নোবিপ্রবি বিশ্ববিদ্যালয়
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ, উপস্থিত থাকবেন নোবিপ্রবির ৩য় সমাবর্তনে
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ, উপস্থিত থাকবেন নোবিপ্রবির ৩য় সমাবর্তনে মোঃ জাহিদ হাসান নোবিপ্রবি প্রতিনিধি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) তৃতীয় সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার সম্মতি জানিয়েছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (৩১ আগস্ট) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তাঁকে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তিনি রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন। সাক্ষাতে নোবিপ্রবির শিক্ষা ও গবেষণাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন উপাচার্য। দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় নোবিপ্রবির অবদান, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়। পরে উপাচার্য আগামী ২৪ জানুয়ারি ২০২৭ নোবিপ্রবির তৃতীয় সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সম্মতি দেন। রাষ্ট্রপতির এ সম্মতিতে নোবিপ্রবি পরিবার আনন্দিত ও গর্বিত বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। তাঁর উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ ও স্মরণীয় করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।
নোবিপ্রবি এগ্রিকালচার বিভাগের ৯ম ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
নোবিপ্রবি এগ্রিকালচার বিভাগের ৯ম ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মোঃ জাহিদ হাসান নোবিপ্রবি প্রতিনিধি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) এগ্রিকালচার বিভাগের ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হচ্ছে কৃষি। একটি দেশের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের নিশ্চয়তা শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়, এটি খাদ্য নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই ভবিষ্যতের কৃষিকে হতে হবে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও সহনশীল।” বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমরা শুধু কৃষির শিক্ষার্থী নও, তোমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম কারিগর। তোমাদের অর্জিত জ্ঞানকে মাঠপর্যায়ে কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে হবে এবং কৃষির বিদ্যমান সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।” এ সময় কৃষির গুরুত্ব বিবেচনায় নোবিপ্রবিতে কৃষি অনুষদ ও গবেষণার জন্য আরও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির আশ্বাস দেন উপাচার্য। জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও এগ্রিকালচার বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাসান উদ্দীন। বক্তারা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য শুভকামনা জানান এবং দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে তাদের দক্ষতা ও মেধা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, স্মৃতিচারণ এবং ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়। এ সময় এগ্রিকালচার বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাম্পাসে শোডাউন: নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগ
ক্যাম্পাসে শোডাউন—নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগ নোবিপ্রবি প্রতিনিধি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) পৃথক ঘটনায় বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ, হামলা ও শোডাউনের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে। সর্বশেষ সোমবার (২৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলামকে নোয়াখালী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাফরাতুল ইসলাম নাবিলসহ কয়েকজন বহিরাগতকে সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পাসে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এর আগে গত ১৮ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনের বিরুদ্ধে বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। পরপর দুই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের উপস্থিতি, দলীয় প্রভাব বিস্তার এবং শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একাংশের অভিযোগ, দলীয় কোন্দলকে কেন্দ্র করে বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে এনে হামলা কিংবা প্রকাশ্যে শোডাউনের ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার জন্য উদ্বেগজনক। প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার দুপুর ১টার দিকে একদল বহিরাগতকে সঙ্গে নিয়ে হাসিবুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেখা যায়। পরে তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করেন। বহিরাগতদের এভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে দেখে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় বলে জানান তারা। এদিকে, এর আগে গত ১৮ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনের বিরুদ্ধে বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেও ক্যাম্পাসে উত্তেজনা তৈরি হয়। ফলে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে বহিরাগতদের সম্পৃক্ততায় হামলা ও শোডাউনের পৃথক অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, “ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের সংঘর্ষের ফলে বিগত কিছুদিন ধরে ছাত্রদলের বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার সংস্কৃতি চলতেছে, এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশকে ব্যাহত করতেছে। তাদের অভ্যন্তরীণ মারামারির সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে তারা ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের ওপরও হামলা করে, যেটার এখন পর্যন্ত কোনো বিচার করা হয় নাই। তাদের সংঘর্ষের জের ধরে প্রশাসন পকেট গেট বন্ধ করে দেয়, এতে শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।” তিনি আরও বলেন, “ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফলে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ করিয়েছে, যেটা ক্যাম্পাসের একাডেমিক এনভায়রনমেন্টের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আজকেও ক্লাস-পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ছাত্রদলের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সেক্রেটারি বহিরাগতদের নিয়ে হোন্ডা শোডাউন দেয়। এটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য ছাত্রদলের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।” মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকার পরও এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেখা গেলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। আমরা চাই ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীবান্ধব ও নিরাপদ থাকুক।” শিক্ষার্থীদের একাংশের ভাষ্য, ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের এনে হামলা কিংবা দলীয় শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে শোডাউন—দুই ধরনের ঘটনাই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এসব ঘটনা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তারা। সোমবার বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে আসার অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম বলেন, “আমাদের ছাত্রদল বহিরাগত দ্বারা অ্যাটাক করে মারামারিতে আমাদের ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়। তাদেরকে দেখতে এসেছে। এছাড়া এটা শোডাউন বা অন্য কিছু না।” অন্যদিকে, ১৮ আগস্টের ঘটনায় বহিরাগত এনে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন বলেন, “আমরা কখনোই বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত এনে পেশিশক্তির প্রদর্শন করিনি। আজকে যিনি বহিরাগতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে নিয়ে শোডাউন দিয়েছেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।” ক্যাম্পাসে বহিরাগত এনে শোডাউনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমান বলেন, “আমরা সকালে তাকে বহিরাগত নিয়ে চলে যাওয়ার জন্য বলেছি। সাথে সাথে সে চলে গিয়েছিল। এরপর দুপুরের দিকে আবার তাকে বহিরাগতসহ শোডাউন দিতে দেখা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আমরা তাদের এ ধরনের কার্যক্রম থেকে দূরে থাকার জন্য বলেছি।” এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, গত ১৮ আগস্ট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক দিয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ড দেখিয়ে প্রবেশ করতে হচ্ছে। তবে সোমবার হাসিবুল ইসলামকে বহিরাগতদের সঙ্গে কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেখা যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ।
নোবিপ্রবিতে পরিবেশবান্ধব দুইটি ই-কার উদ্বোধন
নোবিপ্রবিতে পরিবেশবান্ধব দুইটি ই-কার উদ্বোধন মোঃ জাহিদ হাসান নোবিপ্রবি প্রতিনিধি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) অভ্যন্তরীণ যাতায়াতের সুবিধার্থে পরিবেশবান্ধব দুটি ইলেকট্রনিক কার (ই-কার) উদ্বোধন করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ই-কার দুটি উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, “নোবিপ্রবিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভ্যন্তরীণ যাতায়াতের সুবিধার্থে ই-কার চালু করা একটি সময়োপযোগী ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ বলে আমি মনে করি। ক্যাম্পাসের গোলচত্বর থেকে শুরু করে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ই-কার চক্রাকারে পরিচালিত হবে। এটি সবার যাতায়াতকে যেমন সহজ ও নিরাপদ করবে, তেমনি ক্যাম্পাসে কার্বন নিঃসরণ ও পরিবেশ দূষণ কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।" এ সময় উপাচার্য নোবিপ্রবিকে পরিবেশ ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের পদক্ষেপ চলমান থাকবে বলে উল্লেখ করেন। উদ্বোধনকালে অন্যদের মধ্যে নোবিপ্রবি পরিবহন পুলের প্রশাসক ড. মো. মফিজুর রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, পরিবেশবান্ধব ই-কার থেকে সম্পূর্ণ জিরো কার্বন নিঃসরণ হয় এবং এটি বৈদ্যুতিক চার্জের মাধ্যমে চললেও পরবর্তীতে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে পরিচালনা করা যাবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতে ই-কারগুলো সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে চলাচল করবে।