যুবদল
মাঠের কর্মী থেকে নেতৃত্বের প্রত্যাশা সৌরভ কুমার কর্মকার
মাঠের কর্মী থেকে নেতৃত্বের প্রত্যাশা সৌরভ কুমার কর্মকার। বগুড়া আদমদীঘি,সান্তাহার প্রতিবেদক জুলাই-২৪ এর আন্দোলনে জেল খেটেছেন। মামলা-হামলা সামলেছেন। সনাতন ধর্মালম্বী হইবার কারণে বহু অত্যাচার নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়েছে। তবু দল ছাড়েননি। বরং যুবদলকে সুসংগঠিত করার চেষ্টা করেছেন। তিনি সৌরভ কুমার কর্মকার। সান্তাহার পৌর যুবদলের বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক। ছাত্রদল দিয়ে রাজনীতির শুরু। এখন সাধারণ সম্পাদক পদে পৌরবাসীর আলোচনায় তার নাম ঘুরছে। শুধু রাজনীতি নয়, ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনেও তার সরব উপস্থিতি। হিন্দু মহাজোট বগুড়া জেলার প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিরোধীপক্ষের একজন কর্মী জানান। আদর্শ আলাদা হলেও, অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা কণ্ঠস্বরকে সালাম জানাতে দ্বিধা নেই। আমি বিরোধী দলের একজন কর্মী হতে পারি, কিন্তু আমার আদমদীঘি উপজেলার কিছু মানুষের দেশপ্রেম ও সততার আমি ভীষণ ভক্ত। শ্রদ্ধাভাজন এমপি আব্দুল মহিত তালুকদার কাকা, সান্তাহার পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক প্রিয় সৌরভ কুমার কর্মকার দাদা—আপনাদের প্রতি রইল অন্তহীন ভালোবাসা।অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপনাদের প্রতিবাদী কণ্ঠ আর সততা আমাদের অনুপ্রাণিত করে। আপনারা সারাজীবন অন্যায়ের বিরুদ্ধে এভাবেই লড়াই করে যান, এই দোয়াই এবং আগামীতে সান্তাহার পৌর যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এই দুইটি গুরুত্বপূর্ণ পদের মধ্যে যেকোনো একটিতে সৌরভ কুমার কর্মকার দাদা কে আমরা যোগ্য বলে মনে করি।
হবিগঞ্জ ১৪৪ ধারাজারিএনসিপি-ছাত্রদল-যুবদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি
হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি, এনসিপি-ছাত্রদল-যুবদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে প্রশাসনের বাড়তি নিরাপত্তা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জেলা ছাত্রদল ও জেলা যুবদলের পৃথক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে নতুন করে উত্তেজনার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হবিগঞ্জ পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৪৪ ধারা কার্যকর থাকবে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে চার বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা এবং শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে—এমন কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এর আগে ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এনসিপি হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে। দলটির কর্মসূচিতে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, সারোয়ার তুষারসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। অন্যদিকে, হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল ও জেলা যুবদলও একই দিনে পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। একই সময়ে একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় প্রশাসন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১৪৪ ধারা জারি করে। এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সংলগ্ন থানা মোড় এলাকায় এনসিপির সমাবেশ শেষে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় নেতাদের বহর সার্কিট হাউসের দিকে যাওয়ার সময় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, কেন্দ্রীয় নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী এবং হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহবুব চৌধুরী মুবিন রয়েছেন। সংঘর্ষের পর এনসিপির জেলা শাখার আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল অভিযোগ করেন, সমাবেশ শেষে তাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের বহরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন বলেন, ছাত্রদল বা এর কোনো অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িত ছিলেন না। উসকানিমূলক বক্তব্যে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়ার ফলেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক মাহমুদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এদিকে, সম্ভাব্য সংঘাত এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সকল রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের প্রতি আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
ধানের শীষের বাইরে গেলে ‘পিঠের চামড়া তুলে নেওয়া হবে’: যুবদল নেতা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনে একটি ভিডিও ফুটেজকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ককটেল, পেট্রোল বোমা ও বেশকিছু ধারালো অস্ত্রসহ যুবদল নেতা আটক
যশোরে এক যুবদল নেতার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সাতটি ককটেল, তিনটি পেট্রোল বোমা ও বিভিন্ন ধরনের ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় যুবদল নেতা আল মাসুদ রানাকে আটক করা হয়েছে।