বাংলাদেশে জমি কেনাবেচা ও মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সরকারি ফি’র সমূহ
বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৫ এএম
মো: ছাব্বির হাসান, বিশেষ প্রতিনিধি, নওগাঁ:
১. জমি রেজিস্ট্রেশন (সাফ-কবলা দলিল) ফিজমির দলিলে লিখিত মোট মূল্যের ওপর ভিত্তি করে রেজিস্ট্রেশন খরচ নির্ধারিত হয়। এলাকাভেদে (সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন) এই খরচের হার কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।
খরচের খাতসরকারি হার (শতকরা)বিবরণরেজিস্ট্রেশন ফি১%জমির মোট মূল্যের ১% (সর্বনিম্ন ১০০ টাকা)
স্ট্যাম্প ডিউটি১.৫%জমির মোট মূল্যের ১.৫%
স্থানীয় সরকার কর২% থেকে ৩%সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় ৩%, ইউনিয়নে ২%
উৎস কর (AIT)১% থেকে ৮%
এলাকার বাণিজ্যিক গুরুত্ব ও অবস্থান অনুযায়ী নির্ধারিত হয়ভ্যাট (VAT)১.৫%শুধুমাত্র বাণিজ্যিক জমি বা আবাসন প্রকল্প/ডেভেলপারদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্যঅন্যান্য সরকারি ই-ফিস্থির হারই-ফি (১০০ টাকা), এন-ফি, এনএন-ফি এবং হলফনামা স্ট্যাম্প (৩০০ টাকা)নোট: সরকারি খরচের বাইরে দলিল লেখকের (মোহরারের) পারিশ্রমিক আলাদাভাবে যুক্ত হবে。
২. জমি খারিজ বা নামজারি (E-Namjari) ফিভূমি মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, সারা দেশে অনলাইনে ই-নামজারি করার সরকারি ফি একদম নি
আবেদন ফি: ২০ টাকানোটিশ জারি ফি: ৫০ টাকারেকর্ড সংশোধন/হালকরণ ফি: ১,০০০ টাকাখতিয়ান সরবরাহ ফি: ১০০ টাকা সর্বমোট সরকারি ফি: ১,১৭০ টাকা
৩. জমির খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর)জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর সাধারণত জমির শ্রেণি (কৃষি বা অকৃষি) এবং অবস্থানের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।
কৃষি জমি: ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির জন্য কোনো খাজনা দিতে হয় না (তবে দাখিলা বা রসিদ কাটার জন্য নামমাত্র ২-১০ টাকা লাগতে পারে)। ২৫ বিঘার ওপরে হলে প্রতি শতকে সাধারণত ২ টাকা হারে বার্ষিক খাজনা দিতে হয়।
আবাসিক ও বাণিজ্যিক জমি (অকৃষি): ঢাকা, চট্টগ্রাম বা অন্যান্য বিভাগীয় শহরের পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন এলাকার অকৃষি/আবাসিক জমির খাজনা তুলনামূলক বেশি। এটি প্রতি শতকে ১৫ টাকা থেকে শুরু করে এলাকার ক্যাটাগরি ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে কয়েকশো টাকা পর্যন্ত হতে পারে।