দৌলতপুরে বিদেশি পিস্তল, রামদা ও ককটেলসহ যুবক আটক
বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ এএম
তানভীর আজাদ, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে রকি হোসেন (২২) নামে এক যুবককে বিদেশি পিস্তল, রামদা ও ককটেলসহ আটক করেছে পুলিশ। এ সময় স্থানীয়দের গণপিটুনিতে তিনি আহত হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের সিরাজনগর বেলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক রকি হোসেন ওই এলাকার মৃত বজলুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সিরাজনগর এলাকায় মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল। এর প্রতিবাদে শুক্রবার রাতে স্থানীয়রা মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে সিরাজনগরের একটি বাঁশবাগানে কয়েকজন ব্যক্তি মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা সেখানে গেলে রকি হোসেনসহ কয়েকজন আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ককটেল বিস্ফোরণ ও ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতিতে স্থানীয়রা তাদের ধাওয়া করলে রকি হোসেনকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে গণপিটুনি দিলে তিনি আহত হন। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, রকি হোসেনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রামদা ও একটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয়রা অস্ত্র ও ককটেলসহ রকি হোসেন নামে এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। বর্তমানে তিনি দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ওসি আরও জানান, উদ্ধার করা অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।