বাংলাদেশ বার্তা টুডে
সাতক্ষীরায় সমবায় মডেল গ্রাম প্রতিষ্ঠায় উপকারভোগীদের মাঝে চেক বিতরণ
সাতক্ষীরায় সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন "সমবায় মডেল গ্রাম প্রতিষ্ঠা পাইলট প্রকল্প" এর আওতায় পারুলিয়া মডেল গ্রাম সমবায় সমিতির উপকারভোগী সদস্যদের মাঝে ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকাল ৪টায় উপজেলা মডেল মসজিদের সভাকক্ষে প্রকল্প দপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক মো.সেলিম ফকির। অন্যান্যাদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রকল্প পরিচালক হেলাল উদ্দিন, জেলা সমবায় কর্মকর্তা আশিকুর রহমান, পারুলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, জেলা জামায়াতে সহকারী সেক্রেটারী মাহবুবুর আলম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, সারাদেশের ১২ টি উপজেলার ১২টি গ্রাম নিয়ে এই প্রকল্পটি শুরু হয়েছে। বর্তমান সরকারের উদ্দেশ্য প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করা। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়নের জন্য উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডের প্রসার করতে এই প্রকল্পটি কাজ করে যাচ্ছে। এরমাধ্যমে আদর্শ গ্রাম গঠন হবে। এসময় ৩শ পরিবারের মাঝে দেড় কোটি টাকার ঋণের চেক প্রদান করা হয়। এছাড়া উপকারভোগীদের মাঝে বিভিন্ন ফলজ বনজ গাছের চারা প্রদান করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনন্সট্রাক্টর মহিতোষ কর্মকার।
কালীগঞ্জে নগর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্পের পরামর্শকরণ সভা-২ অনুষ্ঠিত
গাজীপুরের কালীগঞ্জে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার বিভাগ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ এর আওতায় পৌরসভা নগর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্পের কালিগঞ্জ পৌরসভার পরামর্শকরণ সভা-২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে কালীগঞ্জ পৌরসভা মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্পের পরামর্শকরণ সভা কালীগঞ্জ পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পৌরসভার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালটেন্টস লিমিটেডের দলনেতা ড. মোঃ জহিরুল হক, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার লিমা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পণা কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানা রশিদ, কালীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল-আমিন দেওয়ান, পৌরসভা উন্নয়ন কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ, মো. আলম খান প্রমূখ। কালীগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মন্নুর আহমেদ এর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মাঝে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জেসমির আক্তার, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আফরোজা বেগম, উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউল হক, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. সামসুজ্জামান, কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মো. মোফাজ্জল হোসেন মোমেন, মো. রুহুল আমিন, পৌরসভা উন্নয়ন কমিটির সদস্য মো. মকবুল হোসেন, কাউছার মাহমুদ লাল মিয়া উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা মাঠপর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে মতামত প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা মনে করেন এ ধরনের উদ্যোগ নগর উন্নয়ন ও পরিকল্পিত অবকাঠামো গড়ে তুলতে নিঃসন্দেহে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী হুমায়রা শাহরীনের গৌরবময় ট্যালেন্ট পুলে বৃত্তি অর্জন
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এ ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করেছে নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী হুমায়রা শাহরীন। তার এ সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। হুমায়রা শাহরীন বর্তমানে নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ‘গ’ শাখার শিক্ষার্থী। তার রোল নম্বর ০১। হুমায়রা ১০ নম্বর বলিহার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম রিয়াজ উদ্দীন সরদারের নাতনি। তার বাবা এস এম হোসেন আলী রাজশাহীর তানোর উপজেলার তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক। মা মোছা. নীলিমা আফরোজ নওগাঁ সদর তথ্যকেন্দ্রে তথ্যসেবা সহকারী হিসেবে কর্মরত। তাদের গ্রামের বাড়ি নওগাঁর বলিহার ইউনিয়নের কিসমত কসবা গ্রামে। হুমায়রা শাহরীনের এ কৃতিত্বে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষকবৃন্দ ও এলাকাবাসী আনন্দিত ও গর্বিত। তারা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, সুস্বাস্থ্য এবং জীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেছেন।
নওগাঁয় অনলাইন জুয়ার আস্তানায় পুলিশের অভিযান, ডিলারসহ গ্রেফতার ৪
নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ । এ সময় অনলাইন জুয়া পরিচালনায় ব্যবহৃত কম্পিউটার, মনিটর, সিপিইউ ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নওগাঁ সদর মডেল থানাধীন পার নওগাঁ সর্দারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—অনলাইন জুয়ার ডিলার আবু সাঈদ মোল্লা ওরফে রাজন (৩১), নাহিদ হাসান (৩০), মশিউর রহমান (৩১) ও আরিফ হোসেন (৩৬)। তারা সবাই নওগাঁ জেলার বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত দুটি কম্পিউটার মনিটর, দুটি সিপিইউ, দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা ওই স্থানে ছোট পরিসরে একটি অনলাইন জুয়ার কেন্দ্র পরিচালনা করছিলেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে কিশোর ও তরুণরা সেখানে অনলাইন জুয়া খেলতে যেত। অভিযোগ রয়েছে, গ্রেফতারকৃতরা বিভিন্নভাবে মানুষকে অনলাইন জুয়ায় অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করতেন। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে নওগাঁ জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে তিস্তার পানি বাড়ছে, স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিস্তার পানি বর্তমানে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় লালমনিরহাটের নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে চরাঞ্চল ও তীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল ৩ টার তথ্য অনুযায়ী, দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১০ মিটার। বিপদসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার হওয়ায় পানি বর্তমানে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিন ধরে তিস্তার পানি ওঠানামা করলেও উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় নদীতে পানির চাপ বাড়ছে। এতে চরাঞ্চলের নিচু এলাকা, ফসলি জমি ও কাঁচা রাস্তায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পানি আরও বাড়লে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা তীরবর্তী বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অনেক অংশ সংস্কার না করায় পানি বৃদ্ধি পেলেই ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়। শুষ্ক মৌসুমে স্থায়ী সংস্কারের পরিবর্তে বর্ষাকালে জরুরি মেরামতের কারণে কার্যকর সুরক্ষা নিশ্চিত হয় না। এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি অথবা বিদ্যমান পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে। অন্যদিকে সোমবারের তথ্য অনুযায়ী দেশের চারটি নদী স্টেশনে পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এগুলো হলো সুরমা নদীর ছাতক, কুশিয়ারা নদীর মারকুলি ও ফেঞ্চুগঞ্জ এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা স্টেশন। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া নদীতে না নামার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এজেএফবি স্টার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন অপরূপ টিভির চেয়ারম্যান সাংবাদিক জিন্নাত আলী
সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আর্টিস্ট জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ (এজেএফবি) আয়োজিত AJFB Star Award-2026-এ সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদে ভূষিত হয়েছেন চট্টগ্রামের জনপ্রিয় অনলাইন টেলিভিশন চ্যানেল অপরূপ টিভির চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোঃজিন্নাত আলী। রাজধানীর ইস্কাটনে অবস্থিত বিয়াম অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের গুণী ব্যক্তি ও কৃতীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রিত থাকলেও সংসদ অধিবেশন চলমান থাকায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক,বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক মির্জা ফয়সাল আমিন এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য পরিচালক মো. শরীফুল ইসলাম শরীফ। অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র,টেলিভিশন,সংগীত,নৃত্য,বিজ্ঞাপন ও সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা জানানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অপরূপ টিভির চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক জিন্নাত আলীকে AJFB Star Award-2026 প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আর্টিস্ট জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফারুক হোসেন মজুমদার। এ সময় দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব,শিল্পী ও বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
সেনবাগ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক, অস্ত্র ও বিভিন্ন মামলার ৭ আসামি গ্রেফতার
নোয়াখালীর সেনবাগ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি, মাদক ব্যবসায়ী ও চুরির ঘটনায় জড়িতসহ মোট ৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ৮টি মামলার আসামি আবুল বাশার ওরফে বাদশা মিয়া (৪৮)-কে ২৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে আব্দুল মান্নান ওরফে মান্নান চোরা (৫০)-কেও আটক করা হয়। এছাড়া মাদক ও অস্ত্রসহ ১৪টি মামলার আসামি এবং পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী লাল বেলাল, ছাতারপাইয়া বাজারের মাদক ব্যবসার ডিলার কামরুল হাসান, জিআর গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত মোঃ ইসরাফিল, চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত আব্দুল লতিফ ওরফে ফয়সাল এবং নিয়মিত মামলার আসামি নুর ইসলাম ওরফে সাগর (৩৫)-কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত সকল আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সেনবাগ থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তাদের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বর্ষার দুর্দিনে সীমান্ত/বাসীর পাশে ৪৭ বিজিবি, ১০০ পরিবা/রের মাঝে খাদ্য সহা/য়তা
বর্ষা মৌসুমে টানা বৃষ্টিপাত ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়া সীমান্তবর্তী দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)। মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর এলাকায় ১০০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে সীমান্তরক্ষী এই বাহিনী। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রাগপুর পুরাতন বিজিবি ক্যাম্প প্রাঙ্গণে এ খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সীমান্তবর্তী এলাকার কর্মহীন দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক ও নিম্নআয়ের পরিবারের সদস্যদের হাতে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। বিজিবি জানায়, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানবিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বাহিনীটি। চলমান বর্ষায় সীমান্ত অঞ্চলের অনেক মানুষ কাজের সুযোগ হারিয়ে মানবিক সংকটে পড়েছেন। তাদের এই দুর্দশা লাঘবে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) খাদ্য সহায়তার উদ্যোগ গ্রহণ করে। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্তবর্তী জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটকালে তাদের পাশে থাকা বাহিনীর দায়িত্বের অংশ। ভবিষ্যতেও অসহায় মানুষের কল্যাণে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। খাদ্য সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, বর্ষাকালে কাজ না থাকায় পরিবার নিয়ে চরম কষ্টে দিন কাটছিল। এই সহায়তা তাদের জন্য সময়োপযোগী ও স্বস্তিদায়ক হয়েছে।
মহাদেবপুরে নিজ বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে দম্পতির লাশ উদ্ধার
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় নিজ বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামে এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতরা হলেন—লোকমান মণ্ডল (৫৫) ও তার স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম (৫০)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই দম্পতি তাদের ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে একই বাড়িতে বসবাস করতেন। ভোর প্রায় ৪টার দিকে তাদের ছেলে মুক্তার হোসেন স্বজনদের ফোন করে বাবা-মায়ের হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার কথা জানান। পরে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা বাড়িতে গিয়ে শয়নকক্ষে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে মহাদেবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, প্রাথমিকভাবে নিহতদের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কী কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তিনি আরও জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে নিহত দম্পতির ছেলে মুক্তারের অনলাইন জুয়ায় আসক্ত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে ওই বিষয়টির কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্ত শেষ হওয়ার আগে বলা সম্ভব নয়।
পূর্বানুমানযোগ্য বন্যা, অপরিকল্পিত নগর ব্যবস্থা অপ্রস্তুত ঢাকা
“সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, এত বড় বড় বন্যার অভিজ্ঞতাও বাংলাদেশের রাজধানীর জন্য কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি কোনো বন্যা ব্যবস্থাপনা কৌশল গড়ে তুলতে পারেনি।” ঢাকা: ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকায় রেকর্ড ৮৩৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল। শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও, মাত্র এক মাসেই রাজধানীতে প্রায় ২৫ কোটি ৬০ লাখ ঘনমিটার পানি নেমে এসেছিল—যা প্রায় এক লক্ষেরও বেশি অলিম্পিক মানের সুইমিং পুল পানিতে পূর্ণ করার সমান। এর পরিণতি ছিল ভয়াবহ। সড়ক তলিয়ে যায়, অসংখ্য বাড়িঘর প্লাবিত হয়, প্রাণহানি ঘটে এবং নগরজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। কিন্তু সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয় হলো, এই বিপর্যয়ও ঢাকার জন্য কার্যকর ও টেকসই বন্যা ব্যবস্থাপনার কোনো বাস্তবসম্মত কৌশল গড়ে তুলতে পারেনি। সম্প্রতি ১৯৮৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪০ বছরের মাসভিত্তিক বৃষ্টিপাতের তথ্য বিশ্লেষণ করে যে বাস্তবতা উঠে এসেছে, তা আমাদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনাগত উদাসীনতাকে স্পষ্টভাবে সামনে নিয়ে আসে। ঢাকার সমস্যা কোনো আকস্মিক বা ব্যতিক্রমী আবহাওয়া নয়; বরং এটি পরিসংখ্যানগতভাবে পূর্বানুমানযোগ্য এবং গাণিতিকভাবে পরিমাপযোগ্য এক জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি, যার জন্য শহরটি কখনোই যথাযথভাবে পরিকল্পিত হয়নি। এই ৪০ বছরে ৫০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে এমন ২৯টি ‘চরম বৃষ্টিপাতের মাস’ শনাক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতি ১৬ মাসে একবার এমন একটি বড় বৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে। সবচেয়ে তীব্র ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে সেপ্টেম্বর ২০০৪ (৮৩৯ মিমি), জুলাই ২০০৭ (৭৫৩ মিমি), সেপ্টেম্বর ১৯৯১ (৬৯২ মিমি) এবং সেপ্টেম্বর ১৯৮৬ (৬৮৭ মিমি)। এগুলো কেবল লাখো মানুষের ব্যক্তিগত দুর্ভোগের ইতিহাস নয়; নগর পরিকল্পনার ভাষায় এগুলো সেই মানদণ্ড, যার ভিত্তিতে একটি শহরের সহনশীলতা নির্ধারণ করা উচিত। বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার পাম্প স্টেশনগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় ২৪ ঘণ্টা চালিয়েও প্রতিদিন প্রায় ৮৬ লাখ ঘনমিটার পানি নিষ্কাশন করতে পারে। অথচ ২০০৪ সালের মতো একটি চরম বৃষ্টিপাতের ঘটনায় শহরে নেমে আসে প্রায় ২৫ কোটি ৬০ লাখ ঘনমিটার পানি। অর্থাৎ বিদ্যমান ব্যবস্থার সক্ষমতা মোট পানির মাত্র ৩.৪ শতাংশ অপসারণ করতে পারে; বাকি ৯৬.৬ শতাংশ পানি রাস্তাঘাট, অলিগলি এবং বসতবাড়িতে জমে থাকে। এই বাস্তবতার সবচেয়ে বেদনাদায়ক দিক হলো—ঢাকাকে একসময় যে প্রাকৃতিক ব্যবস্থা বন্যা থেকে রক্ষা করত, অর্থাৎ খাল, হাওর, বিল এবং পূর্বাঞ্চলের প্রাকৃতিক বন্যাভূমি, সেগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হারিয়ে যায়নি; বরং আমাদের নিজেদের পরিকল্পনাহীন উন্নয়নই সেগুলো ধ্বংস করেছে। ১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বৃহত্তর ঢাকা মহানগরে অর্ধেকেরও বেশি জলাভূমি বিলুপ্ত হয়েছে। রিমোট সেন্সিংভিত্তিক গবেষণায় দেখা যায়, শুধু ২০০০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যেই জলাশয়ের পরিমাণ প্রায় ১৩ শতাংশ কমে গেছে। একসময় কেন্দ্রীয় ঢাকার বৃষ্টির পানি বালু নদীতে পৌঁছে দেওয়া বেগুনবাড়ী খাল আজ প্রায় কংক্রিটে আবদ্ধ একটি সংকীর্ণ নালায় পরিণত হয়েছে। একইভাবে, শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক বন্যা প্রতিরোধক পূর্বাঞ্চলের নিম্নভূমি ভরাট করে গড়ে তোলা হয়েছে পূর্বাচল ও বসুন্ধরা আবাসন প্রকল্প। গবেষণা অনুযায়ী, প্রতি হেক্টর জলাভূমি হারালে নগর এলাকার প্রাকৃতিক পানি ধারণক্ষমতা ২,৫০০ থেকে ৬,৫০০ ঘনমিটার কমে যায়। ১৯৮৫ সালের পর থেকে ঢাকা প্রায় ৫,০০০ হেক্টর কার্যকর জলাভূমি হারিয়েছে। ফলে শহরটি আনুমানিক ১২.৫ থেকে ৩২.৫ কোটি ঘনমিটার প্রাকৃতিক বন্যা ধারণক্ষমতা হারিয়েছে। অর্থাৎ, যে পানি একসময় প্রকৃতি নিজেই ধারণ করতে পারত, তা আজ সরাসরি শহরের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। বৃষ্টিপাতের তীব্রতা বাড়ার পাশাপাশি শহর নিজেই তার প্রাকৃতিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলেছে। একই ভুলের পুনরাবৃত্তি বাংলাদেশের নগর পানি ব্যবস্থাপনার ইতিহাস যেন একটি পূর্বপরিচিত চক্র অনুসরণ করে। প্রথমে ভয়াবহ বন্যা হয়, এরপর রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি আসে, উন্নয়ন সহযোগীরা অর্থায়নের ঘোষণা দেয়, কিছু ড্রেনেজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। কিন্তু পরবর্তী বড় বৃষ্টিতেই সেই উন্নত ব্যবস্থাও অকার্যকর হয়ে পড়ে, এবং একই চক্র আবার শুরু হয়। ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যার পর ফ্লাড অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু তার অল্প সময় পরই ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বরে আবারও ৬৯২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। ১৯৯৮ সালের ঐতিহাসিক বন্যার পর মহানগর উন্নয়ন পরিকল্পনা সংশোধন করা হয় এবং বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রকল্প শুরু হয়। এরপর ২০০৪ সালে ৮৩৯ মিলিমিটার বৃষ্টি সেই ব্যবস্থাকেও অপ্রতুল প্রমাণ করে। পরবর্তীতে নতুন ড্রেনেজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও ২০০৭ সালে আবার ৭৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। অতীতের দুর্যোগকে ভিত্তি করে পরিকল্পনা করলে নগর পরিকল্পনা সব সময়ই এক মৌসুম পিছিয়ে থাকবে। বাস্তবতা হলো, আমরা তথ্য থেকে শিক্ষা নিচ্ছি না; বরং প্রতিবারই তথ্য আমাদের বিস্মিত করছে। ঢাকা কি ‘স্পঞ্জ সিটি’ হতে পারে? ‘স্পঞ্জ সিটি’ ধারণা ড্রেন নির্মাণ বন্ধ করার কথা বলে না। বরং এটি মনে করিয়ে দেয় যে, শুধু ড্রেন নির্মাণ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। প্রকৃত সমাধান হলো পানি দ্রুত সরিয়ে দেওয়া নয়, বরং যেখানে বৃষ্টি হয় সেখানেই যতটা সম্ভব পানি ধরে রাখা, ধীরে ধীরে তা নিষ্কাশন করা এবং এই ব্যবস্থাকে ভূমি ব্যবহারের পরিকল্পনার সঙ্গে একীভূত করা। ঢাকার জন্য পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে— 1. বাধ্যতামূলক অন-সাইট পানি ধারণ ব্যবস্থা: এক হাজার বর্গমিটারের বেশি অপ্রবেশ্য (Impervious) পৃষ্ঠবিশিষ্ট নতুন সব উন্নয়ন প্রকল্পে প্রথম ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টির পানি নিজস্ব ব্যবস্থায় সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। এ জন্য গ্রিন রুফ, বায়োরিটেনশন সেল, পারমিয়েবল পেভমেন্ট বা ভূগর্ভস্থ রেইনওয়াটার সিস্টার্ন ব্যবহার করা যেতে পারে। 2. খাল পুনরুদ্ধারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: নতুন কংক্রিট অবকাঠামো নির্মাণের তুলনায় একটি কার্যকর খাল পুনরুদ্ধার অনেক বেশি ব্যয়-সাশ্রয়ী এবং একই সঙ্গে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নগরের তাপমাত্রা হ্রাস ও ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শুধু বেগুনবাড়ী খাল পুনরুদ্ধার করলেও কেন্দ্রীয় ঢাকার পানি ধারণক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। 3. অবশিষ্ট জলাভূমির আইনি সুরক্ষা: ডেমরা–নরসিংদী সড়কের পূর্বাঞ্চলে যে জলাভূমিগুলো এখনও টিকে আছে, সেগুলোকে স্থায়ীভাবে পরিবেশগত সংরক্ষিত অঞ্চল (Ecological Reserve) ঘোষণা করতে হবে এবং ওই এলাকায় চলমান সব উন্নয়ন অনুমোদন বাতিল করতে হবে। 4. ছোট আকারের রিটেনশন বেসিন নির্মাণ: শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে অর্ধ হেক্টর থেকে দুই হেক্টর আয়তনের প্রায় ২০০ থেকে ৪০০টি পানি ধারণ বেসিন নির্মাণ করে সেগুলোকে খাল নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। 5. বাজেট পুনর্বিন্যাস: আগামী ১০ বছরে পানি ব্যবস্থাপনায় বরাদ্দের বর্তমান ৮৫–৯০ শতাংশ গ্রে ইনফ্রাস্ট্রাকচার নির্ভরতা কমিয়ে গ্রে ও ব্লু-গ্রিন ইনফ্রাস্ট্রাকচারের মধ্যে ৫০:৫০ ভারসাম্য আনতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান পাইপলাইন ও পাম্পিং ব্যবস্থার যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণও অব্যাহত রাখতে হবে। শেষ পর্যন্ত নীতিনির্ধারক ও নগর পরিকল্পনাবিদদের সামনে মূল প্রশ্নটি হলো—ঢাকা কি জলাভূমি ও খাল সংরক্ষণে বিনিয়োগ করতে পারবে কি না, সেটি নয়; বরং আরেকটি ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর বা ২০০৭ সালের জুলাইয়ের মতো বিপর্যয়ের মূল্য পরিশোধ করার সামর্থ্য আদৌ ঢাকার আছে কি না। সবশেষ চরম বৃষ্টিপাতের মাস ছিল আগস্ট ২০২৪। পরিসংখ্যান বলছে, গড়ে প্রতি ১৬ মাসে এমন একটি ঘটনা ফিরে আসে। সেই সময়সীমা ইতোমধ্যেই অতিক্রম করেছে। ২০২৬ সালের বর্ষা শুরু হয়ে গেছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, যদি আবার একটি চরম বৃষ্টিপাতের মাস আসে, তাহলে ঢাকা এখনও তার জন্য প্রস্তুত নয়। গত ৪০ বছর ধরে তথ্য আমাদের একই সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে। এখন প্রশ্ন একটাই—ক্ষমতার আসনে যারা আছেন, তারা কি সেই সতর্কবার্তা শুনছেন? লেখক: মাসুদুর রশীদ, নগর পরিকল্পনাবিদ
গাইবান্ধা ডিবি পুলিশের অভিযানে ফুলছড়ি উপজেলায় উদাখালী ইউনিয়নে ইয়াবা সহ আটক
পুলিশ সুপার, গাইবান্ধা মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, গাইবান্ধা এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জিডি নং-৯০, ইং-১২/০৭/২০২৬খ্রিঃ মূলে মোটরসাইকেল যোগে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ গাইবান্ধা ফুলছড়ি থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযান করে ইং-১২/০৭/২০২৬ তারিখ গাইবান্ধা ফুলছড়ি থানাধীন ০৩ নং উদাখালী ইউপির ০৭নং ওয়ার্ডের উদাখালী, কানিপাড়া গ্রামস্থ ধৃত আসামীর বসত বাড়ির ভিতর খোলা বারান্দায় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়কালে একজন ব্যক্তি কৌশলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় ঘটনাস্থল আসামী ১। মাজহারুল ইসলাম (৪৬), পিং-মৃত গাজিউর রহমান, সাং- উদাখালী, কানিপড়া, থানা- ফুলছড়ি, জেলা- গাইবান্ধাকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষী ও আশপাশের লোকজনের সামনে বিধি মোতাবেক পর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক লাইটের আলোতে ধৃত আসামী মোঃ মাজাহারুল ইসলাম (৪৬) এর দেহ তল্লাশীকালে তাহার পরিহিত প্যান্টের সামনের বাম পকেট হতে নিজ হাতে বের করে দেওয়া একটি নীল রংয়ের জিপার প্যাকেট হইতে কমলা রংয়ের ১০৫ (একশত পাঁচ) পিস মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট, যাহার প্রতিটি ট্যাবলেট ওজন ০.১ গ্রাম, মোট ওজন (০.১দ্ধ১০৫)= ১০.৫(দশ দশমিক পাঁচ) গ্রাম উদ্ধারপূর্বক ইং ১২/০৭/২০২৬ তারিখ ২৩.৩০ ঘটিকায় জব্দ তালিকামূলে জব্দ করিয়া গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি থানার মামলা নং-০৯, তারিখ-১৩/০৭/২০২৬খ্রিঃ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
মঠবাড়িয়ায় টানা বর্ষণে আমন বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ
প্রায় সপ্তাহব্যাপী টানা বৃষ্টিতে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার কৃষকরা আমন বীজতলা নিয়ে কৃষকরা শংকিত। তৈরী করা বীজতলা অতিবর্ষণের পানিতে তলিয়ে থাকায় বীজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আবার ক্ষেত পানিতে তলিয়ে থাকায় কৃষকরা নতুন ভাবে বীজতলা করতে পারছেনা। তাই আমন আবাদ বিঘœ হওয়ার আশংকা করছে কৃষকরা। উপজেলা কৃষি দপ্তর থেকে দেয়া তথ্য মতে আমনের জন্য এখন পর্যন্ত তৈরী করা ৭ শত হেক্টর বীজতলাই আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। একই সাথে পানির নিচে তলিয়ে থাকায় প্রায় ১৯শত হেক্টর আউশ ফসলও ক্ষতির মুখে আছে। সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা হলো মিরুখালী, দাউদখালী, টিকিকাটা ও সাপলেজা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম। এছাড়া সবজি, কলা ও পেপে ক্ষেতও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। নাগ্রাভাঙ্গা গ্রামের কৃষক মো. সোলায়মান ফরাজী জানান, তার প্রায় ৫০শতক বীজতলা পানির নিচে তলিয়ে আছে। পানি দ্রুত না কমলে বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ হবে বলে তিনি জানান। পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের কৃষক মো. হুমায়ুন কবির জানান, বীজতলা করার জন্য ১০ কেজি ধান ভিজিয়ে রেখেছেন। কিন্তু ক্ষেত পানির নিচে থাকায় বীজতলা করতে না পারায় বীজ ধান পঁচে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ একাধীক কৃষক জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অপরিকল্পিত বেরিবাঁধ, স্লুইচগেট না থাকা পানি বদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুন নেছা সুমি জানান, টানা বৃষ্টিতে পানি বদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে বীজতলা আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হলেও এখন পর্যন্ত সহনীয় পর্যায়ে আছে। পানি বদ্ধতা আরও ২/৩ দিন স্থায়ী হলে ক্ষতি বারবে বলে তিনি জানান। কৃষকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করে তাদের করনীয় সম্পর্কে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
পাঁচবিবিতে মাদকদ্রব্যসহ ব্যবসায়ীকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ৩'শ পিস আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় নেশা জাতীয় ইনজেকশন এ্যাম্পুলসহ আবুজার রহমান (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। রবিবার বিকালে উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের সীমান্তঘেঁষা শ্রীমন্তপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত পাঁচবিবি উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের উচনা গ্রামের মোঃ শাহার উদ্দিনের ছেলে। জয়পুরহাট জেলা ডিবি পুলিশের ওসি মোঃ আসাদুল ইসলাম আসাদ জানান, রবিবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি ভারত থেকে মাদকদ্রব্য দেশে প্রবেশ করছে। এমন সংবাদ পেয়ে ডিবি পুলিশের সিনিয়র এসআই মোঃ শাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে শ্রীমন্তপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এ্যাম্পুলসহ আবুজারকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৩'শ পিস আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় নেশা জাতীয় ইনজেকশন এ্যাম্পুল উদ্ধার করা হয়েছে। আটককৃত আবুজারের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। জেলা পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম জানায়, সমগ্র জেলাসহ বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালান ও কেনাবেচা রোধে ডিবিসহ অন্যান্য ইউনিটের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর ধা/রা/লো অ/স্ত্রে/র আ/ঘা/তে স্ত্রীকে হ/ত্যা , স্বামী পলাতক
শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রীকে হত্যা , স্বামী পলাতক মহিউদ্দিন আহমেদ শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ধারালো স্বামীর অস্ত্রের আঘাতে নাছিমা আক্তার (২৭) নামে গার্মেন্টস কর্মীকে হত্যার অভিযোগ তার পরিবারের স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর পালিয়ে গেছে তার স্বামী সাইদুল ইসলাম। রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকার জনৈক মজনু মিয়ার বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীপুর থানার পরিদর্শক অপারেশন সঞ্জয় সাহা। নাছিমা আক্তারের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার কৈলশাপুর বনপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত আব্দুর রাজ্জাক। নাছিমা শ্রীপুরের একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন। নাছিমা আক্তারের ভাই মাসুম আহমেদ বলেন, বোনের ভাড়া বাসার অদূরে একটি বাড়িতে ভাড়া থেকে তিনিও গার্মেন্টস কর্মী হিসেবে কাজ করেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে নাছিমার বাসার অন্য ভাড়াটিয়ারা খবর দিলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। সেখান বোনকে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম অবস্থায় ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। এ সময় ভগ্নিপতি সাইদুল পালিয়ে গেছে। আশপাশের লোকজনের সহায়তায় নাছিমাকে দ্রুত শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মাসুম আহমেদ আরও জানান, বিয়ের পর কিছুদিন নাছিমার দাম্পত্য জীবন ভালোই কাটছিল। হঠাৎ করে ভগ্নিপতি সাইদুল মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায় ঝগড়াঝাঁটি হতো। তবে পারিবারিক অশান্তি হলেও দুটি সন্তানের কারণে সংসার ভাঙেনি বোন। শেষ পর্যন্ত স্বামীই নাছিমাকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করেছে বলে তার দাবি। শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, নাছিমা নামের নারীকে মৃত অবস্থায় তার স্বজনরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আসার পরপরই পুলিশে খবর দেওয়া হয়। নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় সাহা বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। নাছিমাকে হত্যার পর তার মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘাতক স্বামী পালিয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত রয়েছে। ঘাতক স্বামীকে গ্রেপ্তারে কাজ চলছে। এ ঘটনায় মামলা হবে।
সমালোচিত হরিদাস তরনী গ্রেপ্তার সিআইডির অভিযান মানিলন্ডারিং মামলায়
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ৮২ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি স্থাপনের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরনী দাসকে মানিলন্ডারিং মামলায় গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান। এর আগে রোববার (১২ জুলাই) গভীর রাতে ঢাকায় সিআইডির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পলাশবাড়ী থানার ওসি সরোয়ার আলম খান জানান, ঢাকার উত্তরার পশ্চিম থানায় দায়ের করা একটি মানিলন্ডারিং মামলায় সিআইডির বিশেষ দল পলাশবাড়ী পুলিশের সহযোগিতায় হরিদাসকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে সিআইডির হেফাজতে নিয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়। ওসি আরও বলেন, হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ধর্মকে পুঁজি করে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও ২০২২ সালের ৮ নভেম্বর বিভিন্ন কর্মকর্তা ও মন্ত্রীর ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে বদলি বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি এবং প্রতারণার মাধ্যমে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে। পরে দেশে ফিরে ধর্ম ও মূর্তিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক পর্যায়ে তিনি ধর্ম পরিবর্তন করে ‘তাওহীদ ইসলাম’ নাম গ্রহণ করেন এবং সুমি ইসলাম নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ৮২ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার পর তিনি নতুন করে আলোচনায় আসেন। গত কয়েক মাস ধরে উন্মুক্ত স্থানে রামমূর্তি নির্মাণের প্রতিবাদে বিভিন্ন সংগঠন আন্দোলন চালিয়ে আসছে। এসব সংগঠনের পক্ষ থেকে রামমূর্তি নির্মাণ বন্ধ, হরিদাসকে গ্রেপ্তার এবং তার বিপুল সম্পদের উৎস তদন্তের দাবি জানানো হয়। এদিকে, পলাশবাড়ী উপজেলার শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির প্রাঙ্গণে নির্মাণাধীন রামমূর্তি অপসারণের দাবিতে পলাশবাড়ী ইমাম-ওলামা পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন সময়ে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।