বাংলাদেশ বার্তা টুডে
গোপালগঞ্জে সরকারি কলেজে আন্ত: বিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬
গোপালগঞ্জে সরকারি কলেজে আন্ত: বিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬। সাইফুল ইসলাম গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: ০৮-০৯-২৬ গোপালগন্জ সরকারি কলেজে আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা- ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। আজ মঙ্গলবার(৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০.০০ ঘটিকায় গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ, গোপালগঞ্জের আয়োজনে প্রফেসর শাহ মোঃ ইকবাল হোসেন, অধ্যক্ষ, গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ, গোপালগঞ্জের সভাপতিত্বে গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা- ২০২৬ ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ফুটবল প্রতিযোগিতা খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আরিফ-উজ- জামান, জেলা প্রশাসক গোপালগঞ্জ মহোদয় , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ হাবীবুল্লাহ, পুলিশ সুপার, গোপালগঞ্জ মহোদয় এবং জনাব শেখ রাকিবুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ও সম্পাদক, শিক্ষক পরিষদ গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ, গোপালগঞ্জ। উক্ত ফুটবল প্রতিযোগিতা খেলায় অংশগ্রহণ করেন গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের দল। প্রতিযোগিতা শেষে অতিথিগণ উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং অভিনন্দন জানান । পুলিশ সুপার মহোদয় বক্তব্যে শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে খেলাধুলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নিয়মিত খেলাধুলা কেবল শরীরকে সুস্থ ও রোগব্যাধিমুক্ত রাখে না, বরং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মানসিক অবসাদ দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাঠের খেলাধুলার মাধ্যমে পারস্পরিক সহমর্মিতা, শ্রদ্ধাবোধ, আন্তরিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সুদৃঢ় সুশৃঙ্খল ঐক্য গড়ে ওঠে। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা মানুষকে মাঠের প্রতিটি মুহূর্তে যেমন আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী করে তোলে, ঠিক তেমনি বাস্তব কর্মজীবনেও চরম পরিশ্রমী ও দায়িত্বশীল হতে শেখায়। উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, শিক্ষা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়, এটি আলোকিত মানুষ গড়ার বাহন । এ শিক্ষা যেন সততা, শ্রদ্ধা আর শিক্ষার আলো ছড়ানোর কেন্দ্র হয়ে থাকে। শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফল নয় বরং মাদক থেকে দূরে থেকে একজন ভালো ও যোগ্য মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার জন্য আহবান জানান। জেলা পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে খেলা আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের সম্মানিত শিক্ষক বৃন্দ ও শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং ক্রীড়ামোদী সুধীজন ও সকল স্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
চায়ের আড্ডায় ভোটের গুঞ্জন: চুনারুঘাট শানখলা ইউপি নির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস, সমীকরণ বদলাতে পারেন ‘সবুজ’
চায়ের আড্ডায় ভোটের গুঞ্জন: চুনারুঘাট শানখলা ইউপি নির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস, সমীকরণ বদলাতে পারেন ‘সবুজ’ --------------- চুনারুঘাট উপজেলার শানখলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না হলেও এখনই বইতে শুরু করেছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। গ্রামের মোড় থেকে শুরু করে হাট-বাজারের চায়ের দোকান—সবখানেই এখন একটাই আলোচনা, ‘কে হচ্ছেন আমাদের আগামী চেয়ারম্যান?’এলাকাবাসীর সূত্রমতে, এবারের নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ৬ জন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। বর্তমান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, শানখলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জমরুত আলী,তরুণ সমাজসেবক ব্যবসায়িক জসিম উদ্দিন, হবিগঞ্জ থ্যাই এ্যালমনিয়ামের কর্ণধার বিশিষ্ট ব্যবসায় আব্দুল আহাদ সরদার, আলহাজ্ব মীর ফয়সাল শায়েস্তাগঞ্জ আল আলরাফা ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট সরকার পরিচালক তবে মাঠপর্যায়ের ভোটারদের আলাপ-আলোচনায় মূল লড়াইটি ত্রিমুখী হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তিন হেভিওয়েট প্রার্থী—নজরুল ইসলাম, জমরুত মিয়া এবং মো. জসিম উদ্দিন। তবে স্থানীয় রাজনীতির সচেতন মহল মনে করছেন, সাবেক চেয়ারম্যান সবুজ যদি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেন, তবে পুরো নির্বাচনের হিসাব-নিকাশ ও ভোটের সমীকরণ সম্পূর্ণ ওলটপালট হয়ে যাবে। ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ:নজরুল ইসলাম: তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ নজরুল ইসলামের পক্ষে কথা বলছেন। এলাকায় তাঁর পরিচিতি একজন শিক্ষিত, ভদ্র ও যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে অনেকেই এবার পরিবর্তন চেয়ে তাঁর ওপর ভরসা রাখতে চান। জমরুত মিয়া: প্রবীণ এই প্রার্থীর পক্ষেও রয়েছে অনুগত বিশাল এক ভোটব্যাংক। অনেক ভোটার বলছেন, "জমরুত সাহেবকে আমরা অনেকবার ভোট দিয়েছি।" বয়স বেশি হওয়ায় কেউ কেউ তাঁকে বৃদ্ধ বললেও, তাঁর দীর্ঘদিনের অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা বলছেন—"শেষবারের মতো জমরুত সাহেবকে আরেকটি সুযোগ দিয়ে দেখি। "মো. জসিম উদ্দিন: নির্বাচনী মাঠে বড় ফ্যাক্ট হয়ে দাঁড়িয়েছেন মো. জসিম উদ্দিন। তাঁর নিজস্ব এলাকাটি বিশাল আয়তনের, যা ভোটের মাঠে তাঁকে বড় ধরনের সুবিধা দেবে। তা ছাড়া তাঁর বাবা মরহুম শফিকুল ইসলাম ছিলেন একজন সাবেক ও অত্যন্ত সফল ইউপি সদস্য (মেম্বার)। বাবার সেই সুনাম ও পারিবারিক ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে জসিম উদ্দিন ভোটের মাঠে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। শানখলার প্রতিটি বাড়ি এবং চায়ের দোকানে এখন শুধু প্রার্থীদের যোগ্যতা ও প্রতীক নিয়ে আলোচনা। সাধারণ ভোটাররা চান এমন একজন যোগ্য প্রতিনিধি, যিনি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবেন। শেষ পর্যন্ত শানখলার নির্বাচনী হাওয়া কোন দিকে মোড় নেয় এবং ‘সবুজ’ ফ্যাক্টর নির্বাচনে কী ভূমিকা রাখে, তা দেখতে উন্মুখ হয়ে আছেন পুরো ইউনিয়নবাসী।
শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু ১৬ ডিসেম্বর
শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু ১৬ ডিসেম্বর মো: ছাব্বির হাসান,নওগাঁ বিশেষ প্রতিনিধি আগামী ১৬ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, ১৬ ডিসেম্বর থেকে টার্মিনালটির কার্যক্রম শুরু হবে এবং প্রথম দিন ২০টি উড়োজাহাজ চলাচল করবে। তবে পুরোপুরি কার্যক্রম চালু হতে আরও পাঁচ থেকে ছয় মাস সময় লাগবে। ধাপে ধাপে টার্মিনালের বিভিন্ন সেবা ও সুবিধা কার্যকর করা হবে বলে জানান তিনি। ব্রিফিংয়ে বিমানমন্ত্রী জানান, তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা থেকে অর্জিত আয়ের ২৭ শতাংশ বাংলাদেশ পাবে। পাশাপাশি গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের ৫০ শতাংশ কাজ করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন টার্মিনাল চালু হলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা ও পরিচালন সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। প্রথম দিন সীমিতসংখ্যক উড়োজাহাজের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করে পর্যায়ক্রমে টার্মিনালের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। পুরোপুরি চালু হলে এর মাধ্যমে বিমানবন্দরের সামগ্রিক কার্য
নির্ধারিত সময়ে ক্লাস-অফিস নিশ্চিত করতে ইবির ভিসির নির্দেশ
নির্ধারিত সময়ে ক্লাস-অফিস নিশ্চিত করতে ইবির ভিসির নির্দেশ ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শিক্ষক-কর্মকর্তাদের নির্ধারিত কর্মঘণ্টা ও দাপ্তরিক সময়সূচি যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে বিভাগীয় সভাপতি ও বিভিন্ন বিভাগের অফিস প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় উপচার্য বলেন, নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে ইচ্ছেমতো অফিসে আসা-যাওয়া কিংবা ক্লাসে অনিয়ম হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। নির্ধারিত সময়ে কিছু শিক্ষকের ক্লাসে উপস্থিত না থাকার তথ্য তার কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া শিক্ষার্থীরা যেন নির্ধারিত সময়ে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষককে পান, তা নিশ্চিত করতে বিভাগীয় সভাপতিদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে কর্মকর্তাদের নির্ধারিত অফিস সময়ের মধ্যে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়ে অনিয়মের ক্ষেত্রে কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দেন। শিক্ষকদের দায়িত্ব ও নৈতিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু আইন বা বিধিনিষেধের মাধ্যমে দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়; নিজস্ব নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ থেকেই পেশাগত কর্তব্য পালনের মানসিকতা তৈরি করতে হবে। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও একাডেমিক পরিবেশ উন্নয়নে চীনা ভাষা চালু, শিল্প ও শিক্ষার মধ্যে সংযোগ স্থাপন এবং ক্যাম্পাসে ক্যারিয়ার হাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথা জানান তিনি। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়, আবাসিক হলে হিটার ব্যবহারে সচেতনতা, সাবস্টেশন স্থাপন ও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার আওতায় সোলার প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি মাদকের বিষয়ে প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুসরণ করে ছুটি গ্রহণের আহ্বান জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি ও অফিস প্রধানরা। এসময়, বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি ও অফিস প্রধানরা নিজ নিজ বিভাগ ও দপ্তরের কার্যক্রম, সমস্যা ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেন। পরে আলোচনার মাধ্যমে এসব বিষয় সমন্বয় ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সোনারগাঁও বিএনপি নেতার মাদক সেবনের ছবি সামাজিক যোগাযোগে ভাইরাল
সোনারগাঁও বিএনপি নেতারাদক সেবনের ছবি সামাজিক যোগাযোগে ভাইরাল সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ)সংবাদদাতা: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পেচাইনা এলাকায় এক বিএনপি নেতার মাদক সেবনের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ছবির ওই ব্যক্তি পেচাইনা এলাকার বাসিন্দা এবং এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে একটি বড় সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, ওই ব্যক্তিকে সোনারগাঁও উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ আরশাফ ভূঁইয়ার সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়। রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে তিনি মাদকসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া, অতীতে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল করিমের বাড়িতে বসবাসকারী কয়েকজনের ওপর হামলা এবং বাড়িঘরে ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তারা মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ এবং অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে পরবর্তীতে সংযোজন করা হবে।
মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা এই প্রতিপাদ্যে সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত
মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা এই প্রতিপাদ্যে সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত শেখ জোবায়ের আল জামান,সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি: ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা কালেক্টরেট চত্বর থেকে র্যালিটি বের হয়। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র্যালিটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক মোজাফফর উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন। সভায় বক্তারা বলেন, একটি জ্ঞানভিত্তিক, দক্ষ ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে সাক্ষরতার বিকল্প নেই। শুধু পড়তে ও লিখতে পারাই নয়, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষের জ্ঞান, দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও সাক্ষরতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরতার আওতায় এনে তাদের জীবনমান উন্নয়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমিন, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আলমগীর কবির, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, বেসরকারি সংস্থা সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা (সাস)-এর নির্বাহী পরিচালক ইমান আলী, সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীন, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম টুকু ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক শেখ ফারুক হোসেন।
নেত্রকোনায় সারের দোকানে অনিয়ম, ছয় ব্যবসায়ীকে জরিমানা
নেত্রকোনায় সারের দোকানে অনিয়ম, ছয় ব্যবসায়ীকে জরিমানা রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা; নেত্রকোনার বারহাট্টায় লাইসেন্স ছাড়া সার বিক্রি, ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করা, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ছয় ব্যবসায়ীকে পৃথক ছয়টি মামলায় মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলার আসমা ও চিরাম ইউনিয়নে সোমবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাজেদুল ইসলাম। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারহাট্টা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে দুই ইউনিয়নের বিভিন্ন সারের দোকান পরিদর্শন ও মনিটরিং করা হয়। এ সময় লাইসেন্স ছাড়া সার বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ‘সার ব্যবস্থাপনা আইন-২০০৬’ এর ৮(২) ধারায় জরিমানা করা হয়। এছাড়া ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় আরও দুই ব্যবসায়ীকে ‘কৃষি বিপণন আইন-২০১৮’ এর ১৯(১)(ঞ) ধারায় জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বা পণ্য বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির দায়ে আরও দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে -ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯’ এর ৪০ ও ৫১ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এভাবে ছয়টি মামলায় ছয় ব্যবসায়ীকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষায় সারের দোকানে তদারকি ও এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কালীগঞ্জে দক্ষ ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে প্রাথমিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই-এটিএম কামরুল ইসলাম
কালীগঞ্জে দক্ষ ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে প্রাথমিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই-এটিএম কামরুল ইসলাম আব্দুল মতিন খান কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.টি.এম কামরুল ইসলাম বলেন, একটি শিক্ষিত, দক্ষ ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শিশুদের নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও আধুনিক শিক্ষায় গড়ে তুলতে শিক্ষক, অভিভাবক এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ‘মানসম্মত শিক্ষা, বৈষম্যহীন সমাজ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাজীপুরের কালীগঞ্জে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের আলোচনা সভায় কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.টি.এম কামরুল ইসলাম এসব বলেন। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের একটি বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলা পরিষদ চত্বর প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ হল রুমে এ আলোচনা সভায় মিলিত হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জেসমিন আক্তারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.টি.এম কামরুল ইসলাম। উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রেজাউল করিম, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আতিকুর রহমান খান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোসাঃ নাহিদা খাতুন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আফরোজা বেগম, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ আবুল হোসেন আকাশ ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ সামসুজ্জামান আকন্দ। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
রাউজানে পূর্ণিমনী উপলক্ষে আলোচনা সভা, গীতাবিতরণ ও সনাতনী ব্যান্ড সংগীতানুষ্ঠান
রাউজানে পূর্ণিমনী উপলক্ষে আলোচনা সভা, গীতাবিতরণ ও সনাতনী ব্যান্ড সংগীতানুষ্ঠান মিলন বৈদ্য শুভ,চট্টগ্রাম (প্রতিনিধি): চট্টগ্রামের রাউজানে বাংলাদেশ সনাতন ছাত্র মহাসংঘ, রাউজান উপজেলা শাখার উদ্যোগে পূর্ণিমনী উপলক্ষে আলোচনা সভা, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা বিতরণ ও মনোজ্ঞ সনাতনী ব্যান্ড সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির প্রাঙ্গণে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা বিতরণ ও সনাতনী ব্যান্ড সংগীত পরিবেশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে ভক্ত ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ১০০টি শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা বিতরণ করা হয়। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও সনাতনী মুখপাত্র ড. কুশলবরণ চক্রবর্ত্তী, দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, রাউজান উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি দোলন কৃষ্ণ ঘোষ, দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন মহাজন লিটু, দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির উৎসব কমিটির সভাপতি কবিরাজ দুলাল বৈদ্যসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সনাতন ধর্ম ও সংস্কৃতির চর্চা, সামাজিক ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে তরুণ প্রজন্মকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে সনাতনী আদর্শে উদ্বুদ্ধ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা। বক্তারা আরও বলেন, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার শিক্ষা মানুষের জীবনকে নৈতিকতা, মানবিকতা ও সত্যের পথে পরিচালিত করে। সনাতনী ধর্ম ও সংস্কৃতির চর্চার পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় তরুণদের সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সনাতনী ব্যান্ড সংগীতানুষ্ঠান। এতে বিভিন্ন সনাতনী সংগীত দলের শিল্পীরা ভক্তিমূলক ও সনাতনী সংগীত পরিবেশন করেন। তাদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থলে এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজকরা জানান, সনাতন ধর্ম ও সংস্কৃতির চর্চা, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করা এবং তরুণ প্রজন্মকে সনাতনী আদর্শে উদ্বুদ্ধ করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও সনাতনী ধর্ম, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সমাজকর্মী, বাংলাদেশ সনাতন ছাত্র মহাসংঘের নেতৃবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন।
চেইন সিস্টেম’, র্যাগিং ও মানসিক চাপ: রুয়েট ছাড়ার সিদ্ধান্ত মাইশার
চেইন সিস্টেম’, র্যাগিং ও মানসিক চাপ: রুয়েট ছাড়ার সিদ্ধান্ত মাইশার আবু কাওসার মাখন রাজশাহী ব্যুরো রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) আর্কিটেকচার বিভাগের ২৫ সিরিজের শিক্ষার্থী মাইশা মোর্শেদ কথা বিশ্ববিদ্যালয় ও তার স্বপ্নের বিষয় আর্কিটেকচার ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের নেপথ্যের কারণ জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বিভাগের তথাকথিত ‘চেইন সিস্টেম’, মানসিক হয়রানি, সিনিয়রদের আচরণ ও অতিরিক্ত একাডেমিক চাপের অভিযোগ তুলেছেন। মাইশার অভিযোগ, রুয়েটের আর্কিটেকচার বিভাগে ‘চেইন সিস্টেম’ বা তার ভাষায় ‘আমলা-কামলা’ প্রথা প্রচলিত রয়েছে। এই চেইনে যুক্ত হওয়ার পর বিভিন্ন সময় তাকে কটূক্তি, অপমান ও অবহেলার শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। চেইনের সদস্যদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা বা স্বাচ্ছন্দ্য পাননি বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া একাডেমিক কাজের প্রয়োজনে চেইনের অন্য সদস্যদের বাসায় রাতে থাকার বা ‘নাইট স্টে’র একটি প্রচলন রয়েছে বলে উল্লেখ করেন মাইশা। তবে বিষয়টি তার পরিবারের কাছে নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় এটি তার জন্য মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায় বলে দাবি করেন তিনি। মাইশার ভাষ্য, রুয়েট কাগজে-কলমে র্যাগিংমুক্ত হলেও কিছু সিনিয়রের অযাচিত আচরণ তার একাডেমিক কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ক্লাস এবং ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত খাবারের সুযোগ না থাকায় শারীরিক সমস্যায় পড়ার কথাও জানান তিনি। পোস্টে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানির ঘটনাও তুলে ধরেন মাইশা। তার দাবি, তিনি করেননি এমন একটি বিষয়ের দায়ভার তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তাকে মানসিকভাবে বিভ্রান্ত করা, খারাপ আচরণ এবং একপর্যায়ে বয়কটের চেষ্টা করা হয়। ওই সময় সরাসরি সিনিয়রদের কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিভাগের এক সিনিয়রের মন্তব্য উদ্ধৃত করে মাইশা বলেন, আর্কিটেকচারে পড়ার সময় খাওয়া-দাওয়া বা অসুস্থতার কথা বলা নিষেধ—এমন ধরনের মানসিকতাও সেখানে রয়েছে। তবে মাইশার এসব অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছে রুয়েট প্রশাসন। রুয়েটের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. আরিফ আহম্মদ চৌধুরী বলেন, “মাইশা নামের ছাত্রীর আমরা একটি আবেদন পেয়েছি। সেখানে তিনি লিখেছেন, রাজশাহীর আবহাওয়া তার স্যুট করছে না। তিনি অসুস্থ বোধ করছেন, সেই কারণে তিনি লিভ নিতে চান।” র্যাগিংয়ের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, “র্যাগিং বিষয়ে তিনি আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ দেননি। আর পড়াশোনা কিছু তো চাপ থাকবেই।” মো. আরিফ আহম্মদ চৌধুরী আরও বলেন, “আমরা এটাও জেনেছি, রুয়েট প্রশাসন বা শিক্ষকদের প্রতি মাইশার কোনো অভিযোগ নেই। কোনো ছাত্র বা ছাত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্য আছে কি না, এটা আমার জানা নাই।” অর্থাৎ, মাইশার ফেসবুক পোস্টে মানসিক হয়রানি ও বিভাগের পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দেওয়া তার লিখিত আবেদনে র্যাগিংয়ের কোনো অভিযোগ উল্লেখ নেই বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার। অন্যদিকে, মাইশা তার পোস্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, রুয়েটের প্রতি তার কোনো ক্ষোভ নেই। তবে নিজের মানসিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সুস্থতার কথা বিবেচনা করেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মাইশার অভিযোগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্যে ভিন্নতা থাকায় বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত কারণ আরও পরিষ্কার হতে পারে।
সাক্ষরতার আলোয় বদলাবে সমাজ: পঞ্চগড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস
সাক্ষরতার আলোয় বদলাবে সমাজ: পঞ্চগড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি | সঞ্জু বনিক সৌরভ পঞ্চগড়, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬: সাক্ষরতার আলো ছড়িয়ে একটি জ্ঞানভিত্তিক ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে পঞ্চগড়ে নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬। দিবসটি ঘিরে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসন চত্বরে ছিল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সচেতনতামূলক আলোচনা সভা। ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন ও পঞ্চগড় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে শোভাযাত্রাটি জেলা প্রশাসন চত্বর থেকে বের হয়। শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শোভাযাত্রাটি একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমাম রাজী টুলুর সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী মিঞা। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সাক্ষরতা শুধু পড়তে ও লিখতে শেখার বিষয় নয়; এটি মানুষের আত্মনির্ভরতা, সচেতনতা ও জীবনমান উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আওতায় এনে সাক্ষরতার সুযোগ বাড়ানো গেলে টেকসই উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে। বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষার সুযোগ থেকে কেউ যেন বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে পরিবার ও সমাজের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। বিশেষ করে ঝরে পড়া শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আওতায় আনতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল ইসলাম, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত) আরিফ আহমেদ, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দারসহ সংশ্লিষ্টরা। শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। দিবসটির আয়োজনের মধ্য দিয়ে পঞ্চগড়ে সাক্ষরতার গুরুত্ব ও শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
গোবিপ্রবিতে ‘ভাইস চ্যান্সেলর’স বেস্ট রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড চালু
গোবিপ্রবিতে ‘ভাইস চ্যান্সেলর’স বেস্ট রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড চালু গোবিপ্রবি, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষকদের আরও বেশি গবেষণামুখী করতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ভাইস চ্যান্সেলর’স বেস্ট রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান প্রথমবারের মতো সেরা গবেষকদের স্বীকৃতি প্রদানে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, ছোটো ছোটো উদ্যোগ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যায়। সেদিক থেকে আমরা চেষ্টা করছি কীভাবে আমাদের শিক্ষকদের গবেষণা সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা যায়। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্ত অবস্থান তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। চলতি বছর এই অ্যাওয়ার্ডের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি অনুষদ থেকে একজন করে শিক্ষক নির্বাচিত হবেন। মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ১ জুলাই ২০২৫ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত গবেষণাপত্র বিবেচনায় নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শর্ত অনুযায়ী ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর সম্পন্ন জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শামসুল আরেফিন বলেন, আগ্রহী শিক্ষকগণকে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪টার মধ্যে নির্ধারিত গুগল ফর্ম ( https://forms.gle/3j6nxSFNAxbvv9NS6 ) পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। গুগল ফর্ম পূরণে কোনো ধরনের সমস্যা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেন্টারে কর্মরত বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাদের শাকিলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
মঠবাড়িয়ায় অস্ত্র ও ককটেলসহ আন্তঃজেলা ডাকাত সরদার গ্রেপ্তার
মঠবাড়িয়ায় অস্ত্র ও ককটেলসহ আন্তঃজেলা ডাকাত সরদার গ্রেপ্তার সালমান আহসান বাবু, মঠবাড়িয়া : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বিশেষ অভিযানে অস্ত্র ও ককটেলসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার মো. দুলাল মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের খায়ের ঘটিচোরা গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তী মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসব্রিফিংএর মাধ্যম্যে এ তথ্য জানান। গ্রেপ্তারকৃত দুলাল মিয়া খায়ের ঘটিচোরা গ্রামের (৫ নম্বর ওয়ার্ড) মৃত আব্দুল খালেক সরদারের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে ঝালকাঠির একটি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতিসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে চলমান বিশেষ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীর দিক নির্দেশনায় এবং মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তীর সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল দাউদখালী ইউনিয়নের খায়ের ঘটিচোরা গ্রামে অভিযান চালায়। এসময় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার মো. দুলাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পরে দুলাল মিয়ার হাঁসের ঘরের ওপর বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা একটি বাজারের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগটি তল্লাশি করে ম্যাগাজিনবিহীন একটি পিস্তল এবং লাল কসটেপে মোড়ানো ৬টি ককটেল সদৃশ বস্তু জব্দ করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার দুলাল মিয়া একজন চিহ্নিত আন্তঃজেলা ডাকাত সরদার। অভিযানের পর তাঁর কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে নতুন মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
গঙ্গাচড়ায় ৩৪ বোতল ‘এস্কাফ’সহ দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার
গঙ্গাচড়ায় ৩৪ বোতল ‘এস্কাফ’সহ দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার রফিকুল ইসলাম সাবুল : (রংপুর) প্রতিনিধি রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ৩৪ বোতল নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ‘এস্কাফ’সহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাত পৌনে চারটার দিকে উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের হাজীরপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গঙ্গাচড়া উপজেলার চর মর্ণেয়া এলাকার আব্দুল সোবহান ওরফে পাষান (৪০) এবং একই এলাকার মমিনুর ইসলাম (৩৫)। গঙ্গাচড়া মডেল থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে মর্ণেয়া ইউনিয়নের হাজীরপাড়া তালপট্টি এলাকায় পুলিশ অভিযান চালায়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের কাছ থেকে ৩৪ বোতল নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ‘এস্কাফ’ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের তথ্যমতে, অভিযানটি হাজীরপাড়া গ্রামের করিম উদ্দিনের দীঘির পাড় মোড় এলাকায় একটি মুদির দোকানের দক্ষিণ পাশের কাঁচা রাস্তায় পরিচালনা করা হয়। এ ঘটনায় গঙ্গাচড়া মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১৪(খ) ধারায় মামলা করা হয়েছে। থানার মামলা নম্বর ১১, তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬। গঙ্গাচড়া মডেল থানার পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
মুসলিম মেয়ের প্রেমের টানে মাদারীপুর থেকে মাগুরায় খ্রিস্টান মেয়ে
মুসলিম মেয়ের প্রেমের টানে মাদারীপুর থেকে মাগুরায় খ্রিস্টান মেয়ে আব্দুর রশিদ মোল্লা, শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি: অসম প্রেমের টানে সুদুর মাদারীপুর রাজৈর থানা হতে মাগুরার শ্রীপুর থানার টুপিপাড়া গ্রামে অবস্থান করছে একটি মেয়ে। মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার টুপিপাড়া গ্রামের মিরাজ বিশ্বাসের দশম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়ে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকে মাদারীপুর রাজৈর থানার লখন্ডা গ্রামের পিজুস গাইনের মেয়ে জয়া গাইনের সাথে ২বছর আগে পরিচয় হয়। তথ্য আদান প্রদানের এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্কে রুপ নেয়। সে মোতাবেক মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন হয় বলে উভয়ই দাবি করে। মিরা খাতুন ইসলাম ধর্মের অনুসারী আর জয়া গাইন খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী। তাদের ভাষ্যমতে তারা মোবাইলের মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন করেছে। এ ঘটনায় মিরা খাতুনের বাবা মিরাজ জানান, গত ২৬ আগস্টে মিরা খাতুন বাড়ির কাউকে না জানিয়ে মাদারীপুরে জয়া গাইনের বাড়িতে চলে যায়। সেখানে পাঁচদিন অবস্থান করার পর শ্রীপুর থানা পুলিশ ও রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। পরবর্তীতে তারা আবার গোপনে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে গতকাল ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং জয়া গাইন মাগুরার শ্রীপুরে টুপিপাড়া গ্রামে মিরা খাতুনের বাড়ি চলে আসে। জয়া গাইন জানান, ইতিপূর্বে তার বিবাহ হয়েছিল এক প্রবাসির সাথে। সেখানে সে দুবছর সংসার করেছে। বর্তমানে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছে বলে স্বীকার করেন। এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে কিভাবে একটি মেয়ে আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে। মিরা খাতুনের অবিভাবকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, এটা কখনোই সম্ভব নয়। ইতিমধ্যেই থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে এবং জয়া গাইনের পরিবারকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে। তারা আসলেই প্রশাসনের সহযোগিতায় মীমাংসা করা হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।