কালীগঞ্জে পৌর মেয়র নির্বাচনে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দোয়া ও সমর্থন কামনায় হামিদুল ইসলাম হামিদ

বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম

একরামুল ইসলাম তুষার, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার পৌর মেয়র নির্বাচনে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করেছেন শিক্ষানুরাগী সমাজসেবী হামিদুল ইসলাম হামিদ

তিনি কালীগঞ্জ পৌর ফয়লার বাসিন্দাএবং মরহুম আলহাজ্ব রমজান আলী সন্তান। রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তিনি একজন পরিচিত মুখ। বর্তমানে তিনিঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, সাবেক প্যানেল মেয়র ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ হামিদুল ইসলাম হামিদ। কালীগঞ্জ উপজেলা সাবেক ছাত্রনেতা। তিনি বলেন,-

"আমি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে পাশে থাকতে চাই। পৌর অবহেলিত মানুষের সেবা করা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। উক্ত পৌর একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই" এজন্য আমি পৌর বাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।" ব্যক্তিগত বিবৃতি:

বীর উত্তম, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত একটি পরিবারে জন্ম নেওয়ার সৌভাগ্য এবং সেই আদর্শিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুবাদে খুব অল্প বয়স থেকেই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে গভীর বিশ্বাস গড়ে ওঠে।

 

স্কুল জীবন থেকেই আমি ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে শুরু করি এবং সেই সময় থেকেই দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত রাখার ব্রত নেই। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অঙ্গ সংগঠনসমূহ এবং মূল দলে দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। দলের আদর্শ ও লক্ষ্য অর্জনের প্রতি আমার দৃঢ় বিশ্বাস ও অঙ্গীকারই এই পথচলায় প্রেরণা যুগিয়েছে।

রাজনীতির পাশাপাশি আমি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়ভাবে জড়িত থেকেছি, কারণ আমি বিশ্বাস করি—গঠনমূলক পরিবর্তনের জন্য রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক অত্যন্ত জরুরি।

নিজ নির্বাচনী এলাকার পাশাপাশি আশপাশের অঞ্চলগুলোতেও আমার প্রতি জনগণের আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা ও সম্মান রয়েছে, যা দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের ফলস্বরূপ অর্জিত। 

১/১১-এর দলের কলঙ্ককালীন সময়ে যারা নিঃস্বার্থভাবে দলকে ভালোবেসে নির্যাতনের শিকার হয়েও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন—আমি গর্বের সঙ্গে নিজেকে তাদের একজন হিসেবে বিবেচনা করি।

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে ৩০টিরও বেশি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়, যার ফলে আমাকে একাধিকবার কারাবরণ করতে হয়। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে আমার দলীয় কার্যালয় এবং ব্যক্তিগত বাসভবনে একাধিকবার হামলা চালানো হয়। এসব বাধা ও নির্যাতনের মধ্যেও আমি দলের আদর্শ ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রাম থেকে বিন্দুমাত্র পিছিয়ে যাইনি। 

 

দল আমাকে জাতীয় নির্বাচনের জন্য মনোনীত করলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমার নির্বাচনী এলাকার আপামর জনগণ, বিশেষ করে নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রাণসঞ্চার ঘটবে। ইনশাআল্লাহ, এই মনোনয়ন জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আমার এলাকার মধ্যে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা এবং শক্তিশালী অবস্থানে উন্নীত করবে। 

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড:২০১৯–চলমান: সভাপতি/নেতৃত্বমূলক অবস্থান—দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), ঝিনাইদহ জেলা শাখা।

২০১৯–জুলাই ২০২৫: সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ঝিনাইদহ।

২০১৪: সদস্য সচিব, ২০ দলীয় ঐক্যজোট, কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ঝিনাইদহ।২০০৯–২০১৯: সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ঝিনাইদহ। 

২০০৯: শিশু কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), ঝিনাইদহ জেলা শাখা।

২০০৫: সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ঝিনাইদ২০০৩: সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ঝিনাইদহ।

১৯৯৮: সিনিয়র সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ঝিনাইদহ।

১৯৯৬: আহ্বায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রি কলেজ শাখা, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ।

১৯৯৩: সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রি কলেজ শাখা, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ।১৯৯০: সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, নলডাঙ্গা ভূষণ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় শাখা, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ।১৯৮৮: সভাপতি, জিয়া শিশু কিশোর সংসদ, ফয়লা, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ। 

নির্বাচনী অভিজ্ঞতা:

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ‘চেয়ারম্যান’ পদপ্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করি।

২২ জানুয়ারি ২০০৯: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ‘চেয়ারম্যান’ পদপ্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করি।

মার্চ ২০০৪: কালীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডের কমিশনার এবং পরবর্তীতে প্যানেল মেয়র নির্বাচিত হই। 

প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড:

শহীদ নূর আলী কলেজ পরিচালনা কমিটির ‘সভাপতি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

২০০৬ সালে দৈনিক ‘উচ্চকণ্ঠ’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পাই।

১৯৯৬ সাল থেকে পরপর দুইবার কালীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ‘সাধারণ সম্পাদক’ নির্বাচিত হই।

এছাড়া, নির্বাচনী এলাকার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং নানাবিধ সামাজিক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি। 

পদক:সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মানব সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘আন্তর্জাতিক কৃতিত্ব সম্মাননা-২০২৫’ প্রাপ্তি।

মানব সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘মওলানা ফজলুল হক স্বর্ণপদক-২০১৩’ প্রাপ্তি। 

শিক্ষাগত যোগ্যতা:এলএলবি

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে নারী শিক্ষা প্রসার, সামাজিক উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে।

এদিকে আসন্ন পৌর মেয়র নির্বাচনকে ঘিরে কালীগঞ্জে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। পৌর প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এরই মধ্যে হামিদুল ইসলাম হামিদকে নিয়ে কালীগঞ্জের বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছ। তিনি বলেন - আমার ভিশন ও কর্মপরিকল্পনা

​ আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং স্বচ্ছতার পক্ষে আপসহীন। আমার অগ্রাধিকার থাকবে নিম্নরূপ:

   সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় উন্নয়ন:

আমাদের পৌরসভা বৈচিত্র্যের মিলনস্থল। এখানে মুসলিম, হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী মানুষ যুগ যুগ ধরে মিলেমিশে বসবাস করছেন। আমার পৌর সভার সকল ধর্মের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা সমান থাকবে।

​ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা: পৌর সকল মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ মাঠ, মন্দির ও শ্মশানের উন্নয়ন, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে আমি ব্যক্তিগতভাবে নজর রাখব। সরকারি অনুদান কোনো স্বজনপ্রীতি ছাড়াই সমভাবে বণ্টন নিশ্চিত করব।

​সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: যেকোনো উৎসব বা ধর্মীয় আয়োজনে আমি ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করব। আমার পৌর কোনো প্রকার বিভেদ সৃষ্টি হতে দেব না; আমরা সবাই মিলে এক ও অভিন্ন গড়ে তুলব।

​কবরস্থান ও শ্মশান: সাধারণ কবরস্থান ও শ্মশানের বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করব।

২. অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন :

​কাঁচা রাস্তা পাকা করা, ভাঙা রাস্তা মেরামত ও নতুন সংযোগ সড়ক নির্মাণ।

​প্রয়োজনীয় স্থানে ব্রিজ ও কালভার্ট তৈরি।

​নিরাপত্তার জন্য সৌরবিদ্যুৎ (সোলার) বা এলইডি স্ট্রিট লাইট স্থাপন।

​পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

৩. শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ সাধন :

​স্কুল-মাদ্রাসার মানোন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধ।

​আধুনিক পাঠাগার ও জোনসহ কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন।

​দরিদ্র ও মেধাবীদের জন্য বিশেষ পৌর বৃত্তি তহবিল।

​মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও খেলার মাঠের উন্নয়ন।

 ৪. স্বাস্থ্যসেবা ও স্যানিটেশন:

​কমিউনিটি ক্লিনিকে ডাক্তার ও ওষুধের নিয়মিত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা।

​ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও চোখের ক্যাম্প আয়োজন।

​শতভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিত করা ও আর্সেনিকমুক্ত টিউবওয়েল স্থাপন।

​সাশ্রয়ী মূল্যে অ্যাম্বুলেন্স/অটোরিকশা সার্ভিস চালু।

 ৫. কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন:

​কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সার ও বীজের নিশ্চয়তা এবং আধুনিক চাষাবাদের প্রশিক্ষণ।

​সেচ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও সংস্কার।

​বেকার যুবকদের মৎস্য ও গবাদি পশু পালনে প্রশিক্ষণ ও ঋণ সহায়তা।

৬. ডিজিটাল পৌর ও স্বচ্ছতা (স্মার্ট পৌর ):

​জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি সংশোধন, ওয়ারিশ সনদসহ সকল সেবা সম্পূর্ণ দালালমুক্ত করা।

​ঘরে বসে আবেদনের জন্য অনলাইন ওয়ান-স্টপ সার্ভিস।

​পৌর সভার আয়-ব্যয়ের হিসাব ও সরকারি বরাদ্দের তথ্য উন্মুক্ত করা।

 ৭. সামাজিক নিরাপত্তা ও মানবিক উন্নয়ন:

​বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও ভিজিডি কার্ড ঘুষ ও স্বজনপ্রীতিমুক্তভাবে প্রকৃত প্রাপকদের মাঝে বিতরণ।

​বাল্যবিয়ে ও যৌতুক প্রথা কঠোরভাবে প্রতিরোধ।

 ৮. কর্মসংস্থান ও নারী ক্ষমতায়ন:

​নারীদের সেলাই, বুটিক ও হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করা।

​যুব সমাজকে ফ্রিল্যান্সিং, ড্রাইভিং ও কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করা।

​নতুন উদ্যোক্তাদের সরকারি প্রণোদনা ও ঋণ প্রাপ্তিতে সহায়তা।

 ৯. মাদক, চাঁদাবাজি ও অপরাধমুক্ত নিরাপদ পৌরসভা:

​মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো আশ্রয় দেওয়া হবে না।

 সিন্ডিকেট নির্মূল: বাজার বা গণপরিবহনে যেকোনো চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট সম্পূর্ণ বন্ধ।

​নিরাপত্তা ব্যবস্থা: অপরাধপ্রবণ এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও নৈশপ্রহরীর টহল জোরদার।

​নিরপেক্ষ সালিশ: কোন্দল বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ কোনো পক্ষপাত ছাড়াই সমাধানের মাধ্যমে সমাধান।

 

​ স্বচ্ছতা ও সততাকে আমার পৌরসভা প্রতিফলিত করতে চাই। আমি আপনাদের শাসন করতে আসিনি, আপনাদের সেবা করতে এসেছি। আমার ওপর আস্থা রাখুন, ইনশাআল্লাহ আপনাদের সাথে নিয়ে আমি কালীগঞ্জ পৌরসভারকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে উপহার দিতে চায়।

যোগাযোগের ঠিকানা:

বাংলাদেশ বার্তা টুডে

৫৬, চানখারপুল লেন, নাজিমুদ্দিন রোড, বংশাল, ঢাকা-১১০০

ইমেইল: info@bangladeshbartatoday.com