মাদক
কালীগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৬ জনের কারাদণ্ড
গাজীপুর কালীগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৬ জন কে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) উপজেলার সাওরাইদ বাজার ও বালীগাঁও এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন কালীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা।ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় দায়ের করা ৬ টি পৃথক মামলায় বালীগাঁও গ্রামের তাছলিমা বেগম, রবিউল ও ইব্রাহিমকে তিন মাস করে এবং মুক্তারপুর ইউনিয়নের দিঘুয়া গ্রামের মোঃ আরিফুল ইসলাম, মোঃ মিঠুন মিয়া ও মানিক মিয়াকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় কালীগঞ্জ থানার এসআই ইব্রাহীম শেখ এবং বেঞ্চ সহকারী সামসুন নাহার সিমু উপস্থিত ছিলেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালিত হবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
কালীগঞ্জে মাদক সেবনের অপরাধে ৪ জন কে এক মাসের কারাদণ্ড
গাজীপুরের কালীগঞ্জে মাদক সেবনের অপরাধে ৪ জন কে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার লিমা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মোক্তারপুর ইউনিয়নের মোক্তারপুর এলাকায় ৪ জন যুবক বসে মাদক সেবন করছিল। কালীগঞ্জ থানা পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনাকালে মাদকসেবনরত অবস্থায় তাদের আটক করেন। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দন্ডাদেশ প্রদান করা হয়। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের দক্ষিণ খলাপাড়া গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে মেহেদী হাসান(১৮), মোক্তারপুর ইউনিয়নের মোশারফ হোসেনের ছেলে আশরাফ হোসেন সেতু(২৭), পঞ্চগড় জেলার দেবিগঞ্জ থানার সোনাপাতা গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে মোঃ ইস্রাফিল(২২), বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার সাকসিরি গ্রামের গিয়াস হাওলাদারের ছেলে রাকিব হাওলাদার(২৮) । এদিকে উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের পানজোড়া গ্রামের মৃত মফিজউদ্দিনের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম মোকলেছকে সরকারি অনুমোদন ব্যতীত কৃষি জমির শ্রেণির পরিবর্তন করে বালু ভরাটের অপরাধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে ১ লাখ টাকা আর্থিক জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা বলেন, মাদকের বিরোধী প্রশাসনের অভিযান ও দন্ড চলমান রয়েছে। কৃষি জমি ভরাট করা দন্ডনীয় অপরাধ। যারা কৃষি জমি ভরাট করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং আর্থিক জরিমানা করা হবে।
মহেশপুরে পুলিশের অভিযানে ১৩ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক উদ্ধার, আটক ৪
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক ও তিনটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান ও ওসি (তদন্ত) এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের তালসার গ্রামের চিহ্নিত মাদক চোরাচালানি ইসরাফিলের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে ইসরাফিলসহ চারজনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ১৪৪ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপ, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ৫০০ পিস অবৈধ ভারতীয় ইনজেকশন, তিনটি মোবাইল ফোন এবং মাদক পাচারে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়। পুলিশের দাবি, উদ্ধারকৃত মাদক ও জব্দকৃত আলামতের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ ৩২ হাজার টাকা। এ বিষয়ে মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, "মাদক, মানবপাচার ও সীমান্তবর্তী এলাকায় সব ধরনের চোরাচালান রোধে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। এসব অপরাধ দমনে পুলিশের বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলমান থাকবে।" আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গাইবান্ধা ডিবি পুলিশের অভিযানে ফুলছড়ি উপজেলায় উদাখালী ইউনিয়নে ইয়াবা সহ আটক
পুলিশ সুপার, গাইবান্ধা মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, গাইবান্ধা এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জিডি নং-৯০, ইং-১২/০৭/২০২৬খ্রিঃ মূলে মোটরসাইকেল যোগে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ গাইবান্ধা ফুলছড়ি থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযান করে ইং-১২/০৭/২০২৬ তারিখ গাইবান্ধা ফুলছড়ি থানাধীন ০৩ নং উদাখালী ইউপির ০৭নং ওয়ার্ডের উদাখালী, কানিপাড়া গ্রামস্থ ধৃত আসামীর বসত বাড়ির ভিতর খোলা বারান্দায় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়কালে একজন ব্যক্তি কৌশলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় ঘটনাস্থল আসামী ১। মাজহারুল ইসলাম (৪৬), পিং-মৃত গাজিউর রহমান, সাং- উদাখালী, কানিপড়া, থানা- ফুলছড়ি, জেলা- গাইবান্ধাকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষী ও আশপাশের লোকজনের সামনে বিধি মোতাবেক পর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক লাইটের আলোতে ধৃত আসামী মোঃ মাজাহারুল ইসলাম (৪৬) এর দেহ তল্লাশীকালে তাহার পরিহিত প্যান্টের সামনের বাম পকেট হতে নিজ হাতে বের করে দেওয়া একটি নীল রংয়ের জিপার প্যাকেট হইতে কমলা রংয়ের ১০৫ (একশত পাঁচ) পিস মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট, যাহার প্রতিটি ট্যাবলেট ওজন ০.১ গ্রাম, মোট ওজন (০.১দ্ধ১০৫)= ১০.৫(দশ দশমিক পাঁচ) গ্রাম উদ্ধারপূর্বক ইং ১২/০৭/২০২৬ তারিখ ২৩.৩০ ঘটিকায় জব্দ তালিকামূলে জব্দ করিয়া গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি থানার মামলা নং-০৯, তারিখ-১৩/০৭/২০২৬খ্রিঃ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
পাঁচবিবিতে মাদকদ্রব্যসহ ব্যবসায়ীকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ৩'শ পিস আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় নেশা জাতীয় ইনজেকশন এ্যাম্পুলসহ আবুজার রহমান (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। রবিবার বিকালে উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের সীমান্তঘেঁষা শ্রীমন্তপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত পাঁচবিবি উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের উচনা গ্রামের মোঃ শাহার উদ্দিনের ছেলে। জয়পুরহাট জেলা ডিবি পুলিশের ওসি মোঃ আসাদুল ইসলাম আসাদ জানান, রবিবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি ভারত থেকে মাদকদ্রব্য দেশে প্রবেশ করছে। এমন সংবাদ পেয়ে ডিবি পুলিশের সিনিয়র এসআই মোঃ শাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে শ্রীমন্তপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এ্যাম্পুলসহ আবুজারকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৩'শ পিস আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় নেশা জাতীয় ইনজেকশন এ্যাম্পুল উদ্ধার করা হয়েছে। আটককৃত আবুজারের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। জেলা পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম জানায়, সমগ্র জেলাসহ বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালান ও কেনাবেচা রোধে ডিবিসহ অন্যান্য ইউনিটের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
কুষ্টিয়ায় মাদক/বিরোধী অভিযানে চার মাদক/সেবী আটক, ভ্রাম্য/মাণ আদালতে কারা/দণ্ড
কুষ্টিয়ার সদর ও কুমারখালী উপজেলায় পরিচালিত মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ চারজনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুষ্টিয়ার “খ” সার্কেলের উদ্যোগে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মোল্লাতেঘরিয়া এবং কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়া লালনের মাঠ এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে আটক ব্যক্তিরা হলেন, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মোল্লাতেঘরিয়া গ্রামের মো. হাবিব (২১), রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মাছপাড়া গ্রামের মো. আশফাক আলম (৩৪), কুষ্টিয়া সদর উপজেলার থানাপাড়া এলাকার মো. মানিক (৩৩) এবং কুমারখালীর জয়নাবাদ চরপাড়া গ্রামের মো. খাদিমুল ইসলাম (৪৯)। অভিযান চলাকালে তাদের কাছ থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক খবির আহমেদের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উপপরিদর্শক মো. ইকবাল হোসেন ও মো. আসিফুজ্জামান অংশ নেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা উপস্থাপন করা হলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. জাকিউল আলম এবং মেহেদী হাসান রিফাত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত চার আসামির প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। রায় কার্যকরের জন্য তাদের কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক নির্মূল ও মাদক ব্যবসা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
গাইবান্ধায় ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী আটক
মহোদয় এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, গাইবান্ধা এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাইবান্ধা জেলার গাইবান্ধা সদর থানা এলাকায় মাদক ও জুয়া বিরোধী অভিযান পরিচালনা করিয়া অদ্য ১২/০৭/২৬ খ্রিঃ১২ঃ৩০ ঘটিকায় গাইবান্ধা সদর থানাধীন ২ নং মালিবাড়ী ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের কিসামত মালিবাড়ি মধ্যপাড়া গ্রামস্থ জনৈক লাল মিয়া বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয়ের সময় গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ উজ্জল মিয়া (২৫) পিতা- মোঃ হাবিবুর রহমান সাং-কাউন্সিলর বাজার থানা- গাইবান্ধা, জেলা -গাইবান্ধা এর পরিহিত প্যান্টের সামনের বাম পকেট হইতে সাদা পলিথিনে মোড়ানো ১ পোটলায় কমলা রঙের অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ৭০(সত্তর) পিস উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। তাহার বিরুেদ্ধ আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
কালীগঞ্জ ইয়াবা ও ফেন্সিডিল সহ ৩ জন গ্রেফতার
কালীগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক ৪০ (আঠার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ০৪ (চার) বোতল ফেন্সিডিল (কোরেক্স) উদ্ধার এবং ০৩ জন আসামী গ্রেফতার। ঝিনাইদহ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন্ হাছান, পিপিএম মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ, কালীগঞ্জ থানা মোঃ জেল্লাল হোসেন এর নেতৃতে থানা এলাকায় সংগঠিত বিভিন্ন অপরাধ, মাদক ও চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার এবং ওয়ারেন্ট তামিলসহ বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করিয়া আসিতেছে। বৃহস্পতিবার(৯ জুলাই) কালীগঞ্জ থানা এলাকায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে (১) কালীগঞ্জ হতে কোঁটচাঁদপুর গামী আঞ্চলিক সড়কের বিহারী মোড়ের উত্তর পাশে তালুকদার হোটেল এন্ড সুইটস এর মধ্যে, ১. মো: রবিউল ইসলাম @ বাবু, বয়স: ২১, পিতার নাম: মো: আজম বিশ্বাস, গ্রাম- দক্ষিন আড়পাড়া (মাঠপাড়া) এবং ২. নাম: মো: রিমন, বয়স: ১৮, পিতার নাম: মো: আজগর আলী, গ্রাম- সানবান্দা (উত্তরপাড়া) , উপজেলা/থানা- কালীগঞ্জ, জেলা -ঝিনাইদহ, বাংলাদেশ, কে ৪০ (চল্লিশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট, ওজন-০৪ গ্রাম, মূল্য অনুমান-২০,০০০/-টাকা এবং (২) কালীগঞ্জ পৌরসভা, মৌজা-০৩ কালীগঞ্জ পৌরসভা, - কালীগঞ্জ থানাধীন নিমতলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন কালীগঞ্জ ড্রাগ হাউজের সামনে পাঁকা রাস্তার পাশে হিজল নামক গাছের নিচ থেকে ইমন হোসেন, বয়স: ২৫, পিতার নাম: রেজাউল ইসলাম, গ্রাম- ফুলবাড়ী (মধ্যপাড়া) উপজেলা/থানা- কালীগঞ্জ, জেলা -ঝিনাইদহ, বাংলাদেশ কে ০৪ বোতল WINCEREX Syrup অবৈধ মাদকদ্রব্য। ওজন-৪০০ গ্রাম, মূল্য ৮,০০০/-টাকাসহ গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় পৃথক পৃথক ০২ টি নিয়মিত মাদক মামলা রুজু হয়।
শ্রীপুরে পৃথক অভিযানে দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় পুলিশের পৃথক বিশেষ অভিযানে ৭৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। আজ (৯ জুলাই) বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয় শ্রীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল উপজেলার বহেরারচালা এলাকার একটি কার্টন ফ্যাক্টরির পাশে আব্দুল করিমের দোকানের সামনে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মো. সুমন মিয়া (২৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে তার কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার সুমন মিয়ার বাড়ি লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায়। তিনি বর্তমানে শ্রীপুর উপজেলার বহেরারচালা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শ্রীপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই অভিযানের ধারাবাহিকতায় রাত ১১টা উপজেলার ভাংনাহাটি এলাকার একটি ঢালাই পাকা সড়ক থেকে মো. চান মিয়া (৩৮) নামে আরও এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। চান মিয়ার বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায়। তিনি শ্রীপুরের ভাংনাহাটি এলাকায় বসবাস করতেন। তার বিরুদ্ধেও একই আইনে শ্রীপুর মডেল থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। শ্রীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানায়, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বার্তা প্রেরক মহিউদ্দিন আহমেদ শ্রীপুর গাজীপুর সংবাদদাতা ৯/৭/২৬ইং
গাইবান্ধায় ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী আটক
পুলিশ সুপার,গাইবান্ধা মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এবং অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা এর নের্তৃত্বে একটি অভিযানিক টিম গোপন সংবাদের ভিক্তিতে গাইবান্ধা পৌরসভা এলাকায় জেলা গোয়েন্দা শাখার জিডি নং- ৪৭, তারিখ- ০৭/০৭/২০২৬খ্রি. মূলে সরকারি গাড়ীযোগে মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা কালে ইং ০৭/০৭/২০২৬ তারিখ গাইবান্ধা জেলার সদর থানাধীন গাইবান্ধা পৌরসভার পুরাতন জেলখানার মোড় ট্রাফিক পুলিশ অফিস ভবনের সামনে পাকা রাস্তার উপর অবস্থানকালে ১| মোঃ নুরু মিয়া(৫৫), পিং - মৃত চয়েন উদ্দিন, সাং-পশ্চিম রাধাকৃ্ষ্ণপুর, থানা- গাইবান্ধা সদর, জেলা- গাইবান্ধা কে গ্রেফতার করা হয় | ধৃত আসামীর দেহ তল্লাশী করা কালে স্বহস্তে বের করে দেওয়া মতে তার পরিহিত চেক লুঙ্গির ডান কোচ হইতে সাদা পলিথিনে মোড়ানো ১৫০( একশত পঞ্চাশ) গ্রাম শুকনো গাঁজা , যাহার অনুমান মূল্য ৩০০০ (তিন হাজার ) টাকা উদ্ধার করিয়া সাক্ষিদের উপস্থিতিতে ইং- ০৭/০৭/২৬ তারিখ , ১৭.৩০ ঘটিকায় যথাযথ বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়। ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানার মামলা নং-১৭, তারিখ-০৭/০৭/২০২৬, ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(ক) দায়ের করা হয়েছে| আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
হালুয়াঘাটে মাদকের ভয়াবহ রূপ:দর্শারপাড়ে বিপথগামী অপ্রাপ্তবয়স্করা
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার দর্শারপাড় এলাকায় মাদকের বিস্তার দিন দিন ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এলাকার ১১ থেকে ১৬ বছর বয়সী অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর ও যুবসমাজ এই মরণনেশায় জড়িয়ে পড়ছে। মদ, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সেবনের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এলাকায় অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের রমরমা ব্যবসা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দর্শারপাড় এলাকায় দেশি মদের প্রাপ্যতা অনেক বেশি। এলাকার কিছু উপজাতি পরিবার কেবল নিজেরা মদ পান করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, তারা বাণিজ্যিকভাবে এই মদ তৈরি ও বিক্রি করছে। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই দর্শারপাড় এলাকায় বহিরাগত মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যায়। মদ পান করে রাস্তাঘাটে মাতলামি এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে এলাকার সামাজিক পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি ক্ষুণ্ন হচ্ছে দীর্ঘদিনের সুনাম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন আমাদের এলাকার ছোট ছোট ছেলেরা মদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। সন্ধ্যার পর বাইরে বের হওয়াই দায় হয়ে গেছে। বহিরাগতরা এসে মদ খেয়ে মাতলামি করে। আমরা সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম আতঙ্কে আছি।" পাশাপাশি এলাকায় বেশ কয়েকজন গাঁজা ব্যবসায়ী সক্রিয় থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। কিশোরদের হাতে সহজে মাদক পৌঁছে যাওয়ায় ধ্বংসের মুখে পড়ছে আগামী প্রজন্ম। এলাকার সচেতন মহলের দাবি, এই সামাজিক অবক্ষয় রুখতে এবং দর্শারপাড়ের শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের কঠোর ও দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি। বিশেষ করে উপজাতি পরিবারগুলোকে প্রশাসনের মাধ্যমে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া এবং মাদক বিক্রির আস্তানাগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানো এখন সময়ের দাবি।
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মাদক ও ভারতীয় ওষুধ উদ্ধার
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক ও ভারতীয় চোরাচালানি ওষুধ উদ্ধার করেছে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করে এসব মালামাল জব্দ করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মহেশপুর ব্যাটালিয়নের মাতিলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালানো হয়। অভিযানে সীমান্ত পিলার ৫২/২৪-আর এলাকা সংলগ্ন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মাতিলা বাগান পাড়া গ্রামে মো. মসিন তফেলের বাঁশবাগান থেকে ২৬ বোতল ভারতীয় সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এ সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। একই দিনে একই বিওপির আরেকটি অভিযানে সীমান্ত পিলার ৫২/২৫-আর এলাকা সংলগ্ন মাতিলা বাগান পাড়া গ্রামে মো. মসিন তফেলের বাঁশবাগান থেকে ১ হাজার ৮০০ পিস ভারতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। বিজিবির দাবি, চোরাচালানবিরোধী অভিযানের খবর পেয়ে জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া মহেশপুর ব্যাটালিয়নের খোশালপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে সীমান্ত পিলার ৬০/৮-আর এলাকা সংলগ্ন খোশালপুর গ্রামের মাঠের পাটক্ষেত থেকে ২ হাজার পিস ভারতীয় ওষুধ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনাতেও কোনো চোরাকারবারিকে আটক করা যায়নি। মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার হওয়া মালামাল জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
সাতক্ষীরায় মাদক ও ভারতীয় পণ্যসহ গ্রেপ্তার ১
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে একটি কাভার্ড ভ্যানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক, ভারতীয় নিষিদ্ধ ওষুধ ও বিড়ি জব্দ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৬)। এ সময় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. আব্দুল মজিদ শেখ (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামনগর উপজেলার মথুরাপুর এলাকায় র্যাবের একটি আভিযানিক দল এই অভিযান পরিচালনা করে। র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুল মজিদ শেখ দীর্ঘদিন ধরে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় মাদক ও বিভিন্ন চোরাচালানি পণ্য এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মথুরাপুর এলাকায় একটি কাভার্ড ভ্যান তল্লাশি করে এসব অবৈধ মালামাল উদ্ধার করা হয়। র্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার জায়েন উদ্দিন মোহাম্মদ জিয়াদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শ্যামনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই চক্রের সাথে জড়িত পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কালীগঞ্জে পানের বরজে মিললো ১২ কেজি ওজনের গাঁজা গাছ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে একটি পানের বরজের ভেতর থেকে বিশাল আকৃতির একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা গাছটির ওজন ১২ কেজিরও বেশি। এই ঘটনায় সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জেল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এই গাঁজা গাছটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ফারাশপুর গ্রামের একটি পানের বরজে অভিযান চালায় কালীগঞ্জ থানা পুলিশ। এ সময় বরজের ভেতর অত্যন্ত গোপনে চাষ করা বিশাল আকারের ওই গাঁজা গাছটি উপড়ে জব্দ করা হয়। পরে ওজন মেপে দেখা যায় গাছটি ১২ কেজিরও বেশি। মাদক চাষ ও ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অপরাধে ঘটনাস্থল থেকেই সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পানের বরজের আড়ালে অভিনব কায়দায় এই গাঁজার চাষ করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে সেখানে অভিযান চালিয়ে ১২ কেজির বেশি ওজনের গাছসহ একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশের এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাটে মাদকের ভয়াবহ গ্রাস যুবসমাজ রক্ষায় ‘মাদক বিরোধী ঐক্য পরিষদ
এক সময় যে সীমান্ত দিয়ে সাবান, শ্যাম্পু, চিনি, তেল কিংবা জিরার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চোরাচালান হতো, আজ সেই পথেই হালুয়াঘাটে ঢুকছে মরণনেশা মাদক। হালুয়াঘাটে কোনো মাদক উৎপাদন না হলেও প্রতিবেশী দেশ এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুট দিয়ে আসা বিষাক্ত মাদকের ছোবলে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় যুবসমাজ। কিছু অসাধু ও অর্থলোভী মানুষের কারণে আজ ঘরে ঘরে সন্তান ও পরিজনেরা অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, যারা আমাদের মৌলিক চাহিদাকে পুঁজি করে চোরাচালান করত, তারাই আজ সুকৌশলে আমাদের যুবসমাজের শরীর, মন ও মানসিক চিন্তাশক্তি কেড়ে নিতে মাদকের বিস্তার ঘটাচ্ছে। এই দেশদ্রোহীদের রুখে দিতে এবং হালুয়াঘাটকে দেশের এক নম্বর মাদকমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছে একঝাঁক উদ্যমী তরুণ। গঠিত হয়েছে ‘মাদক বিরোধী ঐক্য পরিষদ’ এক মঞ্চে প্রশাসন, আলেম সমাজ ও তরুণ প্রজন্ম মাদকের এই করাল গ্রাস থেকে হালুয়াঘাটকে মুক্ত করতে ‘মাদক বিরোধী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে এক অভূতপূর্ব ঐক্য গড়ে উঠেছে। এই সামাজিক আন্দোলনে শামিল হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও সুশীল সমাজ পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন ওলামা ও আলেম সমাজ শিক্ষিত তরুণ, ছাত্রসমাজ এবং অভিজ্ঞ মুরুব্বিগণ লক্ষ্য দেশের এক নম্বর মাদকমুক্ত উপজেলা সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ জানান, তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো হালুয়াঘাট থেকে মাদক সেবনকারী ও অসাধু মাদক ব্যবসায়ীদের সমূলে নির্মূল করা। অর্থের লোভে যারা নিজেদের সমাজ ও যুবসমাজকে ধ্বংস করছে, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে এলাকার বিজ্ঞ মুরুব্বি ও সচেতন নাগরিকরা অত্যন্ত আশাবাদী। তারা মনে করছেন, তরুণদের এই ঘুম ভেঙে জেগে ওঠা এবং প্রশাসনের জোরালো ভূমিকা অচিরেই হালুয়াঘাটকে একটি সুস্থ, সুন্দর ও মাদকমুক্ত আদর্শ উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে।