ভারত
একই মঞ্চে মোদি–শি–পুতিন: BRICS কি নতুন কূটনৈতিক শক্তিকেন্দ্রের জন্ম দিচ্ছে?
একই মঞ্চে মোদি–শি–পুতিন: BRICS কি নতুন কূটনৈতিক শক্তিকেন্দ্রের জন্ম দিচ্ছে? সাবহেডলাইন: নয়াদিল্লি সম্মেলনে ভারত–চীন সম্পর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত, রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা ও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ—বদলে যাচ্ছে বৈশ্বিক শক্তির সমীকরণ বিশেষ প্রতিনিধি: সঞ্জয় মজুমদার নয়াদিল্লিতে ১২–১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অনুষ্ঠিত ১৮তম BRICS সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একই কূটনৈতিক মঞ্চে অবস্থান করছেন। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন যুদ্ধ, বৈশ্বিক বাণিজ্য-ঝুঁকি এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সংস্কারের দাবির মধ্যে এই সম্মেলন BRICS-এর ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক মনোযোগ তৈরি করেছে। সম্মেলনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিকগুলোর একটি হলো ভারত ও চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি যোগাযোগ। ১২ সেপ্টেম্বর মোদি ও শি জিনপিং দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন। ভারতের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দুই নেতা সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি, বাণিজ্য, যোগাযোগ ও সীমান্ত পরিস্থিতিসহ পারস্পরিক স্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। সাত বছর পর শির ভারত সফর হওয়ায় বৈঠকটি বিশেষ কূটনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। তবে এই rapprochement বা সম্পর্কোন্নয়নের সম্ভাবনাকে অতিরিক্ত আশাবাদীভাবে দেখার সুযোগ নেই। ২০২০ সালের সীমান্ত সংঘর্ষের পর ভারত ও চীনের মধ্যে সামরিক ও কৌশলগত অবিশ্বাস পুরোপুরি দূর হয়নি। একই সঙ্গে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক গভীর হলেও ভারতের বড় বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। Reuters-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১৫৫.৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালেও চীনের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল। রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কও সম্মেলনের গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ। ১১ সেপ্টেম্বর মোদি ও পুতিন বৈঠকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, মহাকাশ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেন। ভারতের সরকারি বিবৃতিতে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং BRICS-এর বহুপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়ও গুরুত্ব পেয়েছে। অন্যদিকে BRICS-এর সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হচ্ছে অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যের মধ্যেও অভিন্ন অবস্থান তৈরি করা। ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত একই জোটে থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে তাদের অবস্থান সব বিষয়ে অভিন্ন নয়। তারপরও ১২ সেপ্টেম্বর BRICS একটি যৌথ ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সংযমের আহ্বান জানায় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে। BRICS-এর ঘোষণায় আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সংস্কারের প্রশ্নও সামনে এসেছে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থায় Global South-এর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়া পশ্চিমা-নির্ভর আন্তর্জাতিক কাঠামোর বিকল্প ও অধিক বহুমেরু ব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান জোরদার করছে। তবে ভারত একই সঙ্গে স্পষ্ট করেছে যে BRICS কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে জোট নয়। এখানেই BRICS-এর প্রকৃত কৌশলগত প্রশ্নটি সামনে আসে। এটি কি পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থার বিকল্প শক্তিকেন্দ্র হয়ে উঠবে, নাকি বিভিন্ন জাতীয় স্বার্থের সমন্বয়কারী একটি কূটনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই থাকবে? কারণ সদস্যদেশগুলোর অর্থনৈতিক স্বার্থ, নিরাপত্তা অগ্রাধিকার ও পররাষ্ট্রনীতি এক নয়। ফলে অভিন্ন ঘোষণা দেওয়া সম্ভব হলেও দীর্ঘমেয়াদি যৌথ নীতি বাস্তবায়ন করা অনেক বেশি কঠিন। বর্তমান বাস্তবতায় BRICS-এর প্রভাব কেবল অর্থনীতি বা বাণিজ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, ইউক্রেন সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তা, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার—প্রতিটি ক্ষেত্রেই জোটটি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে ভারতকে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে। বাংলাদেশের জন্যও এর গুরুত্ব রয়েছে। BRICS যদি বাণিজ্য, উন্নয়ন অর্থায়ন, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন, জ্বালানি সহযোগিতা ও Global South-এর কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করতে পারে, তাহলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য নতুন অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে একই সঙ্গে বিশ্ববাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে ভূরাজনৈতিক বিভাজন বাড়লে আমদানি ব্যয়, পরিবহন ব্যয় ও বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে। সব মিলিয়ে নয়াদিল্লির BRICS সম্মেলনকে শুধু তিন নেতার বৈঠক হিসেবে দেখলে এর গভীরতা বোঝা যাবে না। মোদি–শি–পুতিনের একই মঞ্চে উপস্থিতি একটি পরিবর্তনশীল বিশ্বব্যবস্থার প্রতীক হলেও, BRICS সত্যিই নতুন বৈশ্বিক শক্তিকেন্দ্র হয়ে উঠবে কি না—তার উত্তর নির্ভর করবে সদস্যদেশগুলো তাদের পারস্পরিক মতপার্থক্য কতটা সামলে বাস্তব অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতায় রূপ দিতে পারে তার ওপর। ১২–১৩ সেপ্টেম্বরের নয়াদিল্লি সম্মেলন সেই পরীক্ষারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
চুনারুঘাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে যুবক নিহত
চুনারুঘাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে যুবক নিহত চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের চিমটিবিল সিমান্তে বিএসএফের গুলিতে সোহাগ মিয়া নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। সে সীমান্ত এলাকার শফিক মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। ৩০ আগস্ট দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের চিমটিবিল খাসপাড়া সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নিহতের চাচা আব্দুল কাদির জানান, প্রতিদিনের ন্যায় আজ সকালে নিহত সোহাগ মিয়া সীমান্ত এলাকায় গরু রাখতে গেলে, বিএসএফ অতর্কিতভাবে তার ওপর গুলি চালায়। একপর্যায়ে তাকে খুঁজে না পাওয়া গেলে তার পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে সীমান্ত এলাকায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিরাজাম মুনিরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর ঘটনাটি নিশ্চিত করেন থানার এস আই তারেক নাজির।
মহেশপুর সীমান্তে ৬ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সামন্তা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ৬ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক তৎপরতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)-এর সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৫টা ১০ মিনিটে ৫৫/এমপি সীমান্ত পিলারের গেট দিয়ে ভারতের ৫৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সিঙ্গামোড়া ক্যাম্পের সদস্যরা ৪ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলাকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সামন্তা বিওপির টহল দল বিষয়টি শনাক্ত করে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেয়। বর্তমানে ওই ৬ জন সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন। বিষয়টি বিএসএফকে অবহিত করা হয়েছে। বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশ-ইন প্রতিরোধে বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং দায়িত্বশীলভাবে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাচ্ছে।
পুশ ইনের জন্য আনা ৩ নারীকে ফেরত নিল বিএসএফ
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে পুশ ইনের জন্য জড়ো করা ৩ নারীকে গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে ফেরত নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। ঘটনার পর সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) টহল জোরদার করেছে। বিপরীতে ভারতীয় অংশে বিএসএফ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে অবস্থান নিয়েছে। বিজিবি, সীমান্ত সূত্র ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের ষোলঘড়িয়া গ্রামের সীমান্ত এলাকায় প্রধান পিলার ৮৩৪-এর ১ নম্বর উপপিলারের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার গোলাপাড়া গ্রামের সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়াসংলগ্ন লাইট বন্ধ করে দেয় বিএসএফ। এ সময় পুশ ইনের জন্য আনা ৩ নারীকে শূন্যরেখা থেকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায় বাহিনীটি। এর আগে ভোরে একই সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৩৩-এর ৯ নম্বর উপপিলার এলাকায় শূন্যরেখা দিয়ে ভারতের ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের খরখড়িয়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ৮ জন নারী-পুরুষকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে পাঠায় বলে অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এদের মধ্যে ৫ জন ট্রেনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে গেছে। বিজিবি স্বীকার করে জানায়, বিএসএফ ৩ জন নারীকে পুশ ইনের চেষ্টা করেছিল। সীমান্তের স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় ওই ৩ নারীকে পুনরায় ভারতের শূন্যরেখায় ফেরত পাঠানো হয়। এতে ভারতের ১০০ গজ অভ্যন্তরের শূন্যরেখায় প্রায় ২০ ঘণ্টা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করেন ওই ৩ নারী। ঘটনার পর শনিবার বেলা ১২টায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৩৩-এর ৮ নম্বর উপপিলার এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে টহল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে খরখড়িয়া বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ড্যান্টসহ ৬ জন এবং ধবলসূতি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার জুবায়ের হোসেনসহ ৬ জন অংশ নেন। বৈঠকে পুশ ইন করা ৩ নারীকে দ্রুত ফেরত নিতে বিএসএফকে বলা হলে, বাহিনীটি অধিনায়ক পর্যায়ে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায়। পরে একই দিন দিবাগত রাতে ওই তিন নারীকে ফেরত নিয়ে যায় বিএসএফ। বিজিবি ৬১ ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) সহকারী পরিচালক (এডি-অবস) কারিমুল ইসলাম হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তায় ৩ নারীকে বিএসএফ ফেরত নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মাদক ও ভারতীয় ওষুধ উদ্ধার
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক ও ভারতীয় চোরাচালানি ওষুধ উদ্ধার করেছে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করে এসব মালামাল জব্দ করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মহেশপুর ব্যাটালিয়নের মাতিলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালানো হয়। অভিযানে সীমান্ত পিলার ৫২/২৪-আর এলাকা সংলগ্ন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মাতিলা বাগান পাড়া গ্রামে মো. মসিন তফেলের বাঁশবাগান থেকে ২৬ বোতল ভারতীয় সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এ সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। একই দিনে একই বিওপির আরেকটি অভিযানে সীমান্ত পিলার ৫২/২৫-আর এলাকা সংলগ্ন মাতিলা বাগান পাড়া গ্রামে মো. মসিন তফেলের বাঁশবাগান থেকে ১ হাজার ৮০০ পিস ভারতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। বিজিবির দাবি, চোরাচালানবিরোধী অভিযানের খবর পেয়ে জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া মহেশপুর ব্যাটালিয়নের খোশালপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে সীমান্ত পিলার ৬০/৮-আর এলাকা সংলগ্ন খোশালপুর গ্রামের মাঠের পাটক্ষেত থেকে ২ হাজার পিস ভারতীয় ওষুধ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনাতেও কোনো চোরাকারবারিকে আটক করা যায়নি। মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার হওয়া মালামাল জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে এগিয়ে আছে থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আজ (৪মে) সকাল ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। বহুল আলোচিত রাজ্য তামিলনাড়ুতেও ভোট গণনা হচ্ছে আর এতে এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছে দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন দল তামিলগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে)।
বাবা কথার মানে
আমার বাবার অতি সাধারণ জীবন যাপঙ্করতেন। যেমন কমদামি কাপড়ের পায়জামা,পাঞ্জাবি ছেঁড়া চপ্পল,বড় অপরিষ্কার চুল দাড়ি ছিল তাঁর অঙ্গসাজ।তাই তাকে নিয়ে স্কুলে সহপাঠীদের কাছে আমাকে অনেক কটুক্তি,বিদ্রুপ,অবজ্ঞা অবহেলা শুনতে হতো।
বছরের শুরুতে ডলারের বিপরীতে বড় পতন ভারতীয় রুপি’র
ভারতীয় রুপি ২০২৬ সালকে সামান্য পতনের সাথে স্বাগত জানিয়েছে, কর্পোরেটদের কাছ থেকে ডলারের চাহিদার চাপে, অন্যদিকে নতুন বছরের প্রথম লেনদেনে ভলিউমের হ্রাস বড় ধরনের ওঠানামাকে বাধাগ্রস্ত করেছে, ব্যবসায়ীদের মতে।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরলোক গমনে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরলোক গমনে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন । মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার ভেরিফাইড ফেসবুকে পেজে এ তথ্য জানান।
মালয়েশিয়ায় ৭২ বাংলাদেশি আটক
মালয়েশিয়ায় একটি কম্পিউটারের কারখানায় অভিযানে ৭২ জন বাংলাদেশি আটক হয়েছে। এ ছাড়াও ২৯৯ জন মিয়ানমারের, ২২ জন ভারতীয়, ৩ জন ইন্দোনেশীয়, ২ জন নেপালী, ১ জন পাকিস্তানি ও ফিলিপাইনের নাগরিকও রয়েছেন। সবমিলিয়ে মোট ৪০২ জন অবৈধ নাগরিককে আটক করে । এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য লেংগেং ইমিগ্রেশন ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
জুলাই ঐক্যের ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরীফ ওসমান হাদিকে খুন করার উদ্দেশ্যে হামলা করে দূর্বৃত্তরা । হাদির খুনিরা ইন্ডিয়ায় পালিয়ে গেছে খুব সহজেই। যার প্রেক্ষিতে মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন ঘোষণা করে জুলাই ঐক্যে পরিষদ।
পিলখানা হত্যাযজ্ঞ: তাপস, সেলিম সমন্বয় ভারতীয় গোয়েন্দার অংশ নেন কমান্ডো এনএসজিসহ ২৪ ভারতীয়
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সংঘটিত নৃশংস হত্যাযজ্ঞের ১১ মাসব্যাপী তদন্ত শেষে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে। ৩৬০ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে পুরো ঘটনার পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং বাস্তবায়ন পর্যায়ে জড়িত ব্যক্তি ও পক্ষগুলোর বিস্তারিত বিবরণ উঠে এসেছে।
ভারতের সঙ্গে ১০ চুক্তি বাতিল: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরই ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলো পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পর্যালোচনার পর ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে হওয়া ১০টি চুক্তি বাতিল করা হয়েছে এবং কয়েকটি চুক্তি পুনর্বিবেচনা বা স্থগিতের পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
ভারতের পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে কাঠের স্রোত
ভারত থেকে ভেসে আসা বিপুল পরিমাণ কাঠ ও গাছের গুঁড়িতে ভরে উঠেছে কুড়িগ্রামের সীমান্তঘেঁষা নদীগুলো। ভারী বৃষ্টি, তীব্র স্রোত ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে ভারতের হাসিমাড়া বন থেকে ভেসে আসছে কুড়িগ্রামের কালজানি নদীতে এসব কাঠ ভেসে আসছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। শুকনো কাটা গাছের গুড়ি বা শিকড় বাকড় আস্ত গাছও ভেসে আসছে। আর সেই কাঠ সংগ্রহ করতে নদীরে দুই ধারে স্থানীয়দের ভীড়।
ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপের নবম মুকুট ভারতের মাথায়
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল শেষ হলো ভারতীয়দের উল্লাসে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলল ভারত।