোলার কার্যালয়ে দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা বলেন, মাঠের কাজ শুরু কিংবা শেষ হয়েছিল কি না, তা আমরা জানতাম না। তবে কাজ শেষ করার বিল জমা দিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভ্যাট-ট্যাক্স বাদে প্রকল্পের পুরো অর্থ ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকার চেক গত ১৯ আগস্ট নিয়ে গেছেন। কাজ শেষ না করে টাকা উত্তোলন করা যায় কি না- এ বিষয়ে জানতে গত ৩ দিন ধরে হারুন এন্টারপ্রাইজের পরিচালক মো. হারুনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দেখা করে বলবেন বলে বিভিন্ন ধাপে সময় নিলেও দেখা করেননি। সর্বশেষ তিনি মুঠোফোনে বলেন, অনিয়ম ও টাকার বিষয়টি তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে আমি এখন আর কথা বলবো না, রোববার কথা বলবো। এদিকে কাজ শুরুর আগেই টাকা উত্তোলনসহ নানা অনিয়ম ঢাকতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হারুন এন্টারপ্রাইজ হল সংসদের সহযোগিতায় তড়িঘড়ি করে মাঠ সংস্কারের কাজ শেষ করার জন্য প্রশাসনকে চাপ দিতে থাকে। এমনকি প্রশাসনের স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে বৃষ্টির মধ্যেও কাজ চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। স্বল্প সময়ে তদন্ত রিপোর্টে সন্দেহ এর আগে গত ২৬ আগস্ট একাধিক গণমাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ হল সংলগ্ন মাঠ সংস্কার কাজের দরপত্রের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। রোববার তদন্ত রিপোর্ট আসবে জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক ও পদার্থবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও তদন্ত কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মাহবুব কবির বলেন, শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হলেও সাক্ষীসহ বিভিন্ন বিষয়ের প্রয়োজনে তাতে ৭ দিন সময় নেওয়া হয়েছিল। যেসব অনিয়মের কথা জানানো হয়েছে, তার সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে। কাজ শুরুর আগেই টাকা তোলা প্রসঙ্গে তিনি জানান, অনেক সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঠিকাদারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি বিবেচনায় নেয়। বিষয়টি তাদের জ্ঞাত আছে, রিপোর্ট এলে তখন বিস্তারিত জানা যাবে। বাইরে থেকে মাটি এনে কাজ করার পরিবর্তে লেকের পাড়ের পচা মাটি ব্যবহারের বিষয়ে তিনি জানান, বিভিন্ন জায়গায় নির্মাণকাজের সময় যে মাটি কেটে ফেলে রাখা হয়, সেখান থেকে কিছু মাটি আনা হয়েছে এবং তার ওপর মাটি দিয়ে রোলার করা হবে। প্রকল্পের নির্ধারিত পরিকল্পনায় (শিডিউলে) বিষয়টি উল্লেখ ছিল কি না জানতে চাইলে সদুত্তর পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত কমিটি যেকোনো ধরনের চাপের ঊর্ধ্বে থেকে রিপোর্ট জমা দেবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। জানা যায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর তদন্ত কমিটি সরেজমিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের মাঠ সংস্কার কাজের তদন্তে এলে, এর পরপরই হলের শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ মেসেঞ্জার গ্রুপে হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাহমুদুল হাসান ইমন (বাবু) লেখেন, ‘তদন্ত রিপোর্ট পজিটিভ, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জমা দেওয়া হবে। ভিসি পারমিশন দিলেই কাজ শুরু হবে। কত দ্রুত ভিসির পারমিশন পাবো, সেটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের শিক্ষার্থীদের বল প্রয়োগের ওপর নির্ভর করছে।’ বিষয়টি নিয়ে জানতে তাকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেনি। অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষে সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনা ও ক্রয়বিধি লঙ্ঘনের দায়ে সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু তৌহিদ মো. সিয়াম জানান, টেন্ডার ছাড়া প্রশাসনিক কাজ হওয়ায় দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হয়, জবাবদিহিতা থাকে না। এই হল মাঠ সংস্কার কাজ পেছানো নিয়ে একটি প্রশাসনিক চক্র আগে থেকেই কাজ করছে। তদন্ত সাপেক্ষে এই প্রহসনের সত্যতা সামনে আসুক, সেটাই প্রত্যাশা। সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সঙ্গে মুঠোফোনে ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। #.......
মিউজিক এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ইবিতে 'মেঘ ও সন্ধার গান'
মিউজিক এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ইবিতে 'মেঘ ও সন্ধার গান' ওসমান গণি,ইবি প্রতিনিধি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাংস্কৃতিক সংগঠন মিউজিক এসোসিয়েশনের নবীন সদস্যদের বরণ উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী সাংস্কৃতিক উৎসব 'মেঘ ও সন্ধার গান'। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় সংগঠনের সাবেক ও নতুন সদস্যদের কেন্দ্র করে এ আয়োজন করে সংগঠনটি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি ইশতিয়াক ফেরদৌস ইমন, বর্তমান সভাপতি সাকিব হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক জারিন তাসনিম পুষ্প এবং অন্য সদস্যরা। এছাড়া ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক জারিন তাননিম পুষ্প বলেন, “নবীন সদস্যদের বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি সংগঠনের সিনিয়র ও সাবেক সদস্যদের সঙ্গে নতুনদের যে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে, তা কমিয়ে আনা আমাদের আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। অনেক নবীন সদস্য সাবেকদের চেনেন না। ফলে তাঁদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগও তৈরি হচ্ছে না। এই দূরত্ব দূর করে প্রাক্তন ও নবীনদের মধ্যে একটি সুন্দর ও আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আজকের আয়োজন। তিনি আরও বলেন, এখন যেহেতু বর্ষাকাল, চারদিকে মেঘ ও বৃষ্টির আবহ বিরাজ করছে, তাই এই প্রকৃতির আবহকে সামনে রেখে আমাদের অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মেঘ ও সন্ধ্যার গান’। আজকের অনুষ্ঠানে মূলত আগমনী গান, বৃষ্টির গান, মেঘ ও সন্ধ্যার গানসহ বিভিন্ন বাংলা সংগীত পরিবেশন করা হবে।”
প্রায় ১০০ জাবি শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি দেবে ‘গাইবান্ধা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি-ঢাকা’
প্রায় ১০০ জাবি শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি দেবে ‘গাইবান্ধা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি-ঢাকা’ জাবি প্রতিনিধি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত গাইবান্ধা জেলার প্রায় ১০০ মেধাবী, আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিংবা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ‘ঢাকাস্থ গাইবান্ধা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি' এর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা। জেলার দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে এ বৃত্তি প্রদান করা হবে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত গাইবান্ধার শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা এবং বর্তমানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আর্থিক অসচ্ছলতা ও মেধাকে বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়া হবে। এবছর ২০২৫-২৬ ও ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা মেধাবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ১০০ জনকে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হবে। সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাইবান্ধার আর্থিকভাবে অসচ্ছল অথচ মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে সহযোগিতা করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থী আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে নিতে নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি। জানতে চাইলে ‘ঢাকাস্থ গাইবান্ধা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির’ আহবায়ক মোস্তাকিন আল মামুন পিয়াল বলেন, “গাইবান্ধার মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অর্থের অভাবে কোনো শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথ যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে লক্ষ্যেই আমরা দেশের ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। ভবিষ্যতেও গাইবান্ধার শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।” কমিটির সদস্য সচিব মোসাদ্দিকুর ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের মেধা ও আর্থিক অসচ্ছলতা বিবেচনায় নিয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। আমরা চাই, গাইবান্ধার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে আসা মেধাবী শিক্ষার্থীরাও যেন উচ্চশিক্ষার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে। এ উদ্যোগ তাদের শিক্ষাজীবনে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে বলে আমরা আশা করি।” তিনি আরও বলেন, “ আমাদের টার্গেট ছায়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৫০০ শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তির আওতায় নিয়ে আসা। সেইসাথে শুধু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করছি।” শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ৩০ আগস্ট থেকে। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের অনলাইনে নির্ধারিত ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদনের লিংক: https://forms.gle/66TxQae9jP6aW9Kn7 বৃত্তি সংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশনা, শিক্ষার্থী বাছাইয়ের তথ্য ও অন্যান্য আপডেট ‘ঢাকাস্থ গাইবান্ধা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির’ ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হবে।
দুর্ঘটনাগ্রস্ত শিক্ষার্থী অতসী সরকারের চিকিৎসায় সহায়তায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদর্শিত হবে ‘লোয়ার ডেপথ’
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের রোভার মেট অতসী সরকার এক আকস্মিক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন। বিভাগের চতুর্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে নাটক পরিবেশনকালে দুর্ভাগ্যবশত তাঁর ডান পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত তাঁর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন, যার জন্য আনুমানিক দুই লক্ষাধিক টাকার আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। অতসী সরকারের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এবং তাঁর পাশে দাঁড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ। বিভাগের সার্বিক আয়োজনে এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সহযোগিতায় আয়োজন করা হয়েছে নাটক ‘লোয়ার ডেপথ’-এর বিশেষ প্রদর্শনীর। আগামী ২৪ ও ২৫ আগস্ট যথাক্রমে দুপুর ২টা ও সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ভবনের নাট্য ল্যাবে নাটকটির মোট চারটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। প্রদর্শনী থেকে সংগৃহীত অর্থের পুরোটাই ব্যয় করা হবে অতসীর চিকিৎসা তহবিলে। নাট্যকলা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসিব বলেন, অতসী আমার বন্ধু, কারও বড় বোন, আবার কারও ছোট বোন। সে রোভার স্কাউটেরও একজন সদস্য। যে মানুষটি বিভিন্ন সময়ে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে, বিপদের সময়ে তার পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। তাই সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই নাট্য প্রদর্শনীতে যুক্ত হবেন এবং অতসীর চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এ বিষয়ে নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ মামুন রেজা বলেন, আমরা জানি, আমাদের আর্থিক ও সামাজিক কাঠামোর মধ্যে একটি পরিবারের পক্ষে হঠাৎ করে বড় অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করা সহজ নয়। সে কারণে নিয়মিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা এই প্রদর্শনীর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এছাড়া এ কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে রোভার স্কাউটও। একজন প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষার্থীর এই দুঃসময়ে তাঁর পাশে দাঁড়াতে এবং টিকিট সংগ্রহ করে নাট্য প্রদর্শনীতে উপস্থিত হয়ে এই মানবিক উদ্যোগে সহযোগিতা করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ। অতসী সরকারের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে সবার সহযোগিতা চেয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
সংঘর্ষ-অভিযোগের মধ্যেই নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত
সংঘর্ষ-অভিযোগের মধ্যেই নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত নোবিপ্রবি প্রতিনিধি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। একই সঙ্গে শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের অনুমোদনক্রমে সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো। শিগগিরই উক্ত ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার বিষয়টি এমন সময়ে এলো, যখন মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহের সময় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগও ওঠে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের অন্তর্কোন্দল চরমে, হলজুড়ে ভাঙচুর-সংঘর্ষ
মোঃ জাহিদ হাসান নোবিপ্রবি প্রতিনিধি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে দুই গ্রুপের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সালাম হল এলাকায় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেনের অনুসারীদের সঙ্গে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের মধ্যে বিরোধকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার সময় সাব্বির হোসেন শান্তর গ্রুপ বহিরাগতদের এনে হলে প্রতিপক্ষ গ্রুপের ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি এবং সেক্রেটারির সালাম হলের রুমে ব্যাপক ভাঙচুর চলে। এছাড়াও , নোবিপ্রবির সালাম ও মালেক হলের বিভিন্ন রুম ভাঙচুর করা হয়। পরবর্তীতে, সালাম হল প্রাঙ্গণ থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মীরা একজোটে সাব্বির গ্রুপের অনুসারীদের ধাওয়া দেয়। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া গড়ায় অডিটোরিয়াম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ পর্যন্ত। সেখানে উভয় পক্ষ সংঘর্ষ ও মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হন। ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল বডি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে। এ নিয়ে তাতক্ষনিক তদন্ত কমিটি গঠন করেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আহতদের দেখে জানান, আমরা এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ,কর্মচারীরা এখানে আছেন। পরিস্থিতি এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। আমরা অতিদ্রুত এ নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করবো। উল্লেখ্য, গতকাল গভীর রাতে ছাত্রদলের দু পক্ষের মধ্যে মালেক হল এবং পকেট গেট সংলগ্ন এলাকায় দু পক্ষের সংঘর্ষ হয়। উক্ত সংঘর্ষের জেরে আজ দুপুরে আবার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে আহত হয় প্রায় ৫ জন।
নোবিপ্রবিতে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: ৫ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে তলব
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক প্রণীত নিয়োগ নীতিমালা অমান্য করে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল, সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হকসহ পাঁচ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।আগামী বুধবার (১৯ আগস্ট) তাদের দুদকের নোয়াখালী কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালী থেকে গত ১১ আগস্ট জারি করা এক নোটিশে সংশ্লিষ্ট পাঁচজনকে আগামী ১৯ আগস্ট নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দিতে ব্যর্থ হলে অভিযোগ-সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁদের কোনো বক্তব্য নেই মর্মে গণ্য করা হবে বলে জানিয়েছে দুদক। দুদকের নোটিশ অনুযায়ী, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক প্রণীত নিয়োগ নীতিমালা অমান্য করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগটি অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাকেও নিয়োগ করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বক্তব্য গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ জন্য তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালীতে উপস্থিত হয়ে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার কাছে বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। দুদকের তলব করা অন্যরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোসাইন চৌধুরী, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জামশেদুল ইসলাম, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্রাবন্তী দত্ত। নোটিশে দেওয়া সূচি অনুযায়ী, ১৯ আগস্ট সকাল ১০টায় মো. জামশেদুল ইসলাম, সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে প্রাবন্তী দত্ত, বেলা ১১টায় অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, ১১টা ১৫ মিনিটে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল এবং ১১টা ৩০ মিনিটে মোহাম্মদ তামজিদ হোসাইন চৌধুরীকে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে নোটিশে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা বলা হয়নি। দুদকের অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, নোবিপ্রবিতে শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে এর আগেও দুদকের অনুসন্ধান ও অভিযান হয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের পর দুদক তথ্য সংগ্রহ করেছিল।
ময়মনসিংহ থেকে একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে পলিসি ক্যাম্পে জাককানইবির শিক্ষার্থী
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) লোক প্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অপর্ণা সরকার পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ অংশগ্রহণের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ।প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সারা দেশ থেকে নির্বাচিত তরুণদের সঙ্গে তিনিও এই পাঁচ দিনব্যাপী আবাসিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। তিনি Youth for Policy-এর ময়মনসিংহ কমিটির Public Relation Officer (PRO) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। Institute for Informed Development (IID)-এর আয়োজনে এবং Youth for Policy (YfP)-এর উদ্যোগে আয়োজিত Policy Camp 2026-এর মূল লক্ষ্য তরুণদের নেতৃত্ব, নাগরিক সম্পৃক্ততা ও নীতি-সম্পৃক্ততা বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। বর্তমানে অপর্ণা সরকার অপু Youth for Policy-সহ বিভিন্ন সংগঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।দীর্ঘদিন ধরে তিনি যুব নেতৃত্ব, সামাজিক উন্নয়ন এবং নীতি-অ্যাডভোকেসির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ের এবং মার্জিনালাইজড কমিউনিটি-যেমন হরিজন, দলিত, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর-শিক্ষার হার নিশ্চিত করা, শিক্ষাসংক্রান্ত সমস্যা সমাধান এবং তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষাকে সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে তরুণদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে IID-এর নেতৃত্বে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে হরিজন, দলিতসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে সরাসরি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছেন।পাশাপাশি সংগৃহীত তথ্যের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার পাশাপাশি কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধানের উপায় সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করেছেন। Policy Camp 2026 হবে পাঁচ দিনব্যাপী একটি আবাসিক কর্মসূচি। এতে নীতি প্রক্রিয়া, নেতৃত্ব, নাগরিক অংশগ্রহণ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয় এবং বাস্তব সমস্যা বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পাবেন অংশগ্রহণকারীরা। বিভিন্ন ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন, দলীয় কাজ, আলোচনা এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তারা নীতি বিষয়ে জ্ঞান ও বিশ্লেষণী দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি যোগাযোগ, নেতৃত্ব, দলগত কাজ ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ পাবেন। অংশগ্রহণকারীদের ১৫ আগস্ট ২০২৬ ক্যাম্পে চেক-ইন করতে হবে। মূল কার্যক্রম চলবে ১৬ থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। এরপর ২১ আগস্ট চেক-আউটের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হবে। পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ নির্বাচিত হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে অপর্ণা সরকার অপু বলেন,“জননীতি সম্পর্কে গভীরভাবে শেখা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবী তরুণদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার এই সুযোগ আমার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান এবং আমি সুযোগটি পেয়ে গর্ববোধ করছি।আমি বিশ্বাস করি, নীতি-নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ে তুলতে পারে।এই ক্যাম্প থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আমি তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে কাজে লাগাতে চাই।” আয়োজকদের মতে , Policy Camp 2026-এ অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্ব, যোগাযোগ, সমস্যা সমাধান, দলগত কাজ এবং নাগরিক দায়িত্ববোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রেও এ কর্মসূচি সহায়ক হবে। এদিকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর একাডেমিক কার্যক্রম যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনা করে তাকে প্রয়োজনীয় একাডেমিক সহযোগিতা ও অনুমতি দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে Youth for Policy।
জবি শিক্ষার্থীদের বাসে দূর্বৃত্তদের হামলা জখম ৫
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী পরিবহনে ব্যবহৃত একটি বাসে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাসে থাকা পাঁচজন শিক্ষার্থী রক্তাক্ত জখম হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের ভূমদক্ষিণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা গাবতলি হতে ছেড়ে আাসা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্টাফ পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত বাসটি (ঢাকা মেট্রো-স ১৪-০১৯৪) হেমায়েতপুর এলাকায় পৌঁছালে বাসটির সাথে একটি অটোরিকশার ধাক্কা লাগে। এ সময় অটোরিকশায় থাকা যাত্রী মো. কাউসারের সঙ্গে বাসের যাত্রীদের কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। কাউসার সিংগাইর উপজেলার ভূমদক্ষিণ স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে। স্থানীয়রা জানিয়ে কাউসার মাদকে আক্রান্ত। বাসটি সিংগাইর উপজেলার ভূমদক্ষিণ এলাকায় পৌঁছালে সেখানে কাউসার ও অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জন ব্যক্তি গ্যাসের পাইপ দিয়ে বাসটিতে হামলা চালান। এ সময় বাসটির জানালার কাচ ভাঙচুর করা হয়। হামলায় বাসে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রিম্বি আক্তার এবং ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী পূর্ণিমা আক্তারসহ পাঁচজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘বাস ভাঙচুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে দেওয়ার প্রতিবাদে জাকসুর বিক্ষোভ মিছিল
এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের পরিবর্তে ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা প্রদানের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)। সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভকারীরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেওয়া সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে এর প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা, যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। মিছিল শেষে আয়োজকরা বলেন, এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া পরিবর্তন করে ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
নোবিপ্রবিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক এনটিআরসিএ বিষয়ক সিদ্ধান্তে বিক্ষোভ সমাবেশ
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্তৃক এনটিআরসিএ (NTRCA) এর নিয়োগ বেসরকারি স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটির উপর ন্যস্ত করায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার (১০ আগস্ট) রাত সাড়ে নয়টায় নোবিপ্রবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা থেকে নোবিপ্রবির সালাম হল, মালেক হল , শান্তিনিকেতন, গ্যারেজ হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিন করে। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেয়। তার মধ্যে, "টাকা না মেধা, মেধা মেধা","নিয়োগ বানিজ্যের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন" , "কোটা গেছে যেই পথে, কমিটি যাবে সেই পথে","চাচা না চাকরি? চাকরি চাকরি","মামা না চাকরি? চাকরি চাকরি","২৪ এর হাতিয়ার গর্জে ওঠো আরেকবার","জালোরে জালো, আগুন জালো","ইনকিলাব ইনলিলাব জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ টাকা না মধা, মেধা মেধা","আবু সাইদ মুদ্ধ , শেষ হয়নি যুদ্ধ ","নিয়োগ বানিজ্যের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন", ইত্যাদি। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম রাফি বলেন, আমরা আমাদের মামা-খালুদের সময় দেখেছি টাকা বা কমিটির মাধ্যমে স্কুল-কলেজ গুলোতে নিয়োগ দিতে। যা পরবর্তীতে এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ হতো। তবে এখন আবার কথা উঠেছে যে নিয়োগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ম্যানেজিং কমিটি দিবে। সারা বাংলাদেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এগুলো মেনে নিবেনা। এনটিআরসিএ এর মাধ্যমেই নিয়োগ দিতে হবে। নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ও এসিসিই বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, শিক্ষক বিষয়টি কোন ছিনিমিনি খেলা নয়, তাই নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ শিক্ষকরা যাতে কারো কাছে ধর্না না দেয়। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে মেধাবি শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ধর্না দিবে, চাকরির জন্য মেধাবী শিক্ষার্থীরা কারো কাছে ধর্না দেওয়াটা জাতির জন্য লজ্জাজনক।সরকারকে বলবো এগুলো থেকে বের হয়ে আসুন। আমরা জানিনা আপনাদের এ বুদ্ধি কে দেয়। যদি এ থেকে সরে না আসেন, তাহলে আমরা যেভাবে ২৪ এ জেগে উঠেছিলাম সেভাবে আবার জাগ্রত হবো। উল্লেখ্য, আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএ (NTRCA)-র থেকে সরিয়ে গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে এমন সিদ্ধান্তের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে , বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ মিছিল করে।
জাবিতে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘পঞ্চান্নে পঞ্চান্ন’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৫তম আবর্তন কর্তৃক আয়োজিত ‘পঞ্চান্নে পঞ্চান্ন’ উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস চলমান থাকায় পূর্বনির্ধারিত সময়সূচিতে পরিবর্তন এনে সোমবার (১০ আগস্ট) দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এর আগে রোববার (৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হয় ‘জাবির আলপনা উৎসব’। এতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সোমবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ভোজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের আনুষ্ঠানিকতা। এরপর বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার থেকে সেন্ট্রাল ফিল্ড মাঠ প্রাঙ্গণ পর্যন্ত জাতীয় সংগীত ও আনন্দ পরিক্রমা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয় ড্রোন শুট ও কালচারাল ফ্ল্যাশমব। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গণপরিবেশনার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক পর্বের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা নৃত্য, সংগীত ও নাটক পরিবেশন করেন। পাশাপাশি ছিল সুনামধন্য ব্যান্ডের কনসার্ট। সবশেষে ডিজে পরিবেশনার মাধ্যমে জমকালো এই আয়োজনের সমাপ্তি হয়।
জুলাই জঙ্গীদের পতন সমাগত: জাবি শিক্ষার্থী
আজ ৫ আগস্ট ( বুধবার) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি লিখেন,"সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে ব্যবহার করে, দেশের মানুষের সাথে প্রতারণা করে, শত শত নিরীহ মানুষের লাশের উপর পারা মেরে রাজনীতি করা জুলাই জঙ্গিদের পতন সমাগত। সত্য প্রকাশিত হবেই ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ সত্যবাদীদের সাথে আছেন। জুলাই মুর্দাবাদ মুক্তিযুদ্ধ জিন্দাবাদ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু" এতে জাবি'র সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাবি ছাত্রদল,ছাত্র শিবির ও ছাত্রশক্তির নেতৃবৃন্দরা।
সংঘর্ষের রেশ কাটতেই বেরোবিতে একই মঞ্চে ছাত্রদল-শিবির সভাপতি
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ছাত্রশিবিরের একটি প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি এবং উত্তেজনার ঘটনার পরদিনই দুই সংগঠনের সভাপতিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজিত কর্মসূচিতে একসঙ্গে অংশ নিতে দেখা গেছে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইয়ামিন ইসলাম ও ছাত্রশিবিরের সভাপতি রাকিব মুরাদ পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন। শোভাযাত্রায় তারা সামনের সারিতে হাঁটেন। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীর সঙ্গে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও একই মঞ্চে অংশ নেন। এর আগে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও মহানগর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ শেষে তারা ফটকের দেয়ালে ‘শিবির রাজাকার মুক্ত ক্যাম্পাস’ লিখে দেন। এ প্রসঙ্গে ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি রাকিব মুরাদ বলেন, ‘ছাত্রদল কোনো কর্মসূচি করেছে আর আমরা বাধা দিয়েছি—এমন ঘটনা কখনো ঘটেনি। আমরা চাই ক্যাম্পাসে সহাবস্থান ও স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় থাকুক। তারা যে “শিবিরমুক্ত ক্যাম্পাস” লিখেছে, সেটিও তারা মুছে দেবে বলে আশা করি।’ ছাত্রদল সভাপতি ইয়ামিন ইসলাম বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব শ্রেণি-পেশা ও ধর্ম-বর্ণের মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আমরা ত্রাসের রাজনীতি থেকে মুক্তি পেয়েছি। সেই ঐক্য ধরে রেখেই নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে। মতবিরোধ ও সহিংসতা পরিহার করতে হবে, যাতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে।’ প্রসঙ্গত, সোমবার ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক ছাত্রশিবিরের একটি প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর উভয় সংগঠন মঙ্গলবার পৃথক কর্মসূচি ঘোষণা করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রশিবির লালবাগ চত্বর থেকে আবু সাঈদ চত্বর পর্যন্ত ‘অদম্য জুলাই’ শিরোনামে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেয়। অন্যদিকে শিবিরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলে রংপুর মহানগর ছাত্রদল শহীদ আবু সাঈদ চত্বর পার্ক মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংঘাত এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মূল ফটক এলাকায় ১৪৪ ধারা জারির আবেদন করে। পরে ছাত্রদল মূল ফটকে অবস্থান নিলেও পূর্বঘোষিত কর্মসূচির স্থান পরিবর্তন করে মিছিলটি শাপলা চত্বরে নিয়ে যায় এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করে।
নানা আয়োজনে গোবিপ্রবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ, শিক্ষার্থীদের রচনা, ছোট গল্প, কবিতা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, মসজিদে দোয়া মাহফিল এবং মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। আজ বুধবার সকাল ১০:৩০টায় ক্যাম্পাস চত্বরে জুলাই শহিদদের স্মরণে বৃক্ষরোপণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান। এরপর বেলা ১১টায় একাডেমিক ভবনের ৫০১ নং কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ও উদ্যাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান। সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত বলেন, আমরা যদি বাংলাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করি তাহলে দেখতে পাই, বাংলাদেশের অভ্যুদয় থেকে জুলাই বিপ্লবসহ প্রতিটি আন্দোলনে তরুণরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তিনি বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় একটি মেসেজ দেন যে, রাষ্ট্রকে এগিতে নিতে হলে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। অতীতকে আঁকড়ে না থেকে বরং অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানকে স্বীকার করে দেশের জন্য সৎকর্মের মাধ্যমে সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করতে হবে। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত আরো বলেন, অন্যান্য জায়গার তুলনায় গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য জুলাই আন্দোলন সহজ ছিল না। তাই আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই আন্দোলনকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। তারা যেহেতু এই আন্দোলন করতে পেরেছে, তাই আমি বিশ্বাস করি তাদেরকে সাথে নিয়ে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বদ্যিালয়কে লেখাপড়া ও গবেষণার সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো। এসময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাস লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস। যার সর্বশেষ প্রতিফলন ঘটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে। তবে বার বার বুকের রক্ত ঢেলেও আমরা পুরোপুরি স্বাধীনতার স্বাদ পাইনি। আমাদের মধ্যে বিপ্লবের চেতনা কাজ করে না। কারণ আমরা মানসকিভাবে স্বাধীন নই। আমরা ভেতরে ভেতরে এখনো পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ রয়েছি। আর এই শৃঙ্খল থেকে বের হতে হলে অবশ্যই আমাদের জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করতে হবে। সভায় আরো বক্তৃতা করেন মানবিকী অনুষদের ডিন সুকান্ত বিশ্বাস, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি ড. মাহবুব হাসান, রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সদস্য সচিব ও প্রক্টর ড. এস এম আহসান,গোবিপ্রবি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সজিবুর রহমান, গোবিপ্রবি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারক খন্দকার, প্রচার সম্পাদক নাহিদুর রহমান, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সহ-সভাপতি মুহাম্মাদ হাবিব প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. রাজিবুল ইসলাম। আলোচনা সভা শেষে রচনা, ছোট গল্প, কবিতা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও প্রাধ্যক্ষগণ, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বাদ যোহর জুলাই শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল ও বিকেলে মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।