বাংলাদেশ বার্তা টুডে
হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে শাশুড়ি হাজেরা খাতুন ওরফে মুল্লুক চান হত্যা মামলায় জামাতা মো. আব্দুল কাদির মিয়াকে (৫০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক কাঁকন দে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল কাদির মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার টেকারঘাট গ্রামের মৃত রেজ্জাক মিয়ার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। আদালত সূত্রে জানা যায়, কাদির মিয়ার স্ত্রী বীনা সরকার বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোকে কেন্দ্র করে তার মা হাজেরা খাতুনের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এ বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ৬ মার্চ দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার দুধপাতিল গ্রামে শ্বশুরবাড়ির রান্নাঘরে গিয়ে দা দিয়ে শাশুড়ি হাজেরা খাতুনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন কাদির মিয়া। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. মনির সরকার বাদী হয়ে কাদির মিয়াকে একমাত্র আসামি করে চুনারুঘাট থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৮ মে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। মামলার বিচারকাজে রাষ্ট্রপক্ষের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের এ আদেশ দেন। আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. আফজাল হোসেন। রায়ের পর তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। এ ধরনের হত্যা মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপক্ষ ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।
শ্রীপুরে ৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, নির্মাণের দুই বছরেও চালু হয়নি, লোকবল ও সরঞ্জাম সংকট
গাজীপুরের শ্রীপুরে ৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত দমদমা ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে দুই বছর আগে। মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা—লোকবল ও সরঞ্জাম সংকটের কথা বলছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দান করা জমিতে নির্মিত ভবনটিতে কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকাবাসী। স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি নির্মাণের খবর পেয়ে আশপাশের এলাকা থেকে সেবা নিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন রোগীরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গর্ভবতী মা, প্রসূতি ও নবজাতক শিশুর চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার কমানোর লক্ষ্যে কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং টিকাদান কর্মসূচি সফল করারও লক্ষ্য ছিল ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রতিষ্ঠা করা মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রটির। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনে উপজেলার প্রহলাদপুর ইউনিয়নের দমদমা গ্রামে ২০২২ সালে দমদমা মা ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রের ভবন নির্মাণকাজ শুরু হয়। আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০২৪ সালে। এতে স্থাপন করা হয়েছে রোগীদের জন্য শয্যা, বিকল্প বিদ্যুৎব্যবস্থার জন্য জেনারেটর, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), ফ্যান, চেয়ার-টেবিলসহ আনুষঙ্গিক আসবাব। স্থানীয়দের দান করা ৪৩ শতাংশ জমির ওপর ৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বরাদ্দে কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। ২০২৪ সালে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হ্যাভেন এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স রূপালী এন্টারপ্রাইজ। স্থানীয় বাসিন্দা কাশেম বলেন, ‘আমাদের গ্রামের কয়েকজন মিলে হাসপাতাল নির্মাণের জন্য ৪৩ শতাংশ জমি দান করি। এখানে আধুনিক ভবনসহ সবকিছু হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত চিকিৎসকের দেখা পেলাম না। কী কারণে হাসপাতালটি চালু হচ্ছে না, তা আমাদের জানা নেই। বাড়ির কাছে স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকেও আমাদের গাজীপুরে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হয়; যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং ভোগান্তিরও।’ দমদমা গ্রামের সেন্টু মিয়া জানান , হাসপাতালটি চালু হলে আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ খুব সহজে চিকিৎসাসেবা নিতে পারত। আমাদের কপাল ভালো না। এত সুন্দর আধুনিক ভবন হলো, তবু চালু হচ্ছে না।’ দুলাল উদ্দিন নামের একজন বলেন, ‘হাসপাতালটি চালু হলে দমদমা, নলগাঁও, চিনাশুকানিয়া, দরপাড়াসহ আশপাশের ২০টি গ্রামের মানুষ হাতের নাগালে চিকিৎসাসেবা পেত।’ হাসপাতালটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা সহকারী নার্সিং অ্যাটেন্ডেন্ট জোবাইদা আক্তার রিমা বলেন, ‘আমি এখানে ডেপুটেশনে দায়িত্বে আছি। দুই বছরের বেশি সময় এখানে দায়িত্ব পালন করলেও কোনো বেতন-ভাতা পাই না।’ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর গাজীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী শিহাব উদ্দিন বলেন, ‘দমদমা গ্রামের ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রটি নির্মাণে ৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বরাদ্দ এসেছিল। নির্মাণকাজ শেষ হওয়া পর ভবনটি ২০২৪ সালের জুনে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের কমিটির মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।’ জানতে চাইলে গাজীপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু তাহের মো. সানাউল্লাহ নূরী বলেন, ‘প্রশাসনিক অনুমতি না থাকায় মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রটি চালু করা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হবে।
উজিরপুরে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মতবিনিময় সভা
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের মধ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হামিদা আক্তার বলেন, “স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। সাধারণ মানুষ যাতে হাসপাতালে এসে ভালো চিকিৎসাসেবা পান, সে বিষয়ে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক সৈয়দ জাহিদ আলম, সদস্য সচিব সরদার সোহেল, সদস্য মো.মাহবুবুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. সোহাগ হাওলাদার, সাবেক সভাপতি মোঃ মহসিন মিয়া লিটন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো.নুরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো. নাসির উদ্দীন বালী, সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দীন শরীফ, উজিরপুর প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কাওছার হোসেন, মো. রবিউল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম আসাদ ও সদস্য মো. খলিলুর রহমান, উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক নাজমুল হক মুন্না, যুগ্ম আহ্বায়ক বিপ্লব চন্দ্র, সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম সরদার,সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান মাসুম, সদস্য আসাদুজ্জামান সোহাগ, সাংবাদিক মেহেদী হাসান ভূইয়া। এসময় উজিরপুর প্রেসক্লাবের আহবায়ক সৈয়দ জাহিদ আলম ও সদস্য সচিব সরদার সোহেলসহ কর্মরত সাংবাদিকরা মতবিনিময় সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মানোন্নয়ন, অনিয়ম দূর করা এবং চিকিৎসাসেবা জনসাধারণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া, হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে রোগীদের সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা। জনবল সংকট দূর করতে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য পদের শূন্যতা পূরণের বিষয়ে আলোচনা। দালাল ও অনিয়ম এবং হাসপাতালের ভেতর দালালদের দৌরাত্ম্য রোধ করা, সরকারি ওষুধ ঠিকমতো বিতরণ ও রোগীদের তা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্য খাতের নানা সমস্যা সমাধানে সাংবাদিকদের পেশাগত সহযোগিতা কামনা করা হয় এবং বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক আলোচনা করা হয়। এছাড়া সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ হামিদা আক্তার।
এসএসসি’র ফল শুনেই ঢলে পড়লেন মৃ/ত্যুর কোলে
চট্টগ্রামের রাউজানে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের মাত্র ১০ মিনিটের মাথায় মনি দাশ গুপ্ত (১৮) নামের এক পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের গশ্চি এলাকায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। নিহত মনি দাশ গুপ্ত ওই এলাকার সবজি বিক্রেতা মৃদুল দাশ গুপ্তের মেয়ে এবং স্থানীয় গশ্চি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী ছিল। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ১০টার দিকে ফলাফল প্রকাশের পর মনি জানতে পারে যে সে এবারও উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলাফলের বিষয়টি জানার পরপরই সে হঠাৎ তীব্র অসুস্থ হয়ে পড়ে। ‘রেজাল্ট শুনেই স্ট্রোক করেছে’ মনির মা রেবা দাশ গুপ্ত কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “ফলাফলের কথা শোনার পরপরই মনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। রেজাল্ট শুনেই ও স্ট্রোক করেছে। পরে আমরা দ্রুত তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।” তবে ফলাফলে হতাশ হয়ে মনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। যদিও পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মহত্যার বিষয়ে কোনো দাবি বা অভিযোগ করা হয়নি। গণিতে পাস করলেও আটকে যায় ইংরেজিতে বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মনি ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিল। গতবার অকৃতকার্য হওয়ার পর এবার সে শুধু গণিত ও ইংরেজি—এই দুই বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষা দেয়। গশ্চি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নুরু নবী জানান, “মনি অনিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে এবার দুটি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়েছিল। গণিতে পাস করলেও দুর্ভাগ্যবশত সে ইংরেজিতে উত্তীর্ণ হতে পারেনি।” ঘটনার বিষয়ে জানে না পুলিশ এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আনিসুর জামান বলেন, “এ ধরনের কোনো মর্মান্তিক ঘটনার খবর আমাদের কাছে এখনো আসেনি।” সবজি বিক্রেতা বাবার অভাবের সংসারে মেয়ের এই আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম চলছে। এমন করুণ পরিণতিতে পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
দেবীগঞ্জে মাদক-বাল্যবিবাহসহ সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা
দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড় | ১১ আগস্ট ২০২৬: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার পামুলী ইউনিয়নে মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং সাইবার বুলিংসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় পামুলী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার সম্পর্কে স্থানীয় জনগণকে অবহিত করার পাশাপাশি সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোছাঃ শুকরিয়া পারভীন। বক্তব্যে তিনি এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে প্রশাসনের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। একই সঙ্গে মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং সাইবার বুলিংয়ের মতো সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। সভায় দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ সাহা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ বিন জিয়া, পামুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মণি ভূষণ রায়, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার প্রধান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী যুবদলের ইউনিয়ন আহ্বায়ক কবিরুল ইসলাম, সদস্য সচিব শাহিনুর রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং ইউনিয়নের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, মাদক, বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এ জন্য সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় এলাকার উন্নয়ন, জননিরাপত্তা, সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে করণীয়সহ গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
আলফাডাঙ্গা বিদ্যুৎ অফিসে কর্মকর্তা অনুপস্থিত, ক্ষোভ এমপি ইলিয়াস মোল্লার
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা সাব-জোনাল বিদ্যুৎ অফিস পরিদর্শনে গিয়ে নির্ধারিত সময়ে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা অফিসে অনুপস্থিত থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা। পরিদর্শনকালে এজিএমের চেয়ার ফাঁকা দেখতে পান তিনি। জনগণের সেবা নিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা সময়মতো অফিসে উপস্থিত না থাকলে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয় বলে মন্তব্য করেন সংসদ সদস্য। এ সময় স্থানীয় গ্রাহকদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ সেবা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও ভোগান্তির কথা শোনেন এমপি ইলিয়াস মোল্লা। বিশেষ করে ঘন ঘন লোডশেডিং এবং অতিরিক্ত বা ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন গ্রাহকেরা। লোডশেডিংয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করে আগেই গ্রাহকদের জানানো এবং অপ্রয়োজনীয় লোডশেডিং কমাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন সংসদ সদস্য। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলের অসংগতি দূর করা, গ্রাহক হয়রানি বন্ধ এবং স্বচ্ছ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। জনগণের ভোগান্তি কমাতে শুধু দাপ্তরিক নির্দেশনা নয়, মাঠপর্যায়ে সমস্যার বাস্তব সমাধান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা। মামুন মিঞা, ফরিদপুর।
ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ বিদ্যালয়ের একজনও পাস করেনি! বিদ্যালয়ের বেহাল চিত্র
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি : এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মোট ২৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিলেও তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার্থী উপস্থিতি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শূন্য পাসের তালিকায় থাকা পাঁচটি বিদ্যালয়ের মধ্যে চারটি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার এবং একটি হরিপুর উপজেলার। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চারজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। অনভারডিঘি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষার্থী ছিল সাতজন, পাস করেনি একজনও। মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন এবং তাওরিগাঁ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে, হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তিনজনই অকৃতকার্য হয়েছে। অর্থাৎ, পাঁচটি বিদ্যালয়ের মোট ২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে শূন্যজন।
ঠাকুরগাঁওয়ে নকল স্বর্ণের মূর্তির ‘গডফাদার’ আকাশ গ্রেপ্তার, বিরুদ্ধে ২৭ মামলা
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাচীন ‘সোনার মূর্তি’ ও প্রাচীন মুদ্রার লোভ দেখিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়া সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের মূল হোতা মো. মোস্তফা আলী ওরফে আকাশ আহমেদকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। রোববার বিকেলে শহরের ঠাকুরগাঁও রোড এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার আকাশ পীরগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের (জগথা) মো. মোবারক হোসেনের ছেলে। পুলিশ জানায়, তিনি একটি মামলায় তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে চোরচালান, মাদক, অপহরণ, চাঁদাবাজি, মারামারি, বিস্ফোরক দ্রব্য ও নারী নির্যাতনসহ মোট ২৭টি মামলা রয়েছে। সোমবার বিকেল তিনটায় জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আলমগীর রহমান জানান, আকাশ শুধু প্রতারক চক্রের মূল হোতাই নন, তিনি একজন চিহ্নিত মাদক সম্রাট। আগে গাজীপুরে বসে মাদকের সিন্ডিকেট চালালেও সম্প্রতি ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে থেকে নকল মূর্তির প্রতারণা ও মাদকের ফাঁদ পাতেন। ডিবি পুলিশ ওসি গোলাম রসূল বলেন, দিনাজপুরের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা নিয়ে গত ১৬ জুলাই রাতে রানীশংকৈলের কোচল গ্রামে জনৈক জাহাঙ্গীরের ঘরে মাটির নিচে লুকানো ৬টি সোনালী রঙের কৃষ্ণ মূর্তি (ওজন ৩ কেজি ৭০ গ্রাম), ৫টি ব্রিটিশ আমলের রৌপ্যমুদ্রা ও ১টি পিতলের কলস উদ্ধার করা হয়। সে সময় আকাশ পালিয়ে গেলেও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রোববার তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শতভাগ ফেল : ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের শোকজ
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও অকৃতকার্য হয়েছে সবাই। ফলাফলে এমন বিপর্যয়ের ঘটনায় পাঁচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে জেলা শিক্ষা বিভাগ। মঙ্গলবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীন আকতার। জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় চারজন শিক্ষার্থী। তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। একই উপজেলার অনভারডিঘি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষার্থী ছিল সাতজন। মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন এবং তাওরিগাঁ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও একজনও পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে, হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া তিন শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। এতে পাঁচটি বিদ্যালয়ের প্রত্যেকটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে। এমন ফলাফলে বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ও একাডেমিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ঠাকুরগাঁও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীন আকতার বলেন, পাঁচটি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের ডেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে ফল বিপর্যয়ের কারণ লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়গুলোর ফলাফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, জেলা শিক্ষা অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও জেলার সামগ্রিক এসএসসি ফলাফলও আশাব্যঞ্জক নয়। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জেলায় মোট ১৭ হাজার ৬৮৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯ হাজার ৮৮৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৪৬৪ জন শিক্ষার্থী। জেলায় এবার মোট পাসের হার ৫৫ দশমিক ৯০ শতাংশ।
গাইবান্ধায় সরকারি রাস্তা দখল করে গেট নির্মাণ, উন্নয়নকাজ বন্ধে এলাকাবাসীর ক্ষোভ
গাইবান্ধা সদর উপজেলার ৯নং খোলাহাটী ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকায় সরকারি রাস্তা দখল করে টিনের বেড়া ও গেট নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে চলমান আরসিসি (RCC) রাস্তার বর্ধিতকরণ কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অবৈধ এ দখল উচ্ছেদ ও উন্নয়নকাজ দ্রুত চালুর দাবিতে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৮নং ওয়ার্ডের পূর্বপাড়া এলাকার প্রধান সড়ক থেকে মো. আলমগীরের বাড়ি পর্যন্ত একটি আরসিসি রাস্তা নির্মাণের কাজ অনুমোদিত হয়। পরবর্তীতে রাস্তাটি বর্ধিতকরণের কাজ শুরু হলে স্থানীয় মো. সাজু মিয়া (পেশকার), তাঁর ছেলে সৌরভ মিয়া ও তাঁদের অনুসারীরা ম্যাপের রাস্তাটির ওপর জোরপূর্বক টিনের বেড়া ও গেট নির্মাণ করেন। ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং রাস্তাটির নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। ভুক্তভোগী জহুরুল ইসলাম সরদার, আব্দুল মান্নান ও মো. জিল্লুর রহমানসহ স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, টিনের বেড়া অপসারণ ও রাস্তার সীমানার গাছ কেটে পথ সুগম করার অনুরোধ জানালে অভিযুক্ত সাজু মিয়া উল্টো তাঁদের ভয়ভীতি দেখান এবং প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন। সরকারি উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়া ও চলাচলের পথ বন্ধ করায় বর্তমানে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এ বিষয়ে খোলাহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম হক্কানি বলেন, "অভিযুক্তদের অবৈধ টিনের বেড়া ও গেট সরিয়ে নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে তারা বিভিন্ন বাহানায় সময় পার করছে।" এলাকাবাসী অবিলম্বে অবৈধ দখলদারিত্ব উচ্ছেদ, রাস্তার সীমানার গাছপালা অপসারণ এবং রাস্তাটি দ্রুত চলাচলের উপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
এসএসসিতে শ্রাবন্তির অভাবনীয় সাফল্য
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, চট্টগ্রামের রাউজানের কৃতী সন্তান শ্রাবন্তি চক্রবর্তী। ১০ আগষ্ট ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন। তিনি রাউজান আর.আর.এ.সি. (R.R.A.C.) মডেল সরকারি হাই স্কুল থেকে ‘গোল্ডেন জিপিএ-৫’ পেয়ে অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে নিজ বিদ্যালয় এবং সমগ্র রাউজানবাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছেন। উল্লেখ্য, শ্রাবন্তি চক্রবর্তী কেবল বিদ্যাপীঠেই সেরা নন, তিনি উপজেলা ডিজিটাল সেন্টার-এর একজন অত্যন্ত নিয়মিত ও মেধাবী প্রশিক্ষণার্থী হিসেবেও স্বীয় দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। তার এই অসাধারণ অর্জন ডিজিটাল সেন্টার পরিবারকে অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত করেছে। শ্রাবন্তির এই অসাধারণ সাফল্যে উপজেলা ডিজিটাল সেন্টার এবং রাউজান আর.আর.এ.সি. মডেল সরকারি হাই স্কুলের পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষক মণ্ডলী এবং ডিজিটাল সেন্টারের পরিচালকবৃন্দ তার ভবিষ্যৎ জীবনের সর্বাঙ্গীন সাফল্য ও শুভকামনা ব্যক্ত করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, শ্রাবন্তির এই কৃতিত্ব আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ও অনুকরণীয় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে ইউএনও কার্যালয়ে ভাঙচুর, সাংবাদিক হামলার শিকার
ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
একই রোগীর এসজিপিটি পরীক্ষায় তিন রকম ফল, পঞ্চগড়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ
পঞ্চগড়, ১১ আগস্ট ২০২৬: পঞ্চগড়ে একই রোগীর এসজিপিটি (SGPT) পরীক্ষার রিপোর্ট তিনটি প্রতিষ্ঠানে তিন ধরনের আসায় একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্টের নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন সাইদুজ্জামান রেজা নামে এক রোগী। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৯ আগস্ট পঞ্চগড় মকবুলার রহমান ডায়াবেটিক হাসপাতালে সাইদুজ্জামান রেজার এসজিপিটি পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় তার ফলাফল আসে ১২৭ ইউ/এল। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে একই দিন তিনি মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একই পরীক্ষা করান। সেখানে তার এসজিপিটির ফলাফল দেওয়া হয় ২৬.৭ ইউ/এল। দুটি রিপোর্টের ফলাফলে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখতে পেয়ে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। এরপর পরদিন ১০ আগস্ট পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে পুনরায় এসজিপিটি পরীক্ষা করানো হলে সেখানে ফলাফল আসে ১২১ ইউ/এল। একই রোগীর তিনটি প্রতিষ্ঠানে করা পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্টে বড় ধরনের পার্থক্য থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকালে সাইদুজ্জামান রেজা মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত আবেদন করেন। অভিযোগের বিষয়ে মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক সৈয়দা নাসরিন মিনু বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠানের দেওয়া রিপোর্টে কোনো ভুল নেই। এদিকে অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই রোগীর তিনটি প্রতিষ্ঠানের এসজিপিটি পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে মেডিকেয়ারের রিপোর্টটি প্রাথমিকভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তবে পরীক্ষার ফলাফলে এমন পার্থক্যের প্রকৃত কারণ কী, কিংবা কোথাও পরীক্ষাগত বা কারিগরি ত্রুটি হয়েছিল কি না—তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে।
ফরিদপুরে সাংবাদিকসহ একই পরিবারের ওপর হামলা: ২১ দিন পর পলাতক আসামি সাব্বির গ্রেপ্তার
ফরিদপুরে সাংবাদিকসহ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার ২১ দিন পর পলাতক আসামি মো. সাব্বির মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের মল্লিকপুরের বড় মাধবপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) জ্যোতির্ময় মল্লিকের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গত ২০ জুলাই এ ঘটনায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়। মামলার নম্বর ৪৪ এবং বার্ষিক নম্বর ৫৪৫। মামলায় দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৪৩, ৩২৩, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৭৯ ও ৫০৬(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহারে যা বলা হয়েছে মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই সকাল ৯টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর কৈজুরী ইউনিয়নের তাম্বুলখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় জমি মাপজোকের বিষয়ে স্থানীয়দের দাওয়াত দেওয়ার সময় মো. ইউসুফ মিয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, হামলাকারীরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইউসুফ মিয়াকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন এবং হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় ইউসুফ মিয়াকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তার ছেলে মো. মাফিকের ওপরও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহাবুব মিয়ার ওপর লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা চালিয়ে আহত করা হয়। এ ছাড়া ইউসুফ মিয়ার স্ত্রী ফরিদা আক্তার ও মেয়ে ঋতিকেও মারধর করে আহত করার অভিযোগ করা হয়েছে। মামলায় মাজেদ মিয়া, হাশেম মিয়া, সাব্বির মিয়া, নাজিম মিয়া ও কালাম মিয়াসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি মামলার ২১ দিন পর সাব্বির মিয়া গ্রেপ্তার হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। একই সঙ্গে মামলার অন্য পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে তারা। তবে মামলার আসামিদের মধ্যে কারও কারও নাম ও ক্রমিক নম্বর নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের বক্তব্যে অসঙ্গতি রয়েছে। এ বিষয়ে মামলার এজাহার ও তদন্ত নথি অনুযায়ী সঠিক অবস্থান নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। পুলিশের বক্তব্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জ্যোতির্ময় মল্লিক বলেন, সময় লাগলেও মামলার একজন পলাতক আসামি সাব্বির মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার বাকি পলাতক আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাগেরহাট হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: দগ্ধ চালক, ভস্মীভূত ৮ মোটরসাইকেল
বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, এতে চালক দগ্ধ হওয়ার পাশাপাশি আটটি মোটরসাইকেল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের পুরোনো ভবনের সামনে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যা পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। একটি শিশু রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সটি চত্বরে রাখা হয় এবং এর পরপরই গ্যাস সিলিন্ডারের বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখা অ্যাম্বুলেন্সটিকে গ্রাস করে এবং পাশে সারি দিয়ে রাখা আটটি মোটরসাইকেলে ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকাণ্ডের সময় অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে থাকা চালক গুরুতর দগ্ধ হন, যাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে খুলনায় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় হাসপাতালের মূল ভবনটি বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। ঘটনার আকস্মিকতায় রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে হুড়োহুড়ি ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা হাসপাতালের স্বাভাবিক সেবা কার্যক্রমকে সাময়িকভাবে ব্যাহত করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ঘটনার সময় অ্যাম্বুলেন্সের চালক গাড়ির ভেতরে অবস্থান করছিলেন এবং তার সহকারী পেছনের দরজা খোলার চেষ্টা করছিলেন। সিলিন্ডারের যান্ত্রিক ত্রুটি বা গ্যাস লিক থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা মুহূর্তের মধ্যে নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, উপস্থিত সাধারণ মানুষ কাছে যাওয়ার সাহস পাননি। ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল মালিকদের অভিযোগ, হাসপাতালের ভেতরে বা আশপাশে পার্কিংয়ের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট ও নিরাপদ নীতিমালা না থাকায় এই ক্ষয়ক্ষতি আরও বেড়েছে। অনিয়ন্ত্রিতভাবে অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহনের যত্রতত্র উপস্থিতি জননিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, যদি সিলিন্ডারের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হতো, তবে এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল। ঘটনার প্রেক্ষিতে বাগেরহাটের সিভিল সার্জন আ. স. মো. মাহাবুবুল আলম জানান, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই হাসপাতালের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বড় ধরনের বিপর্যয় ঠেকানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, ত্রুটিপূর্ণ সিলিন্ডার ও মেয়াদোত্তীর্ণ ফিটনেস নিয়ে চলাচলকারী অ্যাম্বুলেন্সগুলো রোগীদের জন্য যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি হাসপাতালের নিরাপত্তার জন্যও হুমকি। বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়বদ্ধতা নির্ধারণে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। একইসঙ্গে হাসপাতাল এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স রাখার স্থান ও সামগ্রিক অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর ও যুগোপযোগী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকেও সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত তদারকির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ড সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাকে পুনরায় সামনে নিয়ে এসেছে। অ্যাম্বুলেন্সের মতো জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহনের ফিটনেস এবং গ্যাস সিলিন্ডারের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও অবস্থান কখনোই নিরাপদ নয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে শুধুমাত্র তদন্ত কমিটি গঠনই যথেষ্ট নয়, বরং সকল অ্যাম্বুলেন্সের যান্ত্রিক ত্রুটি পরীক্ষা ও লাইসেন্স নবায়নে প্রশাসনিক কঠোরতা প্রয়োজন। হাসপাতাল চত্বরে অগ্নিনিরাপত্তা সরঞ্জামের পর্যাপ্ততা এবং পার্কিং ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, সাধারণ মানুষের জীবন বাঁচানোর স্থানেই এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা বারবার ফিরে আসার আশঙ্কা থেকেই যাবে, যা জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য একটি অশনি সংকেত।