বিদ্যুৎ
গ্রিড কাজে রংপুর-লালমনিরহাটসহ তিন সঞ্চালন লাইনে শাটডাউন
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-এর আওতাধীন ‘পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথেনিং (জি-টু-জি)’ প্রকল্পের নির্মাণকাজের স্বার্থে রংপুর-লালমনিরহাট, রংপুর-তারাগঞ্জ ও রংপুর-কুড়িগ্রাম ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনে পর্যায়ক্রমে শাটডাউন দেওয়া হবে। এ কারণে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) ও পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় আংশিক লোডশেডিং হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রংপুর ২৩০/১৩২ কেভি জিআইএস গ্রিড উপকেন্দ্রের নির্মাণকাজ নিরাপদ ও নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আগামী সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টানা ১৫ ঘণ্টা রংপুর-লালমনিরহাট ১৩২ কেভি এবং রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সার্কিট-১ সঞ্চালন লাইন শাটডাউনে থাকবে। এছাড়া ২৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত রংপুর-কুড়িগ্রাম ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনেও পর্যায়ক্রমে শাটডাউন কার্যক্রম চলবে। শাটডাউনের ফলে নেসকোর আওতাধীন সংশ্লিষ্ট ৩৩ কেভি ফিডারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এতে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় আংশিক লোডশেডিং হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নেসকোর কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, “সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নকাজের কারণে প্রায় এক সপ্তাহ জেলায় আংশিক লোডশেডিং হতে পারে। নেসকো ও পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক- উভয়েই এর প্রভাবের আওতায় আসতে পারেন। আগামী ৫ আগস্টের পর সঞ্চালন ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার কথা রয়েছে।”
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার : জনদুর্ভোগ চরমে
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহে অনিয়ম, দীর্ঘ লোডশেডিং এবং ফিলিং স্টেশন গুলোতে তেল সংকটের অভিযোগে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছাছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল খাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।